অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট : আয় করুন ঘরে বসে

বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইন থেকে আয় করার জন্য বিশ্বের মধ্যে অনেকগুলো ওয়েবসাইট সফটওয়্যার বিদ্যমান রয়েছে। কিন্তু অনেকে অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট এর সন্ধান করে থাকেন। কারণ বাংলাদেশের সাইট থেকে কাজ করে অর্থ উপার্জন করলে। সেই টাকা বিকাশ বা রকেট এর মাধ্যমে সহজে পেমেন্ট পাওয়া যায়।  বাংলাদেশের সাইটের মাধ্যমে কাজ করে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করতে চান তারা এই আর্টিকেলটি পরিপূর্ণ পড়ুন। এবং কোন কিছু না বুঝলে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে প্রশ্ন করবেন।

অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট –

বাংলাদেশের সাইট থেকে ইনকাম করার জন্য তেমন বেশি সাইট বর্তমানে তৈরি হয় নাই। যদি আপনি আমেরিকা বা অস্ট্রেলিয়া এ সকল দেশের সাইটের মাধ্যমে কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে চান, তাহলে আপনি একাধিক সাইটের সন্ধান পাবেন। আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া এই সকল দেশের সাইট থেকে অর্থ উপার্জন করলে। খুব ভালো পরিমাণে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব হয়। বাংলাদেশে সাইটের মাধ্যমে অনলাইন থেকে টাকা আয় করতে চাইলে। আপনাকে বেশি পরিশ্রম করতে হবে। কিন্তু কম টাকা আপনি আয় করতে পারবেন।

অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট
অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট

সুতরাং আপনি যদি একদম নতুন হয়ে থাকেন এবং অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট এর সন্ধান করে থাকেন। তাহলে আপনি এই আর্টিকেলের প্রকাশিত যে সকল রিসোর্স শেয়ার করা হয়েছে। উক্ত রিসোর্সগুলো ব্যবহার করে বাংলাদেশি সাইট থেকে আয় করতে পারেন। 

Grathor হলো অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট –

ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রথমে আপনাকে একজন লেখক হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করার পর আপনি আপনার ইচ্ছামত বিভিন্ন বিষয়ে এই ওয়েবসাইটে লেখা প্রকাশ করতে পারবেন। আপনার লেখাগুলো থেকে যে পরিমাণ অর্থ উপার্জন হবে। উক্ত উপার্জিত টাকা থেকে Grathor আপনার সাথে একটি অংশে ভাগ করে নিবে। এই সাইটে রেজিস্ট্রেশন করা খুবই সহজ। আপনার একটা ইমেইল এবং মোবাইল নাম্বার থাকলে, আপনি খুব সহজে এখানে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। 

গ্রাথোর থেকে বিভিন্ন পদ্ধতিতে আয় করা যায় –

সত্যি বলতে যারা বাংলাদেশে বসে অনলাইন থেকে সামান্য পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে চাই তাদের জন্য এটি একটি বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট। এখানে আপনার লেখা প্রকাশ করার পাশাপাশি আপনি আরও বিভিন্ন পদ্ধতিতে ইনকাম করতে পারবেন। তবে এখান থেকে আপনি লাখ টাকা ইনকাম করার স্বপ্ন দেখবেন না। যদি আপনি এমন স্বপ্ন দেখে থাকেন, তাহলে ব্যক্তিগত এরকম একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিজেই কাজ শুরু করতে পারেন। যেহেতু আপনি অন্যদের ওয়েবসাইটে আপনার লেখা প্রকাশ করে অর্থ উপার্জন করবেন। এই ক্ষেত্রে আপনাকে সামান্য কিছু টাকা উপহার হিসেবে দেওয়া হবে। 

আর্টিকেল প্রকাশের মাধ্যমে গ্রাথোর থেকে ইনকাম করুন:

