কিভাবে অনলাইন ব্যবসা শুরু করব? ১০টি সহজ গাইডলাইন

কিভাবে অনলাইন ব্যবসা শুরু করব? এই বিষয়ে আমাকে অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন। যদি আপনিও এই প্রশ্নটিই করে থাকেন। এক্ষেত্রে এই প্রশ্নের জবাব জানার জন্য আজকের আর্টিকেলটি আপনি পরিপূর্ণ করতে পারেন। এখানে আমরা আপনাকে জানাবো, কিভাবে আপনি অনলাইনে বিজনেস শুরু করবেন? একটা অনলাইন বিজনেস শুরু করা সবারই স্বপ্ন থাকে। কারণ, অনলাইনের মধ্যে কিছু সহজ গাইডলাইন অনুসরণ করার মাধ্যমে খুব সহজে একটা ব্যবসা শুরু করা যায়।

যদি আপনি সেই গাইডলাইন গুলো কে পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করতে পারেন, তাহলে আপনিও যারা ইতিমধ্যে অনলাইন ব্যবসা করে সফল হয়েছে। তাদের মতোই একটি ব্যবসা দাঁড় করাতে পারবেন। আপনি যদি প্যাশনেট হয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই আপনার এই বিষয়ে মনোযোগ থাকবে।

একটা অনলাইন ব্যবসা শুরু করার জন্য এই আর্টিকেলের মাধ্যমে পরিপূর্ণ অনলাইন ব্যবসা শুরু করার গাইড শেয়ার করতে পারব। যার মাধ্যমে আপনি ছোটখাটো একটি অনলাইন ব্যবসা দাঁড় করাতে পারবেন। এবং এখান থেকে লাভবান হতে পারবেন।

কিভাবে অনলাইন ব্যবসা শুরু করব

সাধারণ ১০টি গাইডলাইন অনুসরণ করার মাধ্যমে আপনি অনলাইনে একটা ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। এখানে আমরা এমন দশটি আইডিয়া আপনার সাথে আলোচনা করব। যে গাইডলাইন গুলো আপনি সহজে অনুসরণ করার মাধ্যমে আপনার ব্যবসা সফল হতে শুরু করবে। আপনারা অনেকেই অনলাইনের মধ্যে কিভাবে একটি অনলাইন ব্যবসা শুরু করব? সেই বিষয়ে অনলাইনে সার্চ করে থাকেন। যদি আপনিও এরকম একজন পাঠক হয়ে থাকেন, তাহলে আপনি অবশ্যই আমাদের এই ব্লগ পোস্ট থেকে উপকৃত হতে পারবেন।

কারণ, এখানে আমরা আপনার সেই প্রশ্নটির উত্তর সঠিকভাবে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। যে দশটি আইডিয়া আপনাদের সাথে আমরা এখানে শেয়ার করব। সে দশটি আইডিয়া বা কৌশল গুলো অনুসরণ করার মাধ্যমে আপনারা আপনাদের অনলাইন ব্যবসা দাঁড় করাতে পারবেন। যদি আপনি অনলাইনে ব্যবসা করার স্বপ্ন দেখে থাকেন, তাহলে অবশ্যই আপনার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য এই গাইডলাইন গুলো আপনার অনুসরণ করা প্রয়োজন।

প্রথমেই একটি অনলাইন বিজনেস আইডিয়া খুঁজে বের করুন:

আপনাকে অনলাইন বিজনেস করার জন্য এমন একটি বিষয় নির্বাচন করতে হবে। যেটি অনলাইনে শুরু করার জন্য উপযুক্ত। আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই রয়েছেন, যারা অনলাইনে ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু অনলাইনে কি ধরনের ব্যবসা গুলো শুরু করা সম্ভব?

