Homeঅ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং৫টি কাজের মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করুন

৫টি কাজের মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করুন

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করার ৫টি পদ্ধতি নিয়ে আমি এখানে আলোচনা করেছি। এই লেখাটি আপনাদের সাথে শেয়ার করার কারন আমি জানি এটি অবশ্যই আপনাকে সাহায্য করবে। আমরা অপ্রয়োজনীয় কোন বিষয় নিয়ে আর্টিকেল লিখিনা। যারা অনলাইনে বিজনেস দাঁড় করাতে চাই। যারা সত্যি কারের একটি মাধ্যম অনলাইন থেকে সংগ্রহ করে নিজের ক্যারিয়ার দাঁড় করাতে চাই। তাদের জন্য বাস্তব অভিজ্ঞতা গুলো আমরা আমাদের বিডিব্লগের মাধ্যমে শেয়ার করতে থাকি। এবং সঠিক দায়িত্ব দেওয়ার চেষ্টা করি।

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা সম্পূর্ণ বেকার। চাকরির জন্য অনেক দৌড়াদৌড়ি করছেন কিন্তু চাকরি এতো সহজ না। চাকরি পাওয়াটা যত কঠিন তার থেকে তিনগুণ বেশি কঠিন চাকরি টিকিয়ে রাখা। আচ্ছা আপনি কি জানেন?

 এফিলিয়েট মার্কেটিং করে প্রফেশনাল জীবন যাপন করছে কোটি কোটি মানুষ রয়েছে।

আপনি জানেন বা না জানেন। তবে এটা ১০০ ভাগ সত্যি। আপনি যদি এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে একদম না জানেন, তাহলে আমি অবশ্যই আপনাকে এবিষয়ে YouTube -এ টিউটোরিয়াল দেখার জন্য অনুরোধ করছি। আপনি নিচের ভিডিওটি দেখুন। আশাকরি, এখান থেকে আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে ভালো কিছু ধারণা পেয়ে যাবেন। 

Advertisement
https://youtube.com/watch?v=PPVyFqIIy1s

তবে আপনি যদি আমাকে বলেন আপনি কিছুই জানেন না। তবুও আপনি Affiliate Marketing এর মাধ্যমে টাকা আয় করতে চাচ্ছেন। এক্ষেত্রে আপনি একজন প্রফেশনাল ওয়েবসাইট ডেভেলপারের সাথে যোগাযোগ করে একটি  এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করে নিন। এবং ওয়েবসাইট করার পর আমার দেওয়া কৌশলগুলো অনুসরণ করুণ। আশাকরি আপনি সফল হবেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করুন
এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়

আমরা এখানে শুধুমাত্র এই আর্টিকেলটি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে লিখিনি। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে অনেকগুলো আর্টিকেল ইতিমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে বিভিন্ন টেকনিক ও কার্যকর টিপস ট্রিক্স আপনাদেরকে শেখানো হয়েছে। সময় নিয়ে আমাদের আর্টিকেলগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। আশাকরি, এগুলো আপনার জন্য সেরা একটি গাইড হবে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর অর্থ: মূলত কোন পণ্য বা সেবা নিজের একটি ইউনিক লিংক ব্যবহার করে প্রচারের মাধ্যমে বিক্রয় করা কে এফিলিয়েট মার্কেটিং বলে।

Advertisement

উদাহরণস্বরূপ: আপনি অ্যামাজন থেকে আপনার পছন্দের যে কোন একটি পণ্য সিলেকশন করলেন। এবং তা আপনার ইউটিউব অথবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রচার করতে শুরু করলেন।  অবশ্যই মনে রাখতে হবে,  অ্যামাজনের হয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার জন্য অবশ্যই প্রথমে আপনাকে আবেদন করতে হবে। আপনার আবেদন গ্রহণ করার পর আপনি যেকোনো পণ্য সিলেকশন করতে পারবেন এবং তা প্রমোট করার মাধ্যমেই এফিলিয়েট কমিশন আয় করতে পারবেন। 

মনে করুন আপনি অ্যামাজনের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অনুমোদন পেয়েছেন। এবং মনে করুন, আপনি একটা  স্মার্টফোনের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চাচ্ছেন।  এক্ষেত্রে প্রথমে আপনি আপনার সিলেক্ট করা স্মার্টফোনের লিংকটি কপি করবেন। এবং এটা আপনার ওয়েবসাইট বা ইউটিউব এর মাধ্যমে প্রচার করে বিক্রি করে  অ্যামাজনে নিয়ে যেতে হবে। 

 যদি কেউ আপনার ইউনিক লিংকটি ব্যবহার করে স্মার্টফোন অর্ডার করে থাকে,  তাহলে অ্যামাজন আপনার সাথে নির্দিষ্ট পরিমাণ একটি অংশ ভাগ করে নেবে। এভাবে যতবার ক্রেতা আপনার লিংকটির মাধ্যমে পণ্যটি ক্রয় করবে, ততবারই আপনি কমিশন পেতে থাকবেন।

Advertisement

কেন আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় শুরু করবেন?