আর্টিকেল লিখে অর্থ উপার্জন করার জন্য আপনার লেখাগুলো কমপক্ষে ৩০০ শব্দের বেশি হতে হবে। ৩০০ শব্দের কম হলে আপনার লেখাগুলো এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা যাবে না। আপনার লেখার মান যত বেশি ভাল হবে এবং আপনার লেখার দৈর্ঘ্য যতটা বেশি হবে। ততই বেশি আপনি এখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন। এরা মূলত আপনার লেখার মান এবং লিখার দরকার উপর ভিত্তি করে আপনাকে টাকা পেমেন্ট করে থাকে। প্রতিটি লেখার উপর নির্ভর করে আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমাণের টাকা আপনার একাউন্টে যুক্ত করে দিবে। 

শেয়ার এবং কমেন্ট করে গ্রাথোর থেকে আয় করুন: 

আপনার লেখা প্রকাশের পাশাপাশি আপনি আপনার লিখা এবং অন্যান্য লেখকদের লেখা গুলো বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার সাইটে শেয়ার করার মাধ্যমে। এখান থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। যত বেশি আপনি শেয়ার করতে পারবেন তত বেশি আপনি এখান থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। পাশাপাশি অন্যান্য লেখকদের লেখা বিভিন্ন কমেন্টস করার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। কমেন্ট করে ইনকাম করার জন্য আপনাকে সঠিক নিয়ম মেনে লেখকদেরকে অনুপ্রাণিত করে বিভিন্ন ধরনের মজার কমেন্ট আপনাকে করতে হবে। 

অ্যাফিলিয়েট লিংকের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করুন: 

গ্রাথোর সাইটে আপনি যত বেশি লেখকদেরকে যুক্ত করতে পারবেন। তত বেশি এখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন। এখানে একাউন্ট করার পর আপনাকে একটি এফিলিয়েট লিংক দেওয়া হবে। উক্ত লিংকটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার মাধ্যমে এখানে রেফার করে ইনকাম করতে হবে। যতজন আপনার লিংকটি ব্যবহার করে এখানে রেজিস্ট্রেশন করবে। ততজনের থেকে আপনি নির্দিষ্ট পরিমাণের একটি আফিলিয়েট কমিশন পাবেন। 

Grathor সাইটে লেখক হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন।

ভিডিও দেখে অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট 

বাংলাদেশের মধ্যে এমন কিছু সাইট রয়েছে যে সাইট গুলো থেকে ভিডিও দেখার মাধ্যমে ইনকাম করা যায়। আপনি যদি আমাদের বিডি ব্লগের আর্টিকেলগুলো নিয়মিত পড়ে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য আমাদের অনুরোধ হচ্ছে। এই ধরনের সাইট গুলোতে কাজ করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করবেন না। ভিডিও দেখে অনলাইন থেকে ইনকাম এর যতগুলো বাংলাদেশী সাইট রয়েছে। তাদের মধ্যে ৯৯% পারসেন্ট হচ্ছে ফেইক। তারা বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে আপনাদের মাধ্যমে কাজ করে নিজেরা ইনকাম করে এবং আপনাদের সময় এবং দক্ষতা কে নষ্ট করে ফেলে। 

ক্লিক করেও গেম খেলে অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট

 সত্যি বলতে আপনি যদি মোবাইল দিয়ে অনলাইন থেকে ইনকাম করার চেষ্টা করে থাকেন, তাহলে এই ধরনের অনেক গুলো অ্যাপস ও ওয়েবসাইটের সন্ধান পেয়েছেন। যদি আপনি এই ধরনের অ্যাপস ও ওয়েবসাইটে কাজ করে থাকেন, তাহলে আমি নিশ্চিত বলতে পারি আপনি এক টাকাও এখান থেকে ইনকাম করতে সক্ষম হননি। কারণ আমি জানি এই সকল অ্যাপস ও ওয়েবসাইট  থেকে ইনকাম করা কখনও সম্ভব নয়। যদিও এখান থেকে  ৪ থেকে ৫ ঘন্টা কাজ করার মাধ্যমে ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করা যায়।

এই ১০০ ও ২০০ টাকা ইনকাম করার জন্য আপনার যে পরিমাণ পরিশ্রম হবে। তার তুলনায় এই টাকা কখনো উপযুক্ত নয়। এই টাকাগুলো ইনকাম করার জন্য আপনাকে ৫০ থেকে ৬০ টাকার ইন্টারনেট খরচ করতে হবে। যদি আপনি মনে করেন, আপনার টাইম এর কোন মূল্য নাই। তাহলে এই ধরনের ওয়েবসাইট এ কাজ করে আপনি অনলাইন  থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট যতগুলো রয়েছে সব গুলোর মধ্যে অধিকাংশ ওয়েব সাইট পেমেন্ট করে না। 

শপআপ থেকে আয় করুন:

শপআপ থেকে আয় করার জন্য আপনাকে শপআপ রিসেলার হিসেবে জয়েন হতে হবে। এটি বাংলাদেশের স্বনামধন্য একটি রিসেলার সার্ভিস প্রোভাইডার কোম্পানি। অর্থাৎ আপনি যদি একজন ছাত্র হয়ে থাকেন, অথবা আপনি যদি একজন বেকার হয়ে থাকেন, যদি আপনি চাকরি করেন তাও কোন সমস্যা নাই। চাকরির পাশাপাশি অথবা অবসর সময়ে আপনি একজন রিসেলার হিসেবে অনলাইনে শপআপ থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

রিসেলার হিসেবে কাজ করার জন্য প্রথমে আপনাকে শপআপ রিসেলার এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে রেলস্টেশন করতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য আপনার একটি মোবাইল নাম্বার লাগবে। মোবাইল নাম্বার থাকলে আপনি খুব সহজে শপআপ রিসেলার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনি যদি শপআপ থেকে ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে চান, তাহলে আপনাকে ফেসবুক মার্কেটিং এবং অনলাইন মার্কেটিং সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে।

শপআপ থেকে আয় করুন
শপআপ থেকে আয় করুন

কারণ, আপনাকে সবার থেকে পণ্য নিয়ে সেগুলো পুনরায় বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে বিক্রয় করতে হবে। যদি আপনি একটু ক্রিয়েটিভ হয়ে থাকেন এবং প্রফেশনাল একটি ব্যবসা শুরু করতে চান, তাহলে নিজের একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে শপআপ থেকে নেওয়া পণ্যগুলো যুক্ত করবেন। এবং বেশি পরিমাণে প্রোডাক্ট বিক্রি করার জন্য আপনি রিসেলার ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করতে পারবেন।

একটি ওয়েবসাইট করতে গেলে আপনাকে প্রাথমিকভাবে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। আপনি আপনার পরিচিত কোন আইটি প্রতিষ্ঠান থেকে অথবা পরিচিত কোনো ডেভলপারকে দিয়ে আপনি একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট করে নিতে পারেন। যদি আপনার পরিচিত কেউ না থাকে, তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। বিডি ব্লগের টিম আপনাকে একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করতে সাহায্য করবে। এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই ডোমেইন হোস্টিং এর প্রাইস এবং থিমের প্রাইস সরবরাহ করতে হবে।

এদের ওয়েবসাইট: https://shopup.com.bd/reseller

বিডিশপ থেকে আয় করুন

BDSHOP থেকে অর্থ উপার্জন করার জন্য আপনাকে প্রথমে বিডি শপ এর অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে যুক্ত হতে হবে। বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ই-কমার্স কোম্পানির হয়ে যদি আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করেন, তাহলে আপনার ইনকামের টাকা বিকাশ রকেট এবং ব্যাংকের মাধ্যমে হাতে নিয়ে আসতে পারবেন। আপনারা যদি এই বিষয়ে বাংলাদেশ থেকে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনার ট্রাফিক সোর্স থাকতে হবে।

এক্ষেত্রে আপনি চাইলে ফেসবুক ব্যবহার করেও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। তবে বর্তমান সময়ে ফেসবুক ব্যবহার করে ফেসবুক মার্কেটিংয়ে সফলতা অর্জন করা যায় না। যদি আপনি ভালভাবে মার্কেটিং করে অর্থ উপার্জন করতে চান। এক্ষেত্রে আপনাকে ছোট্ট একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে, যার মাধ্যমে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

বিডিশপ থেকে আয় করুন
বিডিশপ থেকে আয় করুন

আপনি যদি একটি মারকেটিং ওয়েবসাইট তৈরি করেন, তাহলে আপনাকে প্রাথমিকভাবে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। কারণ ডোমেইন হোস্টিং এবং থিমস ক্রয় করার জন্য আপনাকে এ টাকা গুলো বিনিয়োগ করতে হবে। যদি আপনি নিজে নিজে ওয়েবসাইট সেটআপ দিতে পারেন, তাহলে আপনার অনেক টাকা সেভ হবে।

যদি আপনি ওয়েবসাইট কিভাবে সেটআপ দিতে হয়? সে বিষয়ে না জানেন, তাহলে আপনি একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তির সহায়তা নিতে পারেন। যিনি আপনাকে সঠিকভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে দিতে সহায়তা করবে।

এদের ওয়েবসাইট: https://www.bdshop.com/

ডোমেইন হোস্টিং এফিলিয়েট থেকে আয় করুন

বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমানে এমন অনেকগুলো ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানি রয়েছে। যারা তাদের ডোমেইন-হোষ্টিং গুলো বিক্রি করার জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের কে সুযোগ দিয়ে থাকেন। আপনি যদি একজন এফিলিয়েট মার্কেটার হয়ে থাকেন, তাহলে ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানির অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন।

এক্ষেত্রে যারা ওয়েবসাইট তৈরি করতে চাচ্ছে, তাদেরকে আপনার অ্যাফিলিয়েট লিঙ্কটি দিয়ে ডোমেইন হোস্টিং ক্রয় করে দিবেন। এভাবে আপনি যতগুলো কোম্পানির মার্কেটিং করবেন। তাদের কাছ থেকে ক্রয় করার জন্য আপনার এফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করানোর জন্য তাদেরকে অনুপ্রাণিত করতে হবে। যদি তারা আপনার এফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করে কোন কোম্পানির কাছ থেকে ডোমেইন হোস্টিং ক্রয় করে থাকে, তখন আপনি নির্দিষ্ট পরিমাণ একটি কমিশন পেয়ে যাবেন।

এই কমিশন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কমিশন হিসেবে পরিচিত। ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানির হয়ে কাজ করতে হলে, আপনাকে টেকনোলজি বিষয়ে একটু অভিজ্ঞতা রাখতে হবে। যেন আপনি অনলাইন টেকনোলজির সকল বিষয়গুলো প্রমোট করতে পারেন।

অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট –

অনলাইন থেকে ইনকাম করার জন্য আপনি যদি বিশ্বস্ত বাংলাদেশী সাইট সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে চান, তাহলে কমেন্ট করে আমাদেরকে জানান। আপনাদের অনলাইন থেকে ইনকাম এর আগ্রহ দেখলে আমরা আরো কিছু ওয়েবসাইট এ আর্টিকেলের সাথে যুক্ত করতে চেষ্টা করব। এই লেখাটি সম্পর্কে আপনার মতামত জানানোর জন্য নিচের কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত লিখে জানান। 

bd blog writer

একজন ইলেক্ট্রিক্যাল বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সবসময় টেকনোলজি কে অগ্রাধিকার দিতে ভালোবাসি। প্রযুক্তির সাথে এগিয়ে যেতে ও নিজেকে সবসময় আপডেট রাখার জন্য নিয়মিত প্রযুক্তিগত জ্ঞান নিজে অর্জনের পাশাপাশি অন্যদের সাথে শেয়ার করাতে ভালো লাগে। সময় পেলে প্রযুক্তি, ব্যবসা, মার্কেটিং বিষয়ে লিখতে চেষ্টা করি। পেশা যাই হোক, তা হতে লাভবান হতে চাইলে ব্যবসা ও মার্কেটিং জ্ঞান আবশ্যক।

2 thoughts on “অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট : আয় করুন ঘরে বসে”

  1. খুব ভালো লিখেছেন, ধন্যবাদ।আমিও বাংলাদেশি অনলাইন ইনকাম সাইট থেকে ইনকাম করতে চাই, কীভাবে করব?

    Reply
    • বাংলাদেশী সাইট থেকে বেশি ইনকাম সম্ভব না। তবে পকেট খরচের জন্য কাজ করা যাবে। কোন সাইট থেকে আয় করতে চান, তা জানান। আমরা সেই সাইটের কাজের নিয়ম শেযার করব।

      Reply

কমেনট বাক্সে আপনার মতামত লিখে জানান