সে বিষয়ে তাদের ধারনা নাই। যার কারণে একটা ব্যবসা শুরু করা তাদের জন্য জটিল হয়ে পড়ে। আপনাকে যদি অনলাইনে ব্যবসা করতে হয়, তাহলে অবশ্যই প্রথমেই একটি আইডিয়া নির্বাচন করতে হবে। যে আইডিয়া এটির মাধ্যমে আপনি অনলাইনে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

আমরা আমাদের বিডি ব্লগের ওয়েবসাইটে ইতিমধ্যে অনেকগুলো ব্যবসা আইডিয়া আপনাদের জন্য শেয়ার করেছি। যেখান থেকে আপনি আপনার ইচ্ছামত একটা লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া নির্বাচন করতে পারেন। যার মাধ্যমে আপনি অনলাইনে আপনার ব্যবসাটি শুরু করতে পারবেন। ব্যবসা আইডিয়া সম্পর্কে যদি আপনার বিস্তারিত জানা প্রয়োজন হয়, বিডি ব্লগ ওয়েবসাইট আপনাকে সাহায্য করবে।

আপনি একাধিক আইডিয়া সম্পর্কে জানতে পারবেন

কিন্তু আপনাকে যেকোনো একটি আইডিয়া নিয়ে আপনাকে ব্যবসা শুরু করতে হবে।

কিভাবে অনলাইন ব্যবসা শুরু করব ১০টি সহজ গাইডলাইন
কিভাবে অনলাইন ব্যবসা শুরু করব

অনলাইনে যদি একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে টার্গেট করে আপনি ব্যবসা করতে পারেন, তাহলে অবশ্যই এখান থেকে ভালো একটি আউটপুট পাওয়া সম্ভব। এই ক্ষেত্রে আপনি মাল্টিপল কোন বিষয় নিয়ে চিন্তা করবেন না।

যারা একাধিক বিষয়ে একসাথে কাজ করার চেষ্টা করে থাকেন, তারা কিন্তু এখান থেকে সফল হতে পারেনা। এজন্য আপনি যদি আপনার ব্যবসা শুরু করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনার জন্য একটি লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া নির্বাচন করতে হবে। ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রথম ধাপ হচ্ছে নিজের ব্যবসা আইডিয়া নির্বাচন করা।

যদি আপনার কি ব্যবসা করা প্রয়োজন? বা আপনি কি ধরনের কাজ গুলো করতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন? সে বিষয়টি নিজের জানা না থাকে, তাহলে আপনি কিভাবে একটা অনলাইনে ব্যবসা করবেন? সে বিষয়ে কিন্তু আমি নিজেও জানি না। কারণ, আপনাকে একটা ব্যবসা শুরু করতে হলে, অবশ্যই আপনার একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকতে হবে। সেটা হতে হবে আপনার একটি নির্দিষ্ট বিজনেস আইডিয়া। যার মাধ্যমে অনলাইনে আপনার ব্যবসাটি শুরু করতে পারবেন।

পণ্য বা সেবা ক্রেতাদের কেন জন্য প্রয়োজন? তা নির্ণয় করুন:

অনলাইনে ব্যবসা করার ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই এই বিষয়টিতে মনোযোগী হতে হবে। কারণ, আপনি যদি এমন কিছু পণ্য নিয়ে কাজ করেন। যে পণ্যগুলো মূলত ক্রেতাদের কোনো প্রয়োজন নেই। বা বর্তমানে ক্রেতাদের কোনো চাহিদা নেই এমন পণ্য নির্বাচণ করেন। তাহলে আপনি এই ধরনের পণ্য নিয়ে ব্যবসা শুরু করে কখনো এখান থেকে লাভবান হতে পারবেননা।

অনলাইন ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনাকে অবশ্যই এরকম কিছু সার্ভিস বা পণ্য নির্বাচন করতে হবে। যেগুলো ক্রেতারা তাদের চাহিদা মেটাতে অনলাইন থেকে ক্রয় করতে ইচ্ছুক থাকে।

বিশেষ করে এমন কিছু গোপনীয় প্রোডাক্ট রয়েছে। যেগুলো অনলাইনে সবচেয়ে বেশি বিক্রি করা হয়। সুতরাং আপনি যদি এমন কিছু পণ্য বা সার্ভিস নির্বাচন করতে পারেন। তাহলে অবশ্যই আপনার ব্যবসাটি ভালো একটি পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবেন। যদি অনলাইনে এরকম একটি লাভজনক ব্যবসা শুরু করতে চান, প্রথমে নিজেকে নিজে প্রশ্ন করুন। কেন আপনার পণ্য এবং সেবাগুলো ক্রেতাদের প্রয়োজন হবে? এবং ক্রেতারা আপনার কাছ থেকে কেন পণ্যগুলো ক্রয় করবে? যদি আপনি এই প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর পেয়ে যান, তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে আপনার ব্যবসাটা খুব দ্রুত শুরু করা প্রয়োজন।

কিভাবে পণ্য বা সার্ভিস গুলো বিক্রয় করবেন? তা নির্ণয় করুন:

যদি অনলাইনে ব্যবসা করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনার পণ্যগুলো কিভাবে আপনি বিক্রি করবেন? সে বিষয়ে একটা পূর্ব থেকে প্ল্যান তৈরি করা প্রয়োজন। অর্থাৎ ক্রেতাদের কাছে আপনি পণ্যগুলো কিভাবে বিক্রি করবেন? সেটা আপনাকে আগে থেকেই ঠিক করতে হবে। যদি আপনি সে বিষয়টি না জানেন, তখন আপনি আপনার ব্যবসায় বিনিয়োগ করার পর। সেই উৎপাদিত পণ্য এবং সেবা বিক্রয় করতে পারবেন না।

কারণ, কিভাবে বিক্রয় করতে হয়? সে বিষয়ে যদি অভিজ্ঞতা না থাকে। কিভাবে আপনি ক্রেতাকে আপনার পণ্য বা সেবা গুলোকে অফার করবেন? এজন্য আপনাকে একজন ভালো দক্ষ উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য এবং একজন ব্যবসায়ী হওয়ার জন্য। কিভাবে পণ্যগুলো বিক্রয় করতে হবে? সে বিষয়ে পূর্বে থেকে ধারণা অর্জন করতে হবে। এক্ষেত্রে,

  • অনলাইনে কিভাবে পণ্য বিক্রয় করতে হয়?
  • পণ্য গুলোতে কি কি সুবিধা রয়েছে? এবং
  • ক্রেতাদের চাহিদা সঠিকভাবে পূরণ করতে পারবে কিনা?

এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর যাচাই করে দেখুন। যে কোন একটা ব্যবসা শুরু করার জন্য মূলত আমরা এমভিপি নিয়ে কাজ করে থাকি। এমভিপি মানে হচ্ছে সর্বনিম্ন টেকসই পণ্য।
যেটার মাধ্যমে পণ্য টেকসই চাহিদা নির্ণয় করা হয়। আমাদের পণ্য বা সেবা গুলো ক্রেতারা ক্রয় করতে আগ্রহী কিনা? এবং সেগুলো ক্রেতাদের চাহিদা সঠিকভাবে পূর্ণ করতে পারবে কিনা? সে বিষয়টি আমরা এই সর্বনিম্ন টেকসই পণ্য রিসার্চের মাধ্যমে বুঝতে পারি। যদি আপনি একজন প্রফেশনাল উদ্যোক্তা হয়ে থাকেন, তাহলে আপনিও আপনার পণ্য গুলোর চাহিদা ও টেকসই নির্ণয় করার জন্য এমভিপি রিসার্চ করুন।

ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরী করুন | কিভাবে অনলাইন ব্যবসা শুরু করব

ব্যবসা সঠিক ভাবে পরিচালনা করার জন্য একটা ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। ব্যবসায়িক পরিকল্পনা হচ্ছে, ব্যবসার মূল ও একটি মৌলিক বিষয়। যদি আপনি সঠিক মানের একটি ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন। আপনার ব্যবসা লাভজনক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার আইডিয়া পূর্ব থেকে আপনার জানা হয়ে যাবে।

ব্যবসায় পরিকল্পনার মাধ্যমে একটা ব্যবসা কি ধরনের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব? সে বিষয়ে আমরা পূর্ব থেকে ধারণা অর্জন করতে পারি। সুতরাং আপনি যদি একজন প্রফেশনাল উদ্যোক্তা হতে চান এবং আপনার ব্যবসাটাকে এগিয়ে নিতে চান। অবশ্যই একটা বিজনেস প্ল্যান তৈরি করতে হবে।

বিজনেস প্ল্যানের মাধ্যমে আপনার আইডিয়াটা কে সঠিকভাবে বাস্তবায়ন পারবেন। এবং অনলাইনে আপনি লাভজনক একটা ব্যবসা দাঁড় করাতে পারবেন।

আমরা অনেকেই ব্যবসার পরিকল্পনা তৈরি করতে ভুল করে থাকি

যদি আমরা সঠিকভাবে প্ল্যান তৈরি করতে না পারি। আমাদেরকে লোকসানের সম্মুখীন হতে হবে। যদি আমরা একজন দক্ষ ব্যক্তি হিসেবে ব্যবসায়িক পরিকল্পনা গুলো সঠিকভাবে তৈরি করতে পারি। তাহলে আমাদেরকে কেউ হারাতে পারবে না। আমরা যেকোনো ধরনের ব্যবসা উন্নতির দিকে এগিয়ে নিতে পারবো।

সুতরাং আপনাকে আমি এখানে পরামর্শ দিব। আপনার ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করার জন্য নির্দিষ্ট সময় ব্যয় করেন। এবং সেই সময়গুলো ব্যবহার করে সঠিক ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করুন। কিভাবে আপনার ব্যবসা পরিচালনা করবেন? সে বিষয়টা আপনার পরিকল্পনার মধ্যে নোট করে রাখুন। যেন আপনি কোন সময় কোন কাজটি করবেন? সে বিষয়ে সঠিক ভাবে ধারণা অর্জন করতে পারেন।

আপনি যখন ব্যবসা শুরু করবেন, তখন বিভিন্ন জামেলার কারণে অনেকগুলো বিষয় ভুলে যেতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার ব্যবসায়িক পরিকল্পনাটি দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন,

  • কিভাবে ব্যবসা পরিচালনা করা প্রয়োজন? এবং
  • কিভাবে কাজ করলে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন? এবং
  • আপনি এখান থেকে কিভাবে সফলতা অর্জন করতে পারবেন?

যদি আপনি এবিষয়গুলোকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে পারেন। এখান থেকে ভাল আউটপুট পাবেন বলে আমি আশা করি। সুতরাং আপনি খুব দ্রুতই আপনার একটা ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলুন। প্রয়োজনে আপনার টিমের সাথে বসে সবাই মিলে একটা ব্যবসায়িক পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন।

এক্ষেত্রে আপনি টিমের সাথে একসাথে কাজ করেন, তাহলে আপনার জন্য সবচেয়ে ভাল হবে। যদি আপনার পরিকল্পনার মধ্যে কোন ধরনের ভুল থাকে। সেই ভুলগুলো অন্যরা ধরে দিতে পারবে। এর মাধ্যমে আপনি একটা সফল ব্যবসায়ী পরিকল্পনা তৈরি করতে পারবেন।

সহজেই ব্যবহারযোগ্য ওয়েবসাইট তৈরি করুন

যদি আপনি আমাকে প্রশ্ন করেন। কিভাবে অনলাইনে ব্যবসা শুরু করব? এক্ষেত্রে আমি আপনাকে বলব একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি অনলাইনে ব্যবসা শুরু করবেন। আমরা যারা অনলাইনে ব্যবসা শুরু করতে চাই। তারা ওয়েবসাইটের সম্পর্কে গুরুত্ব প্রদান করি না।

আমি আপনাকে বলছি যদি আপনি অনলাইনে ব্যবসা করতে চান। তাহলে অবশ্যই একটা ওয়েবসাইট তৈরি করা আপনার জন্য বাধ্যতামূলক। বর্তমানে আপনার যদি কোন ওয়েবসাইট না থাকে, তাহলে কোনো ক্রেতা আপনাকে বিশ্বাস করবে না।

এজন্য আপনার ব্যবসাটি ছোট হোক অথবা বড় আপনাকে অবশ্যই একটা ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করার ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই কিছু বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে। প্রথমত আপনার ওয়েবসাইটটা খুব সহজভাবে ডিজাইন করতে হবে।

যেন ক্রেতারা আপনার ওয়েবসাইটটা খুব সহজে ভিজিট করতে পারে। এবং আপনার ওয়েবসাইট থেকে যে কোন প্রোডাক্ট অর্ডার করতে পারে। আমাদের মধ্যে অনেকেই ওয়েবসাইট ডিজাইনের ক্ষেত্রে ভুল করে থাকি। নতুন যারা উদ্যোক্তা তারা কালারফুল একটা ওয়েবসাইট তৈরি করি। বিভিন্ন ধরনের কালার দিয়ে থাকি। যে ধরনের ডিজাইনগুলো ক্রেতাদের আকৃষ্ট করে না।

বরং ক্রেতারা ওয়েবসাইট ভিজিট করতে অনেকটা জটিলতা অনুভব করে। ফলে প্রোডাক্ট অর্ডার করতে পারে না। এই কারনে আমরা আমাদের কাস্টমারদের কে হারিয়ে ফেলি। যদি আপনি সফল ব্যবসা শুরু করতে চান, তাহলে অবশ্যই অনলাইনে আপনার একটা ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হবে।

ভিজিট করা খুবই সহজ এবং সিম্পল ডিজাইন করুন

এমন একটা সাইট ডিজাইন করুন। যেটা ভিজিট করা খুবই সহজ এবং সিম্পল ডিজাইন। এর ফলে আপনি আপনার ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে পারবেন। এবং ক্রেতারা আপনার ওয়েবসাইট থেকে যে কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস খুব সহজে অর্ডার করতে পারবে।

একটা প্রফেশনাল ও ভালো উন্নত মানের ওয়েব সাইট তৈরী করার জন্য একজন ভালো ডেভলপার আপনাকে সাহায্য করতে পারেন। যদি আপনার পরিচিত কোনো পরিচিত ডেভলপার থাকে অথবা কোনো কাছের আইটি প্রতিষ্ঠান পরিচিত থাকে।

সেখান থেকে আপনি একটা ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করিয়ে নিতে পারেন। আপনি যদি প্রাথমিকভাবে একটা ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করতে চান। এক্ষেত্রে আপনার ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা মত বিনিয়োগ করার মাধ্যমে আপনি একটা ভালো ইকমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। তবে এই কম টাকার মধ্যে আপনি অনেক ভাল ফেসিলিটি পাবেন না।

তবে আমার মতে আপনি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে যদি একটা ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করিয়ে নেন। এই ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে আপনার ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য যথেষ্ট হবে এই ওয়েবসাইটটি।

এক্ষেত্রে যারা নতুন উদ্যোক্তা রয়েছে, আমি তাদেরকে ব্যক্তিগতভাবে পরামর্শ দিব। প্রথমেই আপনি থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট করেন। অথবা তার চেয়ে কম বা বেশি টাকা দিয়ে করেন। প্রথমে একটা ওয়েবসাইট তৈরি করেন সেই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পণ্য বা সার্ভিস বিক্রয় করার চেষ্টা করেন।

যখন আপনি সেখান থেকে ভাল আউটপুট পাবেন। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে পারবেন। তখন আপনি আরও বেশি টাকা বিনিয়োগ করার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট কে আরো উন্নত পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারবেন। যদি আপনি কোন ডেভলপারের সন্ধান না পান।

যদি একটা ওয়েবসাইট তৈরি করা আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়। এক্ষেত্রে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য এখানে ফেসবুকে ম্যাসেজ করতে পারেন। আমাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য ওয়েবসাইটে বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। সে পদ্ধতি গুলো আপনারা ব্যবহার করে আমাদের সাথে সহজে যোগাযোগ করতে পারবেন।

সাইটে ট্র্যাফিক পেতে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার অপটিমাইজ করুন

এবার আপনার যদি একটা ওয়েবসাইট তৈরি হয়ে যায়। সেই ওয়েবসাইট কে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য অপটিমাইজ করতে হবে। সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এমন কিছু ব্রাউজার। যেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইট কে খুব সহজে খুজে পাবেন। যেভাবে আপনার ওয়েবসাইট সার্চ করে খোঁজে বের করেন।

ঠিক একইভাবে যেন আপনার ক্রেতারা আপনার ওয়েবসাইটটা খোঁজে বের করতে পারে ও ভিজিট করতে পারে। সেজন্য আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিনের জন্য অপটিমাইজ করতে হবে।

যদি আপনি সঠিক ভাবে আপনার ওয়েবসাইটটা অপটিমাইজ করতে সক্ষম না হন, তাহলে কিন্তু আপনার ওয়েবসাইট থেকে যারা আপনার পণ্যগুলো ক্রয় করবে। তাদেরকে বিক্রেতা হিসেবে পাবেন না। এজন্য আপনাকে একজন দক্ষ এসইও এক্সপার্ট এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের এসইও করাতে হবে।

যার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে ফ্রিতে অর্গানিক ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারবেন। আপনি চাইলে আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দেওয়ার মাধ্যমে অনেকগুলো পেইড ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারেন।

যারা আপনার পণ্যগুলো ক্রয় করবে। কিন্তু আপনি যদি লাগাতার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিক্রি করতে থাকেন। এক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনের পিছনে আপনাকে অনেক টাকা খরচ করতে হবে। যদি সঠিকভাবে এসইও করতে পারেন এবং অর্গানিক ট্রাফিক আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে আসতে পারেন। তাহলে বিজ্ঞাপনে টাকা খরচ করতে হবে না।

আপনার ওয়েবসাইটে আনলিমিটেড ট্রাফিক আসতে থাকবে। যার কোন লিমিট থাকবে না। সুতরাং আপনি এখান থেকে ভালো পরিমাণে লাভবান হতে পারবেন, যদি ওয়েবসাইট কে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য অপটিমাইজ করেন।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে আপনি যদি আরো বিস্তারিত জানতে চান, তাহলে আমাদের বিডি ব্লগের এসইও ক্যাটাগরি অনুসরণ করতে পারেন। ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে করতে হয়? এবং ওয়েবসাইটে কিভাবে অর্গানিক ট্রাফিক নিয়ে আসতে হয়? সে বিষয়ে সঠিক ভাবে আলোচনা করেছি। বিডি ব্লগ থেকে ভালো করে সব কিছুই বুঝতে পারবেন।

একজন বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিন | কিভাবে অনলাইন ব্যবসা শুরু করব

অনলাইনে কিভাবে ব্যবসা শুরু করব? সেই বিষয়ে ইতিমধ্যে আপনি কিন্তু উত্তর পেয়ে গেছেন। এখন আপনি শিখতে যাচ্ছেন, কিভাবে আপনার ব্যবসাটাকে পরিচালনা করতে পারবেন? এখন আমি মনে করলাম, কিভাবে অনলাইনে একটি ব্যবসা শুরু করতে হয়, সে বিষয়ে আপনার সঠিকভাবে ধারণা হয়েছে। আপনি সবকিছু জানেন এজন্য আপনাকে ব্যবসাটা শুরু করতে হবে। ব্যবসা শুরু করে যে, আপনি একা একা আপনার ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন এমনটা কিন্তু নয়। আপনার ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য আপনাকে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিতে হবে।

যিনি অনলাইন ব্যবসা সম্পর্কে সঠিকভাবে বুঝেন এবং সবকিছুই জানেন। এমন একজন যোগ্য ব্যক্তিকে আপনার ব্যবসা পরিচালনার জন্য নিয়োগ দিতে হবে। যদি আপনি কাউকে নিয়োগ না দিয়ে একা একা আপনার ব্যবসা পরিচালনা করার চেষ্টা করেন। এক্ষেত্রে কোনো না কোনো সময় আপনাকে কোন কাজে যদি ব্যবসা ছেড়ে যেতে হয়, তখন আপনার ব্যবসা ধরে রাখার জন্য এমন কাউকে আপনি খুঁজে পাবেন না।

এজন্য পূর্বে থেকে আপনাকে এমন একজনকে নিয়োগ করতে হবে। যিনি আপনার পরিবর্তে আপনার হয়ে ব্যবসাটা সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারবে। এবং কাস্টমারদের চাহিদা গুলো পূরণ করতে পারবেন।

ক্রেতাদের ইমেইল সংগ্রহ করুন এবং তা ব্যবহার করুন

যাদেরকে আপনার পণ্যগুলো বিক্রয়ের জন্য টার্গেট করেছেন। তাদের ইমেইলগুলো আপনাকে সংগ্রহ করতে হবে। তাদের ইমেইল সংগ্রহ করার মাধ্যমে তাদেরকে পুনরায় যেকোনো কিছু বিক্রয় করার জন্য টার্গেট করতে পারবেন।

এমনকি আপনি ইতিমধ্যে যাদেরকে ক্রেতা হিসেবে পান নাই। তাদেরকেও আপনি সম্ভাব্য ক্রেতা হিসেবে পাওয়ার জন্য একটা ইমেইল লিস্ট তৈরি করতে পারেন। ইমেইল ব্যবহার করে তাদেরকে বিভিন্ন অফার প্রমোশন পাঠাতে পারবেন। যার মাধ্যমে তারা আপনার ক্রেতাতে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এমন অনেকেই রয়েছে যারা প্রথমবারেই কোনকিছু ক্রয় করবে না। কিন্তু পরবর্তীতে যখন কোন অফার দেখবে, তখন তারা দ্রুত সে অফারটি কাজে লাগানোর জন্য আপনার কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করবেন।

ক্রেতাদের সেই মানসিকতা কাজে লাগানোর জন্য তাদের ইমেইল আইডিটি সংগ্রহ করে রাখতে পারেন। এবং লোভনীয় সকল অফার গুলো তাদেরকে ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন। যেন তারা আপনার কোম্পানির সকল অফার সম্পর্কে জানতে পারে। এবং বিক্রয় বৃদ্ধিতে তারা যেন ভূমিকা রাখতে পারে।

ইনকাম বৃদ্ধি করার জন্য কাজ করুন

যখন ব্যবসা করবেন, তখন ক্রেতারা তাদের চাহিদাগুলো পূরণ করার জন্য আপনার কাছে অবশ্যই আসবে। তাদের আপনি অনেকগুলো পণ্য বা সেবা বিক্রয় করতে পারবেন। কিন্তু আপনি বর্তমানে যতোটুকু বিক্রয় করে লাভবান হচ্ছেন, তার চেয়েও বেশি লাভবান হওয়ার জন্য কাজ করতে হবে।

কারণ, ভবিষ্যতে আপনার যারা প্রতিযোগিরা রয়েছে। তারা কিন্তু আপনাকে এই জায়গায় থাকতে দিবে না। আপনাকে তারা যেকোনো সময়ই বসিয়ে দিতে পারে। এজন্য আপনাকে নতুন নতুন ক্রেতাদের সন্ধান করতে হবে। নতুন ক্রেতাদের টার্গেট করে আপনাকে বিজ্ঞাপন দিতে হবে। ক্রেতাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য আপনাকে কাজ করতে হবে।

অনেক উদ্যোক্তারা এই বিষয়টাকে ভুলে যান। যখন কাস্টমার একবার তার পণ্য বা সেবা ক্রয় করে, তখন নতুন উদ্যোক্তা তাদের আর মনে রাখেনা। একজন উদ্যোক্তা হিসেবে যদি আপনি এগিয়ে যেতে চান, তাহলে ইতিমধ্যে যারা পণ্য ক্রয় করেছে। সবসময় তাদের মনে রাখতে হবে এবং বিভিন্ন দিবসে বিভিন্ন অফার দিতে হবে। যেন তারা আপনার ওয়েবসাইটটার কথা মনে রাখে। এবং আপনার কাছ থেকে বারবার পণ্য ক্রয়ের জন্য আগ্রহী হয়।

যত বেশি পণ্য বিক্রয় করতে পারবেন, তত বেশি কিন্তু আপনার ইনকাম বৃদ্ধি করতে পারবেন। আপনার ইনকাম কে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাকে বেশি বেশি পণ্য বিক্রয় করতে হবে। যদি আপনি আপনার ক্রেতাদেরকে সংগ্রহ করে একটা কমিউনিটিতে যুক্ত করতে পারেন, তাহলে সবচেয়ে বেশি ভালো হয়।

বর্তমান সময়ে আপনি ফেসবুকে একটা তৈরি গ্রুপ করতে পারেন। অথবা আপনার হোয়াটসঅ্যাপে একটা গ্রুপ তৈরি করতে পারেন।

যেখানে আপনি আপনার সম্ভাব্য কাস্টমারদের নিয়ে একটা গ্রুপ করবেন। গ্রুপে আপনার অফার গুলোকে প্রমোশন করবেন। যার মাধ্যমে আপনি হাজার হাজার ক্রেতা এখান থেকে পেয়ে যাবেন।

সুতরাং ইনকাম বৃদ্ধি করার জন্য ক্রেতাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখবেন। তাহলেই আপনি আপনার কোম্পানির রেভিনিউ বৃদ্ধি করতে পারবেন। এই কৌশলগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করে এবং এই গাইডলাইন গুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে আপনার ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। গাইডলাইন গুলোর মাধ্যমে অনলাইন ব্যবসা থেকে আপনি ভালো লাভজনক একটি পর্যায়ে চলে যেতে পারবেন।

কিভাবে অনলাইন ব্যবসা শুরু করব

এই আর্টিকেলটি যদি আপনি মনোযোগ দিয়ে সম্পন্ন করে থাকেন, তাহলে এখানে শেয়ার করা দশটি আইডিয়া বাস্তবায়নের মাধ্যমে আপনি আপনার অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে সক্ষম হবেন। আমরা এখানে যে গাইডলাইন গুলো শেয়ার করেছি।

এই সকল গাইডলাইন গুলো ব্যবহার করেই মূলত অনলাইনে যেকোন ধরনের ব্যবসা আপনি শুরু করতে পারবেন। অনেকে আমাদেরকে প্রশ্ন করে থাকেন, কিভাবে অনলাইনে ব্যবসা শুরু করব? তাদের জন্য এটাই হচ্ছে পরিপূর্ণ একটি কার্যকর গাইডলাইন।

যার মাধ্যমে চিন্তা ছাড়া গাইডলাইনগুলো অনুসরণ করার মাধ্যমে একটি অনলাইনে ব্যবসা দাঁড় করাতে পারবেন। যদি আপনি এই কৌশলগুলোকে নিজের মধ্যে আয়ত্ত করতে পারেন এবং গাইডলাইন গুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করতে পারেন। তাহলেই এগুলো আপনার সফলতার জন্য বিশেষ করে ভূমিকা রাখবে বলে গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি।

কারণ, অনলাইনে যারা ইতিমধ্যে সফল হয়েছেন। তারাও এই গাইডলাইন গুলো কে অনুসরণ করে অনলাইনে সফল হয়েছেন। বিডি ব্লগ আপনাদের জন্য সব সময় কোয়ালিটি কনটেন্ট সরবরাহ করার জন্য কাজ করে থাকে।

যেন আপনারা এখান থেকে লাভবান হতে পারেন এবং আমাদের একজন ভাগ্যবান পাঠক হতে পারেন। যদি আপনি আমাদের লেখাগুলো পছন্দ করেন, অবশ্যই লেখাগুলো আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। ফেসবুকে শেয়ার করতে পারেন অথবা হোয়াটসঅ্যাপে আপনার বন্ধুদেরকে লিংকটি কপি করে দিতে পারেন।

যদি কোন বিষয়ে আপনি না বুঝে থাকেন, সেই বিষয়ে আপনি আমাদেরকে প্রশ্ন করুন। আমরা খুব দ্রুতই আপনার প্রশ্নের উত্তর দিব। প্রশ্ন করার জন্য নিচের কমেন্ট বক্স ব্যবহার করতে পারেন অথবা সরাসরি আমাদেরকে ফেসবুক পেজে ম্যাসেজ করতে পারেন।

bd blog writer

একজন ইলেক্ট্রিক্যাল বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সবসময় টেকনোলজি কে অগ্রাধিকার দিতে ভালোবাসি। প্রযুক্তির সাথে এগিয়ে যেতে ও নিজেকে সবসময় আপডেট রাখার জন্য নিয়মিত প্রযুক্তিগত জ্ঞান নিজে অর্জনের পাশাপাশি অন্যদের সাথে শেয়ার করাতে ভালো লাগে। সময় পেলে প্রযুক্তি, ব্যবসা, মার্কেটিং বিষয়ে লিখতে চেষ্টা করি। পেশা যাই হোক, তা হতে লাভবান হতে চাইলে ব্যবসা ও মার্কেটিং জ্ঞান আবশ্যক।

কমেনট বাক্সে আপনার মতামত লিখে জানান