  • এটি করা খুবই সহজ
  • এর মাধ্যমে আপনি আপনার স্বপ্ন ও ইচ্ছে গুলো পূরণ করতে পারেন
  • এই বিজনেস করার জন্য পূর্ব কোন অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই
  • এই বিজনেসের জন্য নিজস্ব কোন পণ্যের প্রয়োজন নেই
  • এটি অনলাইনের একটা সারাজীবনে অর্থ উপার্জন করার জনপ্রিয় মাধ্যম
  • এখানে চাকরি থেকেও বেশি আয় করা সম্ভব, ইত্যাদি।

চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক, Affiliate Marketing এর মাধ্যমে কিভাবে আমরা প্রতিমাসে কমপক্ষে $২০০ আয় করতে পারি। আমরা এখানে নিম্নমানের একটি অ্যামাউন্ট কে টার্গেট করেই মার্কেটিং করা শুরু করতে যাচ্ছি। বাস্তবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে এর থেকেও বেশি পরিমাণ অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।  তবে যারা একদম নতুন তাদের জন্য ২০০ ডলার একটি যথেষ্ট ভালো অ্যামাউন্ট। 

হাই কোয়ালিটি প্রফিটেবল নিস সিলেক্ট ঠিক করুণ:

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করে সফল হতে হলে অবশ্যই একটি হাই কোয়ালিটি প্রফিটেবল নিস সিলেক্ট করা প্রয়োজন। আমরা যখন কাজ করি, তখন আমরা তাড়াহুড়ো করার মাধ্যমে কাজ শুরু করি। অথচ তাড়াহুড়ো করে এই কাজ করা একদম ঠিক নয়। এটি শুরু করতে হবে তাড়াতাড়ি। তবে কাজ করতে হবে খুব বুঝে শুনে। একটি হাই কোয়ালিটি প্রফিটেবল নিস সিলেক্ট করার জন্য আপনি অনেক পদ্ধতিতে গবেষণা করতে পারেন। অনলাইনে অনেক ফ্রি এবং পেইড টুল রয়েছে। যার মাধ্যমে আপনি একটি High Quality Profitable Niche সহজে সিলেক্ট করতে পারেন।

একাধিক প্রয়োজনীয় একটি পণ্য বা সেবা নির্বাচন করুণ:

Advertisement

এফিলিয়েট মার্কেটিং এ সফল হওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট পণ্য নিয়ে কাজ করা সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয়। তবে যে পণ্য নিয়ে আপনি মার্কেটিং করবেন সে পণ্যের চাহিদা যেন সব সময় থাকে এবং একাধিক প্রয়োজনীয় যেন এই পণ্যটি হয়। এমন অনেকগুলো প্রশ্ন রয়েছে যা মানুষের সাময়িকভাবে প্রয়োজন হয়। আপনি যদি সাময়িকভাবে প্রয়োজনীয় পণ্য কে  সিলেকশন করেন,  তাহলে ভালো পরিমান আফিলিয়েট কমিশন জেনারেট করতে পারবেন না।

Advertisement

ভালো পরিমাণ কমিশন জেনারেট করার জন্য এমন একটি পণ্য বাস সার্ভিস নিয়ে আপনাকে মার্কেটিং করতে হবে। যেটির চাহিদা সব সময় থাকে। আপনি যদি সঠিক একটি পণ্য বা সার্ভিস সঠিক অডিয়েন্সের কাছে প্রচার করতে পারেন, তাহলে এখান থেকে আপনি বিপুল পরিমাণ  কমিশন সংগ্রহ করতে পারবেন। যত বেশি বিক্রি করতে পারবেন, ততবেশি আপনার কমিশন বৃদ্ধি পাবে।

ট্রাফিক সোর্স প্লাটফর্ম নির্বাচন করুণ:

ট্রাফিক বা ভিজিটর হচ্ছে যেকোনো ওয়েবসাইটের প্রাণ। ট্রাফিক ছাড়া কোনো ওয়েবসাইট ঠিকে থাকতে পারে না। আপনাকে নিজের বিজনেস বড় করার জন্য অবশ্যই ট্রাফিক নিয়ে কাজ করতে হবে। ট্রাফিক না আপনি আপনার নির্বাচিত পণ্য বা সেবাও বিক্রি করতে পারবেন না। এবং শুধুমাত্র ভিজিটর আসলেই হবেনা ভিজিটর গুলো অবশ্যই আপনার নির্বাচিত পণ্য বা সেবা নেওয়ার উপযোগী হতে হবে। এক্ষেত্রে দেশ, অঞ্চল বা কোন সম্প্রদায়কেও আপনি টার্গেট করে Affiliate Marketing করতে পারেন।

পণ্যের মান ও ব্রান্ডিং তৈরি করুণ:

চতুর্থ ধাপে আপনি আপনার পণ্যের মান নিয়ে কাজ করুণ। আপনি যেহেতু একজন Affiliate Marker হিসেবে কাজ করবেন। সুতরাং পণ্যের মান উন্নয়ন করা বলতে এখানে আপনি আপনার রিভিউ করা পণ্যের ভালো এবং খারাপ দিক গুলো নিয়ে খোলামেলা পরিস্কার আলোচনা করবেন। এটাই হবে আপনার দিক থেকে পণ্যের মান উন্নয়ন এবং আপনার রিভিউ করা পণ্য বা সেবা গুলো ক্লায়েন্টের সামনে সুন্দর করে কিভাবে দেখানো যায় তা নিয়ে গবেষণা করুণ এর মাধ্যমে পণ্যের ব্রান্ডিং তৈরি করতে পারবেন।

Advertisement

পণ্য বিক্রি করার একাধিক স্থান বা মাধ্যম নির্বাচন করুণ:

মনে রাখবেন, আমি অাগেও বলেছি। যতবেশি পণ্য বা সেবা গুলো ক্লায়েন্টের কাছে পৌছাতে পারবেন ততই বেশি আপনি প্রফিট করার সুযোগ তৈরি করতে পারবেন। মানে আপনার পণ্যের ক্রেতা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে আপনার আয়ও বৃদ্ধি পাবে। এটা করার জন্য আপনি খুবই মনোযোগ দিয়ে চিন্তা করুণ এবং আরও জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন দেওয়ার মাধ্যম গুলো বাঁচাই করুণ।

অভিনন্দন! আপনি আমার দেওয়া এই ৫টি পদ্ধতি সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারলে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি আপনি এটাতে ভালো উপার্জন করতে সক্ষম হবেন। যদি এখনও আপনি আমার দেওয়া ৫টি পদ্ধতি সঠিকভাবে প্রয়োগ না করে থাকেন, আপনি অবশ্যই একবার চেষ্টা করে দেখুন।

আমাদের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কিত আর্টিকেলটি যদি ভালো লেগে থাকে, তাহলে অবশ্যই কমেন্ট এর মাধ্যমে আপনার মতামত জানাতে ভুল করবেন না। এবং এ বিষয়ে যদি আপনার কোন প্রশ্ন থাকে, তাহলেও সে প্রশ্নটিই কমেন্টস করতে পারেন।  আপনাদের কমেন্ট গুলো আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।  আমরা সব সময় গুরুত্বের সাথে আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকি। 

Advertisement
Advertisement

Omar Khan
Omar Khan
আমার নাম ওমর খান। আমি বাংলাদেশের চট্টগ্রামে থাকি। আমি ব্যবসায়িক ধারণা, অর্থ উপার্জন, এসইও, ব্লগিং, ইন্টারনেটে ব্লগ এবং নিবন্ধ লেখার প্রতি আগ্রহী। আমি নতুন জিনিস শিখতে এবং তথ্যমূলক বিষয়বস্তুর উদ্দেশ্যে অন্বেষণ করতে, লিখতে দেশে এবং বিদেশে নতুন জায়গা আবিষ্কার করতে উপভোগ করি।
RELATED ARTICLES

1 COMMENT

  1. অসাধারণ একটি পোস্ট, ভাইয়া আপনার পোস্টটি আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে?

বাক্সে আপনার মতামত লিখে জানান

- Advertisment -

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য:

বর্তমানে Online Job এর ৫টি সুবিধা জেনে নিন - 2022 [India] on অনলাইনে চাকরি করতে কি কি জানতে হবে – অনলাইন জব করার উপায়
%d bloggers like this: