Home Blog

মুখের দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া পদ্ধতি

0
Bad breath
Bad breath

মুখের দূর্গন্ধ নিয়ে বিবৃত? মুখ খুলে কখা বলতে পারছেন না ? হাসতেও আনইজি ফিল করছেন? মুখের দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া পদ্ধতি জানতে চাচ্ছেন? তাহলে চলুন জেনে নিই মুখের দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া পদ্ধতি।

আমাদের মধ্যে অনেকেরই দিনে দুইবার ব্রাশ করার পরেও মুখে দুর্গন্ধ থেকে যায়। এইজন্য মুখ দেখে কথা বলা ছাড়া আর কোন উপায় থাকেনা।

শুধু সকালে ঘুম থেকে উঠে দুর্গন্ধ ছড়ায় এমনটা না। কিছু কিছু মানুষের সারাদিনই মুখে দুর্গন্ধ ছড়ায়।

এবার প্রশ্ন হল মূখের দুর্গন্ধ কেন ছড়ায়? এবং এ থেকে মুক্তির উপায় বা কি? মুখের দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া পদ্ধতিঃ

আসুন আমরা আগে দুর্গন্ধ ছড়ানোর কারণ গুলো জেনে নিই।

take care your teeth

মুখে দুর্গন্ধ ছাড়ানোর প্রধান কারণগুলো হলো:

১. ডেন্টাল প্লাক :

সারাদিন আমরা কত কিছুই না খায়। প্রত্যেকবার খাবারের পর খাবারের ছোট ছোট কিছু অংশ আমাদের মুখে লেগে থাকে।

অর্থাৎ দাঁতের মাড়ির সাথে বা দাঁতের ফাঁকে ফাঁকে জমে থাকে। এখান থেকে সৃষ্টি হয় “ডেন্টাল প্লাক”।

২. মূখে ক্ষত:

মূখের যে কোনো ধরনের ঘা বা ক্ষত, টিউমার বা ডেন্টাল সিস্ট অথবা টিউমার, মুখের ক্যান্সার এমন কি দূর্ঘটনার ফলে ক্ষত ইত্যাদি থেকে মুখের দুর্গন্ধ ছড়ায়।

৩. বিভিন্ন রোগ:

এছাড়াও দেহের বিভিন্ন রোগের কারণেও দুর্গন্ধ হতে পারে। পাকস্থলীর ক্যান্সার, হাইপার টেনশন, গর্ভাবস্থায, ডায়াবেটিস, কিডনি সমস্যা, লিভার সমস্যা ইত্যাদি রোগের কারণেও মুখের দুর্গন্ধ ছড়ায়।

৪। ধুমপান :

ধুমপানের ফলে মানুষের জ্বিব্বাহ শুকিয়ে যায়। মূখে থুথু কমে যায় । এর ফলে মুখে দুর্গন্ধ ছড়ায় ।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করার কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতি হলো:

চলুন আজ মুখের দুর্গন্ধ দূর করার কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নিই। যেগুলোর মাধ্যমে আমরা স্থায়ীভাবে মূখের দুর্গন্ধ দুর করত পারি।

১। মেছওয়াক করা :

মুখের দুর্গন্ধ দূর করার প্রথম এবং প্রধান কারণ হলো মেছওয়াক করা । মেছওয়াক করার ফলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয় । এবং দাঁতের মাড়ি শক্ত হয় । এবং বিভিন্ন জীবাণু দূর হয় ।

২। নিয়মিত ব্রাশ করুন :

খাবারের ছোট ছোট অংশ মুখে তথা দাঁতের ফাঁকে, বা মাড়ির সাথে লেগে থাকা এটা খুবই নরমাল বিষয়।

আর এইসব অংশ থেকে সৃষ্টি হয় নানারকম জীবাণু, যা মুখে দুর্গন্ধ ছড়ায়।

এসব ছোট ছোট খাবারের অংশ পরিষ্কার করার জন্য অন্তত ১০/১২ ঘন্টা অন্তর অন্তর দাঁত ব্রাশ করুন ।

৩। জিব্বাহ পরিষ্কার করা:

দৈনিক ২ বার দাঁত ব্রাশ করলেও আমরা পুরোপুরি জীবাণু থেকে মুক্তি পেতে পারি না । দাঁত ব্রাশ করার পাশাপাশি আমাদের নিয়মিত জিব্বাহও পরিষ্কার করতে হবে ।

৪। প্রচুর পানি পান করুন :

প্রচুর পরিমাণ পানি পান করুন । এতে জিব্বাহ ভেজা থাকবে । ফলে র্দুগন্ধ থেকে মুক্তি পাবেন । আর পানি পান করার ফলে শরীরের কোষগুলো সতেজ থাকবে ।

৫। খাদ্য অভ্যাসে পরিবর্তন আনুন :

অতিরিক্ত চিনি জাতীয় খাবার মুখের র্দূগন্ধের জন্য দায়ী। এছাড়াও পেঁয়াজ, রসুন এগুলোও আমাদের মুখের র্দুগন্ধ ছড়াতে পারে ।

৫। ধুমপান পরিহার করুন :

একটু আগেই বললাম ধুমপানের ফলে আমাদের জিব্বাহ শুকিয়ে যায় । ফলে মুখে প্রচুর পরিমাণ দুর্গন্ধ ছড়ায় ।

৬। লেবুর রস:

মুখের র্দূগন্ধের কারণে অনেক সময় জীবনের স্বাভাবিক গতি হারিয়ে যায়। এই অবস্থায় নিয়মিত লেবুর রস পান করুন।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, লেবুর ভেতরে থাকা অ্যাসিডিক উপাদান মুখগহ্বরে বাসা বেঁধে থাকা জীবাণুদের মেরে ফেলে। এতে করে মুখের দুর্গন্ধ কমে যায়।

৭। লবণ এবং সরিষার তেল:

মুখের দুর্গন্ধ দূর করার আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি লবণ এবং সরিষার তেল মিশিয়ে মুখের ভেতর মেসেস করতে পারেন।

আধা চা চামচ লবণের সাথে দুই থেকে তিন ফোঁটা খাটি সরিষার তেল মিশিয়ে নিনিএবার আঙ্গুল দিয়ে দাঁত এবং মাড়িতে হালকা ভাবে মেসেস করতে থাকুন।

এভাবে কয়েক দিন টানা এভাবে চালিয়ে যান। মুখের দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাবেন, ইনশাল্লাহ।

৮। চিকিৎসকের পরামর্শ নিন:


যদি সম্ভব হয় ডেন্টাল ক্যায়ারে যান। ডাক্তারকে বুঝিয়ে বলুন । সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং সেই পরামর্শ মেনে চলা।

এছাড়াও মুখের দুর্গন্ধ দূর করার ঘরোয়া পদ্ধতি সর্ম্পকে আরো বিস্তারিত ভাবে জানার জন্য বিভিন্ন আপনাকে বিভিন্ন ডাক্তারদের পরামর্শ সাহায্য করবে।

কিভাবে জীবনের আসল সফলতা অর্জন করা যায় জানতে এখানে ক্লিক করুন

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার সুবিধা এবং অসুবিধা।

0
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার সুবিধা

আমার আজকের লিখাটি কাজে আসবে তাদের , যারা ভবিশ্যতে পড়াশুনার জন্য জার্মানিতে আসতে চাই।

দেশের বাহিরে যদি পড়তে যাই, তাহলে অনেক দেশ আছে। আমরা আজেকে কেবল একটা দেশ নিয়ে কথা বলবো । আর সেটা হচ্ছে জার্মানি।

একজন শিক্ষার্থী হিসেবে, জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার সুবিধা এবং অসুবিধা অর্থাৎ কেন আপনাকে জার্মানি বেঁচে নেওয়া উচিৎ আর কেন উচিৎ নয় ।

অর্থাৎ কোন কোন সুবিধার জন্য আপনাকে পড়াশুনার জন্য জার্মানি বেঁচে নেওয়া উচিৎ আর কোন কোন অসুবিধার জন্য আপনাকে জার্মানি বাদ দিয়ে দেওয়া উচিত । আজ আমরা সেটা বিস্তারিত জানবো ।

সুবিধাগুলো :

1. কোন টিউশন ফি নেই.

আপনি যদি জার্মানিতে অধ্যয়নরত একজন ছাত্রকে জিজ্ঞেস করেন যে সে জার্মানিতে কেন? তাই আমি অনুমান করি তিনি আপনাকে উত্তর দেবেন:

তার মানে আপনি জার্মানিতে বিনামূল্যে পড়াশোনা করতে পারবেন। তবে একটি সেমিস্টার ফি আছে।

এর মানে হল যে, আপনি যে ইউনিভার্সিটির লাইব্রেরিটি ব্যবহার করছেন,

Higher Education in Germany

যে পরিবহনটি ব্যবহার করছেন তার জন্য আপনাকে প্রতি ৬ মাসে বা ১ বছরে একবার ফি দিতে হবে।

আমি আপনাকে একটি পরিসংখ্যান দিতে পারি. এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর নির্ভর করে। যাইহোক, এটি ২৮০ থেকে ৩০০ ইউরো এর বেশি হবে না।

২. সহজ ভিসা প্রসেসিং:

অনেক শিক্ষার্থী মনে করেন, বিদেশে পড়াশুনা করা খুবই কঠিন বিষয়। কিন্তু এখানে মজার বিষয় হল, জার্মানির ক্ষেত্রে এটা খুবই সাধারণ ব্যাপার।

আপনি তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়াই জার্মানিতে আসার পুরো প্রক্রিয়াটি করতে পারেন।

আপনি জার্মানিতে কোন কোর্স করতে চান? কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কোর্স শেখান? এই কোর্সে ভর্তির সময় কখন? ইত্যাদি যেকোনো তথ্যের জন্য,

যেকোনো ধরনের পরামর্শের জন্য আপনাকে www.daad.de যেতে হবে।

এই ওয়েবসাইটটি জার্মান ভাষায় লেখা। তবে, আপনি এটি ইংরেজিতে অনুবাদ করতে পারেন। এখানে দেখবেন কবে ভর্তি হয়? কি কি যোগ্যতা লাগে ? আপনার কি কি নথিপত্র প্রয়োজন?

৩. অফার লেটারের পর :

আপনি যখন আবেদন করবেন। যখন অফার লেটার আসবে আপনার কাছে। অফার লেটারের পর ভিসা প্রসেসিং খুবই সহজ।

এর জন্য আপনি dhaka.diplo.de ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন।

এখানে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় নথিগুলি পরীক্ষা করবেন। এবং আপনি সেই অনুযায়ী আপনার নথিগুলি গুছিয়ে নিন।

একটি বিষয় নিশ্চিত যে, কোভিড-১৯ এর আগে ভিসা প্রক্রিয়া খুবই সহজ ছিল। কিন্তু, কোভিড-১৯-এর পর প্রক্রিয়াটি ধীরগতির হয়ে গেছে।

সাধারণত এই ভিসা প্রসেস করতে বেশি সময় লাগে না। কিন্তু কোভিড-১৯ এর পর সময় লাগছে। কোভিড-১৯ এর প্রবণতা কমলে এই প্রক্রিয়াটি আগের মতোই দ্রুত হবে বলে আশা করছি।

৪. স্কলারশীপ:

প্রথমে জেনে রাখা ভালো যে, স্কলারশীপ দেওয়া হয় মূলত টিউশন ফি এর উপর নির্ভর করে। যেহেতু জার্মানিতে কোনো টিউশন ফি নেই, তাই স্কলারশিপ পাওয়া একটু কঠিন।

তারপরেও, দুটি বৃত্তি রয়েছে, একটি “DAAD SCHOLARSHIP” অন্যটি Lumos Scholarship.

৫. পার্ট-টাইম জব :

জার্মানিতে আসা বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকে পার্টটাইমের ওপর নির্ভর করতে হয়।

এই খণ্ডকালীন কাজের মূল বিষয় হল আপনি একজন ছাত্র হিসাবে সপ্তাহে ২০ ঘন্টা কাজ করতে পারেন।

বার্ষিক, আপনি যদি সারা দিন কাজ করেন তবে আপনি ১২০ দিন কাজ করতে পারবেন।

এটি দিয়ে, আপনি এখানে আপনার টিউশন ফি
ভালোভাবে সামলাতে পারবেন।

আপনি চাইলে এখান থেকে সংসারের খরচও চালাতে পারেন। এখানকার শিক্ষার্থীরা সাধারণত রেস্টুরেন্ট, হাসপাতাল, খাবার সরবরাহ ইত্যাদিতে কাজ করেন। এই পার্ট টাইম জবের জন্য কিভাবে সিভি (CV) তৈরি করতে হয় জানতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

৬। ভ্রমণ :

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার সুবিধার মধ্যে সবচেয়ে মজাদার বিষয় হলো ভ্রমণ সুবিধা। আপনি শেনজেন ভুক্ত যে ২৬ টি দেশ রয়েছে, আপনি সহজেই সেই দেশগুলিতে ভ্রমণ করতে পারেন।

আমরা যেভাবে বাসে করে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ভ্রমণ করি আপনি সেভাবে ভ্রমণ করতে পারবেন । এটার জন্য আপনাকে আর কোনো ভিসা লাগবে না ।

৭। সেটেলম্যান্ট:

আমাদের অনেকের মনেই একটা চিন্তা আছে যে আমরা পড়াশুনা করে এখানে স্থায়ী হবো।

জার্মানিতে সেটেল হওয়ার ব্যাপারটা হল আপনাকে আগে পড়াশোনা শেষ করতে হবে।

আপনার পড়াশোনা শেষ করার পর আপনাকে ১৮ মাস সময় দেওয়া হবে।

এই ১৮ মাসের মধ্যে, আপনি যে বিষয়ে অধ্যয়ন করছেন তার সাথে সম্পর্কিত একটি চাকরি খুঁজতে হবে। আপনার স্টুডেন্ট ভিসা তখন একটি কাজের ভিসায় রূপান্তরিত হবে।

অসুবিধা:

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার সুবিধা সর্ম্পকে তো জানলেন। এই সমস্ত সুবিধার সাত্ত্বেও, আপনি যদি আপনার পছন্দের তালিকা থেকে জার্মানিকে বাদ দিতে চান তবে সেটি হবে জার্মান ভাষা।

কারণ আপনি এখানে ইংরেজি পড়তে পারেন কিন্তু আপনি কিছুই উপভোগ করতে পারবেন না।

আপনার প্রয়োজন না হলে জার্মানরা আপনার সাথে ইংরেজিতে কথা বলবে না। এটি একটি সমস্যা যা আপনাকে বিরক্ত করবে।

বাড়ি নির্মানে ঋণ পাওয়ার খুব সহজ কিছু উপায়

0
ঘরে বসে টাকা আয় করতে চাই - Earn at Home in 5 Ways
ঘরে বসে টাকা আয় করতে চাই - Earn at Home in 5 Ways

বাড়ি নির্মানে ঋণ পাওয়ার খুব সহজ কিছু উপায় । আপনি কি একটা ছোট ফ্ল্যাট অথবা একটা ছিমছাম বড়ি বানানোর স্বপ্ন দেখছেন?

যাদের এক টুকরো জমি আছে, ছোট্ট একটা ছিমছাম অথবা বড় পরসরে নিজেদের জন্য কোন বাড়ি বা গৃহ নির্মাণ করতে চান তাদের স্বপ্ন থাকে বিশাল।

কিন্ত নিজের তৈরি একটা বাড়ীর স্বপ্নে বিভোর এইসব মানুষের প্রথম বাধা হয়ে সামনে আসে বাড়ী তৈরীর জন্য পর্যাপ্ত টাকা।

স্বপ্ন বিলাসী এসব মানুষের সহায়তায় তাই এগিয় এসেছ বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি খাত।

দিচ্ছে খুব কম সুদে হোম লোন ।

ঢাকায় কম খরচে বাড়ি নির্মাণ যদিও অনেক বেশি কষ্টসাধ্য কিন্তু ঢাকার বাইরে মফস্বল এলাকায় বাড়ি নির্মাণের খরচ ঢাকা থেকে তুলনামুলক কম।    

ফ্ল্যাট নির্মাণ করতে চান, অথবা একটা নিজের বাড়ি!যদি আপনার ইচ্ছা থাকে ব্যাংক লোন নেয়ার-আজকের আর্টিকেল টি আমরা আপনার জন্যই লিখছি।

ফ্ল্যাট অথবা বাড়ি নির্মানে ঋণ পাওয়ার খুব সহজ কিছু উপায় এবং

স্থান নিয়ে আমরা বিশদ আলোচনা করবো আমরা আজকের নিবন্ধনে-

তো চলুন শুরু করা যাক-

বাড়ি বানানোর জন্য লোন পাবেন কোথায়?

সর্বপ্রথম আপনাকে জানতে হবে এফোর্ডেবল হোম লোন অথবা গৃহলোন কারা দিতে প্রস্তুত আপনাকে। এখানে এফোর্ডেবল বলতে, সুদের অঙ্ক কম, ইফেক্টিভ লোন টার্ম

( মানে আপনাকে কত বছর লোনটা চালাতে হবে এটা পরিশোধ করার জন্য) এবং লোন প্রিমিয়াম বুঝানো হয়েছে।

আবাসন খাতে খুব সহজ শর্তে বাড়ির লোন দেয়ার তালিকায় প্রথম স্থান হচ্ছে বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন।

আমরা যাকে এক কথায় বিএইচবিএফসি নামে চিনি।

অন্যান্য সরকারি ব্যাংক গুলো ও বাড়ি বানানোর জন্য লোন দেয়।

তবে বিএইচবিএফসি একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান যেটা আবাসন লোন দেয়ার জন্য কাজ করে থাকে।

আর বেসরকারী ব্যাংকের কথা যদি বলি- অপশনের অভাব নেই!

বাংলাদেশে প্রতিটা টপ ক্লাস প্রাইভেট ব্যাংক ই মুখিয়ে থাকে গ্রাহকদের যে কোন ধরনের লোন দেয়ার জন্য। এবার সেটা হোম লোন হোক অথবা অন্য লোন।

সমস্যা একটাই,প্রাইভেট ব্যাংক গুলো বাড়ির লোন দেয় কড়া সুদে, যা গ্রাহকের জন্য সবসময় ফলপ্রসূ নাও হতে পারে।

বিএইচএফসি, সরকারী বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংক ছাড়াও অন্যান্য যেসব প্রতিষ্ঠান গৃহ লোন দিচ্ছে, তাদের লিস্ট টা একনজরে দেখে নিই চলেন-

  • ডেল্টা ব্র্যাক হাউজিং
  • ন্যাশনাল হাউজিং এন্ড ইনভেস্টমেন্ট
  • লংকাবাংলা ফিন্যান্স
  • আইডিএলসি
  • আইপিডিসি

 

কত টাকা গৃহ লোন পাবেন আপনি?

আপনার বাড়ি বানানোর জন্য লোন আপনি যেখান থেকেই নেন না কেন,

সর্বপ্রথম আপনার জানতে হবে বাড়ি নির্মানে ঋণ পাওয়ার খুব সহজ উপায়গুলো কি কি ? আপনি যেখান থাকে লোন নিতে চাচ্ছেন তারা আপনাকে শতকরা কত টাকা হারে সুদ ধরবে।

যদিও এই সুদের অঙ্ক টা এক অঙ্কে নামিয়ে আনার জন্য লম্বা সময় ধরে চেষ্টা চলছে কিন্তু সত্যি কথা হলো এই সুদ এখনো দুই অংকের নিচে নামে নাই বললেই চলে৷

এছাড়াও আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠান ই আপনাকে আপনার ফ্ল্যাট অথবা বাড়ি বানানোর পুরো টাকা টা দিবে না।

অন্তত ২০ থেকে ৩০ শতাংশ টাকার যোগান আপনার নিজেরই দিতে হবে।

বিএইচ বিএফসির মত সরকারি আবাসন লোন প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও আপনাকে ৭০% থেকে ৮০% টাকা দিবে।

যাই হোক একেবারে পার্ফেক্ট এমাউন্ট যদি জানতে চান, বিএইচবিএফসি আপনাকে দিবে ১ কোটি ২০ লাখ পর্যন্ত লোন ( একক লোন হিসেবে)।

যদিও আপডট নিউজ হচ্ছে, অর্থ মন্ত্রণালয় এই এমাউন্ট বাড়িয়ে ২ কোটি পর্যন্ত অনুমোদন দিয়েছে।

কিন্তু আপনাকে আরো একটা জিনিস মনে রাখতে হবে বিএইচবিএফসি-র লোন শুধুমাত্র ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এড়িয়ার জন্য সীমাবদ্ধ।

খুশীর ব্যাপার হলো, আপনি যদি হোম রিনোভেশন, মানে আবাসন মেরামতের জন্য এপ্লাই করেন,

সরকারি এই সংস্থাটি আপনাকে লোন দিবে প্রায় ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত।

এ পর্যন্ত আমরা যত সরকারি বেসরকারি হোম লোন প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এর কথা বলেছি,

সবাই আপনাকে হোম লোন দিবে সর্বোচ্চ  ২ কোটি টাকা পর্যন্ত।

তবে সরকারি ব্যাংক সোনালী ব্যাংক হোম লোন অফার করছে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ‘সোনালী নীড়’ নামক প্রকল্পের আওতায়।

এছাড়া আইএফাইসি হোম লোন দিচ্ছে ২ কোটি টাকা ‘আমার বাড়ি ‘ প্রকল্পের আওতায়।

কিন্তু সেমিপাকা ভবন যদি বানাতে চান, আইএফআইসি থেকে লোন পাবেন সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা পর্যন্ত। 

কে কত পার্সেন্ট সুদ নিচ্ছে?

আশার ব্যাপার হলো বিএইচবিএফসি খুব সরল হরে মাত্র ৯ শতাংশ  হারে গৃহলোন অফার করছে একক অথবা বাণিজ্যিক ভাবে।

অন্যান্য সরকারী এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলো সবাই চক্রবৃদ্ধি হারে হোম লোনের সুদ ধার্য্য করে থাকে।

এদিক দিয়ে সরকারি ব্যাংক সোনালী ব্যাংক ও এগিয়ে আছে, ৭% হারে হোম লোন দিচ্ছে গ্রামে বাড়ি নির্মানে।

বেসরকারি ব্যাংক গুলো হোমলোন দিচ্ছে চড়া সুদে, অলমোস্ট ১০% থেকে ১৫% পর্যন্ত।

যদিও অন্যান্য প্রাইভেট আর্থিক সুবিধা প্রদান কারী প্রতিষ্ঠান গুলো আবার ৯% হারেও বাড়ির লোন দিচ্ছে,

তবে গ্রাহকের স্মার্ট ডিসিশন হলো সমস্ত পসিবল লোন প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এর সাথে কথা বলে লোন এর এমাউন্ট, সুদ ইত্যাদি তুলনা করে বেস্ট অপশন বেছে নেওয়া।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে আমরা দেখেছি-সরকারি বেসরকারি খাত থেকে

হোম লোন পাওয়া যায় মোটামুটি ৯% থেকে ১৫% সুদ, এই রেঞ্জের সুদের বিনিময়ে।

এখন ব্যাক্তি বিশেষ এ অথবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এই সুদের হার কম বা বেশি হতে পারে।

বাড়ির লোনের জন্য কি ডকুমেন্টস লাগে?

বাড়ির লোন এর এমাউন্ট হয় বিশাল। আর এই বিশাল এমাউন্টের টাকা আপনি যখন আপনার একাউন্টে পাবেন, এর জন্য আপনাকে বেশ কিছু ডকুমেন্টস দেখাতে হবে,

এপ্লাই করতে হবে প্রতিষ্ঠান বরাবর  এবং আরো অন্যান্য ইমপর্ট্যান্ট ফরমালিটিজ ও পাশাপাশি আছেই

বিশেষ করে সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে অথবা বিএইচবিএফসি থেকে এই লোন পেতে হলে মেলা কাগজপত্র সাবিমিট করতে হয়।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুলো অত কাগজপত্র চায়না, উপরন্তু আপনি যদি বাড়ি করার পরিবর্তে ফ্ল্যাট বানান-এরা আপনাকে আরো কম প্যারা দিবে কাগজপত্র সাবমিট করার ব্যাপারে।

Loan

তো, বাড়ি নির্মানে আপনার যা যা ডকুমেন্টস লাগবে-

  • আপনার বাড়ির নকশার সত্যায়িত ফটোকপি। নকশাটি অবশ্যই প্রপার অথোরিটির কাছ থেকে এপ্রুভ করাতে হবে।
  • নামজারি খতিয়ান।
  • মুল দলিল।
  • বাড়ির খাজনা আদায় করেছেন সেই রশিদের ফটোকপি (অবশ্যই সত্যায়িত হতে হবে)।
  • সিএস, এস এ, আর এস, বি এস  খতিয়ানের ফটোকপি (সত্যায়িত)
  • এন ইসি ( ১২ বছরের তল্লাশি সহ, যোগাড় করতে হবে জেলা বা সাবরেজিস্টার এর কার্যালয় থেকে)
  • জমির মুল বরাদ্ধপত্র এবং দখল হস্তান্তর পত্র ( যদি সরকারি ভুমি হয়ে থাকে)।
  • আবেদনকারীর ইনকামের প্রমাণ পত্র। যদি আয়ের উৎস বাবা মা/ স্বামী স্ত্রী / ছেলেমেয়ে হয় তাহলে আয়ের ও যথাযথ প্রমাণ পত্র দাখিল করতে হবে।
  • তিন হাজার টাকা আবদন ফি জমা দিয়েছন সেটার প্রমাণ রশীদ।
  • আবেদনকারীর ছবি।
  • আয়কর প্রত্যায়ন পত্র (যদি আয়কর দিতে হয়)।
  • একটা নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পঘোষণাপত্র এই মর্মে, আপনি আর অন্য কোথাও থেকে লোন নিয়ে বাড়ির কাজ করছেন না।
  • প্রকৌশল সনদপত্র।
  • ভুমিকম্প প্রতিরোধ এর সনদ।

প্রতিষ্ঠান ভেদে এই কাগজ পত্র আরো কম বা বেশি হতে পারে।

যাই হোক, ফ্ল্যাট কেনার অথবা বানানোর জন্য লোন নিলে এত কাগজ পত্র দিতে হয় না। ফ্ল্যাট লোন নিতে যা যা লাগে-

  • ডেভেলপার এবং ফ্ল্যাট ক্রেতার মধ্যে সম্পাদিত ফ্ল্যাট কেনার চুক্তি ( অবশ্যই সত্যায়িত ফটোকপি)।
  • জমির মালিক এবং ডেভেলপার এর মধ্য বাড়ী বানানোর চুক্তিপত্রের সত্যায়িত

ফটোকপি।

  • বাড়ির নকশার অনুমোদিত প্ল্যানের সত্যায়িত ফটোকপি।
  • আবেদনকারীর ছবি,আবেদন ফি, আয়ের সার্টফিকেট এবং হোয়াইট পেপারে তিনটি স্যাম্পল সাইন।
  • এছাড়াও ডেভেলপার কোম্পানির বিভিন্ন সনদ যেমন-সংঘস্মারক,সংঘবিধি এবং নিবন্ধন সনদের সত্যায়িত ফটোকপি  জমা দিতে হবে।

আমরা একবারে আমাদের আজকের নিবন্ধন এর শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি।

ইতিমধ্যে আপনারা হোম লোন কিভাবে পাবেন, কোথায় পাবেন, কত টাকা পাবেন

এবং কত টাকা সুদের বিনিময়ে আপনাকে এই লোন দেওয়া হবে, সব বিস্তারিত জেনে গেছেন।

একেবারে বিদায় নেওয়ার আগে আপনাকে আরো একটা ইনফো দিয়ে রাখি, আপনি যদি সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী হোন,

তাহলে আপনার জন্য এই হোম লোন পাওয়ার ব্যবস্থা টি আরো ইফেক্টিভ এবং দ্রুত হবে।

কিন্তু আপনাকে শিউর হতে হবে, কোন রাস্ট্রবিরোধী অথবা রেস্ট্রিকটেড কাজে আপনি জড়িত নেই অথবা ছিলেন না।

তো এই পর্যন্তই আমাদের আজকের নিবন্ধন ‘বাড়ি নির্মানে ঋণ পাওয়ার খুব সহজ কিছু উপায়’।অপেক্ষায় রইলাম আপনার মুল্যবান মতামত জানার জন্য।

ই-কর্মাস ব্যবসা সর্ম্পকে জানতে এখানেই ক্লিক করুন

কিভাবে ওয়েবসাইট ও ব্লগে ফ্রি ভিজিটর নিয়ে আসবেন?

1
কিভাবে ওয়েবসাইট ও ব্লগে ফ্রি ভিজিটর নিয়ে আসবেন
কিভাবে ওয়েবসাইট ও ব্লগে ফ্রি ভিজিটর নিয়ে আসবেন

যে কোন ওয়েবসাইট ও ব্লগে ফ্রি ভিজিটর নেওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এসইও করা। তাই আজকের লেখাতে আমি আপনাকে বলবো ফ্রি ভিজিটর নিয়ে আসার কিছু এসইও টিপস। আপনি যদি চান আপনার ওয়েবসাইটে ফ্রি-তে ভিজিটর আসুক, তাহলে আপনি আজকের লেখাটি সম্পূর্ণ পড়ুন।

আপনি এসইও এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট ও ব্লগে ফ্রি ভিজিটর নিয়ে এসে খুব দ্রুত জনপ্রিয় করে তুলতে পারেন আপনার প্রিয় ওয়েবসাইট বা ব্লগটিকে। এই ফ্রি ভিজিটর গুলো নিয়ে আসার জন্য আপনাকে কোন টাকা দিতে হবেনা। বরং আপনি এই ভিজিটর থেকে আরও বেশি টাকা আয় করতে পারবেন। আপনি যদি আমার কথা বুঝতে পারেন এবং কাজ করেন। আজকের পর আপনাকে আর ফ্রি ভিজিটরের জন্য অন্য কোন ওয়েবসাইটের পোস্ট খুঁজতে হবেনা।

ব্লগে ফ্রি ভিজিটর:

গুগলসহ অন্যান্য যেকোন সার্চ ইঞ্জিনের সার্চ রেজাল্টের প্রথম পাতায় আপনার ওয়েবসাইট নিয়ে আসতে পারলে, আপনি আপনার সাইটে অনেক ভিজিটর পাবেন। আর সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় আসার জন্য ওয়েবসাইট এসইও করতে হবে। ওয়েবসাইটে এসইও করলে আপনি সহজেই গুগলের প্রথম পেজে চলে আসবেন। যদি কোনভাবে সঠিক এসইও করে আপনি গুগল এর বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় চলে আসেন। তাহলে আপনার নতুন ব্লগ খুব সহজেই জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। আর তাই ওয়েবসাইটের জন্য এসইও খুব প্রয়োজনীয়।

কিভাবে ওয়েবসাইট ও ব্লগে ফ্রি ভিজিটর
Image source: Pixabay

কেন আপনার ওয়েবসাইট এসইও করবেন?

এসইও এর মানে আমরা সবাই জানি। তাও একটু বলি এসইও (SEO) মানে হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। অর্থাৎ ওয়েবসাইট বা ব্লগকে সার্চ ইঞ্জিনে যাতে সহজেই বুঝতে পারে বা পরিচয় হতে পারে সেই ব্যবস্থা করা।

মৌলিক দিক থেকে এসইও তিন প্রকার হয়ে থাকে:

১. অন পেজ এসইও এবং ২. অফ পেজ এসইও এবং ৩. টেকনিক্যাল এসইও।

অন পেজ এসইও করে কিভাবে ফ্রি ভিজিটর পাবেন?

আপনি ওয়েবসাইটে যা যা অপটিমাইজ করবেন তাকে অন পেজ এসইও বলে। পোস্ট লিখা, ডিজাইন করা ইত্যাদি সবকিছুকে একসাথে বলা  হচ্ছে অন পেজ এসইও।

কিভাবে এসইও ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট ডিজাইন করবেন?

অন পেজ এসইও এর জন্য আপনাকে প্রথমেই ওয়েবসাইটের জন্য ভালো একটি ডিজাইন করতে হবে। যাতে ইউজাররা সহজেই ভিজিট করে সন্তুষ্ট থাকতে পারেন। এবং যেন সাইট ভিজিট করতে তাদের কোন কষ্ট করতে না হয়।

সাইট স্পীড ও গুগল র‍্যাংকিং:

আপনার সাইট স্পীড বা গতি গুগল র‍্যাংকিংয়ের জন্য খুবই বড় একটি ফেক্টর। এটা আমি নিজে উপলব্ধি করেছি। সাইটের স্পীড ভালো থাকলে সার্চ রেজাল্টের প্রথমে চলে আসতে সময় লাগবে না। যদিও আমি বর্তমানে পেইড থিম করছি কিন্তু কিছু কারণে স্পিড একটু কম। তার জন্য আমি খুবই দুঃখিত!

তাই ওয়েবসাইট বা ব্লগ এমনভাবে ডিজাইন করতে হবে, যাতে আপনার সাইট ভিজিট করতে খুবই কম সময় লাগে। এছাড়া সাইটের লোডিং স্পীড কমাতে গুগল (AMP) ভার্সন ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য যেকোন একটি AMP প্লাগিন ইন্সটল করে নিলে আপনার জন্য কাজ হয়ে যাবে।

গুগল AMP ভার্সন ব্যবহার করলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। আপনার সার্চ র‍্যাংকিং ১০০% উন্নতি হচ্ছে। আমি নিজে এটার সাক্ষী। তাই এটা ব্যবহার করুন। এর জন্য আপনি আপনার ওয়েবসাইটে ফ্রি ভিজিটর পাবেন।

কিভাবে এসইও ফ্রেন্ডলি পোস্ট লিখবেন?

একটা ওয়েবসাইট দ্রুত প্রোমোদ করার জন্য সাইটের প্রত্যেকটি পোস্ট অবশ্যই এসইও ফ্রেন্ডলি হওয়া আবশ্যক। এসইও ফ্রেন্ডলি পোষ্টের কোন বিকল্প নেই। ফ্রি ভিজিটর পাওয়ার সবচেয়ে ভালো ও গুরুত্বপূর্ণ উপায় হচ্ছে ওয়েবসাইটের সকল পোষ্ট এসইও ফ্রেন্ডলি করা।

এসইও ফ্রেন্ডলি পোষ্ট করার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ:

গুগল র‍্যাংকিংয়ে দ্রুত আসার জন্য আপনাকে কষ্ট করে বড় করে আর্টিকেল লেখার চেষ্টা করতে হবে। কারণ, প্রথম পাতায় থাকতে হলে আপনার সাইটে বেশি তথ্য থাকতে হবে। তাই বেশি শব্দের পোস্ট বা আর্টিকেল লিখলে খুব সহজেই গুগল সার্চের প্রথমে আসা যায়।

তাই কমপক্ষে ১০০০ শব্দের বেশি করে পোস্ট লিখতেই হবে। তা না হলে সার্চ রেজাল্টে আসা আপনার জন্য খুবই কঠিন হয়ে যাবে। তবে আপনার পোস্ট যদি ২০০০-৫০০০ শব্দের হলে আপনি নিজে নিজে স্বপ্ন দেখতে পারেন। আপনি প্রথম ৫ টি সার্চ রেজাল্টের একটি হবেন। এমনকি আপনি হয়তো সার্চ রেজাল্টে প্রথমে থাকবেন। তাই ব্লগে ফ্রি ভিজিটর নিতে হলে, অবশ্যই আপনি ১০০০ এর বেশি শব্দ বা ২০০০ থেকে ৫০০০০ শব্দের আর্টিকেল লিখুন।

কিভাবে লিঙ্ক যুক্ত করে ফ্রি ভিজিটর বৃদ্ধি করবেন?

গুগল সার্চে আসার জন্য লিঙ্ক যুক্ত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কাজ। আমি লিঙ্ক যুক্ত করে খুবই উপকৃত হয়েছি।

পোস্ট করার সময় দুই রকমের লিঙ্ক যুক্ত করতে হবে:

১. ইনবাউন্ড লিঙ্ক  ২. আউটবাউন্ড লিঙ্ক।

আপনার কোন পোস্ট যদি বর্তমানে গুগলের প্রথম পেজে নাও থাকে, যদি আপনি আপনার ওয়েবসাইটে যথেষ্ট লিঙ্ক যুক্ত করে থাকেন। তাহলে একদিন না একদিন আপনি প্রথম পেজে ঠিকই চলে আসবেন।

লিঙ্ক করা মানে আপনার সাইটের বা অন্য সাইটের কোন পোস্টকে আপনার পোস্টের সাথে কানেকশন করিয়ে দেওয়া। যেমনঃ আমার এই পোস্টে অনেকগুলো লিঙ্ক দেওয়া আছে।

ইনবাউন্ড লিঙ্ক –

ইনবাউন্ড বা ইন্টার্নাল লিঙ্ক হচ্ছে আপনার নিজের ওয়েবসাইটের কোন পোস্ট কে আরেকটি পোস্টের সাথে যুক্ত করিয়ে দেওয়া।  অর্থাৎ আপনার বর্তমান পোস্টের সাথে আগের কোন একটা পোস্টকে যুক্ত করাই হচ্ছে ইনবাউন্ড লিঙ্কিং।

আউটবাউন্ড লিঙ্ক –

আপনার পোস্টের সাথে সম্পর্কিত অন্য ওয়েবসাইটের কোন আর্টিকেল বা পোস্টকে আপনার নিজের ওয়েবসাইটের পোস্টের সাথে যুক্ত করিয়ে দেওয়া কে আউটবাউন্ট লিঙ্ক বলা হয়।

লিঙ্ক যুক্ত করলে কি হয়?

লিঙ্ক করলে একটি ওয়েবসাইটের জন্য অনেক কিছুই হয় যা আপনি জানেন না। কোন ভিজিটর যখন সার্চ করে আপনার ব্লগে আসে তখন সে ভালো কিছু পেলে আপনার লেখাটি পড়বে। কিন্তু লেখা ভালো না হয়ে ব্যাক দিয়ে চলে যাবে। একজন ভিজিটর অনেক সময় নিয়ে ওয়েবসাইটে থাকলে অনেক কিছু লাভ হয়ে যায়। ভিজিটর যদি সাইটে বা ব্লগে বেশিক্ষণ থাকে, তখন গুগল এটা বুঝে নিতে চেষ্টা করে ওয়েবসাইটের এই লেখাটি অবশ্যই ভালো। এর ফলে লেখাটি আরও মানুষকে পড়ার সুযোগ করে দিতে আপনাকে সার্চ র‍্যাংকিংয়ে এগিয়ে দেয়। আর ভিজিটর যদি ভিজিট করে আবার ব্যাক করে আপনার ওয়েবসাইট থেকে বের হয়ে যায়, তাহলে গুগল আপনাকে আরও নিচের পাঠিয়ে নিয়ে যায়।

সুতরাং একাধিক লিঙ্ক থাকলে ভিজিটর ব্যাক দিয়ে সার্চ ইঞ্জিন বা গুগলে ফিরে যাওয়ার চান্স কম থাকে। ভিজিটর যদি কোন লিংকে ক্লিক করে গুগল সেটিকে এনগেজমেন্ট হিসেবে ধরে। গুগলে ধরে ভিজিটর তার প্রয়োজনীয় কিছু আপনার ওয়েবসাইটে খোঁজে পেয়েছে। তাই সে আপনাকে র‍্যাংকিংয়ে উপরে উঠিয়ে দেয়।

ইনবাউন্ড লিঙ্ক করলে আপনার ভিজিটর আপনার সাইটেরই অন্য আরেকটি পোস্ট পড়তে পারে। অথবা আরও বেশি পোস্ট পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এতে আপনার পেজ ভিউজ বেড়ে যাবে। যা আপনার আয় আরো বাড়িয়ে দিবে। তাছাড়া আউটবাউন্ড লিঙ্ক করলে গুগল বুঝে নেয় আপনি খুব গুরুত্ব দিয়ে একাধিক তথ্য শেয়ার করে করে পোস্টটি লিখেছেন। এটি অবশ্যই ভালো পোস্ট। তাই এটি র‍্যাংকিং দিতে গুগল দ্বিধা করেনা। তাই অবশ্যই ইনবাউন্ড ও আউটবাউন্ড লিঙ্ক তৈরি করতে ভুল করবেন না।

কিভাবে অফ পেজ এসইও করে ফ্রি ভিজিটর পাবেন?

আমি যদি আপনাকে অফ পেজ এসইও এর কথা বলতে যায়, তাহলে আমাকে অবশ্যই বলতে হবে ব্যাকলিংক এর কথা। আপনার ওয়েবসাইট কে গুগলে বা সার্চ ইঞ্জিনে আরও বেশি কার্যকর করতে ব্যাকলিংক এর কোন বিকল্প দেখি না। আপনার পোস্টকে গুগল সার্চ এর প্রথম নিয়ে আসতে এটি অনেক বড় ভূমিকা রাখে।

গুগল সাজেশন মেনে চলুন:

আপনি যখন গুগলে কোনকিছু লিখে সার্চ করেন, তখন দেখতে পারবেন নিচে অনেক গুলো বিষয় সাজেস্ট করছে। গুগলে সার্চ করলে নিচে যে সকল সাজেশন দেখায়। এগুলো ও অনেকে প্রয়োজনীয়। এটার মানে হচ্ছে আরো অনেক লোক আছে যারা এইসব লেখা লিখে গুগলে সার্চ করে। তাই আপনি চেষ্টা করবেন পোস্ট রেলেটেড সেইসব টপিক নিয়ে আপনার পোস্টে লিখতে। তাহলে ভিজিটর গুগলে এসে কোন বিষয় লিখে সার্চ করলে আপনার ওয়েবসাইটটি দ্রুত সবার আগে চলে আসবে।

আপনি যদি উপরের নিয়মগুলো মেনে চললে আপনি অবশ্যই গুগলে এর প্রথম পেজে চলে আসবেন। আর আপনার ওয়েবসাইট ও ব্লগে ফ্রি ভিজিটর পাবেন।

কিভাবে ওয়েবসাইট এসইও করবেন? সম্পূর্ণ এসইও পদ্ধতি

0
কিভাবে ওয়েবসাইট এসইও করবেন
কিভাবে ওয়েবসাইট এসইও করবেন

ওয়েবসাইট ট্রাফিক বৃদ্ধি করার জন্য কিভাবে এসইও করবেন তা জানতে বিস্তারিত পড়ুন। আপনি যদি ওয়েবসাইট সম্পর্কে জেনে থাকেন, তাহলে ওয়েবসাইট এসইও পদ্ধতি সম্পর্কে অবশ্যই জানবেন। সুতরাং এসইও এর গুরুত্ব ও ব্যবহার সম্পর্কে আপনাকে বিস্তারিত জানাতে হবে।

আপনি যদি ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে কোন কাজ বা বিজনেস করতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই এসইও জানতে হবে। কারণ, এসইও না জানলে যে আপনার ওয়েবসাইটের সেবা বা সার্ভিস সম্পর্কে কেউ জানতে পারবে না। এজন্য আপনাকে অবশ্যই এসইও জানতে হবে।

আবার অনেকে আছে এসইও কে অনেক বেশি জটিল মনে করে থাকে। মূলত এসইও খুবই সহজ একটি পদ্ধতি। শুধুমাত্র আপনাকে সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে সাধারণ ধারণা রাখতে হবে। আমাদের বিডি ব্লগ এর যতগুলো টিউটিরিয়াল রয়েছে এগুলো ফলাফল লেখ আপনি এসি সম্পর্কে গভীর ধারণা লাভ করতে পারবেন অর্থাৎ এসি সম্পর্কে অনেক বেশি জানতে পারবেন। 

কিভাবে ওয়েবসাইট এসইও করবেন_ সম্পূর্ণ এসইও পদ্ধতি।
কিভাবে ওয়েবসাইট এসইও করবেন_ সম্পূর্ণ এসইও পদ্ধতি।

একটা ওয়েবসাইট এসইও করার জন্য কিভাবে এসইও করবেন তা জানার আগে প্রয়োজন এসইও এর পদ্ধতি বা প্রসেস গুলো। সহজে বলতে গেলে আপনি এসইও করার জন্য কোন কোন স্টেপ গুলো অনুসরণ করবেন এবং সেই পদ্ধতি গুলোর নাম কি তা অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে।

আজকের টিউটোরিয়ালটি যদি আপনি সম্পূর্ণ পড়েন, তাহলে আপনি এসইও এর পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারবেন। সুতরাং আমি আপনাকে বলবো যদি আপনি এসইও জানতে চান, তাহলে আপনি এটা খুবই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

একটি কমপ্লিট ওয়েবসাইট এসইও এর জন্য ৪টি পদ্ধতি রয়েছে –

  1. কিওয়ার্ড সিলেকশন
  2. কনটেন্ট তৈরি
  3. অন পেজ অপটিমাইজেশন
  4. অফ পেজ অপটিমাইজেশন।

আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং, এফিলিয়েট মার্কেটিং, ব্লগিং, ই-কমার্স ইত্যাদি নিয়ে কাজ করেন, তাহলে অবশ্যই এই চারটি পদ্ধতি আপনার জানা প্রয়োজন। ৪টি পদ্ধতি যদি আপনি সঠিকভাবে আপনার ওয়েবসাইটে প্রয়োগ করতে না পারেন, তাহলে আপনার দ্বারা অনলাইনে সফল হওয়ার কঠিন হয়ে যাবে। এই পদ্ধতিগুলোর সোনার ক্ষেত্রে অনেকটা জটিল মনে হতে পারে কিন্তু এগুলো খুবই সহজ কাজ আপনি একটু চেষ্টা করলেই আপনার ওয়েবসাইট এসইও করার মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনের টপ রাংকিং এ নিয়ে আসতে পারবেন।

আমরা প্রথমদিকে বলেছি অনেকেই এসইও কে জটিল ভাষায় সংজ্ঞায়িত করে থাকে। কিন্তু আমরা আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করব এসইওর সহজ ধাপগুলো নিয়ে।  এগুলো যদি আপনি অনুসরণ করতে পারেন এবং এগুলো আপনার ওয়েবসাইটের সঠিকভাবে অ্যাপ্লাই করতে পারেন, তাহলে আপনি আপনার ওয়েবসাইট থেকে ভালো পরিমাণ বিক্রয় করতে পারবেন। অথবা আপনি যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে কাজ করে থাকেন, অ্যাফিলিয়েট ইনকাম করতে পারবেন। অথবা আপনি যদি ব্লগিংয়ের মাধ্যমে ইনকাম করতে চান, ভালো ট্রাফিক নিয়ে আসার মাধ্যমে আপনি ব্লগিং থেকে ভালো পরিমাণ উপার্জন করতে পারবেন। 

এখন আমরা ওয়েবসাইট এসইও এর ৪টি পদ্ধতি নিয়ে পরিচয় জানবো-

আমাদের বিডিব্লগে এসইও সম্পর্কে বিভিন্ন ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল আমরা প্রকাশ করে থাকি।  আজকের লেখা ঠিক হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে কিছু ধারনা। এই লিখাটি পড়লে আপনি এসইও কি কি করতে হবে এবং কোন কোন স্টেপ গুলো আপনাকে অপটিমাইজ করতে হবে সে বিষয়ে সম্পর্কে আপনি জেনে যাবেন।  চলুন আমরা জেনে নিই — 

১. কিওয়ার্ড সিলেকশন –

আপনার ওয়েবসাইটটি যে কিওয়ার্ড এর মাধ্যমে Rank করাতে চান সেই কিওয়ার্ড আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে। যেমন – আপনার ওয়েবসাইট হচ্ছে ইলেকট্রনিকস ই-কমার্স ওয়েবসাইট। তাহলে ইলেকট্রনিকস গ্যাজেট বিক্রি করার জন্য আপনাকে ইলেকট্রনিকসের কিওয়ার্ড সিলেক্ট করে তা Rank করার কাজ করতে হবে। কিওয়ার্ড সিলেকশনের জন্য অনলাইনে অনেকগুলো টুলস আছে।

কিছু জনপ্রিয় কিওয়ার্ড রিসার্চ ভুল হচ্ছে: 

  • Ahrefs
  • Moz
  • Google keyword planner
  • Ubersuggest

২. কনটেন্ট তৈরি –

কিওয়ার্ড সিলেকশন করতে পারলে অবশ্যই আপনি কনটেন্ট তৈরি করতে পারবেন। কনটেন্ট তৈরি বলতে আপনি যে বিষয় নিয়ে কিওয়ার্ড সিলেকশন করেছেন, সেই বিষয়টি মাথায় রেখে সম্পূর্ণ একটি বর্ণনা লেখা বা ভিডিও তৈরি করা। আপনি ওয়েবসাইটের জন্য অবশ্যই লেখবেন এবং ইউটিউব বা ভিডিও ওয়েবসাইটের ভিডিও তৈরি করবেন।

আপনি যখন আপনার ওয়েবসাইটের জন্যে কন্টেন লিখবেন, তখন যে কিওয়ার্ডটি কে আপনি তার গেট করেছেন। সে কী-ওয়ার্ডটি কে আপনি অপটিমাইজ করে আপনার কনটেন্টটি তৈরি করবেন। কনটেন্ট রাইটিং খুবই মজার একটি বিষয়। আমি নিজেও কনটেন্ট লিখতে অনেক বেশি ভালোবাসি। তবে আমি বাংলা ভাষায় কনটেন্ট  লিখতে প্রাউড ফিল করি। অনেকেই বাংলা ভাষায় কনটেন্ট রাইটারকে এত বেশি মূল্যায়ন করেনা। কিন্তু আমার কাছে এটি খুবই মূল্যবান একটি কাজ। ওয়েবসাইট এসইও পদ্ধতি যে বাংলায় জানতে পারছেন, এটাও মজার না?

৩. অন পেজ অপটিমাইজেশন –

কনটেন্ট তৈরি করার পর কনটেন্টটি কে গুগলে Rank করানোর জন্য আপনাকে কনটেন্টটি অপটিমাইজ করতে হবে। কনটেন্ট অপটিমাইজেশন করার মাধ্যমে আপনি আপনার কিওয়ার্ড ও কনটেন্টকে সার্চ ইঞ্জিনে Rank করাতে পারবেন। অন পেজ অপটিমাইজেশন এর জন্য আপনাকে দুটি দিক বিবেচনা করে অপটিমাইজ করতে হবে।

১. সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য উপযোগী করে

২. আপনার ভিজিটরদের জন্য উপযোগী করে

সার্চ ইঞ্জিনের জন্য অপটিমাইজ বলতে সার্চ ইঞ্জিন যেন আপনার লেখাটিকে কি সম্পর্কে লেখা হয়েছে সেটা সহজে বুঝতে পারে। সার্চ ইঞ্জিন যেন  আপনার ভিজিটরদের কাছে আপনার লেখা কন্টাক্ট উপস্থাপন করতে পারে। সে বিষয়ে আপনাকে ওয়েবসাইট এসইও পদ্ধতি নিয়ে মনোযোগী হতে হবে এবং সার্চ ইঞ্জিনকে বুঝাতে হবে। আপনার লেখাটা কোন বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে  তা সার্চ ইঞ্জিন বুঝতে পারলে আপনার লেখাটিকে সংগ্রহ করবে এবং সার্চ রেংকিং এ নিয়ে আসবে।

৪. অপ পেজ অপটিমাইজেশন –

অপ পেজ অপটিমাইজেশন এর জন্য নির্দিষ্ট কোন সময় সীমানা নেই। এটার জন্য আপনাকে সময় দিতে হবে এবং ধর্য্য নিয়ে কাজ করতে হবে। অপ পেজ অপটিমাইজেশন এর জন্য আপনাকে বিভিন্নভাবে কাজ করতে হবে। তার মধ্যে যেমন- ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করা, সোস্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইটে আপনার কনটেন্ট ও ওয়েবসাইট শেয়ার করা ইত্যাদি।

আশা করি আমাদের এসইও পর্বের এই ছোট্ট আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা অনেক কিছুই জানতে পেরেছেন। এ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করার জন্য আমাদের ডিজিটাল মার্কেটিং ও এসইও ক্যাটাগরি ভিজিট করুন। 

রিসেলার ব্যবসা এর পরিচয় ও ব্যবসা শুরু করার গাইডলাইন

2
রিসেলার বিজনেস
রিসেলার বিজনেস

আজকের লেখাটি আপনার জীবন পাল্টে দিতে পারে যদি আপনি চান। রিসেলার ব্যবসা এর পরিচয় ও এই ব্যবসা কিভাবে শুরু করতে পারেন, তার সম্পূর্ণ গাইডলাইন আজকের লেখাটি পড়লে জানতে পারবেন। বাংলাদেশের মধ্যে অনেক ছাত্র-ছাত্রী আছে যারা লেখাপড়ার পাশাপাশি অনলাইনে কিছু বিজনেস করে টাকা ইনকাম করার চেষ্টা করেন। কিন্তু সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হচ্ছে।

একটা অনলাইনে বিজনেস শুরু করতে হলে, অনলাইনে বিক্রি করার জন্য যে পণ্যগুলোর প্রয়োজন হয়। সে পণ্যগুলোর জন্য বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। অন্ততপক্ষে যদি আমি টি-শার্ট ব্যাবসা করি, তাহলে আমাকে মিনিমাম টি-শার্টের জন্য চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা হলেও বিনিয়োগ করতে হবে। এটাই হচ্ছে ব্যবসার নিয়ম। কিন্তু আমাদের ছাত্র ছাত্রীরা জানেনা যে কোন রকম বিনিয়োগ না করেও মূলত অনলাইনে বিজনেস করা যায়।

রিসেলার বিজনেস গাইডলাইন
রিসেলার ব্যবসা গাইডলাইন

লেখাটি অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। এখানে আমরা আপনাদের জন্য সম্পূর্ণ নতুন একটি পদ্ধতি নিয়ে এসেছি। যে পদ্ধতির মাধ্যমে একজন ছাত্র ছাত্রী কোনরকম বিনিয়োগ না করে অনলাইনে তাদের পছন্দের পণ্য বিক্রয় করতে পারবে। এবং এর জন্য কোনো বাধার সম্মুখীন হতে হবে না। এতে ডেলিভারির কোন সমস্যা তৈরি হবে না।

এ ব্যবসার মূল বিনিয়োগ হচ্ছে সময়। একজন ছাত্র ছাত্রী যখন তাদের অবসর সময়টা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে বিক্রয় করার চেষ্টা করবে এবং এখান থেকে যখন কোনো বিক্রয় জেনারেট করতে পারবে বা কোন ক্রেতার সংগ্রহ করতে পারবেন। তখন উক্ত ক্রেতার ডেলিভারি ক্তথ্যগুলো তৃতীয় পক্ষ কোম্পানিকে ট্রানস্ফার করতে হবে।

উক্ত কোম্পানি ক্রেতার পছন্দের পণ্যটি ডেলিভারি করবে এবং ডেলিভারি করার পর টাকা সংগ্রহ করে। পণ্য ডেলিভারি সফল হওয়ার পর লাভের অংশ থেকে একটি নির্দিষ্ট অংশ ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ভাগ করে দিবেন। অর্থাৎ অর্থাৎ একজন ছাত্র ছাত্রী যতগুলো ক্রেতা সংগ্রহ করতে পারবেন ততগুলো খেলা থেকে প্রফিটের একটি নির্দিষ্ট অংশ পেয়ে যাবেন।

রিসেলার ব্যবসা এর পরিচয়:

বাংলাদেশের মধ্যে রিসেলিং ব্যবসা খুবই কম পরিচিত। কেননা, বাংলাদেশ পূর্বে রিসেলিং ব্যবসার সুবিধা খুব কম ছিল। বর্তমানে অনেকগুলো কোম্পানি রয়েছে যারা আস্তে আস্তে রিসেলিং ব্যবসার সুবিধা চালু করতে শুরু করেছে।

সুতরাং রিসেলিং ব্যবসা শুরু করার আগে আমাদের এই ব্যবসাটি সংজ্ঞা বা পরিচিতি জানা খুবই প্রয়োজন। আমরা এখানে এই ব্যবসার সাধারণ সংজ্ঞা তুলে ধরব। যেন যে কেউ বুঝতে পারে। মূলত, রিসেলিং বিজনেস কাকে বলে? বা রিসেলিং ব্যবসা কাকে বলে? যদি শব্দটাকে ইংরেজি এবং বাংলায় একটু ভেঙ্গে লিখি, তাহলে আপনাদের বুঝতে একদম কষ্ট হবেনা।

Reseller শব্দটাকে আমি বাংলায় “রিসেলার” লিখেছি। বাংলায় লেখার কারণে অনেকে হয়তো বুঝতে পারেননি। এখানে ”Re” মানে হচ্ছে পূনরায় / আবার এবং ”Seller” মানে হচ্ছে বিক্রেতা। তাহলে একসাথে বললে হয় “পূনরায় বিক্রেতা”।

পূনরায় বিক্রেতা কাকে বলে?

যখন কোন পণ্য কারো কাছ থেকে ক্রয় করে তা পূনরায় বিক্রি করা হয়, তাকে পূনরায় বিক্রি বলে এবং যিনি বিক্রি করেন, তাকে পূনরায় বিক্রেতা বলে। আশাকরি, আপনাকে রিসেলারের পরিচয়টা দিতে পেরেছি। যদি আরও কোন প্রশ্ন থাকে, তাহলে নিচে কমেন্ট বাক্স তো আছেই।

রিসেলার হিসেবে কিভাবে কাজ করা যায়?

এই ব্যবসাটাস পরিচয় জেনে গেলেন। এখন যে সকল ছাত্র ছাত্রীরা এই ব্যবসাটি করতে চাচ্ছেন, তাদের জন্য একটি গাইডলাইন আমরা এখানে শেয়ার করব। যেন তারা সহজে এটি শুরু করতে পারেন এবং কিভাবে শুরু করবে তার পরিপূর্ণ একটি গাইডলাইন এখান থেকে পেয়ে যান।

রিসেলার ব্যবসা এর প্রকারভেদ:

এরিসেলার ব্যবসা মূলত দুই প্রকার হতে পারে। যেমন:

  • এনালগ বিক্রেতা (অফলাইন রিসেলার ব্যবসা)
  • ডিজিটাল বিক্রেতা (অনলাইন রিসেলার ব্যবসা)।

আজকে আমি অ্যানালগ এবং ডিজিটাল দুটি পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব। কিন্তু আমার আলোচনার মধ্যে ডিজিটাল পদ্ধতি সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে। কারণ অনলাইনে যারা বিজনেস করতে চান, তাদের মধ্যে অধিকাংশই হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রী।

যারা অবসর টাইমটা কে কাজে লাগাতে চান। যেহেতু ছাত্র-ছাত্রীরাই রিসেলিং এর ব্যবসা করতে আগ্রহী। সুতরাং তাদের জন্য সবচেয়ে মানানসই হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতি। যেটা একটা ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজ তৈরি করে শুরু করা যায়।

কিভাবে একজন ডিজিটাল রিসেলার হবেন?

এটি খুবই সহজ উত্তর। আপনার যদি অনলাইন ও ই-কমার্স ব্যবসা সম্পর্কে বেসিক ধারণা থাকে, তাহলে আপনি একজন “Reseller” হিসেবে নিজের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। কেউ কোনকিছু পৃথিবীতে শিখে আসে না। সুতরাং আপনি যদি কিছু না জানেন, তাহলে ব্যবসা শুরু করে কাজ করার মাধ্যমে সবকিছু জানতে ও শিখতে পারেন।

যদি আপনি এর আগে এ বিষয়ে না জেনে থাকেন, তাহলে নিচের ভিডিওটি ভালো করে দেখে ফেলুন। আমরা সহজে বোঝানোর জন্য এখানে ভিডিও গাইড যুক্ত করে দিয়েছি। কিভাবে কি করতে হবে এ টু জেড পরিপূর্ণ গাইড পাবেন।

এখানে আমরা কয়েকটি ভিডিও সিডিউল অনুযায়ী যুক্ত করবো। যেগুলো আপনাদের অনেক বেশী সাহায্য করবে এই ব্যবসা সম্পর্কে বুঝাতে এবং এটি কিভাবে শুরু করবেন তার পরিপূর্ণ গাইড দিতে।

কি কি যন্ত্রপাতি প্রয়োজন হবে রিসেলার ব্যবসা করতে?

আপনার যদি একটা স্মার্টফোন থাকে, তাহলে আপনি এই ব্যবসা করতে পারবেন। ফেসবুক নিশ্চয় চিনেন। ফেসবুক সম্পর্কে যদি আপনি এখনও না জেনে থাকেন, তাহলে আপনি দ্রুত “উগান্ডা” চলে যান। আপনার বাংলাদেশে থাকার প্রয়োজন নেই। একটু মজা নিলাম!😝 একটি সুন্দর ব্রান্ড নাম দিয়ে একটা ফেসবুক পেইজ তৈরি করে আপনার স্মার্টফোনের মাধ্যমে একজন রিসেলার হিসেবে বিজনেস শুরু করতে পারেন। তবে সফলভাবে বিজনেস করতে চাইলে একটা ভালো মানের ওয়েবসাইট অবশ্যই প্রয়োজন হবে।

আপনি একজন রিসেলার হিসেবে বিজনেস করলেও আপনার ক্রেতারা জানতে পারবেনা আপনি যে একজন রিসেলার। এটাই হচ্ছে সবচেয়ে মজার বিষয়। আপনি যখন অনলাইনে ব্যবসা করবেন আপনার বন্ধু-বান্ধব সবাই জানবে আপনি একটা কোম্পানির মালিক হয়ে গেছেন। তার মানে আপনার অনলাইনে একটি ব্যবসা রয়েছে বা একটি অনলাইন শপ রয়েছে।

এখানে শুধুমাত্র আপনি যে কোম্পানির হয়ে রিসেলিং করবেন তার সাথে আর আপনার ক্রেতাদের সাথে সম্পর্ক রাখবেন। মাঝখানে আপনি এই বিজনেসটা করবেন। কিন্তু আপনার ক্রেতারা সব সময় আপনাকে চিনবে। তারা আপনার কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করবে এবং পণ্যের মালিক হিসেবে আপনাকেই চিনবে।

কেন একটা ওয়েবসাইট প্রয়োজন?

ফেসবুক পেইজ এর মাধ্যমে আপনি ব্যবসা করতে গেলে ক্রেতা পেয়েও হারাতে পারেন। বর্তমানে ৮০% ক্রেতা শুধুমাত্র ফেসবুক পেইজে বিশ্বাস করেনা। ৮০% ক্রেতা পণ্য অর্ডার করার আগে আপনার ই-কমার্স ওয়েবসাইট আছে কিনা তা যাচাই করে।

কেননা, অনলানে একটি ওয়েবসাইট আপনার সম্পূর্ণ পরিচয় বহন করে। কারণ, ক্রেতা আপনাকে দেখছে না। এবং আপনি ক্রেতাকেও দেখছেন না। এজন্য ক্রেতাদের বিশ্বাস অর্জন করতে একটা ওয়েবসাইট আপনাকে করতেই হবে। আরও অনেকগুলো সুবিধা রয়েছে।

ওয়েবসাইট দিয়ে অনলাইন বিজনেস শুরু করলে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হচ্ছে। ওয়েবসাইটে ক্রেতা খুব সহজে রেজিষ্ট্রেশন করার মাধ্যমে পণ্য অর্ডার করতে পারেন। কিন্তু অন্যান্য মাধ্যম যেমন: ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে পণ্য অর্ডার করতে অনেক ঝামেলা রয়েছে। যেমন: ডেলিভারি তথ্য, পেমেন্ট সমস্যা ইত্যাদি।

কেন ওয়েবসাইট ভালো মানের হতে হবে?

যখন আপনি মার্কেটের বাহির দোকান থেকে একটি টি-শার্ট ক্রয় করেন, তখন আপনি চিন্তা করেন এটা ২০০ টাকা হতে পারে।অথচ টি-শার্টটির দাম আরও অনেক বেশিও হতে পারে। কিন্তু যখন একই টি-শার্টটি একটা শপিংমল থেকে ক্রয় করতে যান, তখন তারা ২০০ টাকার টি-শার্ট ৫০০ টাকা বললেও আপনি বিশ্বাস করেন বা মানতে রাজি হয়ে যান। ঠিক একইভাবে একটা ভালো মানের ওয়েবসাইটও আপনার পণ্যের দাম ও মান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।

এজন্য একটা প্রফেশনাল ডিজাইন করা ই-কমার্স ওয়েবসাইট করা প্রয়োজন। তবে ওয়েবসাইটের লোডিং যেন খুব দ্রুত হয়। আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং গতি বৃদ্ধি করতে একটা উন্নতমানের ভালো হোস্টিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। এক্ষেত্রে আপনি “Namecheap” “HostGator” বা “BlueHost” থেকে ডোমেইন হোস্টিং সার্ভিস ব্যবহার করতে পারেন। ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড কম হলে অধিকাংশ ক্রেতারা ওয়েবসাইট ভিজিট না করে ফিরে চলে আসেন। এজন্য আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড অবশ্যই ভালো রাখা প্রয়োজন। কেননা যখন কেউ আপনার ওয়েবসাইট থেকে পণ্য ক্রয় করতে যাবেন, তখন তিনি যেন সহজে আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন।

কোন কোম্পানির সাথে রিসেলার ব্যবসা করবেন?

চাইলে বিভিন্ন কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করার মাধ্যমে রিসেলিং পার্টনার হিসেবে চুক্তি করে বিজনেস করতে পারেন। তবে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বিশ্বস্ত রিসেলিং ব্যবসার সুযোগ দেওয়া কোম্পানি হচ্ছে “ShopUp”। শপ-আপের মাধ্যমে আপনি ২ মিনিটে রেজিষ্ট্রেশন করে হয়ে যেতে পারেন একজন রিসেলার ব্যবসা এর মালিক বা একজন নতুন উদ্যোক্তা। এখানে রেজিস্ট্রেশন করা খুবই সহজ। আপনার যদি একটা কম্পিউটার থাকে তাহলে অনলাইনে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কাজ করতে খুবই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন।

আপনার যদি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ না থাকে, তাহলেও কোন সমস্যা নেই। বর্ধমানের স্মার্টফোনগুলোর খুবই ভালো হয়ে থাকে।আপনার যদি একটা ভালো স্মার্টফোন থাকে তাহলে আপনি সেই স্মার্টফোনের মাধ্যমে একটা ই-কমার্স ওয়েবসাইট ম্যানেজ করতে পারবেন। অথবা একটি ফেসবুক পেজ খুলে সে পেজটির মাধ্যমে আপনি পূর্ণ সেল করতে পারবেন।

যেহেতু অধিকাংশ ক্রেতারা শুধুমাত্র ফেসবুক পেজের উপরে নির্ভরশীল নয় এজন্য আমরা একটা ওয়েবসাইট তৈরি করার পরামর্শ দিচ্ছি। তবে আপনি যদি বিক্রয় করতে পারেন তাহলে ফেসবুক পেজ এর মাধ্যমেও আপনি এই বিজনেস শুরু করতে পারবেন।

শপ-আপ রিসেলার ব্যবসা এর সুবিধা:

  • লক্ষ লক্ষ প্রোডাক্টের মধ্যে থেকে আপনার পছন্দের প্রোডাক্ট বাঁচাই করতে পারবেন
  • বিজনেস শুরু করার আগে কোন টাকা পরিশোধ করতে হয়না
  • পাইকারী দামে সকল পণ্য পাবেন
  • আপনার ইচ্ছে মতো নতুন মূল্য দিয়ে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন
  • ক্যাশ-অন ডেলিভারি সুবিধা রয়েছে
  • আপনাকে পণ্য ডেলিভারি করতে হবে না
  • আপনার ক্রেতার কাছে শপ-আপ পণ্য পৌঁছে দিয়ে টাকা গ্রহণ করবে
  • শপ-আপ ক্রেতার কাছ থেকে টাকা নিয়ে আপনার প্রফিটের অংশ আপনাকে প্রদান করবে
  • পণ্যের ছবি ও বিবরণ শপ-আপ লিখে দিবে, আপনাকে কষ্ট করে পণ্যের বিবরণ লিখতে হবেনা
  • আরও অনেক সুবিধা রয়েছে যা আপনি ব্যবসা শুরু করলে জানতে পারবেন।

ওয়েবসাইট তৈরি ও রিসেলার নিয়ম বুঝতে সমস্যা হচ্ছে?

অনেকেই নিজে নিজে ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন না। তাদের অন্য কারো সাহায্য নিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। যদি আপনি আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে না পারেন তাহলে আমরা আপনার জন্য একটি সুবিধা রেখেছি যেন আপনি আমাদের মাধ্যমে একটা ওয়েবসাইট তৈরি করে আপনার ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন।

সাধারণত একটি রিসেলার বা ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য আপনাকে 4 থেকে 10 হাজার টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে হতে পারে। একটা ওয়েবসাইট এর খরচ আপনার চাহিদার উপর। আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটকে প্রফেশনাল ও শক্তিশালী করতে চান, তাহলে আপনার বেশি টাকা খরচ করতে হবে। আমরা নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য একটা প্রফেশনাল ওয়েবসাইট 5 থেকে 6 হাজার টাকার মধ্যে করে দেওয়ার চেষ্টা করি।

মনে রাখবেন, আমরা পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকার মধ্যে কমপ্লিট সেটাপ দিয়ে থাকি। আপনার যদি ওয়েবসাইট তৈরি করার দক্ষতা না থাকে। অথবা আপনার পরিচিত কোন ওয়েব ডেভলপার না থাকে। তাহলে আপনি আমাদের মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করিয়ে নিতে পারবেন। যদি আপনার পরিচিত কেউ থাকে, তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ না করে আপনার পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করুন।

আমাদের দেওয়া সুবিধাটি শুধুমাত্র তাদের জন্য যারা এই ব্যবসা শুরু করার জন্য ওয়েবসাইট তৈরীর রিসোর্স পাচ্ছেন না। তবে কেউ 1999 টাকার অফার। বা 2000 টাকায় পরিপূর্ণ একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট করার অফার। এই গুলো গ্রহন করবেন না। এ ধরনের ওয়েবসাইট গুলো নিয়ে আপনারা সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারবেন না। এবং এগুলোতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিবে।

কিভাবে শপআপ রিসেলার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করবেন?

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যাদের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া জানা নেই। অথবা রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে অনেক রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। সম্পন্ন নতুনদের জন্য আমরা এখানে একটি ভিডিও গাইড যুক্ত করেছি। নিচের ভিডিওটি ভালোভাবে দেখুন এবং ভিডিওটি দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন কিভাবে একজন শপআপ রিসেলার হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়।

কিভাবে রিসেলার ব্যবসা শুরু করবেন?

আপনি যদি ইতিমধ্যে রেজিস্ট্রেশন করে থাকেন, তাহলে কাজ শুরু করার জন্য নিচের ভিডিওটি ভালোভাবে দেখুন। এই ভিডিওতে কিভাবে একটি প্রোডাক্ট কফি করতে হয়? এবং কিভাবে একটি পণ্য আপনার ওয়েবসাইটে যুক্ত করবেন? পরিপূর্ণ একটা গাইড আমরা শেয়ার করতে চেষ্টা করেছি।

আশাকরি, এই ভিডিওটি দেখলে আপনি আপনার ওয়েবসাইট পরিচালনা করতে পারবেন। এখানে হয়তো কম্পিউটারের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে। কিন্তু আপনি একই কাজ গুলো আপনার স্মার্টফোনের মাধ্যমে করতে পারবেন। আপনাকে একটু ক্রিয়েটিভ হতে হবে। আমি জানি, আমাদের বাংলাদেশের ছাত্র-ছাত্রীরা অবশ্যই ক্রিয়েটিভ এবং বুদ্ধিমান।

আজকের এই ভিডিওটি শুধুমাত্র ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নয়। আপনি যদি একজন বেকার হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য এটি পারফেক্ট একটা বিজনেস। এমনকি আপনি যদি চাকরি করে তারা কেন, তাহলেও অবসর টাইমে আপনি একজন শপআপ রিসেলার হিসেবে কাজ করতে পারেন।

কিভাবে আপনার উপার্জিত টাকা সংগ্রহ করবেন?

একজন রিসেলারহিসেবে আপনি যদি কোনো পণ্য বিক্রয় করে থাকেন, তাহলে উক্ত পণ্যের যে পরিমাণ প্রফিট আপনি পাবেন। তার পুরো অংশ আপনাকে বিকাশ অথবা ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে। আপনার রিসেলার অ্যাপটিতে যখন আপনি লগইন করবেন, তখন আপনি কিভাবে টাকা বিকাশের মাধ্যমে অথবা ব্যাংকের মাধ্যমে উত্তোলন করতে হয়? তা সহজে বুঝে যাবেন। এখান থেকে টাকা উত্তোলন করার প্রক্রিয়াটি অনেকটা বিকাশ রকেট ডাচ বাংলা মোবাইল অ্যাপ এর মত।

সবাইকে ধন্যবাদ আমাদের সাথে এতক্ষণ পর্যন্ত থাকার জন্য। আর্টিকেলটি পড়ে আপনাদের কেমন লেগেছে অবশ্যই নিচে কমেন্ট বক্সে লিখে জানাবেন। আপনাদের কমেন্ট আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই বিষয়ে যদি আপনাদের কোন অজানা প্রশ্ন থাকে সেটি আমাদের করতে পারেন।

Video দেখে টাকা ইনকাম করার ৩টি মোবাইল অ্যাপস

0
ভিডিও দেখে ইনকাম
ভিডিও দেখে ইনকাম

প্রিয় বন্ধুরা যারা Video দেখে টাকা ইনকাম করতে চান, তাদের জন্য আজকে আমরা আরেকটি আর্টিকেল নিয়ে আসলাম। এর আগেও আমরা ভিডিও দেখে ইনকাম করার জন্য কয়েকটি আর্টিকেল আপনাদের জন্য প্রকাশ করেছি। যদি আপনারা আর্টিকেলগুলো পড়তে চান, তাহলে অবশ্যই আমাদের ওয়েবসাইটের লার্নিং এন্ড আর্নিং ক্যাটাগরি ভিজিট করতে পারেন। কারন আমরা এই ক্যাটাগরিতে অনলাইন থেকে ইনকাম সম্পর্কিত সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করি।

যদি আপনারা অনলাইনে ইনকাম সম্পর্কে আগ্রহী হয়ে থাকেন, তাহলে আপনাদের জন্য এই ক্যাটাগরি সবচেয়ে বেশি সাহায্য করবে। আশা করছি আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনারা ব্যবসা আইডিয়া থেকে শুরু করে, টেকনোলজি ভিত্তিক সকল বিষয়ে জানতে পারবেন। আমরা আপনাদের জন্য তথ্যবহুল আলোচনা আমাদের এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে থাকি। আজকে আমরা মূলত Video দেখে টাকা ইনকাম করার সম্পূর্ণ বিষয়টি আপনাদের কি শেয়ার করব।

Video দেখে টাকা ইনকাম
Video দেখে টাকা ইনকাম

মূলত এখানে আমরা তিনটি অ্যাপস রিভিউ করব। যে তিনটি অ্যাপস এর মাধ্যমে ভিডিও থেকে ইনকাম করতে পারবেন। এখানে কাজ করে আপনি অনেকগুলো কয়েন পাবেন, সেগুলো টাকায় কনভার্ট করতে পারবেন। তবে যারা একদম নতুন অনলাইনে টাকা ইনকাম করার পর কিভাবে উড্রো করতে হয়? সে বিষয়ে ভালো জানেন না। তারা কিন্তু এই সকল অ্যাপস গুলোতে প্রাথমিকভাবে কাজ না করাই ভালো।

কারণ অ্যাপ গুলো থেকে টাকা উড্রো করার জন্য আপনাকে ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট মেথড ব্যবহার করতে হতে পারে। তবে সবগুলো অ্যাপসে নয়। কিছু কিছু অ্যাপসে আপনি বিকাশের মাধ্যমে বা রকেটের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেন।

৩টি Video দেখে টাকা ইনকাম করার অ্যাপস

অনলাইন থেকে Video দেখে টাকা ইনকাম করার জন্য অনেকগুলো সফটওয়্যার বা মোবাইল অ্যাপস রয়েছে। বর্তমানে এরকম অনেকগুলো মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে আপনি একাধিক পদ্ধতিতে অনলাইন থেকে ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম করতে পারেন। তবে আজকে আমরা শুধু মাত্র ৩টি মোবাইল অ্যাপস আপনাদের সাথে শেয়ার করব। যেগুলোর মাধ্যমে আপনার মোবাইলে ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আশা করছি, যারা মোবাইল দিয়ে ভিডিও দেখে ইনকাম করতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য এই আর্টিকেলটি খুবই সাহায্য করবে। আমরা এর আগেও টিকটক এবং স্নেক ভিডিও থেকে কিভাবে ইনকাম করতে হয়? সে বিষয়ে আলোচনা করেছি।

যদি আপনার এই লেখাটি পড়তে চান, তাহলে নিচে আমরা সেই লেখাটি যুক্ত করে দিচ্ছি। যেন আপনার Video দেখে টাকা ইনকাম করার সেই লেখাটা পড়তে পারেন। কারণ টিকটক এবং স্নেক ভিডিওর মাধ্যমে কিন্তু ভালো পরিমাণে ইনকাম করা যায়।

ClipClaps – Money making video App

এন্ড্রয়েড মোবাইল অ্যাপটির মধ্যে আপনারা বিভিন্ন রকম শিক্ষানীয় ভিডিও, ফানি ভিডিও, এবং বিভিন্ন রকমের বিনোদনমূলক ভিডিও দেখতে পাবেন। এই ভিডিওগুলো আপনাকে প্রতিনিয়ত দেখতে হবে। যত বেশি আপনি ভিডিও দেখবেন, ততবেশি এখান থেকে আপনি কয়েন পাবেন। কয়েন পরবর্তীতে টাকায় কনভার্ট করে আপনি আপনার যেকোন পদ্ধতিতে টাকা গুলো আপনার হাতে নিয়ে আসতে পারবেন।

তবে টাকা পাওয়ার জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট সময় ধরে ভিডিও দেখতে হবে। এবং তাদের পলিসি অনুযায়ী আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা আপনার একাউন্টে জমা করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি যদি এই অ্যাপস এর মধ্যে ইনকাম করে ভালো পরিমাণ টাকা ইনকাম করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে রেফার বোনাস গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে রেফার বোনাস পাওয়ার জন্য আপনাকে আপনার বন্ধুদেরকে এই অ্যাপস এর মধ্যে রেফার করতে হবে।

ClipClaps - Money making video App
ClipClaps – Money making video App

যখন আপনার বন্ধুরা আপনার রেফার লিংক ব্যবহার করে এখানে একাউন্ট করবে। আপনি আরও বেশি ভালো ইনকাম এখান থেকে করতে পারবেন। পাশাপাশি তারা যখন এই অ্যাপসটির মাধ্যমে ভিডিও দেখতে শুরু করবে, তখন আপনি এখান থেকে বেশি পরিমাণ ইনকাম করতে পারবেন। সুতরাং আপনি যদি এই অ্যাপসটি ব্যবহার করতে চান, তাহলে আজকে এই অ্যাপটি ইন্সটল করে ফেলতে পারেন। প্লে স্টোরে অ্যাপ রয়েছে। অ্যাপটির নাম লিখে সার্চ করলে আপনারা পেয়ে যাবেন।

TaskPays থেকে ভিডিও দেখে টাকা আয় করুন

যারা এন্ড্রয়েড ফোনে সফটওয়্যার ইন্সটল করতে পারেননা। সফটওয়্যার ইন্সটল না করে শুধুমাত্র ওয়েবসাইটে ভিজিট করে ওয়েবসাইটের ভিডিওগুলো দেখে যারা ইনকাম করতে চান, তাদের জন্য এই ওয়েবসাইটটি বেস্ট। ওয়েবসাইটে যদি আপনি ভিজিট করেন, তাহলেই ওয়েবসাইটের ইন্টারফেসটা অনেক সুন্দর দেখতে পাবেন। এবং এই ওয়েবসাইটে প্রথমে আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

ইনকাম করার জন্য এখানে আপনি প্রতিটা ভিডিও থেকে ১৬ টাকা করে পাবেন। অর্থাৎ আপনি যদি এই ভিডিও গুলো দেখেন, তাহলে প্রতিটা ভিডিওর জন্য আপনাকে ১৬ টাকা করে পেমেন্ট করা হবে। এই টাকাগুলো আপনি যদি উড্রো করতে চান, তাহলে আপনাকে বিটকয়েন বা অনলাইন পেমেন্ট গুলো ব্যবহার করতে হবে। যদি আপনি অনলাইন পেমেন্ট মেথড গুলোর মাধ্যমে সংগ্রহ করতে না পারেন, তাহলে কিন্তু এই ধরনের সাইটগুলোতে কাজ করে আপনি এ টাকা গুলো নিজের হাতে নিয়ে আসতে পারবেন না।

ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম ২০২১

ওয়েবসাইট থেকে আপনি যদি বেশি পরিমাণ ইনকাম করতে চান, তাহলে আপনাকে প্রিমিয়াম প্ল্যান ক্রয় করতে হবে। অর্থাৎ প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন নিলে আপনি এখান থেকে ভালো পরিমাণে ইনকাম করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনি যদি একটি প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে প্ল্যান নিতে চান, তাহলে আপনাকে প্রায় ৫০০০ টাকার কাছাকাছি বিনিয়োগ করতে হবে।

যারা নতুন রয়েছে তাদেরকে রেকমেন্ট করব। আপনারা এই ধরনের ওয়েবসাইটগুলোতে বিনিয়োগ করবেন না। কারন আমরা এই ওয়েবসাইটগুলো শুধুমাত্র টাকা বিনিয়োগ ছাড়া ইনকাম করার জন্য আপনাদের শেয়ার করে যাচ্ছি।

কারণ, এধরনের ওয়েবসাইট গুলো সবসময় বিশ্বাস হয়না। তাদের কাছে যদি আপনারা বিনিয়োগ করে থাকেন, তারা যেকোনো সময় আপনাদের টাকা নিয়ে পালিয়ে যেতে পারে। সুতরাং এই ওয়েবসাইটগুলোতে আপনারা সম্পূর্ণ ফ্রিতে যেভাবে ইনকাম করা যায়। এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে ইনকাম করার চেষ্টা করবেন।

Work UP Job: Earn Money Online

Work UP Job আরেকটি অনলাইন থেকে ইনকাম করার ওয়েবসাইট। এই ওয়েবসাইটটাতে আপনি ভিডিও দেখে ইনকাম করার পাশাপাশি আরো অনেকগুলো পদ্ধতিতে ইনকাম করতে পারবেন। এখানে অনেকগুলো ছোট ছোট টাস্ক আপনাকে দেওয়া হবে। সে কাজ গুলো যদি আপনি সম্পূর্ণ করতে পারেন, তাহলে এখান থেকে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। পাশাপাশি ভিডিও থেকে ইনকাম করার সুযোগ এখানে রয়েছে।

তবে আপনি যদি এই ওয়েবসাইট গুলো ভিজিট করেন, তাহলে আপনি অনেক সহজেই ওয়েব সাইটগুলোতে কাজ করতে পারবেন। ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করার পর সে টাকাগুলো বিকাশ এর মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেন। এটা হচ্ছে আপনাদের জন্য খুবই সহজ একটি পদ্ধতি। কারণ বাংলাদেশ থেকে যারা অনলাইনে মোবাইলে কাজ করে থাকেন।

Work UP Job: Earn Money Online
Work UP Job: Earn Money Online

অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চেষ্টা করেন, তাদের জন্য অনলাইন ইনকামের টাকা গুলো মোবাইল দিয়ে ইনকাম করে বিকাশের মাধ্যমে হাতে নেওয়া বা রকেটের মাধ্যমে উড্রো করা খুব সহজ একটি পদ্ধতি। সুতরাং আপনি যদি এই ওয়েবসাইটে কাজ করে থাকেন, তাহলে অনলাইনে ভিডিও দেখে ইনকাম করা আপনার জন্য খুবই সহজ হবে। এবং এখান থেকে টাকা গুলো আপনি খুব সহজেই উড্রো করতে পারবেন।

ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম | অনলাইন ইনকাম ২০২১

যারা ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম করতে চান বা অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে চাচ্ছেন। তাদের জন্য আজকের লিখাটি আশাকরি সাহায্য করার মত একটি লিখা। আপনারা যদি এই লেখাটির সম্পূর্ণ পড়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম করার উপায় গুলো জেনে গেছেন। এখানে আমরা তিনটি আইডিয়া আপনাদেরকে শেয়ার করেছি। এর আগেও আমরা অনেকগুলো মাধ্যমে শেয়ার করেছি। যেখানে অনেক অ্যাপস ও ওয়েবসাইট আমরা শেয়ার করেছি।

ওয়েবসাইটগুলোতে যদি আপনারা কোন রকম সমস্যা দেখেন, তাহলে কাজ করা বন্ধ করে দিবেন। এই ওয়েবসাইটগুলো যত দিন সুযোগ পাবেন তত দিন কাজ করবেন। কারণ যেহেতু এই ওয়েবসাইট গুলো হঠাৎ টাকা ইনকাম করার সুযোগ দিয়ে থাকে। আবার হঠাৎ এই তারা যেকোনো সমস্যায় পড়লেই মাধ্যমগুলো বন্ধ করে দেয়। এজন্য আপনারা এখান থেকে টাকা ইনকাম করবেন। সে টাকাগুলো কম টাকা হলেও আপনার বিকাশ অথবা অন্যান্য অনলাইন মাধ্যম দিয়ে টাকাগুলো নিয়ে ফেলবেন।

যেন এই টাকা গুলো এখানে জমা হয়ে না থাকে। আপনাদের কষ্টের টাকা যেন আপনারা খুব সহজেই হাতে নিয়ে আসতে পারেন। আশা করি, আপনাদের ভালো লেগেছে। যদি ভালো লেগে থাকে, অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে আপনারা আমাদেরকে উৎসাহিত করবেন। এবং কোন মাধ্যমটি আপনাদের সবচেয়ে ভালো লেগেছে? সেই মাধ্যমটি আমাদেরকে শেয়ার করবেন।

৫টি বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া (New Updated 2022)

0
বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা নিয়ে বিস্তারিত
বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা নিয়ে বিস্তারিত

সম্মানিত পাঠক, আজকে আমরা বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া নিয়ে আপনাদের কিছু ব্যবসা আইডিয়া শেয়ার করব। যদি আপনারা এই সকল ব্যবসা আইডিয়া গুলো পছন্দ করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই আপনাদের এই লেখাটা বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। আশা করছি আমরা এখানে যে সকল আইডিয়া গুলো আপনাদের জন্য নির্বাচন করেছি। এই আইডিয়া গুলো অবশ্যই আপনাদের ভাল লাগবে।

কারণ, আমরা এমন সকল ব্যবসা আইডিয়া গুলো ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে থাকি। যেন আমাদের এখান থেকে আপনারা ভালো কিছু শিখে লাভবান হতে পারেন। এবং আমাদের আইডিয়া গুলো অবশ্যই ভালোবেসে অনেকেই বর্তমান সময়ে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন ব্যবসা আইডিয়া নির্বাচন করে তারা ব্যবসা শুরু করেছে। ইতিমধ্যে অনেকেই আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন, যারা অনলাইনে বিজনেস করার জন্য এবং অফলাইনে বিজনেস করার জন্য বিভিন্ন পরামর্শ গ্রহণ করেছে।

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা
সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া

যদি আপনার এরকম কোন পরামর্শের প্রয়োজন হয়, তাহলে সরাসরি আমাদের ব্লগের কন্টাক্ট অ্যাড্রেস থেকে আপনাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। কারণ আমরা সব সময় আমাদের পাঠকদেরকে সহায়তা করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া নিয়ে বিস্তারিত

আমাদের আজকের লেখাতে আমরা যেহেতু বিজনেস আইডিয়া নিয়ে কথা বলবো। সুতরাং আমরা বর্তমান সময়ের ৫টি লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া নিয়ে আপনাদের শেয়ার করব। যদি আপনারা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা জানতে চান, তাহলে লেখাটির সম্পন্ন করুন। আমরা এখানে অনেকগুলো বিজনেস আইডিয়া চাইলে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পারতাম।

কিন্তু আমরা অনেকগুলো বিজনেস আইডিয়া আমাদের সাথে শেয়ার না করে, সবচেয়ে বাছাইকৃত ভালো লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া গুলো আপনাদের জন্য শেয়ার করতে চাই। আশা করছি এই ব্যবসা আইডিয়া গুলো থেকে আপনারা যে কোন একটা ব্যাবসা আইডিয়া কে নির্বাচন করতে পারবেন। কারণ এগুলো বর্তমান সময়ে সারা বাংলাদেশে এবং সারা বিশ্বের মধ্যে জনপ্রিয় কিছু ব্যবসা আইডিয়া।

এই ব্যবসা গুলো থেকে আপনি কোন আইডিয়াটা কে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন? সে বিষয়টি আমাদেরকে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। চলুন তাহলে আমরা বর্তমান সময়ে কি কি ব্যবসা আইডিয়া গুলো ট্রেন্ডিং রয়েছে? সে বিষয়গুলো জেনে নিই। যদি এই বিষয়গুলো জেনে যান, তাহলে আপনাদের ব্যবসা শুরু করতে বিষয়টা সহজ হবে।

অ্যাকাউন্টিং এবং ট্যাক্স প্রস্তুতি সমস্যার সমাধান

আপনি হয়তো জানেন বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ সরকার সকল ব্যবসায়ী এবং যারা বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করছে। সবার জন্য ভ্যাট দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে। যেটাকে আমরা ট্যাক্স বলে চিহ্নিত করে থাকি। যদি আপনি ব্যবসা করে থাকেন বাংলাদেশের মধ্যে। তাহলে অবশ্য আপনাকে বাংলাদেশ সরকারকে ট্যাক্স দিতে হবে। যদি আপনি না দেন, তাহলে আপনি আইনিভাবে দুষি হবেন। এবং এর জন্য আপনাকে শাস্তি পেতে হবে। এ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, অনেকগুলো কোম্পানি তাদের ট্যাক্স দেওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়গুলো ভুলে যান।

অ্যাকাউন্টিং এবং ট্যাক্স
অ্যাকাউন্টিং এবং ট্যাক্স

টেক্সটের কথা ভূলে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশ সরকার তাদেরকে আরো বেশি টাকা জরিমানা করে দেয়। যার কারণে কোম্পানিগুলোকে বেশি টাকা পরিশোধ করতে হয়। এক্ষেত্রে বিষয়গুলোর সমস্যার সমাধান করার জন্য কোম্পানিগুলো তাদের কোম্পানিতে একাউন্টিং এক্সপার্ট ও ট্যাক্স প্রস্তুতি এজেন্সি কে নিয়োগ দিয়ে থাকে। অ্যাকাউন্টিং এবং ট্যাক্স অভিজ্ঞ ব্যক্তির এর মূল বিষয় হচ্ছে, বাৎসরিক হিসাব করবে এবং ঠিক সময়ে অফিসে ভ্যাট জমা দিয়ে দিবে।

ঠিক এই আইডিয়াটা কে কাজে লাগিয়ে আপনি একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করতে পারেন। অর্থাৎ আপনি অ্যাকাউন্টিং এবং টেক্সট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে একটি এজেন্সি তৈরি করতে পারেন। যেখানে আপনার কোম্পানিতে একাধিক কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করবে। এবং রেজিস্ট্রেশন এরপর তারা আপনাকে তাদের কোম্পানির ট্যাক্স দেওয়ার দায়িত্ব দিয়ে দিবে।

এক্ষেত্রে আপনাকে যে সকল কোম্পানি আপনার কোম্পানিতে রেজিস্ট্রেশন করবে। তাদের প্রতি বছরে কতগুলো টেক্সট আসতেছে সেগুলো নিয়ে হিসাব তৈরি করতে হবে। এবং সঠিক সময়ে কোম্পানি গুলোর কাছ থেকে টেক্সট এর পরিমাণ সংগ্রহ করে তা বাংলাদেশ টেক্সট অফিসে জমা দিয়ে দিতে হবে।

কিভাবে এই লাভজনক ব্যবসার আইডিয়াটি শুরু করবেন?

যদি এই ব্যবসা আপনি শুরু করতে চান, তাহলে প্রথমে আপনাকে একটি এজেন্সি তৈরি করতে হবে। এজেন্সিতে আপনি কয়েকজন কর্মীকে নিয়োগ দিতে পারেন। তবে প্রাথমিকভাবে আপনি কর্মী নিয়োগ না দিয়ে, নিজে নিজে কাজ করে আগে কয়েকটি কোম্পানির সাথে চুক্তি করে ফেলুন।

কোম্পানির সাথে চুক্তি করার পর যখন আপনার কোম্পানিতে একটি লাভজনক অ্যামাউন্ট তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। তখন আপনি কয়েকজন কর্মীকে নিয়োগ দিতে পারেন। একাউন্টিং ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে যাদের জ্ঞান রয়েছে, তারা যেন আপনার কোম্পানির হয়ে অন্যান্য কোম্পানি টেক্সটগুলো হিসাব করতে পারে।

রিয়েল এস্টেট ব্রোকার সার্ভিসের লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া

ব্রোকার সম্পর্কে হয়তো আপনি অবশ্যই জানেন। যদি ব্রোকার সম্পর্কে না জেনে থাকেন, তাহলে অবশ্যই আপনি আমাদের এই লেখা থেকে জেনে নিতে পারেন। মূলত কোন একটা বিষয় নিয়ে তৃতীয় পক্ষ হয়ে কাজ করা হচ্ছে ব্রোকারের কাজ। যদি আপনি দুইজন ব্যক্তির ব্যবসার মধ্যে তৃতীয় পক্ষ হয়ে কাজ করেন, সেটা কে অবশ্যই ব্রোকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

বাংলাদেশের মধ্যে রিয়েল এস্টেট ব্রোকার হচ্ছে সবচেয়ে লাভজনক একটি ব্যাবসা আইডিয়া। আপনি যদি বাংলাদেশের মধ্যে এই ব্যবসাটি শুরু করতে চান, তাহলে আপনাকে কোন টাকা বিনিয়োগ করতে হবে না। আসলে এই ব্যবসাটি লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া।

কিন্তু এটা কোন টাকা বিনিয়োগ না করে শুরু করা যায়। যদি আপনি এই ব্যবসাটি শুরু করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে প্রাথমিকভাবে রিয়েল এস্টেট সম্পর্কে জানতে হবে। যদি রিয়েল এস্টেট সম্পর্কে আপনি জানেন, তাহলে আপনি এই ব্যবসাতে কাজ করতে পারবেন।

একজন রিয়েল এস্টেট ব্রোকার হিসেবে ইনকাম করা যায়?

এই বিসনেস শুরু করার ক্ষেত্রে আপনি মাসে কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন? সে বিষয়টি নির্ধারণ হবে। আপনার কতগুলো প্ল্যান রয়েছে তার উপর আপনি যদি প্রতি মাসে ১০ থেকে ১৫ টা ক্লায়েন্টের কাজ ডেলিভারি করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে আপনি সবচেয়ে ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন, তবে আপনি চাইলে এর থেকে বেশি পেতে পারেন। যখন আপনি জনপ্রিয় হয়ে যাবেন।

রিয়েল এস্টেট ব্রোকার
রিয়েল এস্টেট ব্রোকার

এক্ষেত্রে আপনার চাহিদাও বেশি বৃদ্ধি পাবে। সাধারণত আমি যদি আপনাকে একটি আইডিয়া দেই, তাহলে ১০ থেকে ১৫ ক্লায়েন্টের হিসেবে কাজ করে আপনি প্রতিমাসে তিন থেকে চার লক্ষ টাকার বেশি ইনকাম করতে পারবেন। কারণ বিজনেস আইডিয়া তে অনেক বেশি লাভ করা যায়।

বিশেষ করে রিয়েল এস্টেট হিসেবে কাজ করলে হিসেবে যারা কাজ করে থাকেন, তারা অবশ্যই এর থেকে বেশি পরিমাণ টাকা ইনকাম করে। যদি আপনি অন্য কোন সেক্টরে হিসেবে কাজ করে থাকেন, তাহলে কিন্তু আপনি রিয়েল এস্টেট এর মত এত বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন না।

ওয়েবসাইট ডিজাইনার এজেন্সি সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া

আপনি যদি একটু লক্ষ্য করে দেখেন, বর্তমান সময়ে এমন কোন কোম্পানির নেই যাদের কোনো একটি ওয়েবসাইট নাই। বর্তমান সময়ে যারা বিজনেস শুরু করেছে, তাদের প্রত্যেকেরই একটা ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে। সাধারণত ওয়েবসাইট করার জন্য যদিও কেউ বাধ্য করে না, তারপরেও ক্রেতাদেরকে সংগ্রহ করার জন্য এবং ব্যবসার বিক্রয় বৃদ্ধি করার জন্য ওয়েবসাইট করার জন্য কোম্পানিগুলো বাধ্য হয়ে পড়েছে।

যদি আপনি এই সার্ভিসটি দিতে পারেন, তাহলে আপনার জন্য একটি লাভজনক সেরা ব্যাবসা আইডিয়া হতে পারে। এই ধরনের সেরা একটি ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনাকে কোন টাকা বিনিয়োগ করতে হবে না। শুধুমাত্র আপনাকে একটি এজেন্সি তৈরি করতে হবে।

এজেন্সি তৈরি করার জন্য আপনি প্রাথমিকভাবে সরকারিভাবে রেজিস্ট্রেশন করার কোন প্রয়োজন নাই। এক্ষেত্রে আপনি কয়েকজন ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বন্ধুদের নিয়ে একটি টিম তৈরি করতে পারেন। এবং বন্ধুদের মাধ্যমে আপনি সার্ভিস সর্বপ্রধান করার মাধ্যমে একটা ভালো ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

কি কি লাগবে ওয়েবসাইট সার্ভিস বিজনেস শুরু করতে?

ওয়েব ডিজাইন বা ওয়েবসাইট তৈরীর সেবা দেওয়ার জন্য আপনার বিশেষ কোনো কিছু টুলস এর প্রয়োজন হবে না। এক্ষেত্রে আপনার যদি নিজস্ব একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থাকে এবং ইন্টারনেট কানেকশন থাকে, তাহলে এই ধরনের Business Start করতে এতটুকু আপনার জন্য যথেষ্ট হবে। এতোটুকুই ইনভেসমেন্ট যদি আপনার কাছে থাকে, তাহলে আপনি একটা ওয়েব ডেভলপমেন্ট বা ওয়েব ডিজাইনিং এর সার্ভিস দিয়ে একটা ব্যবসা তৈরি করতে শুরু করতে পারবেন।

একটি ওয়েব ডিজাইনার এজেন্সি হয়ে যদি কাজ করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনার টিমের সকলের নিজেদের একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট কানেকশন থাকা প্রয়োজন। যদি ল্যাপটপ অথবা কম্পিউটার থাকে, পাশাপাশি ইন্টারনেট কানেকশন থাকে, তাহলে ভার্চুয়ালি অথবা যেকোন একটা জায়গায় অফিস করে এই ধরনের ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

ওয়েবসাইট সার্ভিস বিজনেস
ওয়েবসাইট সার্ভিস বিজনেস

কিন্তু প্রাথমিকভাবে যদি আপনার অফিস করতে যান। এক্ষেত্রে আপনাদের বিনিয়োগ করার পরিমাণ বেড়ে যাবে। সুতরাং আপনার ভার্চুয়াল অফিস করতে পারেন। যার মাধ্যমে এই ওয়েবসাইট ডিজাইন ওয়েবসাইট তৈরি করার সার্ভিস দিয়ে লাভজনক ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমানে লাভজনক হতে যাচ্ছে। কারণ বাংলাদেশের যা কোম্পানি রয়েছে, তারা তাদের নিজেদের ব্যবসা গুলোকে অনলাইন ভিত্তিক করে বেশি লাভজনক হচ্ছে।

এজন্য তারা সবাই তাদের নিজেদের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করতে শুরু করেছে। যদি আপনারা এই ধরনের একটি বিজনেস তৈরি করে ওয়েবসাইট তৈরীর সার্ভিস দিতে পারেন, তাহলে অবশ্যই এটি আপনার জন্য সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া হতে পারে। যেহেতু এই ব্যবসাতে কোন ধরনের বেশি বিনিয়োগ করতে হবে না। নিজের একটি ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট কানেকশন থাকলে হবে।

সুতরাং এটি খুবই লাভজনক ব্যবসা আমি বলতে পারি। তবে এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা যদি আপনার ওয়েবসাইট তৈরীর দক্ষতা থাকে, তাহলে কিন্তু আপনি এই ব্যবসা করতে পারবেন।

স্বাস্থ্য সম্মত রান্নাঘর ও খাবার ডেলিভারির সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া

স্বাস্থ্যসম্মত খাবার সবাই পছন্দ করে। যদি আপনি গ্রাহকদের কাছে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ডেলিভারি করতে পারেন, তাহলে এটি আপনার জন্য খুবই লাভজনক একটি ব্যবসা হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমেই স্বাস্থ্যসম্মত একটি রান্নাঘর তৈরি করতে হবে। কারণ আপনার রান্নাঘরে যদি স্বাস্থ্যসম্মত না হয়, তাহলে আপনার খাবার কখনো স্বাস্থ্যসম্মত হবে না। এজন্য আপনাকে পরিষ্কার এবং স্বাস্থ্যসম্মত একটা রান্না করতে হবে।

যেটা আপনার কাছ থেকে যারা রান্না করা খাবার ক্রয় করবে। তাদেরকে ধরে রাখবে তাদের বিশ্বাস অর্জন করার জন্য আপনাকে অবশ্যই এধরনের একটা সুন্দর রান্নাঘর গড়ে তুলতে হবে। যেটার মাধ্যমে আপনার রান্না গুলোর কোয়ালিটি মানুষের কাছে ভাল মনে হবে। এবং পাশাপাশি আপনার খাদ্যের কোয়ালিটি অবশ্যই ভালো করতে হবে। যেটা মানুষের শরীরের কোন ক্ষতি করে না। অর্থাৎ রাসায়নিক কোন কিছুই আপনি ব্যবহার করতে পারবেন না।

Read More: এফিলিয়েট মার্কেটিং কি এবং মার্কেটিং শুরু করার গাইডলাইন

এভাবে করে যদি আপনি ভালো উন্নত মানের খাবার তৈরি করেন এবং সেগুলো আপনি ডেলিভারি করেন, তাহলে দিগুণ দিয়ে আপনি বিক্রি করতে পারবেন। সাধারণত আপনি যদি দেখেন হোটেলগুলোতে যে খাবারগুলো বিক্রি করা হয়। এগুলো ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি করা হয়ে থাকে। কিন্তু এই একই রকম বিরিয়ানি আপনি যদি তৈরি করে ঘরোয়া পদ্ধতিতে ডেলিভারি করেন। আপনি প্রতিটি পার্সেল এর জন্য আপনি ৩০০ থেকে ৩৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনি যদি একটা পার্সেল বিক্রি করেন দেখা যাবে আপনার প্রায় ২০০ টাকার বেশি লাভ। যদি আপনি খাবার ডেলিভারি বিজনেস শুরু করতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই প্রাথমিকভাবে খাবারের আইটেম গুলো নিয়ে রিসার্চ করতে হবে। এবং ভাল ভাল খাবারের আইটেম গুলো নির্বাচন করতে হবে।

এগুলো তৈরি করার জন্য আপনাকে প্রাথমিকভাবে ইনভেস্ট করতে হবে। প্রাথমিকভাবে যদি ভালো পরিমাণের একটি বিনিয়োগ করেন এবং সুস্বাস্থ্য একটি রান্নাঘর তৈরি করতে পারেন, তাহলে তারা আপনার কাছ থেকে বেশি দাম দিয়ে আপনার রান্না করা খাবার গুলো ডেলিভারির জন্য অর্ডার করবে।

ডেন্টাল কেয়ার ও সেবা প্রদান করার বিজনেস

কিছুদিন প্রশিক্ষণ নিয়ে যদি আপনি একটা ডেন্টাল বিশ্ব সার্টিফিকেট অর্জন করতে পারেন। তাহলে অবশ্যই আপনি ডেন্টাল সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে কাজ করতে পারবেন। ডেন্টাল নিয়ে যারা কাজ করে থাকে, তারা সবচেয়ে বেশি টাকা ইনকাম করে। তাদের বেশি অভিজ্ঞতা থাকার প্রয়োজন হয় না। যদি বেশি প্রয়োজন না হয় এবং কম সময় দিয়ে বেশি টাকা ইনকাম করা যায়, তাহলে অবশ্যই এটাকে আপনি লাভজনক ব্যবসা হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন।

একজন সার্ভিস প্রোভাইডার ডাক্তার হিসেবে তিনি ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারে অন্যান্য ডাক্তারদের থেকে। ডেন্টাল সার্ভিস প্রোভাইডার ডাক্তাররা প্রতি ১ জন রোগীর কাছ থেকে প্রায় ছয় থেকে সাত হাজার টাকারও বেশি আয়ের করে থাকেন। কারণ, এই ধরনের কাজগুলোতে বেশি টাকা প্রদান করে থাকে রোগীরা। কারণ দাঁত মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।

Read More: বাংলাদেশের জন্য ১০টি মাঝারি ব্যবসা আইডিয়া

যদি দাঁতেন কোন সমস্যা হয়, এক্ষেত্রে কিন্তু আপনি কোন খাবার খেতে পারবেন না। এজন্য এই বিষয়গুলোর সমাধান পাওয়ার জন্য আমরা লাখ লাখ টাকা খরচ করতে রাজি থাকি। এজন্য আমরা যদি এটাকে ব্যবসা হিসেবে গ্রহণ করি। এবং কিছুদিন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ডেন্টাল বিষয়ে আমরা একজন ডাক্তার হিসেবে নিজেকে পরিচিত করাতে পারি, তাহলে এখান থেকে ভালো পরিমাণ টাকা আপনি উপার্জন করতে পারবেন।

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া Complete Guide

বিডি ব্লগ এর সম্মানিত পাঠক, আশা করছি আপনারা সবাই এই লেখাটা ভালো করে পড়েছেন। যদি আপনি এই লিখাটি পড়ে থাকেন, তাহলে এখানে পাঁচটি লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। এই পাঁচটি লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া যদি আপনি পছন্দ করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই আপনাদের কোন আইডিয়াটি বেশি ভাল লেগেছে? সেটা কমেন্ট করে জানাবেন।

আমরা এই লেখাতে বর্তমানের সময়ের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। এই সকল ব্যবসা ও বাংলাদেশের মধ্যে ইউনিক। ডেন্টাল বিজনেস আইডিয়া, রান্না করা খাবার, রান্নার বিজনেস আইডিয়া। এগুলো কিন্তু কয়েকজন মানুষ শুরু করেছে।

বাংলাদেশের মধ্যে কিন্তু এগুলো অনেক বেশি প্রচলন ঘটেনি। যার কারণে আপনারা যদি কোন একটা বিজনেস শুরু করে থাকেন, তাহলে এখান থেকে আপনারা ভাল প্রফিট করতে পারবেন। আপনি যদি খুব দ্রুত লাভবান শুরু করতে চান, তাহলে অবশ্যই এই আইডিয়া গুলো আপনার জন্য ভালো হবে। আশা করছি, আপনারা এগুলো পছন্দ করবেন এবং আমাদেরকে উৎসাহিত করবেন ভালো তথ্য শেয়ার করতে।

ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম করার ২টি অ্যাপস

0
ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম
ভিডিও দেখে ইনকাম

ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম করার জন্য অনলাইনে অনেকগুলো সহজ পদ্ধতি রয়েছে। আপনি যদি কিভাবে ভিডিও থেকে ইনকাম করতে হয়? সে বিষয়ে না জেনে থাকেন, তাহলে এই লেখাটির সম্পূর্ণ পড়ুন। অনলাইনে অনেকেই এই বিষয়ে সার্চ করে থাকেন, কিন্তু সঠিক তথ্য খুঁজে পান না। কারণ বাংলা ভাষায় যারা কিওয়ার্ড গুলো লিখে সার্চ করেন। তারা কিন্তু সঠিক তথ্য খুঁজে না পাওয়ার কারণ হচ্ছে, বাংলাতে এই ধরনের বিষয়গুলো নিয়ে লেখালেখি খুব কম হয়ে থাকে।

আপনি যদি এই বিষয়টি নিয়ে ইংলিশে সার্চ করে থাকেন, তাহলে অনেক ভাল কনটেন্ট পেয়ে যাবেন। যার মাধ্যমে আপনি ভাল শিখে অনলাইন থেকে ভিডিও দেখে ইনকাম করতে পারবেন। তবে এই আর্টিকেলের মধ্যে আমরা বাংলা ভাষায় এমন প্রয়োজনীয় কোয়ালিটি সম্পন্ন আর্টিকেলগুলো নিয়ে লিখার চেষ্টা করছি, যেগুলো ইংরেজি ভাষায় জনপ্রিয়। যদি আপনি এই আর্টিকেলটি পড়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই ভিডিও থেকে কিভাবে ইনকাম করা যায়? সে বিষয়ে আপনি ভালো একটি ধারণা পেয়ে যাবেন।

ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম গাইড ২০২১

বাংলাদেশের মধ্যে ২০২১ সালে যে সকল ওয়েবসাইট বা অ্যাপস থেকে ভিডিও দেখে ইনকাম করা যায়। সে সকল ওয়েবসাইট এবং অ্যাপস নিয়ে আজকের আলোচনা করব। কারণ বর্তমান সময়ে যে অ্যাপস গুলো কাজ করে, সেই রকম অ্যাপস গুলো নিয়ে যদি আমরা আলোচনা করি, তাহলে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করতে আপনাদের সহজ হবে। অনেকেই মূলত এমন কিছু ওয়েবসাইট নিয়ে আলোচনা করে থাকে। যেগুলো বাংলাদেশের মধ্যে কাজ করে না।

যদি বাংলাদেশ লোকেশন এর মধ্যে ওয়েবসাইটগুলো কাজ না করে, তাহলে কিন্তু আপনি এই সকল ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ থেকে ভিডিও দেখে ইনকাম করতে পারবেন না। যদি এমন কিছু ওয়েবসাইটের সন্ধান চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে আমরা ওয়েবসাইটগুলোর সন্ধান দিব। তবে এক্ষেত্রে ওয়েবসাইটগুলো থেকে ইনকাম করার জন্য আপনাকে অথবা নির্দিষ্ট ইউজ করতে হবে অথবা ভিপিএন ইউজ করতে হবে। এক্ষেত্রে কিন্তু অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করার জন্য আপনাকে প্রাথমিকভাবে বিনিয়োগ করতে হবে। কারণ সাধারণত যে এগুলো পাওয়া যায় এগুলো নিয়ে কিন্তু ভালো কাজ করা যায় না।

ভিডিও দেখে ইনকাম
ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম

এক্ষেত্রে আমরা যেই ওয়েবসাইটগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করব। অ্যাপস গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। এগুলো সব বাংলাদেশ লোকেশন এর মধ্যে কাজ করে। অর্থাৎ আপনি বাংলাদেশের মধ্যে বসে ঘরে ঘরে বসে আপনি ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন ভিডিও থেকে। যারা ভিডিও দেখতে বেশি পছন্দ করেন তাদের জন্য এই কাজগুলো খুবই জনপ্রিয় হবে।

TikTok থেকে ভিডিও দেখে আয় করুন

জনপ্রিয় একটি ভিডিও শেয়ারিং এবং কমিউনিটি তৈরি করার ওয়েবসাইট টিকটক অ্যাপস এর মধ্যে যে সকল ভিডিওগুলো আপলোড করা হয় এগুলো সব ফানি টাইপের হয়ে থাকে অর্থাৎ সকল ভিডিও গুলো যদি আপনি দেখেন তাহলে অবশ্যই মজা পাবেন যদি আপনার মন খারাপ থাকে তাহলে অবশ্যই আপনাকে টিকটক ভিডিও গুলো দেখার জন্য আমি পরামর্শ দিব কারন টিক টক এ যে ধরনের ভিডিও গুলো পাবেন সেগুলো দেখলে আপনি পাগল হয়ে যাবেন।

Read More: অনলাইন ইনকাম করার জন্য সেরা ১০টি উপায়

অর্থাৎ আপনি আনন্দে খুশি হয়ে যাবেন। এই ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই একটি টিক টক অ্যাপ ইন্সটল করে নিতে হবে। তবে আপনি যদি টিকটক ভিডিও দেখে ইনকাম করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে প্রাথমিকভাবে নিয়মিত অংশগ্রহণ করতে হবে। অর্থাৎ আপনি যত ভিডিও দেখবেন নিয়মিত। এখান থেকে ততই বেশকিছু কয়েন পাবেন।

সেগুলো আপনি টাকায় পরিণত করে বিকাশ এবং ব্যাংক এর মাধ্যমে নিয়ে নিতে পারবেন। যদি আপনি বিকাশ এবং ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা উঠাতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা উপার্জন করতে হবে।

টিকটক থেকে কিভাবে ইনকাম হয়?

টিকটক ভিডিও দেখে ইনকাম করার জন্য প্রথমে আপনাকে প্লে স্টোর থেকে টিক টক অ্যাপস টি ইন্সটল করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি যদি বেশি টাকা ইনকাম করতে চান, অবশ্যই কারো রেফারেন্স অ্যাপসটি ইন্সটল করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি যদি কারো রেফার লিংক ইউজ করে ইন্সটল করে থাকেন, তাহলে আপনি 260 টাকা বোনাস পেয়ে যাবেন।

আপনি একাউন্ট খোলার পর 15 দিন পর্যন্ত যদি ব্যবহার করেন, তাহলে প্রতিদিন ডেইলি 260 টাকা খুব দ্রুতই আপনি পেয়ে যাবেন আপনার একাউন্টে। অর্থাৎ 15 দিন পরে আমি ২৬০ টাকা নিতে পারবেন। তবে আপনি চাইলে একাউন্ট করার সাথে সাথে 25 টাকায় পাবেন। এগুলো আপনার একাউন্ট এ বিকাশ অথবা রিসার্চ করে নিয়ে নিতে পারবেন।

SnackVideo App থেকে ইনকাম

স্নেক ভিডিও অ্যাপটি হচ্ছে টিক টক এর মত একটি অ্যাপস। এই অ্যাপস এর মধ্যে আপনি ভিডিও থেকে টিক টক এর চেয়ে বেশি পরিমাণে ইনকাম করতে পারবেন। তবে এই অ্যাপস এর মধ্যে সাধারণত টিকটকের মত রেফার বোনাস কম দেওয়া হয়। যদি আপনি এই ধরনের ভিডিও দেখার অ্যাপস থেকে রেফার করার মাধ্যমে বেশি টাকা ইনকাম করতে চান, অবশ্যই আপনাকে টিকটক ভিডিও দেখতে হবে।

Read More: অনলাইনে ইনকাম বাংলাদেশী সাইট : আয় করুন ঘরে বসে

এক্ষেত্রে অবশ্যই রেফার বোনাস পাওয়ার জন্য টিক টক অ্যাপ টি রেজিস্ট্রেশন করার পর আপনি একটি রেফার লিংক পাবেন। রেফার লিঙ্কটি আপনাকে বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে হবে। তাহলে এখান থেকে যারা রেফার ব্যবহার ব্যবহার করে আপনার একাউন্টের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করবে। এখান থেকে প্রতি রেফারের জন্য আপনি 100 টাকা থেকে ২০০ টাকার ওপরে রেফার বোনাস পেয়ে যাবেন।

বোনাস পাওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে রেফার করতে হবে। একইভাবে কিন্তু Snack Video থেকেও রেফারেল কমিশন রয়েছে। তবে এই কমিশন গুলো পাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই শেয়ার করতে হবে। তবে টিকটক ভিডিওতে বেশি পরিমাণে টাকা ইনকাম করা সম্ভব হয় না। ভিডিও দেখে বেশি পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে চাইলে, আপনাকে অবশ্যই Snack Video নিয়ে কাজ করতে হবে।

কিভাবে Snack Video থেকে বেশি ইনকাম করা যায়?

স্নেক ভিডিও থেকে বেশি ইনকাম করার জন্য প্রথমেই আপনাকে যে কারো রেফারেন্স এ অ্যাপটি প্লে স্টোর থেকে ইন্সটল করতে হবে। অ্যাপসটি ইন্সটল করার পর আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করার পর আপনিও একটি রেফারেল লিংক পাবেন। সেই লিংকটি আপনার বন্ধুদের কে শেয়ার করতে হবে। যখন আপনি আপনার রেফারেন্স বন্ধুদেরকে যুক্ত করাবেন এবং তারা যখন শেষ নাগ ভিডিও তে ভিডিওগুলো দেখবে তখন আপনি বেশি পরিমাণে ইনকাম করতে পারবেন।

এমনকি আপনি নিজেও ভিডিও দেখে দেখে প্রতিদিন ইনকাম করতে পারবেন এই ইনকাম পদ্ধতি সহজ যদি আপনার ভিডিওর মাধ্যমে ইনকাম করতে চান তাহলে আজই একটি অ্যাপ ইন্সটল করে আপনার প্রোফাইল তৈরি করে কাজ শুরু করুন।

ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম করার সহজ পদ্ধতি

Video দেখে ইনকাম করার জন্য আমরা ইতিমধ্যে একটি আর্টিকেল আগে প্রকাশ করেছি। আপনি যদি সেই আর্টিকেলটি না দেখে থাকেন, তাহলে লিখাটি পড়ে ফেলতে পারেন। এখানে আমরা সে আর্টিকেলটার লিংক এখানে যুক্ত করে দিচ্ছি।

ভিডিও দেখে টাকা ইনকাম : ১৪টি মোবাইল অ্যাপস ও ওয়েবসাইট

আশা করছি কিভাবে ভিডিও দেখে ইনকাম করতে হয়? সে বিষয়ে আপনি প্রোফাইল একটি ধারণা পেয়েছেন। এখানে আমরা যে আইডিয়া গুলো শেয়ার করেছি এগুলো সম্পূর্ণ নতুন আইডিয়া। আগের আর্টিকেলে এর মধ্যে যদি আপনি যান, তাহলে আরও কিছু নতুন আইডিয়া পাবেন। যেগুলোর মাধ্যমে আপনি ভিডিও দেখে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন।

২০২২ সালের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি জেনে নিন

0
সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি জেনে নিন
সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি জেনে নিন

অনলাইনে অনেকেই জানতে চাই ” সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি? আর তাই তা জানতে সে বিষয়ে অনেকে সার্চ করে থাকেন। আজকের আর্টিকেল এর মধ্যে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে আপনাদের আলোচনা করবো। আশা করছি এই লেখাটি পড়ে থাকেন তাহলে বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি সেটি জানতে পারবেন। আমাদের মধ্যে যারা ব্যবসা করে থাকেন, তাদের কিন্তু একটা লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া খুঁজে বের করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

যদি আইডিয়াটি ভালো না হয় তাহলে কিন্তু আপনি ব্যবসায় ভালো করতে পারবেন না। এজন্য অবশ্যই আমাদের একটি উপযুক্ত মানের ব্যবসা বের করতে হবে। যার মাধ্যমে আমরা খুব ভালো প্রফিট করতে পারব। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক আজকে থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া কোনটি সে বিষয়ে।

সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি জেনে নিন

আপনিও যদি অনলাইনে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া কোনটি? সে বিষয় নিয়ে পড়ে থাকেন। তাহলে আজকে জেনে নিন সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া কোনটি সে বিষয়ে। যদি আপনি এই বিষয়টি জেনে নেন, তাহলে কিন্তু আপনি সবচেয়ে ভালো একটি ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। সাধারণত আমরা যারা ব্যবসা করে থাকে তাদের অবশ্যই ভালো মানের একটি ব্যবসা প্রয়োজন হয়।

আমাদের বাংলাদেশের মধ্যে যারা ব্যবসা করে থাকেন, তারা ব্যবসা সম্পর্কে ভালো রিসার্চ করে না। যার কারণে ব্যবসাতে ভালো ফলাফল পাই না। যদি আপনি ব্যবসায় ভালো ফলাফল পেতে চান, তাহলে অবশ্যই প্রথমে ব্যবসা নিয়ে রিসার্চ করতে হবে।

সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা
সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা

তাহলেই আপনি সবচেয়ে ভালো মানের একটি লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া খুঁজে পাবেন সাধারণত অন্যের কাছ থেকে দেখে যদি আপনার ব্যবসা শুরু করেন, তাহলে কিন্তু এখানে আপনি সফলতা পাবেন না। সফলতা পাওয়ার জন্য মূলত নিচের ক্রিয়েটিভ আইডিয়া গুলো ব্যবহার করতে হবে।

জমি ক্রয় বিক্রয় করার ব্যবসা

বিশ্বের মধ্যে যারা আজকে মিলিয়নিয়ার বিলিয়নিয়ার হয়েছে তারা সবাই একটি ব্যবসা শুরু করেছে আপনি যদি একটি লাভজনক ব্যবসায় এর মাধ্যমে নিজেকে বিলিয়নিয়ার মিলিয়নিয়ার পর্যায়ে নিয়ে যেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে এরকম একটি ব্যবসা নির্বাচন করতে হবে।

যার মাধ্যমে আপনি লাখ লাখ টাকা ইনকাম করার উপায় পারেন। যদি আপনি একটা ব্যবসা থেকে লাখ টাকা প্রফিট করতে না পারেন, তাহলে কিন্তু আপনি মিলিয়নিয়ার ব্যবসা শুরু করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে লাভজনক একটি মিলিয়নিয়ার ব্যবসা আইডিয়া হচ্ছে জমি ক্রয়-বিক্রয় করা। আপনি যদি জমি ক্রয় বিক্রয় করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন এবং আপনার নিজের ব্যক্তিগত একটি মূলধন থাকে।

সেই মূলধন কাজে লাগিয়ে জমি ক্রয় করে তা পুনরায় বিক্রি করেন, তাহলে এখান থেকে আপনি ভালো পরিমাণ প্রফিট পাবেন। বাংলাদেশের মধ্যে যারা বিত্তবান রয়েছেন তারা সবাই কিন্তু এ ধরনের ব্যবসা গুলোতে জড়িত যদি আপনি এই ধরনের একটি লাভজনক ব্যবসা করে থাকেন, তাহলে আপনি শুরু করতে পারেন। তবে প্রাথমিকভাবে কিভাবে আপনি এখান থেকে লাভবান হবেন। সে বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান অর্জন করতে হবে এবং জমি ক্রয় করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে পরবর্তীতে সেগুলো বিক্রি করার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে।

কনস্ট্রাকশন ডেভেলপমেন্ট ব্যবসা আইডিয়া

ডেভলপমেন্ট ব্যবসার আইডিয়া গুলো মূলত কোটিপতি লোকেরাই করে তাকে আপনারা যদি ভালো পরিমাণে মূলধন থাকে, তাহলে আপনি কনস্ট্রাকশন ডেভলপমেন্ট ব্যবসাটি শুরু করতে পারেন। কনস্ট্রাকশন ডেভলপমেন্ট ব্যবসা আইডিয়া বলতে বোঝানো হয়, আপনার আশেপাশে দেখবেন অনেকগুলো নতুন নতুন বিল্ডিং তৈরি করা হচ্ছে, সেখানে দেখবেন বিল্ডিং এর মালিক কিন্তু নিজের টাকা দিয়ে এ ধরনের বিল্ডিংগুলো করতেছে না।

একটা কম্পানি কনস্ট্রাকশন বিষয়ে সাহায্য করছে। এবং ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি বিল্ডিং করার জন্য সম্পূর্ণ টাকা বিনিয়োগ করে থাকে। যার জন্য একটা চুক্তি হয়ে থাকে মালিকের সাথে এই চুক্তির মাধ্যমে তারা কনস্ট্রাকশন ব্যবসার মাধ্যমে একটি বিল্ডিং তৈরি করে পরে তাকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেখান থেকে ভালো পরিমাণে প্রফিট তারা অর্জন করতে পারে।

বিভিন্ন ধরনের চুক্তির মাধ্যমে এ ধরনের ব্যবসা গুলো হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে আপনি কিভাবে করবেন? সেটা আপনার উপর নির্ভর করে। যদি আপনি এই ধরনের কনস্ট্রাকশন ডেভলপমেন্ট ব্যবসাটি শুরু করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনি আরো কয়েকজন বন্ধু বান্ধবকে পার্টনার হিসেবে নিয়োগ করতে পারেন যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই এ ধরনের একটি ব্যবসায় লাভবান হতে পারবেন।

সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি? তা জানুন

সম্মানিত পাঠক, আশা করছে আমাদের আজকের লিখাটি আপনি সম্পন্ন করেছেন এবং আপনি এখান থেকে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা কোনটি সে বিষয়ে জানতে পেরেছেন। আপনি যদি এই রকম একটি লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া নিয়ে অনলাইনে সার্চ করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই আপনি এই লিখাটি খুঁজে পেয়েছেন এবং এই হচ্ছে আপনার জন্য সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা।

তবে মনে রাখবেন, আপনি এই ব্যবসা করার জন্য বিনিয়োগ করার ক্ষমতা থাকতে হবে। যদি আপনার ভালো বিনিয়োগ করার ক্ষমতা না থাকে, তাহলে কিন্তু এই ধরনের লাভজনক ব্যবসা আপনি শুরু করতে পারবেন না। পাশাপাশি এ ধরনের ব্যবসা গুলো শুরু করার জন্য অভিজ্ঞতা হচ্ছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসা করার অভিজ্ঞতা থাকে। কিভাবে কনস্ট্রাকশন ব্যবসাগুলো করতে হয়? সে বিষয়ে যদি না জানেন তাহলে আপনি অভিজ্ঞ কাউকে পার্টনার হিসেবে নিযুক্ত করতে পারেন। পার্টনার কে নিয়ে আপনি খুব দ্রুত এগিয়ে যেতে পারবেন এবং ভালো কিছু করতে পারবেন।

সুন্দর একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে কত টাকা খরচ হয়

0
ওয়েবসাইট তৈরি করতে কত টাকা খরচ
সুন্দর একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে কত টাকা খরচ হয়

লেখার শুরুতে বলতে চাই। ওয়েবসাইট তৈরি করা জটিল কোন কাজ নয়। সামান্য কিছু টাকা খরচ করে বর্তমানে নিজের পছন্দের ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। আপনি যেহেতু সাইট তৈরির পরিকল্পনা করছেন। সুতরাং আমি মনে করি, আপনি হয়তো এটা জানেন যে, বর্তমান সময়ে অনলাইন থেকে প্রফেশনাল ও প্যাসিভ ইনকামের জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ও ব্লগিং পদ্ধতি খুবই জনপ্রিয় মাধ্যম। কেননা আপনি চাইলে অবশ্যই একটা ব্লগ বা ওয়েবসাইট করে আজীবন ইনকাম করার একটা রাস্তা তৈরি করতে পারেন।

আপনি বিশ্বাস করেন আর না করেন। যারা ব্লগিং ও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ওপর কাজ করেন তারা ভালো জানেন। একটা ওয়েবসাইট জীবনের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন করতে কেমন ভূমিকা রাখতে পারে। মূলত যারা জীবনের জন্য একটা প্যাসিভ ইনকামের রাস্তার খোঁজ করছেন, আমি তাদেরকে বলবো আপনি চাইলে ব্লগিং বা একটা ওয়েবসাইটকে প্যাসিভ ইনকাম এর রাস্তা হিসেবে বেচে নিতে পারেন।

সুন্দর একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে কত টাকা খরচ হয়
সুন্দর একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে কত টাকা খরচ হয়

ওয়েবসাইট তৈরি করতে কত টাকা খরচ হবে তা জানার আগে চলুন প্রথমে জেনে নিই Website তৈরি করতে কি কি টুলস এর প্রয়োজন হয়?
ওয়েবসাইট তৈরির খরচটা নির্ভর করে আপনার চাহিদার উপর। আপনি কেমন সাইট তৈরির পরিকল্পনা করছেন তার সাথে খরচের সম্পর্ক রয়েছে। আমরা আমাদের চাহিদা পূরণ করতে যতবেশি টুলস ও ফিচার যুক্ত করবো, ততই বেশি টাকা আমাদের খরচ করতে হবে।

ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে সাইট তৈরি করলে আমরা অনেকগুলো টুলস ফ্রি-তে ব্যবহার করতে পারি। কিন্তু প্রয়োজন মতো লাভবান হতে চাইলে, আমাদের এই টুলস গুলোর প্রিমিয়াম ভার্সন ব্যবহার করতে হয়।

ওয়েবসাইট তৈরি করতে কি কি টুলস এর প্রয়োজন?

১. ডোমেইন
২. হোস্টিং
৩. থিম ও
৪. প্লাগিন, এবং
৫. এসএসএল সার্টিফিকেট।

সাধারণত এই পাঁচটি টুলস থাকলে আপনি একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। এগুলো হচ্ছে মৌলিক উপাদান। এগুলো ছাড়া ওয়েবসাইট তৈরি করার চিন্তা করা যায় না। এই টুলগুলোর মধ্যেও আপনি সবকিছু ফ্রি-তে পাবেন। যা দিয়ে একটা সাইট আপনি তৈরি করতে পারবেন। তবে অনলাইন থেকে আয়ের চিন্তা থাকলে ফ্রি-তে সাইট তৈরি করে কোন কাজে আসবেনা। কারণ, এখানে আপনি আপনার চাহিদা মতো পরিবর্তন ও কাস্টমাইজড করতে পারবেন না। এবং আয় করার পদ্ধতিও জটিল হবে।

এবার চলুন আমরা জেনে নিই একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে কত টাকা খরচ হয়?

খরচ সম্পর্কে আমি প্রথমে বলেছি। আপনি নিজের চাহিদা মতো টাকা বিনিয়োগ করে ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। এটা নির্ভর করবে আপনার চাহিদার উপর। আপনি সম্পূর্ণ ফ্রি-তে ও সাইট তৈরি করতে পারবেন তা আপনাকে জানিয়ে দিয়েছি। এখন আমরা প্রিমিয়াম সাইট তৈরির জন্য কি কি টুলসের জন্য কত টাকা খরচ করতে হবে। সেই বিষয়ে ধারণা নিব।

ওয়েবসাইট তৈরি করতে ডোমেইন খরচ:

একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য অবশ্যই একটা ডোমেইন প্রয়োজন হয়। ডোমেইন একটা সাইটের পরিচয় বা নাম। এটি ফ্রি-তে ও প্রিমিয়াম দুই পদ্ধতিতে ব্যবহার করা যায়। তবে ফ্রি ডোমেইনের চাহিদা খুবই কম থাকে। প্রিমিয়াম ডোমেইনের ক্ষেত্রে আপনি পছন্দ মতো এক্সটেনশন ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু ফ্রি-তে ইচ্ছে মতো পছন্দের এক্সটেনশন ব্যবহার করতে পারবেন না। একটি প্রিমিয়াম ডোমেইন ক্রয় করতে আপনার ২৫০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত প্রয়োজন হতে পারে। ডোমেইন ক্রয় করার প্রথম বছর হয়তো আপনি ২৫০ টাকা থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে পেতে পারেন। তবে দ্বিতীয় বছর থেকে রিনিউ করার সময় অধিকাংশ ডোমেইনের জন্য ১০০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকা খরচ হয়।

ওয়েবসাইট তৈরি করতে হোস্টিং খরচ:

আপনার ওয়েবসাইটের ডাটা গুলো সংরক্ষণ করার জন্য অবশ্যই একটা হোস্টিংও আপনাকে ক্রয় করতে হবে। হোস্টিং ক্রয় করার ক্ষেত্রে আপনাকে সতর্ক করা প্রয়োজন। মনে রাখবেন, আপনার হোস্টিংয়ের উপর নির্ভর করবে আপনার সাইটের পার্ফমেন্স। আপনি যদি দ্রুতগতির হোস্টিং সার্ভিস ক্রয় করতে ব্যর্থ হোন। তাহলে মনে রাখবেন আপনি আপনার প্রফিট হারানো ফাঁদে পড়েছেন।

সামান্য টাকার জন্য কখনও হোস্টিংয়ের জন্য অবহেলা করবেন না। আপনার সাইটের লোডিং গতি যত বেশি হবে আপনার সাইটের ভিজিটর ততই বাড়তে থাকবে। যদি লোডিং গতি কম হয় তাহলে আপনাকে ভিজিটর হারাতে হবে। ১ জিবি হোস্টিং এক বছরের জন্য ক্রয় করতে আপনাকে ১০০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হতে পারে। তবে বিভিন্ন হোস্টিং কোম্পানি বিভিন্ন রকমের মূল্য নিয়ে থাকে। চেষ্টা করবেন “BlueHost” “Namecheap” ও “HostGator” থেকে হোস্টিং ক্রয় করার জন্য। আমার ওয়েবসাইট এবং আমার সকল ক্লায়েন্টের সাইটের জন্য আমি এই কোম্পানিগুলোর সার্ভিস ব্যবহার করতে পরামর্শ দিয়ে থাকি। আমার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি। এই কোম্পানিগুলো তাদের সেরা সার্ভিস দিয়ে আমাকে অনেক বেশি সাহায্য করেছে।

সেরা ডোমেইন এবং হোস্টিং প্রোভাইডার কোম্পানি:

  • HostGator
  • Blue Host
  • Namecheap
  • iIT Host (এটি বাংলাদেশের জন্য সেরা)

ওয়েবসাইট তৈরি করতে থিম খরচ:

ওয়েবসাইটকে সুন্দর্য দিতে ও সাজিয়ে তুলতে একটা ভালো থিম অবশ্যই প্রয়োজন হবে। এক্ষেত্রে থিমটি আপনি ফ্রি ব্যবহার করতে পারেন অথবা প্রিমিয়াম থিম টাকা দিয়ে ক্রয় করতে পারেন। আপনার যদি থিম ক্রয় করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ মূলধন না থাকে। আমরা আপনাকে ফ্রি থিম ব্যবহার করতে বলবো। ফ্রি থিম যদি আপনার চাহিদা পূরণ করতে না পারে। আপনাকে একটা প্রিমিয়াম থিম ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে আমরা আপনাকে সবচেয়ে কম খরচে একটা প্রিমিয়াম থিম দিয়ে সাহায্য করতে পারি।

মাত্র $1 থেকে $2 ডলার দিয়ে একটা থিম আমাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। আমরা আপনার চাহিদা পূরণ করতে GPL থিম সরবরাহ করে থাকি। থিম সংগ্রহ করতে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করুন। তবে একটা প্রিমিয়াম থিম ক্রয় করতে $২০ ডলার থেকে $৬০ এর মত খরচ হতে পারে। $৬০ মানে বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৫১০০ টাকা। আপনার সাইটের জন্য একটি সেরা থিম পছন্দ করতে থিমফরেস্ট ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন আমি নিচের লিংকটি দিয়ে দিচ্ছি:

  • Themeforest (envato)

এসএসএল সার্টিফিকেট:

এসএসএল হচ্ছে ওয়েবসাইটকে সুরক্ষিত রাখার টুল। আপনি এটা চাইলে ব্যবহার করতে পারেন বা নাও করতে পারেন। তবে এসএসএল ব্যবহার করা ভালো। ই-কমার্স ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে অবশ্যই এসএসএল ব্যবহার করবেন। এখন আসি একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে টোটাল কত টাকা খরচ হবে তা যোগ করে দেখি।

  • ডোমেইন = ১০০০ টাকা
  • হোস্টিং = ৪০০০ টাকা
  • থিম = ৫১০০ টাকা
  • এসএসএল = ১৫০০ টাকা

মোট = ১১৬০০ টাকা।

আপনি যদি এখানে টুলস গুলো ক্রয় করতে বাংলাদেশি সার্ভার ব্যবহার করেন, তাহলে সবমিলিয়ে ৫০০০ টাকা খরচ হতে পারে। আপনি যদি প্রফেশনাল কাউকে দিয়ে একটা ওয়েবসাইট তৈরি করে নেন, তাহলে ৫০০০ থেকে ৬০০০ টাকার মধ্যে সবকিছু দিয়ে দিবে। আপনি চাইলে আমাদের মাধ্যমে একটা প্রিমিয়াম ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। আমরা আপনাকে সবচেয়ে কম খরচে একটা প্রিমিয়াম ওয়েবসাইট তৈরি করে দেব। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে আমাদের সাইটের Contact Me পেইজ ভিজিট করুন।

ধন্যবাদ।

৫টি দ্রুতগতির শক্তিশালী ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস ২০২২

1
দ্রুতগতির শক্তিশালী ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস
দ্রুতগতির শক্তিশালী ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস

ওয়েবসাইটের জন্য দ্রুতগতির শক্তিশালী ওয়েব হোস্টিং মৌলিক একটা বিষয়। আপনি কখনও ব্যবসা করার জন্য দূর্বল হোস্টিং চিন্তা করতে পারেন না। আপনি কোনও নতুন ব্যবসা শুরু করবেন বা ইতিমধ্যে যদি ব্যবসা শুরু করে থাকেন, তাতে কোনো সমস্যা নেই। তবে সমস্যা হচ্ছে আপনার অনলাইন বিজনেস গত দ্রুত গতিতে সার্ভিস প্রদান করে? অনলাইনে বিজনেসের সুনাম বৃদ্ধি করতে সার্ভিস উন্নত করার প্রধান উদ্যোগ দ্রুত গতির ওয়েবসাইট।

আপনার সাইটের লোডিং স্পিড কম হওয়ার মানে হচ্ছে আপনার দেওয়া সার্ভিস দূর্ভল। আপনি অনলাইনে যে পেশায় কাজ করেন বা নিজের বিজনেস শুরু করেন। অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড খুব ভালো হতে হবে। সাইটের লোডিং স্পিড বৃদ্ধি করার প্রধান উপাদান হচ্ছে শক্তিশালী হোস্টিং প্ল্যান।

৫টি দ্রুতগতির শক্তিশালী ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস
শক্তিশালী ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস

আপনার হোস্টিং প্ল্যান যত শক্তিশালী হবে, আপনার ওয়েবসাইটের গতি ততই বেশি হবে। ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বৃদ্ধি করার জন্য এটা একটা বোনাস পয়েন্ট হল… এটি আপনার ভিজিটরদের সক্রিয় রাখবে। সঠিক দ্রুততম ওয়েব হোস্টিং সন্ধান করা কিছুটা জটিল হতে পারে। কারণ, প্রতিটি হোস্টিং কোম্পানি আলাদা আলাদা হোস্টিং সার্ভিন প্রদান করে। তাদের কাছে প্রচুর প্যাকেজ রয়েছে। আপনি যখন কোনো হোস্টিং প্ল্যান ক্রয় করতে যান, তখন একাধিক প্ল্যান আপনাকে বিভ্রান্ত করতে পারে।

সকলেই তাদের ব্যবসায়ের জন্য সেরা ও শক্তিশালী ওয়েব হোস্টিং চাই। অবশ্যই, সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো দ্রুত গতির একটা ওয়েব হোস্টিং প্ল্যান।

দ্রুতগতির শক্তিশালী ওয়েব হোস্টিং কেন গুরুত্বপূর্ণ?

দ্রুততম ওয়েব হোস্টিং আপনার পণ্য ও সেবা সমূহ ক্লায়েন্টকে সহজ উপায়ে দেখতে সাহায্য করে। ক্লায়েন্টকে আপনার সেবা ক্রয় করতে উৎসাহিত করে। একটি ধীরগতির হোস্টিং প্ল্যান  ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড কমিয়ে দেয়। ফলে ট্রাফিক আপনার সাইটে ভিজিট করতে বিরক্ত বোধ করে।

এমনকি ধীরগতির জন্য ক্লায়েন্টের মনে প্রথম থেকে নেগেটিভ ভাবনা তৈরি হয়ে যায়। যা আপনার বিক্রয় বৃদ্ধিতে বাঁধা সৃষ্টি করে। ধীরগতির ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস ব্যবহারে প্রতি ১০ জন ভিজিটরদের মধ্যে ৪ জনের বেশি সংখ্যক আপনার সাইটে ভিজিট করে না। এমনকি এটা গুগলের কাছেও পছন্দের নয়।

দ্রুতগতির শক্তিশালী ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস এর ভূমিকা:

শক্তিশালী ওয়েব হোস্টিং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ভিজিটর ধরে রাখতে। একটি দ্রুতগতির শক্তিশালী ওয়েব হোস্টিং এর জন্য ট্রাফিক সাইটে অ্যাক্সেস করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। একটি ওয়েবসাইট যখন ধীরগতিতে লোড হয়, তখন ট্রাফিক বিরক্তি বোধ করে। ফলে ট্রাফিক অন্য সাইটে চলে যায়। সাইটের গতি কম হলে গুগল সেই সাইটটিকে দূরে সরিয়ে দেয়।

৫টি দ্রুতগতির শক্তিশালী ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক:

০১. হোস্টগেটর (HostGator):

আপনি যখন আপনার আশেপাশে বন্ধুদের কাছ থেকে বা অনলাইনে দ্রুততম ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টিংয়ের জন্য সন্ধান করেন। তখন যদি “হোস্টগেটর” এর সন্ধান না পেয়ে থাকেন, তাহলে আপনি দুর্দান্ত একটা হোস্টিং কোম্পানিকে মিস করছেন। ওয়ার্ডপ্রেস কোম্পানি দ্বারা প্রস্তাবিত কয়েকটি প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে হোস্টগেটর।

এদের সর্বাধিক জনপ্রিয় ও সবচেয়ে বিক্রয় হওয়া প্ল্যানটিতে আছে: আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ, একটি ফ্রি ডোমেন, 24/7 সাপোর্ট, নিয়মিত দৈনিক ব্যাকআপ, একটি বিনামূল্যে এসএসএল সার্টিফিকেট। এমন সব সুবিধা আপনি কখনও অন্য কোনও হোস্টিং কোম্পানির কাছ থেকে প্রত্যাশা করবেন না। হোস্টগেটর এর আরো কিছু প্ল্যান রয়েছে।


এগুলোতে কিছু অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য রয়েছে: (উদাঃ অগ্রাধিকার সহায়তা, ফ্রি পিসিআই সম্মতি, এবং আরও অনেক কিছু)। সর্বোপরি, এদের সবগুলো প্ল্যানে আছে ৩০ দিনের মানিব্যাক গ্যারান্টি।

দ্রুতগতির ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টিংয়ের সন্ধান করার সময় হোস্টগেটরকে আমি আমার পছন্দের তালিকায় এক নম্বরে রাখি। ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারীদের জন্য জনপ্রিয় হচ্ছে হোস্টগেটর। হোস্টগেটরের সকল সার্ভিস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ও হোস্টিং ক্রয় করতে নিচের লিংকটি ভিজিট করুন

HOSTGATOR OFFICIAL SITE LINK

০২. ব্লুহোস্ট (Bluehost)

একটি প্রফেশনাল শেয়ারড হোস্টিংয়ে বিশেষজ্ঞ বিশেষত কোম্পানি। ব্লুহোস্ট ওয়ার্ডপ্রেস থেকে অফিসিয়ালি অনুমোদিত-হোস্টিং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। তারা এক-ক্লিকে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টলেশন, স্বয়ংক্রিয় ব্যাকআপ, নন-স্টপ সাপোর্ট সরবরাহ করে। ৩০ দিনের মধ্যে কোনো সমস্যা হলে টাকা ফেরতের গ্যারান্টি রয়েছে। ক্লায়েন্টদের জন্য সবচেয়ে সেরা অফার দেয় একমাত্র ব্লুহোস্ট কোম্পানি।

Bluehost এর সকল সার্ভিস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ও হোস্টিং ক্রয় করতে নিচের লিংকটি ভিজিট করুন।

BLUEHOST OFFICIAL SITE LINK

০৩. নেমচিপ (Namecheap):

বেস্ট পপুলার হোস্টিং কোম্পানি হচ্ছে নেমচিপ। এই কোম্পানির সাপোর্ট টিম এতোটাই একটিভ। আপনি যখনই সাপোর্টে জয়েন হবেন সাথে সাথে সাড়া দিবে। আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট সেট-আপ করেন, তাহলে আমি আপনাকে নেমচিপের “ম্যানেজ ওয়ার্ডপ্রেস” হোস্টিং প্ল্যান ক্রয় করতে পরামর্শ দেব।


কেননা এটি খুবই সহজে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন৷ এক ক্লিকে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করতে নেমচিপের জনপ্রিয় সার্ভিস হচ্ছে “ম্যানেজ ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টিং”।
সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে আপনি নেমচিপের সার্ভিস নিয়ে কখনও অসন্তুষ্ট হবেন না। আপনার যদি অনেক বেশি শক্তিশালী হোস্টিং সেবার প্রয়োজন হয়।

তবে নেমচিপের বিভিন্ন প্রাইস পয়েন্টে নতুন এবং প্রফেশনাল উভয়ের জন্য শেয়ারড, রিসেলার, ভিপিএস এবং ডেডিকেটেড সার্ভার প্যাকেজ রয়েছে। “Namecheap” এর সকল সার্ভিস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ও হোস্টিং ক্রয় করতে নিচের লিংকটি ভিজিট করুন।

NAMECHEAP OFFICIAL SITE LINK

০৪. গুড্যাডি (GoDaddy):

গুড্যাডি আমার আজকের আলোচনায় চতুর্থ স্থান পেয়েছে। আপনার যদি ইনভেস্টমেন্ট বাজেট ভালো থাকে, তাহলে গুড্যাডিকে একবার চেষ্টা করলেও করতে পারেন। এটিও জনপ্রিয় একটা ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি। তবে আমি কখনও গুড্যাডির হোস্টিং প্ল্যান ক্রয় করিনি। আমি গুড্যাডি থেকে কয়েকটা ডোমেইন ক্রয় করেছি। যে ডোমেইন গুলো বর্তমানে খুব ভালো অবস্থানে আছে। “GoDaddy” এর সকল সার্ভিস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ও হোস্টিং ক্রয় করতে নিচের লিংকটি ভিজিট করুন।

GODADDY OFFICIAL SITE LINK

০৫. আইআইটি হোস্ট (iITHost):

আপনি যদি প্রথম ৪টি কোম্পানির কাছ থেকে সার্ভিস অর্ডার করতে না পারেন, তাহলে আপনার জন্য রয়েছে আইআইটি হোস্ট। এটি বাংলাদেশের একটা কোম্পানি। এটি নিয়ে মূলত বাংলাদেশের নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য কথা বলছি৷ আপনার বাজেট যদি খুবই কম হয়ে থাকে, তাহলে আপনি বাংলাদেশের সার্ভিস ক্রয় করতে পারেন।

বাংলাদেশের মধ্যে যতগুলো হোস্টিং কোম্পানি আমি দেখেছি তার মধ্যে আইআইটি হোস্ট আমার ভালো লেগেছে।“iITHost” এর সকল সার্ভিস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ও হোস্টিং ক্রয় করতে নিচের লিংকটি ভিজিট করুন।

IITHOST OFFICIAL SITE LINK

সবশেষে আপনার জন্য পরামর্শ:

আমরা এখানে আমাদের বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বাঁচাই করা কোম্পানি গুলোকে আপনাদের সাথে পরিচিত করতে চেষ্টা করেছি। এই কোম্পানি গুলো ছাড়াও আরো অনেকগুলো কোম্পানি রয়েছে। আমরা শুধুমাত্র নতুনদের জন্য সঠিক গাইডলাইন ও তথ্য শেয়ার করেছি। তবে আপনি চাইলে নিজের ইচ্ছে মতো যেকোনো কোম্পানির সেবা গ্রহণ করতে পারেন। ধন্যবাদ।

SEO কিভাবে শিখবো? ক্যারিয়ার গড়ুন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার হিসেবে

0
seo কিভাবে শিখবো
seo কিভাবে শিখবো

আমাদের আজকের টিউটোরিয়াল এসইও কিভাবে শিখবো। আজকের টিউটোরিয়াল আপনি মনোযোগ দিয়ে পড়ুলে ইনশাআল্লাহ আপনি “SEO” শেখার গাইডলাইন পেয়ে যাবেন। বর্তমান সময়ে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন গুগল ট্রেন্ডিং এবং জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে।  কোন চিন্তা ছাড়া বলে দেওয়া যায় অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হচ্ছে সর্বোচ্চ মানের একটা সেরা পদ্ধতি।

অনলাইনে যারা ব্যবসা করে থাকেন তারা প্রত্যেকেই এসইও এক্সপার্ট দের দ্বারপ্রান্ত হয়ে থাকেন।  আপনি যদি এসইও  স্পেশালিস্ট হতে পারেন,  তাহলে আপনি যেকোন ভাবে অনলাইন থেকে নিজের কাজ সংগ্রহ করতে পারবেন।  ফাইবার আপওয়ার্ক এবং ফ্রিল্যান্সার ডট কম এর মত জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস গুলোতে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন রিলেটেড কাজগুলো অনেক বেশি পাওয়া যায়। 

SEO কিভাবে শিখবো? 

এসইও শেখার জন্য শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে আপনাকে বেসিক ধারণা অর্জন করতে হবে।  এটি কখনো জটিল কোনো বিষয় নয়। এটি খুব সহজ এবং শুধুমাত্র বুঝার একটি বিষয়। আপনি যদি বুঝতে পারেন একটি সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে? কেন আপনি কোন কিছু লিখলেই অটোমেটিকলি আপনাকে ডাটা সরবরাহ করে? মূলত এর প্রসেসিং টা কি? এ সামান্য কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর যদি আপনি পেয়ে যান তাহলে আপনি একজন এসইও স্পেশালিস্ট হতে পারবেন।

 শেখা কিভাবে শুরু করবেন?

 এসইও শেখার শুরু করার জন্য আপনার প্রয়োজন একটা ওয়েবসাইট। বর্তমানে খুব কম খরচের মধ্যে একটা ওয়েবসাইট তৈরী করে ফেলা সম্ভব।  যদি আপনার কোনো সামর্থ্য না থাকে তাহলে আপনি আপনার বন্ধু-বান্ধব বা অনলাইনে যারা বিজনেস করে তাদের সাহায্য করতে পারেন।  তাদের সাহায্য করার মাধ্যমে আপনি নিজে সাহায্য গ্রহণ করে এসইও শিখতে পারেন। 

SEO কিভাবে শিখবো
SEO কিভাবে শিখবো

এর জন্য আপনি আপনার বন্ধু বা আশেপাশের পরিচিত উদ্যোক্তার ওয়েবসাইট এসইও করার দায়িত্ব নিতে পারেন। এক্ষেত্রে উদ্যোক্তা এবং আপনি উভয়পক্ষই লাভবান হতে পারেন।  আপনি এসইও সম্পর্কে প্রাকটিস করতে পারবেন।  অপরপক্ষে একজন উদ্যোক্তা হিসেবে উদ্যোক্তা আপনাকে সুযোগ দেওয়ার মাধ্যমে সে তার কোম্পানির বিক্রয় বৃদ্ধি করতে পারবে।

তবে আমি পরামর্শ দিব আপনি নিজেই নিজের ব্যক্তিগত একটা ওয়েবসাইট করে ফেলুন, যেন সেটি ভবিষ্যতে আপনার পোর্টফলিও হিসেবে কাজ করে। অনলাইনে কাজ করার জন্য নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কাজে প্রমাণ উপস্থাপন করার জন্য একটি পোর্টফোলিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

SEO শিখার জন্য কি কি যোগ্যতা লাগবে?

SEO শিখার জন্য আবশ্যই আপনার কিছু যোগ্যতার প্রয়োজন হবে। কারণ যোগ্যতা ছাড়া কোন কাজ করা সম্ভব নয়। যদি তা সম্ভব হতো, তাহলে আপনিও অ্যাপলের থেকে ভালো ডিভাইস তৈরি করতেন।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখার জন্য আপনার কিছু সাধারণ যোগ্যতার প্রয়োজন হবে। যেমন- ইংরেজি জানতে হবে ও বুঝতে হবে এবং কম্পিউটার সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে, টাইপিং দক্ষতা ভালো থাকতে হবে ইত্যাদি।

এই সামান্য সাধারণ দক্ষতাগুলো থাকলেই আপনি একজন এসইও স্পেশালিস্ট হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবেন এবং এই ক্ষেত্র কে ব্যবহার করে প্রফেশনাল লাইট তৈরি করতে পারবেন।  সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে, এক্ষেত্রে আপনি কোন প্রজেক্ট এর কাজ না পেলেও নিজেকে বসে থাকতে হবে না। আপনি বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে ইনকাম করতে পারবেন। কিভাবে আপনি ইনকাম করবেন সেই বিষয় নিয়ে না হয় পরে আলোচনা করবো। আর আপনি নিজেই বুঝে যাবেন যদি এই প্রফেশনে আপনি কাজ শুরু করেন।

“SEO” শিখে আপনার কি কাজে লাগবে?

এসইও শিখে আপনি অনলাইনে ‘SEO’ সেবা দিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন, ইন্টান্যাশনাল মার্কেটে কাজ করতে পারবেন এবং লোকাল মার্কেটেও খুবই দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারবেন।

এসইও এর মাধ্যমে কত টাকা আয় করা সম্ভব?

SEO এর মাধ্যমে ঘন্টায় ২০০ থেকে ২০০০ টাকার বেশি ইনকাম করতে পারবেন।

কিভাবে ‘SEO’ শিখতে হবে?

আপনার যদি ইংরেজি, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সম্পর্কে দক্ষতা থাকে, তাহলে আপনি এসইও শিখার জন্য প্রথাম ধাপ এগিয়ে গেছেন বা এসইও এর প্রথম ধাপ শিখে ফেলেছেন।

অনেক গুলো সার্চ ইঞ্জিনের মধ্যে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে গুগল। গুগল এর সার্চ রেজাল্টে আপনার বা আপনার ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইট বা সফটওয়্যারকে প্রথমে নিয়ে আসার জন্য আপনাকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন নিয়ে কাজ করতে হবে।

একটি কমপ্লিট এসইও এর জন্য ৪টি পদ্ধতি রয়েছে –

১. কিওয়ার্ড সিলেকশন

২. কনটেন্ট তৈরি

৩. অন পেজ অপটিমাইজেশন

৪. অফ পেজ অপটিমাইজেশন।

এভাবেই আপনাকে ধাপে ধাপে কাজ করে আপনার বা আপনার ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইট অপটিমাইজ করতে হবে।

১. কীওয়ার্ড সিলেকশন কিভাবে করতে হয় তা জনার জন্য ইউটিউবে ভিডিও দেখুন। না হয় আপনি ভালো বুঝতে পারবেন না।

২. কিওয়ার্ড সিলেকশন হয়ে গেলে কনটেন্ট তৈরি করতে মনোযোগ দেন। অবশ্যই ভালো কনটেন্ট আপনার এসইও অভিজ্ঞতার ফল হবে।

৩. অন পেজ অপটিমাইজেশন হচ্ছে সাইটের ভিতরে অংশের কাজ। সার্চ ইঞ্জিন ও ইউজারদের জন্য যথাযথভাবে কনটেন্ট তৈরির পদ্ধতি ও টুলসের সঠিক ব্যবহার করতে জানলে অন পেজ অপটিমাইজেশন করতে পারবেন।

৪. অফ পেজ অপটিমাইজেশন হচ্ছে লম্বা কাহিনি। সংক্ষিপ্ত করে বললে আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর নিয়ে আসার জন্য অতিরিক্ত কাজ করার টেকনিক সমূহকে অফ পেজ অপটিমাইজেশন বলে।

এসব কাজ আপনি করতে পারলে অবশ্যই আপনি একজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজার হয়ে উঠতে পারবেন।

ভবিষ্যতে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর চাহিদা কি থাকবে?

হ্যাঁ, অবশ্যই থাকবে। সার্চ ইঞ্জিন কে পরিচালনা করার জন্য কোম্পানি যেমন নতুন নতুন টুলস যুক্ত করছে। ঠিক একইভাবে এর চাহিদা পূরণ করতে অপটিমাইজেশন কৌশলও পরিবর্তন করতে হবে। তবে এর চাহিদা কমবে না।

এসইও কি ক্যারিয়ারের অংশ হতে পারে?

অবশ্যই এটি ক্যারিয়ারের অংশ হতে পারে। আপনি যদি একজন দক্ষ অপটিমাইজার হতে পারেন, তাহলে আপনি আপনার জীবনের অর্থনৈতিক চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করার সামর্থ রাখেন। 

আশাকরি আমাদের আজকের লেখা টি আপনাদের অবশ্যই ভালো লেগেছে। যদি আমাদের লিখাটি ভালো  লেগে থাকে,  তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। আপনি কতটুকু উপকৃত হতে পেরেছেন? এবং আপনি কি এখান থেকে শিখতে পেরেছেন? SEO কিভাবে শিখবো এ পর্বে আশা করি আমরা আপনাদের প্রয়োজনীয় সকল প্রশ্নের উত্তর এই পোস্টে সংযুক্ত করতে পেরেছি।

রবি ইন্টারনেট অফার 2022 | Robi internet offers | রবি অফার সমূহ

0
রবি ইন্টারনেট অফার
রবি ইন্টারনেট অফার

বাংলাদেশের জনপ্রিয় একটি কোম্পানি হচ্ছে রবি। রবি থেকে আপনি যদি রবি ইন্টারনেট অফার গুলো পেতে চান, তাহলে কিভাবে Robi internet offers গুলো ব্যবহার করবেন? সেটি আপনাকে জানতে হবে। বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারীর যতগুলো কোম্পানি রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে দ্রুততম এবং শক্তিশালী নেটওয়ার্ক সরবরাহ করে থাকে এই কোম্পানি। বাংলাদেশের গ্রাহকদের মধ্যে Robi অনেকটা জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

এই কোম্পানিটির যদি আপনি বিভিন্ন অফার গুলো জানতে চান এবং রবি কোম্পানির (Robi interest offer) সকল আকর্ষণীয় ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে আমাদের এই স্প্যাসটি আপনি অনুসরণ করতে পারেন। এখানে আমরা আপনাদের জন্য বিভিন্ন অফার সম্পর্কিত আলোচনা শেয়ার করব। আপনি যদি রবি ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট পেতে চান, তাহলে ভিজিট করতে পারেন আমাদের একটি ওয়েবসাইট।

এখানে আমরা রবির (Robi internet offers) অফারগুলো আমরা প্রতিনিয়ত সাবমিট করতে থাকি। নিচে সেই সাইটের পেইজটি নিযুক্ত করে দিচ্ছি। যেন তারা সে অফার গুলো প্রতিনিয়ত ভিজিট করে দেখতে পারেন এবং সবসময় নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য আমাদের এই পেজটি আপনারা অনুসরণ করতে পারেন। এই স্পেস এর মধ্যেও আমরা অনেকগুলো আকর্ষণীয় অফার এর তথ্য শেয়ার করতে থাকবো।

Robi internet offer 2021 | রবি ইন্টারনেট অফার ২০২১

নবীর যাত্রার শুরু থেকেই তাদের গ্রাহকদের কে সন্তুষ্ট করার জন্য তারা বিভিন্ন রকমের অফার গ্রাহকদেরকে দিয়ে আসছে। ঠিক একই রকম অফারগুলো তারা দেয়, যেগুলো তাদের গ্রাহকদেরকে অবশ্যই আনন্দিত করতে পারে। আজকে লেখাতে আমরা এমন সব অফার গুলো নিয়ে আলোচনা করব। যেন আপনারা Robi internet offers গুলো পেয়ে সন্তুষ্ট হতে পারেন।

রবি ইন্টারনেট অফার ২০২১
রবি ইন্টারনেট অফার ২০২১

আশা করছি, এই আর্টিকেলের মধ্যে আপনারা রবি ইন্টারনেট অফার সম্পর্কিত একেবারে টোটাল বিস্তারিত আলোচনা পাবেন। কারণ, যারা রবি সিম ব্যবহার করে থাকেন, তাদের জন্য এই অফার গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনার অফার গুলো কে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারেন, তাহলে আপনার ইন্টারনেটের টাকা অনেক বেশি সেব করা সম্ভব হবে। যদি আপনি এই অফার গুলো কাজে লাগাতে না পারেন, তাহলে আপনাকে বেশি টাকা দিয়ে ইন্টারনেট ক্রয় করে ব্যবহার করতে হবে।

সাধারণত যারা অনলাইনে বেশি অ্যাক্টিভিটি রাখেন,

যারা বেশি বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন, তাদের জন্য আমরা এই অফার গুলো কে উপস্থাপন করে থাকি। আপনি যদি একজন রবির রেগুলার ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই আপনাকে রবির ইন্টারনেট অফার (Robi internet offers) গুলোকে কাজে লাগাতে হবে। আর এই লেখার মধ্যে আমরা এমন সব আকর্ষণীয় অফার গুলো শেয়ার করব।

যেন আপনারা এগুলো পছন্দ করেন। যদি আপনারা এই Robi internet offers গুলো সম্পর্কে প্রতিনিয়ত নিজেকে আপডেট রাখতে চান, তাহলে অবশ্যই আমাদের এই লেখাগুলো আপনাদেরকে নিয়মিত পড়তে হবে। বিডি ব্লগ ওয়েবসাইট সব সময় আপনাদের জন্য এমন সব অফার গুলো নিয়ে আসে। যেন আপনারা অনলাইন টেকনোলজি ব্যবহার করতে পারেন এবং ডিজিটাল টেকনোলজিতে আপনাদের ভূমিকা যেন রাখতে পারেন।

যেন আপনারা টেকনোলজি ব্যবহার করে খুব দ্রুত ডিজিটাল বাংলাদেশ কে এগিয়ে যেতে পারেন। আশা করছি, আপনি ইন্টারনেট (Robi internet offers) ব্যবহার করবেন এবং ইন্টারনেটের মধ্যে আপনার সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে। একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ কে পরিচালনা করার জন্য অবশ্যই ইন্টারনেট এর সঠিক ব্যবহার আপনি নিশ্চিত করবেন। এজন্য আপনার অফার গুলোকে কাজে লাগান অবশ্যই অবশ্যই প্রয়োজন।

রবি নতুন সিম অফার | Robi New SIM Offers 2021

নতুন রবি সিম ক্রয় করলে পাবেন আকর্ষণীয় সব নতুন রবি সিম অফার। Robi New SIM ক্রয় করার সাথে সাথে আপনি পেয়ে যাবেন ২ জিবি ইন্টারনেট বোনাস। এই ২ জিবি বোনাস আপনি অনেক হাইস্পিড গতিতে ব্যবহার করতে পারবেন। আপনি এর পরে পরবর্তী ১২ মাসের জন্য পেয়ে যাবেন, প্রতি মাসে ১ জিবি করে বোনাস।

আর প্রতি মাসে ১ জিবি করে ১২ মাসে ১২ জিবি ইন্টারনেট বোনাস (12 GB Best Robi Internet Offers)। বোনাস পাওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে প্রথমবার ৪২ টাকা রিচার্জ করতে হবে। যদি আপনি ৫০ টাকা খরচ করে আপনার মোবাইলে, তাহলে আপনি প্রতি ৩০ দিন পর পর পরবর্তী ১২ মাস পর্যন্ত আপনি প্রতিমাসে ১ জিবি রবি ইন্টারনেট (Robi Internet Offer) বোনাস পেতে থাকবেন।

ইন্টারনেট বোনাস ছাড়াও রয়েছে আরও আকর্ষণীয় সব সুযোগ-সুবিধা। যদি আপনি নতুন রবি সিম ক্রয় করে থাকেন, তাহলে এই সকল সুযোগ সুবিধা গুলো আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে যদি আপনি নতুন একজন রবির গ্রাহক হয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই আপনি রবি অ্যাপস টি ইন্সটল করে ফেলবেন আপনার মোবাইল ফোনে।

কারণ রবি অ্যাপস যদি আপনি ব্যবহার করেন,

আরো আকর্ষণীয় সব বোনাস পাবেন। এক্ষেত্রে আপনি কোন অফার গুলো মিস করবেন না। সকল অফার এর আপডেট গুলো অ্যাপস এর মধ্যে পাওয়া যায়।

1GB New Robi SIM Internet Offer
1GB New Robi SIM Internet Offer

এজন্য আপনি রবি অ্যাপ টি নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে ফেলতে পারেন। নিচের ডাউনলোড লিঙ্কে ক্লিক করলেই, খুব সহজেই রবি অ্যাপ ইন্সটল করে ফেলতে পারবেন আপনার স্মার্টফোনের মধ্যে।

তবে প্রতি মাসে 1GB New Robi SIM Internet Offer পাওয়ার জন্য শর্ত হচ্ছে, আপনাকে অবশ্যই প্রতিমাসে ৫০ টাকার বেশি ব্যবহার করতে হবে। যদি আপনি প্রতিমাসে ৫০ টাকার বেশি আপনার মোবাইলে ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আপনি প্রতি ৩০ দিন পর পর ১ জিবি করে ইন্টারনেট বোনাস পেয়ে যাবেন। আর এই ইন্টারনেট বোনাসের মেয়াদ থাকবে সাত দিন। অর্থাৎ আপনি প্রতি ১ জিটি রবি ইন্টারনেট অফার 4.5 জি গতিতে উপভোগ করতে পারবেন।

New Robi SIM Offers 2021

বাংলাদেশের স্বনামধন্য কোম্পানির রবি সংযোগ নিলেই আপনি আরো অনেকগুলো নতুন ইন্টারনেট অফার পাবেন। নতুন সিমের মধ্যে আপনি যদি নতুন সংযোগ নিয়ে ৪২ টাকা রিচার্জ করেন সাথে সাথে পেয়ে যাবেন আপনি ২ জিবি ইন্টারনেট। যার মেয়াদ থাকবে সাত দিন এবং আপনি যে ৪২ টাকা রিচার্জ করবেন, সেই ৪২ টাকার মধ্যে ৩৪ টাকা আপনার একাউন্টে জমা থাকবে। অর্থাৎ ৩৪ টাকা আপনার একাউন্টে জমা থাকবে।

এগুলো দিয়ে আপনি পরবর্তিতে কথা বলতে পারবেন অথবা ইন্টারনেটে ক্রয় করতে পারবেন। সাথে পাবেন কম টাকায় কথা বলার সুযোগ। সে ক্ষেত্রে ৪২ টাকা রিচার্জ করলেই ৩০ দিন যেকোনো অপারেটরে ৪৮ টাকা পয়সায় কথা বলতে পারবেন। রবির নতুন সংযোগে রয়েছে আরও অনেক ধরনের অফার। যখন আপনি ৪২ টাকা রিচার্জ করবেন, তখন আপনি পেয়ে যাবেন সাথে সাথে ৮ মিনিট টকটাইম বোনাস। ৮ মিনিট আপনি সাত দিন ব্যবহার করতে পারবেন।

Robi recharge internet pack 2022 | রবি রিচার্জ ইন্টারনেট অফার সমূহ

কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই রিসার্চ করে আপনি রবির ইন্টারনেট প্যাক ক্রয় করতে পারবেন। এক্ষেত্রে রিসার্চ করলে আপনার ইন্টারনেট প্যাক গুলো অ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে। এমন অনেকগুলো ইন্টারনেট অফার প্যাক রয়েছে, যেগুলোতে আপনি নির্দিষ্ট পরিমাণ রিচার্জ করলেই আপনার সিমের মধ্যে রবি ইন্টার্নেট প্যাক অ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে। এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আপনি আপনার ক্রয় করে ইন্টারনেট প্যাকটি ব্যবহার করতে পারবেন।

এমন কিছু ইন্টারনেট প্যাক নিয়ে আমরা আলোচনা করবো। যেগুলো আপনি রিচার্জ করলে সাথে সাথে অ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে। যেন আপনি রবির ইন্টারনেট অফার গুলো খুব সহজে ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে কোন কোড ডায়াল করে ইন্টারনেট ক্রয় করতে হবে না। অথবা ইন্টারনেট ক্রয় করার জন্য অ্যাপ ইন্সটল করতে হবে না। সরাসরি আপনি রবিতে রিচার্জ করার মাধ্যমে ইন্টারনেট আপনার একাউন্টে যুক্ত হয়ে যাবে।

৩২ টাকা রিচার্জে ১ জিবি ইন্টারনেট

32 টাকা রিচার্জে ১ জিবি ইন্টারনেট মেয়াদ ৩ দিন। এই অফারটি উপভোগ করার জন্য আপনাকে আপনার সিমে 32 টাকা রিচার্জ করতে হবে, তাহলেই এই প্যাকটি অ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে। যারা কম টাকা রিচার্জ করে ১ জিবি ইন্টারনেট ক্রয় করতে চান। অর্থাৎ যাদের বেশি ইন্টারনেটের প্রয়োজন হয় না, তাদের জন্য এই প্যাকটি খুবই সুবিধাজনক হবে।

৩২ টাকা রিচার্জে ১ জিবি ইন্টারনেট
৩২ টাকা রিচার্জে ১ জিবি ইন্টারনেট

সুতরাং আপনি যদি ১ জিবি ইন্টারনেট রবির কাছ থেকে ক্রয় করতে চান, তাহলে আপনার মোবাইলে আপনাকে 32 টাকা রিচার্জ করতে হবে। এই ৩২ টাকা রিচার্জ করলে আপনি ১ জিবি তিন দিন ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার এক জিবি শেষ হয়ে যাচ্ছে না ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি ইন্টারনেট ব্রাউজিং চালিয়ে যেতে পারবেন। যদি তিন দিনের আগেই আপনার ১ জিবি শেষ হয়ে যায়, তখন আপনাকে পুনরায় ৩২ টাকা রিচার্জ করতে হবে।

৫৭ টাকায় ৩ জিবি ইন্টারনেট

57 টাকায় 3 জিবি পাবেন মেয়াদ 3 দিন। এই প্যাকেজটি আপনাকে এক্টিভেট করার জন্য আপনার মোবাইল ফোনের 57 টাকা রিচার্জ করতে হবে। যে কোন রিচার্জ পয়েন্ট থেকে অথবা বিকাশ নগদ এর মাধ্যমে। আপনার যদি প্রতিদিন ১ জিবি করে ইন্টারনেট এর প্রয়োজন হয়, তাহলে আপনি রবির প্যাকেজ ক্রয় করতে পারেন।

এক্ষেত্রে আপনাকে 2GB ইন্টারনেট দেওয়া হবে। 4.5G এর 1GB শুধুমাত্র 4.5G নেটওয়ার্কে ব্যবহার করার জন্য। আর বাকি আর 1GB Internet দেওয়া হবে যেকোনো নেটওয়ার্কে ব্যবহার করার জন্য। আপনার মোবাইলে যদি ফোরজি সাপোর্ট না করে এবং সিম যদি ফোরজি না হয়, তাহলে কিন্তু আপনি 4.5G নেটওয়ার্কের জন্য দেওয়া ১ জিবি ব্যবহার করতে পারবেন না।

আপনি যদি প্রতিদিন 1GB Internet চেয়ে বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন, তাহলেই 57 টাকা রিচার্জ করে 4GB ইন্টারনেট প্যাক ক্রয় করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি 4GB ইন্টারনেট প্যাকের মধ্যে 3GB পাবেন, যে কোন নেটওয়ার্কে ব্যবহার করার জন্য, আর 1GB পাবেন 4.5G ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য।

অর্থাৎ আপনার মোবাইল ফোন এবং সিম 4g সাপোর্ট না করলে,

তাহলে কিন্তু আপনি ১ জিবি ব্যবহার করতে পারবেন না। এই প্যাকটি এক্টিভেট করার পূর্বে আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে। আপনার মোবাইল ফোনে ফোরজি সাপোর্ট করে কিনা।

রবি গ্রাহকদের আরেকটি জনপ্রিয় প্যাক হচ্ছে 114 টাকায় 7 দিনের জন্য 10GB Internet। এই প্যাকেজটি এক্টিভেট করতে, আপনাকে 114 টাকা রিচার্জ করতে হবে। রিচার্জ করলে এই প্যাকটি অ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে এবং সাতদিন আপনি এই প্যাকটি চালাতে পারবেন। 7 দিনে যদি আপনার 10GB Internet এর প্রয়োজন হয়, তাহলে আপনি এই প্যাকটি নির্বাচন করতে পারেন।

১১৪ টাকায় ১০ জিবি ইন্টারনেট এর মধ্যে, ৮ জিবি পাবেন যেকোনো ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য আর ২ জিবি পাবেন 4.5g ইন্টার্নেট। অর্থাৎ আপনার মোবাইল ফোনে যদি ফোরজি সাপোর্ট না হয়, তাহলে কিন্তু আপনি 2 জিবি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন না।

রিচার্জ এমাউন্ট টাকাইন্টারনেট পরিমাণমেয়াদ বা সময়কাল
৩২ টাকা১ জিবি প্যাক3 Days
৫৭ টাকা৩ জিবি (2GB+1GB 4.5G) 3 Days
৬৯ টাকা৪ জিবি (3GB+1GB 4.5G) 3 Days
১১৪ টাকা১০ জিবি (8GB+2GB 4.5G) 7 Days
৩৪৯ টকা৩০ জিবি ***28 Days

৩০ জিবি রবি ইন্টারনেট অফার | Robi internet offers

রিসার্চ করে যদি মাসজুড়ে ইন্টারনেট সুবিধা উপভোগ করতে চান, তাহলে রবি নিয়ে এলো আপনার জন্য অসাধারন একটি প্যাক। 349 টাকা রিচার্জে 30GB ইন্টারনেট 28 দিনের জন্য। একটি খুবই জনপ্রিয় রবি গ্রাহকদের জন্য। আমি নিজে অনেক বেশি পছন্দ করি। প্রতি মাসে আমি এই প্যাকটি ব্যবহার করি।

এক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার মোবাইলে এটি এক্টিভেট করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনার রবি সিমে আপনাকে 349 টাকা রিচার্জ করতে হবে। তাহলেই এই প্যাকটি অ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে এবং এখানে যে ৩০ জিবি ইন্টারনেট পাবেন, সেই ৩০ জিবি ইন্টারনেট আপনি ব্যবহার করতে পারবেন 28 দিন পর্যন্ত। অর্থাৎ পুরো এক মাস।

কিভাবে রবি ইন্টারনেট অফার চেক করবেন? | Check Robi Internet Offer 2021

প্রিয় গ্রাহক, আপনি যদি একজন রবি সিম ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে আপনাকে রবির অফার গুলো খুজে বের করার জন্য একটি ছোট কোড ডায়াল করতে হবে। এই কোডটি ডায়াল করলে আপনি রবির সকল অফার সম্পর্কে জানতে পারবেন। তবে আপনি যদি আকর্ষণীয় সব অফার সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে Robi App ব্যবহার করতে হবে। আপনার মোবাইল ফোনে রবি অ্যাপস ইন্সটল করার জন্য নিচের রবি অ্যাপ ইনস্টল বাটনে ক্লিক করিন। তাহলে সরাসরি আপনার স্মার্টফোনে রবি অ্যাপ ইন্সটল করে ফেলতে পারেন।

“ইনস্টল করুন রবি অ্যাপস

যদি ROBI App আপনার ফোন ব্যবহার করতে না চান,

তাহলে একটি ছোট কোড ডায়াল করেই আপনি রবির অফার গুলো জানতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে ডায়াল করতে হবে *999#। এটা ডায়াল করলে আপনি All Robi offers গুলো দেখতে পাবেন এবং এখান থেকে আপনার পছন্দের অফারটি নির্বাচন করবেন। এবং সে অনুযায়ী আপনি অফার উপভোগ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে কিছু অফারের জন্য আপনাকে রিচার্জ করতে হতে পারে।

নির্দিষ্ট একটি অ্যামাউন্ট অথবা আপনি নির্দিষ্ট অফারটি পাওয়ার জন্য আপনাকে কোড দেওয়া হবে। অফার ক্রয় করতে আপনাকে নির্দিষ্ট ডায়াল করতে হবে। তাহলে আপনি রবির ইন্টারনেট অফার গুলো কে আপনার সিম এক্টিভেট করতে পারবেন। এবং সেগুলো উপভোগ করতে পারবেন। এই বিষয়টি যদি আপনি না বুঝে থাকেন, তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাবেন।

আমরা পরবর্তীতে চেষ্টা করব একটি ছোট্ট কয়েক মিনিটের ভিডিও এখানে যুক্ত করে দেওয়ার জন্য। কিভাবে রবির অফার গুলো চেক করতে হয়? সে বিষয়টি যেন আপনি বুঝতে পারেন।

Robi App Internet সুবিধা:

আপনারা যদি রবি অ্যাপ স্মার্টফোনের ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে রবির অফার গুলো যাচাই করতে আপনাকে কোন কষ্ট করতে হবে না। এবং কোনো প্যাক ক্রয় করার জন্য বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না। এক্ষেত্রে আপনি খুব সহজেই রবির যে কোন অফার এবং যে কোন ইন্টারনেট প্যাক খুব দ্রুত এক্টিভেট করতে পারবেন।

Robi internet offer গুলো আপনি যদি সহজে ব্যবহার করতে চান, তাহলে আপনাকে রবির অফিশিয়াল রবি অ্যাপস টি ইন্সটল করতে হবে। রবি অ্যাপ ইন্সটল করার জন্য আপনাকে সরাসরি প্লে স্টোরে যেতে হবে। অথবা আমাদের দেওয়া লিংকে ক্লিক করে আপনি সরাসরি প্লে স্টোরে চলে যেতে পারেন।

১ দিনের রবি ইন্টারনেট অফার প্যাকেজ | 1 day Robi internet offer packages

৩.৪৪ পয়সায় 10mb ইমারজেন্সি ইন্টারনেট প্যাকেজ আপনি জরুরি মুহূর্তে ক্রয় করতে পারেন। সাধারণত জরুরি মুহূর্তে ছাড়া এ ধরনের ইন্টারনেট প্যাক গুলো ক্রয় করা প্রয়োজন হয় না। যদি কোন কারণে আপনার এই ইন্টারনেট প্যাক ক্রয় করার প্রয়োজন হয়, তাহলে আপনাকে নিচের কোডটি ডায়াল করতে হবে। আমরা এই ইন্টারনেট প্যাকেজ ক্রয় করার কোড নিচে দিয়ে দিয়েছি।

১০ এমবি ১ দিন ৩.৪৪ পয়সা একটিভেশন কোড *123*004#

কোন জরুরি মুহূর্তে যদি আপনার 10mb এর চেয়ে বেশি ইন্টারনেটের প্রয়োজন হয়, তাহলে আপনি রবির আরেকটি ইমারজেন্সি প্যাক ট্রাই করেতে পারেন। সেই ইমারজেন্সি প্যাকেজটি ১২.২০ পয়সায়, 45mb। 12.20 পয়সায় 45mb ইমারজেন্সি প্যাকটি আপনি এক্টিভেট করার জন্য নিচের কোডটি ডায়াল করতে পারেন।

45 এমবি 1 দিন 12.20 পয়সা একটিভেশন কোড *123*782#

৮ টাকায় 200 এমবি অফার আপনি আর কোথায় পাবেন? এই অফার গুলো উপভোগ করার জন্য আপনাকে চলে আসতে হবে, রবির অসাধারণ অভিজ্ঞতায়। এক্ষেত্রে আপনাকে রবি সিম ব্যবহার করতে হবে। যদি আপনি রবি সিম ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে ৮ টাকায় ২০০ এমবি ইন্টারনেট অফার উপভোগ করতে পারবেন।

এই অফারটি এক্টিভেট করার জন্য আপনাকে আপনার মোবাইলে একটি কোড ডায়াল করতে হবে। তবে আপনার মোবাইলে অবশ্যই ৮ টাকার উপরে ব্যালেন্স থাকতে হবে। যেন আপনার মোবাইল থেকে রবি টাকা ৮ কেটে নিতে পারে এবং আপনাকে 200mb অ্যাক্টিভেট করে দিতে পারে।

৮ টাকা দিয়ে 200mb ইন্টার্নেট প্যাক টি একদিনের জন্য ব্যবহার করা যাবে। ইন্টারনেট প্যাক ক্রয় করার জন্য নিচের কোডটি ডায়াল করুন।

২০০ এমবি ১ দিন ৮ টাকা একটিভেশন কোড *123*200#

আপনার যদি টাকা বেশি হয়ে থাকে। অর্থাৎ আপনি যদি বেশি টাকা খরচ করতে চান, তাহলে আপনি ৮ টাকায় ২০০ এমবি না নিয়ে ২০ টাকায় ২০০ এমবি এক দিনের ইন্টারনেট প্যাকেজটি ক্রয় করতে পারেন। যেখানে আপনি 200mb পাচ্ছে ৮ টাকায় একদিনের জন্য, সেখানে আপনি টাকা বেশি খরচ করার জন্য একদিনের 200mb 20 টাকায় ক্রয় করতে পারেন। এটা ক্রয় করার জন্য আপনাকে নিচের কোডটি ডায়াল করতে হবে। আমরা নিচে এক্টিভেশন করতে দিয়ে দিচ্ছি।

200 MB, 1 Day, 20 Taka একটিভেশন কোড *123*0020#

ডাটার পরিমাণসময়কাল বা মেয়াদটাকার এমাউন্টসক্রিয়করণ কোড
২০০ এমবি১ দিন৮ টাকা123200#
১০ mb1 day৩.৪৪ পয়সা123004#
৪৫ mb ১ দিন ১২.২০ পয়সা123782#
২০০ এমবি 1 day২০ টাকা1230020#

৩ দিনের সেরা রবি ইন্টারনেট অফার | Robi internet offers

সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত এখন কিছু রবি ইন্টার্নেট প্যাক নিয়ে আমরা কথা বলবো। এই ইন্টারনেট প্যাক গুলো রবি গ্রাকরা সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে। গ্রাহকরা এই ধরনের ইন্টারনেট প্যাক গুলো ব্যবহার করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে থাকেন। এখানে আমরা ধারাবাহিকভাবে ৩ দিনের ইন্টারনেট প্যাক ও ৪ দিনের ইন্টারনেট প্যাক, এভাবে করে আপনাদের বিষয়গুলো শেয়ার করব। এবং কিভাবে আপনার ইন্টারনেট প্যাক গুলো ক্রয় করবেন? সে বিষয়টি আপনাদের জানিয়ে দিব। এখন আমরা ৩ দিনের যে ইন্টারনেট প্যাক গুলো রয়েছে। সেগুলো আমরা আলোচনা করব। যেন আপনারা ইন্টারনেট প্যাক গুলো ব্যবহার করতে পারেন।

গ্রাহকদের সেরা ইন্টারনেট অফার রবি 1gb ইন্টার্নেট। এটি তিন দিন ব্যবহার করা যাবে। তিন দিন ব্যবহার করার জন্য আপনাকে এই প্যাকেজটি এক্টিভেট করতে 32 টাকা রিচার্জ করতে হবে। অর্থাৎ আপনি রবি থেকে পেয়ে যাচ্ছেন 32 টাকায় 1gb internet ৩ দিনের জন্য। এই অফারটি আপনি আনলিমিটেড ব্যবহার করতে পারবেন।

আপনার কি 1GB এর চেয়ে বেশি ইন্টারনেট প্রয়োজন? তাহলে আপনি রিসার্চ করতে পারেন ৪১ টাকা। ৪১ টাকা রিচার্জ করলেই আপনি পেয়ে যাবেন 1.5GB ইন্টারনেট। 1.5 জিবি ইন্টারনেট অফার উপভোগ করার জন্য আপনাকে যেকোন রিসার্চ পয়েন্ট থেকে ৪১ টাকা আপনাকে রিচার্জ করতে হবে। তাহলেই এই প্যাকটি আপনার সিমের মধ্যে অ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে এবং আপনি এই অফার গুলো উপভোগ করতে পারবেন।

54 টাকা রিচার্জ করলে 2 জিবি ইন্টারনেট

এই অফারটি আপনি উপভোগ করতে পারবেন শুধুমাত্র রবিতে। এমন সুযোগ আর কোথায় পাবেন? এমন আকর্ষনীয় অফার গুলো উপভোগ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই রবি সিম ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে এই প্যাকটি এক্টিভেট করার জন্য আপনাকে বিকাশ, নগদ, রকেট একাউন্ট থেকে অথবা যেকোনো রিসার্চ পয়েন্ট থেকেই আপনাকে 54 টাকা রিচার্জ করতে হবে। তাহলেই আপনার একাউন্টে এই অফারটি একটিভ হয়ে যাবে।

৪ দিনের Robi internet offers প্যাকেজ

শুধু মাত্র 47 টাকা রিচার্জ করলে রবিতে পেয়ে যাচ্ছে ৪ দিনের জন্য 2 জিবি ইন্টারনেট। আপনার মোবাইল ফোনে যদি ৪৭ টাকা রিচার্জ করেন, তাহলেই এই অফারটি একটিভ হয়ে যাবে। এই রকম অফার গুলো উপভোগ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই রবি সিম ক্রয় করতে হবে। আর যদি রবি অপারেটর না থাকে, তাহলে কিন্তু আপনি এই সুযোগগুলো ব্যবহার করতে পারবেন না। এই ইন্টারনেট অফার গুলো ব্যবহার করতে হলে আপনাকে অবশ্যই রবির ইন্টারনেট এর আওতাভুক্ত হতে হবে।

যদি আপনার প্রতিদিন 2 জিবি করে ইন্টারনেট ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়, তাহলে আপনি রবির ৪ দিনের একটি 4gb অফার ইন্টারনেট প্যাকেজ ক্রয় করতে পারেন। 4 জিবি ইন্টারনেট ক্রয় করার জন্য আপনাকে 77 টাকা রিচার্জ করতে হবে যেকোনো বিকাশ, নগদ, রকেট, অথবা রিসার্চ পয়েন্ট থেকে। আপনি আপনার রবি সিমের মধ্যে 77 টাকা রিচার্জ করলেই এই প্যাকেজটি এক্টিভেট হয়ে যাবে। সাথে আপনি ৪ দিনের জন্য ৪ জিবি ইন্টারনেট উপভোগ করতে পারবেন।

সপ্তাহিক রবি ইন্টারনেট অফার প্যাকেজ সমূহ

অভিজ্ঞ গ্রাহকদের জন্য নিয়ে এলো আরো বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সপ্তাহজুড়ে ইন্টারনেট প্যাক। রবি ইন্টার্নেট প্যাক গুলো পুরো সপ্তাহ ব্যবহার করতে পারবেন। আপনার চাহিদা অনুযায়ী ইন্টারনেট প্যাকেজ গুলো কে এমনভাবে সাজিয়েছে। যেন একজন ক্রেতা হিসেবে আপনি তাদের ইন্টারনেট প্যাক গুলো কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারেন এবং এখান থেকে আপনার ইন্টারনেট ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন।

যদি আপনি ৭ দিনের ইন্টারনেট প্যাকেজ গুলো কে পছন্দ করে থাকেন, তাহলে নিচের তথ্য থেকে আপনার পছন্দের প্যাকেজ নির্বাচন করুন। এবং আপনি আনলিমিটেড পছন্দের অফার উপভোগ করতে পারবেন যেটা আপনি পছন্দ করেন।

ডাটার পরিমাণসময়কাল বা মেয়াদটাকার এমাউন্টসক্রিয়করণ কোড
১ জিবি 7 দিন 89 টাকা রিচার্জ
৬ জিবি 7 দিন 101 টাকা রিচার্জ
1 জিবি+25 মিনিট+25 এসএমএস 7 দিন 58 টাকা রিচার্জ
1.5 জিবি বোনাস 500 এমবি 7 দিন 101 টাকা123 * 101 #
1GB (250 MB, 100 SMS, 50 মিনিট) 7 দিন 98 টাকা123 * 098 #
1 গিগাবাইট 7 দিন 47 টাকা123 * 1024 #
3GB (500 MB, 150 SMS, 130 মিনিট) 7 দিন 249 টাকা123 * 0249 #
10 জিবি (3 জিবি 4 জিবি প্যাক)7 দিন199 টাকা1230199#

রবির মাসিক ইন্টারনেট অফার প্যাকেজ সমূহ

সবচেয়ে বেশি লাভজনক ও সাশ্রয়ী প্যাকেজ দিচ্ছে রবি। রবির মাসিক প্যাকেজ গুলো যদি ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আপনার টাকার সবচেয়ে বেশি সাশ্রয়ী করা সম্ভব হবে। রবির একটি জনপ্রিয় ইন্টারনেট প্যাকেজ হচ্ছে ৩৪৯ টাকায় ৩০ জিবি ইন্টারনেট। ৩০ জিবি ইন্টারনেট অফার গুলো আপনি উপভোগ করার জন্য আপনার যে সকল বিষয় গুলো অনুসরণ করতে হবে।

সে বিষয়ে আমরা পরবর্তীতে আলোচনা করব। এখন আমরা এই পর্যায়ে যতগুলো ৩০ দিনের যে অফার রয়েছে। সেই ৩০ দিনের ইন্টারনেট অফার গুলো নিয়ে আলোচনা করব। যেন আপনারা যতগুলো আকর্ষণীয় ইন্টারনেট অফার রয়েছে, সেগুলো পুরো মাস জুড়ে ব্যবহার করতে পারেন।

349 টাকায় 30 জিবি ইন্টারনেট

সারা মাস জুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য রবি 30 জিবি ইন্টারনেট প্যাক ২৮ দিনের জন্য এক্টিভেট করতে পারেন। এই প্যাকটি এক্টিভেট করার জন্য আপনাকে 349 টাকা রিচার্জ করতে হবে। ৩৪৯ টাকা রিচার্জ করলেই এই প্যাকেজটি আপনার রবি সিমে অটোমেটিকেলি অ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে, তাহলে আপনি ২৮ দিন ধরেই মাসিক প্যাক টি ব্যবহার করতে পারবেন।

2GB, 15 minutes, 30 SMS, 149 Taka

শুধুমাত্র রবি তে পাবেন 149 টাকায় 28 দিন জুড়ে ৩০ এসএমএস, ৩০ মিনিট, এবং ২ জিবি ইন্টারনেট। অফার গুলো ব্যবহার করার জন্য আপনাকে রবিতে আপনার সিমটি নিবন্ধন করতে হবে এবং রবি নতুন সংযোগ নিলে আপনি হরেক রকমের অফারের ডিল পাবেন। এখানে আপনি অনেক ধরনের অফার পাবেন যেগুলো আপনাকে ব্যবহার করতে অনেক সুবিধা দেওয়া হবে।

যদি আপনি রবিতে চলে আসেন, তাহলে এই ধরনের অফার গুলো উপভোগ করতে পারবেন। সুতরাং আপনি যদি ১৪৯ টাকায় 2 জিবি 30 এসএমএস এবং 30 মিনিট ব্যবহার করতে চান, তাহলে আপনাকে 149 টাকা রিচার্জ করতে হবে। তাহলে এই প্যাকটি আপনার রবি সিমের মধ্যে অ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে।

৫ জিবি 500 মিনিট এবং 100 এসএমএস রবি বান্ডেল অফার মাসজুড়ে উপভোগ করুন

আপনি যদি রবি বান্ডেল অফার গুলো উপভোগ করতে চান, তাহলে আপনাকে 599 টাকা রিচার্জ করতে হবে। রবি বান্ডেল অফার টি আপনি এক্টিভেট করার জন্য 599 টাকা রিচার্জ করলেই অটোমেটিক্যালি এটি রবি সিমে অ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে।

এখানে পাবেন আপনি 28 দিনের জন্য পাঁচ জিবি ইন্টারনেট এবং মিনিট সাথে পাবেন ৫০০ মিনিট এবং ১০০ এসএমএস। অফার গুলো আপনি খুব দ্রুতই ব্যবহার করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই রবির অ্যাপসটি ব্যবহার করতে হবে, অথবা 599 টাকা রিচার্জ করতে হবে। তাহলে এই প্যাকটি উপভোগ করতে পারবেন।

রবির বান্ডিল অফার সহ মাসজুড়ে ইন্টারনেট অফার সমূহের লিস্ট

ডাটার পরিমাণসময়কাল বা মেয়াদটাকার এমাউন্টসক্রিয়করণ কোড
350 MB সামাজিক প্যাক২৮ দিন18.26 টাকা123 * 0250 #
8 জিবি ২৮ দিন 239 টাকারিচার্জ
30 গিগাবাইট ২৮ দিন ৩৪৯ টাকারিচার্জ
2 GB + 15 মিনিট + 30sms ২৮ দিন ১৪৯ টাকারিচার্জ
3 জিবি + 150 মিনিট + 150 এসএমএস ২৮ দিন 251 টাকারিচার্জ
1 GB + 475 মিনিট ৩০ দিন 278 টাকারিচার্জ
11 জিবি + 350 মিনিট + 100 এসএমএস ৩০ দিন ৪৯৯ টাকা রিচার্জ
1 জিবি + 1000 মিনিট ৩০ দিন ৫৭৪ রিচার্জ
5 GB + 500 মিনিট + 100 sms ৩০ দিন ৫৯৯ টাকা রিচার্জ
30 জিবি + 700 মিনিট + 200 এসএমএস ৩০ দিন ৯৯৯ টাকা রিচার্জ

রবি ইন্টারনেট অফার | Robi internet offer

সম্মানিত পাঠক, আমাদের এই লিখার মধ্যে আমরা রবির ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। এই পেজটি আমরা নিয়মিত আপডেট করতে থাকবো। যেন আপনারা রবির নিত্যনতুন সকল আকর্ষণীয় ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে জানতে পারেন। এই পেজটি যদি আপনারা ভিজিট করেন, তাহলে রবি ইন্টারনেট অফার আপডেট সহজেই জানতে পারবেন।

এবং Robi internet offers ব্যবহার করে টাকা সাশ্রয় করার সকল টিপস এবং ট্রিকস এখানে পেতে থাকবেন। যদি আপনারা রবি ইন্টারনেট এর পাশাপাশি জিপি ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে জানতে চান, এবং এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে আমাদের পূর্বে লিখিত আর্টিকেলগুলো পড়তে পারেন। আমরা ইতিমধ্যেই এসকল বিষয় আর্টিকেল প্রকাশ করেছি।

যেখানে এয়ারটেল এবং জিপি অফার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করছি এই অফার গুলো আপনারা খুব উপভোগ করতে পারবেন।

এবং এখান থেকে লাভবান হতে পারবেন। যদি আপনারা এরকম অফারের আপডেটগুলো নিয়মিত পেতে চান, তাহলে অবশ্যই ওয়েবসাইটের সাথে থাকুন। এবং নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার চেষ্টা করুন। সবাইকে ধন্যবাদ।

নোটিশ: Robi internet offer

সম্মানিত পাঠক, এখানে আমরা যে সকল তথ্য গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। এই তথ্যগুলো বিভিন্ন সময় পরিবর্তন হতে থাকে। যদি ইন্টারনেট প্যাকেজ এর কোড সঠিকভাবে কাজ না করে, তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাবেন। আমরা সেটি আমাদের লেখা থেকে সরিয়ে দেব। কারণ, যেহেতু আমরা এখানে একাধিক ইন্টারনেট প্যাক সম্পর্কে আলোচনা করেছি, সেহেতু সবগুলো কিন্তু আমরা নিজেরা ব্যবহার করি না।

যে কারণে কোন সময় এগুলোকে অফিশিয়াল ভাবে ডিলিট করে দেওয়া হয়েছে। সে বিষয়টি আমরা বুঝতে পারি না। যদি আপনারা সে বিষয়ে আমাদেরকে সতর্ক বার্তা দিয়ে কমেন্ট করে জানান, তাহলে আপনাদের মাধ্যমে আমাদের অন্যান্য পাঠকরা উপকৃত হতে পারবে। এবং আপনাদের জন্য আমরা নতুন নতুন অফার কোড গুলো এখানে যুক্ত করতে পারব। এবং সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে পারব।

গ্রামীণফোন ইন্টারনেট প্যাকেজ 2022 | GP internet offer | GP Internet Package

0
গ্রামীণফোন ইন্টারনেট প্যাকেজ
গ্রামীণফোন ইন্টারনেট প্যাকেজ

বর্তমানে জনপ্রিয় গ্রামীণফোন ইন্টারনেট প্যাকেজ (gp internet offer) গুলো জানার জন্য আমাদের এই লিখাটি আপনাকে সাহায্য করবে। যদি আপনি একজন জিপি সিম ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই আপনার লেখাটির মনযোগ দিয়ে পড়া উচিত। এই লেখার মধ্যে আমরা Grameenphone Internet Package গুলোর বিস্তারিত আলোচনা আপনাদের জন্য শেয়ার করব।

এখানে আপনি খুব সময় ব্যয় করে গ্রামীনফোনের ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে জানতে পারবেন। আমরা ইতিমধ্যেই জিপি ইন্টারনেট (gp internet offer) সম্পর্কিত একটি আর্টিকেল প্রকাশ করেছি। যদি আপনি জিপি ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে অবশ্যই আমাদের পূর্বের লিখাটি পড়ে ফেলতে পারেন।

যেন আপনি জিপি ইন্টারনেট সম্পর্কে ভালো একটি অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন। এবং কম টাকায় ১ জিবি গ্রামীণফোন ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন।

গ্রামীণফোন ইন্টারনেট প্যাকেজ সমূহ | gp internet offer

গ্রামীনফোনের বিভিন্ন রকমের প্যাকেজ রয়েছে। মাসিক প্যাকেজ, দৈনিক ও সাপ্তাহিক প্যাকেজ। এভাবে করে গ্রামীণফোন বিভিন্ন রকমের প্যাকেজ গ্রাহকদেরকে সরবরাহ করে থাকেন। এক্ষেত্রে আমরা আপনাদের সুবিধার জন্য গ্রামীনফোনের সকল প্যাকেজ (Grameenphone Internet Package) গুলোর তালিকা এখানে যুক্ত করে দিব।

গ্রামীণফোন ইন্টারনেট প্যাকেজ
গ্রামীণফোন ইন্টারনেট প্যাকেজ

যেন আপনারা গ্রামীণফোনের বর্তমান প্যাকেজ গুলো সম্পর্কে জানতে পারেন এবং সেগুলো ক্রয় করতে পারেন। গ্রামীণফোন ইন্টারনেট প্যাকেজ (Grameenphone Internet Package) সম্পর্কে আপনারা খুব সহজে এখান থেকে জানতে পারবেন। আপনারা যদি এই সম্পর্কিত আরো বিস্তারিত জানতে চান, তাহলে আপনারা আমাদেরকে প্রশ্ন করতে পারেন? ইতিমধ্যে আমরা এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার নিয়ে একটি আর্টিকেল প্রকাশ করেছি।

আপনি যদি এয়ারটেল ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে এয়ারটেল সিমের অফার গুলো কিভাবে যাচাই করবেন? সে বিষয়টি দেখার জন্য আপনারা আমাদের পূর্বের এয়ারটেল সম্পর্কিত লেখা টি পড়তে পারেন। পাশাপাশি আপনি যদি একজন ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, রবি সিমের ইন্টারনেট কিভাবে আপনি সম্পূর্ণ ফ্রিতে ব্যবহার করবেন? সে বিষয়টি আমরা দেখিয়েছি।

যদি আপনি সে বিষয়ে আগ্রহী হয়ে থাকেন, তাহলে এ সম্পর্কিত আমাদের পূর্বের আর্টিকেলটি পড়ে ফেলতে পারেন। যেন আপনি রবি ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে একটি ধারণা অর্জন করতে পারেন।

আনলিমিটেড রোমিং প্যাকেজ সমূহ | Grameenphone Unlimited Roaming Internet Package

এটি অসাধারণ লাগে আমার। যদি গ্রামীণফোন ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে আপনি গ্রামীণফোনের আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুবিধা পাবেন। এক্ষেত্রে আপনি যদি ওয়াইফাই এবং ব্রডব্যান্ড লাইন ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই আপনারা জানেন মাসজুড়ে আপনি আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুবিধা পেয়ে থাকেন।

ঠিক একই রকম গ্রামীণফোনের আনলিমিটেড প্যাকেজ গুলোতে এই সুবিধা পাবেন। Unlimited Grameenphone Internet ব্যবহার করতে দ্রুত চলে আসুন জিপি নেটওয়ার্কে। এক্ষেত্রে আপনি যদি মাসিক প্যাকেজ ক্রয় করে ১ জিবি ব্যবহার করেন, তাহলেও কোন সমস্যা নাই। অথবা আপনি যদি ১০০০ জিবি ব্যবহার করতে পারেন, তাহলেও সমস্যা নাই।

অর্থাৎ আপনি ইচ্ছামত পুরো মাস জুড়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। যদি আপনি গ্রামীণফোনের আনলিমিটেড প্যাকেজ গুলো ক্রয় করে থাকেন। আশা করছি, এই প্যাকেজ গুলো আপনাদের পছন্দ হবে। নিচে আমরা প্যাকেজগুলোর একটি তালিকা যুক্ত করে দিয়েছি। যেন আপনারা খুব সহজেই প্যাকেজগুলো সম্পর্কে জানতে পারেন। এবং আপনারা এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

Internet Packages NameInternet Offers InfoValidity or Duration TimeTotal Cost or Taka
একদিনের আনলিমিটেড ইন্টারনেটইচ্ছে মতো ডাটাএক দিন৯৯
৭ দিনের আনলিমিটেড ইন্টারনেট ইচ্ছে মতো নেট ৭ দিন মেয়াদ৫৯৯ মাত্র
১ মাসের জন্য আনলিমিটেড ইন্টারনেটUnlimited data ৩০ দিন মেয়াদ থাকবে২৫৯৯ টাকা
Grameenphone Unlimited Roaming Internet
Grameenphone Unlimited Roaming Internet

গ্রামীনফোন ইন্টারনেট ভলিউম প্যাক

এখন আমরা গ্রামীণফোন ভোলিয়াম ইন্টারনেট প্যাকেজ গুলোর তালিকা এখানে যুক্ত করে দিচ্ছি। আপনি যদি গ্রামীণফোন ভলিয়ম প্যাকেজসমূহ থেকে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ ক্রয় করেন, তাহলে হয়তো আপনাকে একটু বেশি টাকা পেমেন্ট করতে হবে। যদি আপনি কম টাকায় ইন্টারনেট প্যাকেজ ক্রয় করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে গ্রামীনফোনের অফার গুলো যাচাই করতে হবে।

আমরা নিচের গ্রামীনফোনের অফার সম্পর্কিত যে প্যাকেজ রয়েছে। সেই ইন্টারনেট প্যাকেজ গুলো কে যুক্ত করে দেবো। যেন আপনি সেই গ্রামীনফোনের অফার গুলো উপভোগ করতে পারেন। তবে অনেক ক্ষেত্রে গ্রামীণফোনের যদি অফার না থাকে, তাহলে এই ভলিউম প্যাকগুলো আপনি ব্যবহার করতে পারেন।

যেহেতু এগুলো গ্রামীণফোন থেকে সব সময় নির্দিষ্ট করা থাকে। এজন্য আপনি প্যাকেজগুলোর কোডগুলো যদি মনে রাখেন অথবা প্যাকেজগুলো যদি ক্রয় করতে চান, তাহলে খুব সহজেই ক্রয় করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে বেশি সমস্যা সম্মুখীন হতে হবে না।

সুতরাং আপনি যদি সহজে ক্রয় করতে চান, তাহলে আপনাকে গ্রামীনফোনের অফিসের ওয়েবসাইট অথবা আপনাকে সরাসরি গ্রামীণফোন অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। এখন আমরা নিচে দেখে নিব গ্রামীণফোনের প্যাকেজ গুলোর তালিকা।

গ্রামীনফোন ইন্টারনেট ভলিউম প্যাক
গ্রামীনফোন ইন্টারনেট ভলিউম প্যাক

ভলিউম প্যাক ক্রয় করতে ভিজিট করুন: ভলিউম প্যাক

গ্রামীণফোন ইন্টারনেট প্যাকেজ | অফার যুক্ত প্যাকেজ সমূহ | gp internet offer

গ্রামীণফোন বেশি বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে আগ্রহী করার জন্য এবং তাদের গ্রাহকদেরকে বিভিন্ন রকমের সুবিধা প্রদান করার জন্য। তারা কম দামে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুবিধা দিয়ে ইন্টারনেট বিক্রয় করার চেষ্টা করে থাকেন। আপনি যদি গ্রামীনফোনের ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই হাইস্পিড ইন্টারনেট সার্ভিস উপভোগ করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে গ্রামীণফোন যেন আপনি ব্যবহার করতে আগ্রহী হন এবং তাদের ইন্টারনেট সেবার জন্য আপনি মজা গুলো উপভোগ করতে পারেন। সেজন্য আপনাকে কম দামে বিভিন্ন অফার ইন্টারনেট প্যাকেজ সরবরাহ করে থাকেন।

Grameenphone Internet Package সম্পর্কে যদি আপনি আরো বিস্তারিত জানতে চান, তাহলে কমেন্ট করে আমাদেরকে জানাতে পারেন। যেখানে আমরা গ্রামীনফোনের অফার সম্পর্কিত যতগুলো ইন্টারনেট প্যাকেজ রয়েছে। সেগুলোর তালিকায় যুক্ত করে দিচ্ছি। এখানে গ্রামীণফোন অফার সম্পর্কিত ইন্টারনেট প্যাকেজ গুলোর তালিকা দেখতে পাচ্ছেন।

গ্রামীণফোন ইন্টারনেট প্যাকেজ gp internet offer
গ্রামীণফোন ইন্টারনেট প্যাকেজ gp internet offer

অফার যুক্ত প্যাকেজ সমূহ ক্রয় করুন: GP Internet

গ্রামীণফোন ইন্টারনেট প্যাকেজ | gp internet offer

আমাদের বিডি ব্লগের সম্মানিত পাঠক, আপনারা যদি আমাদের এই লেখাগুলো পছন্দ করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারেন। এবং গ্রামীণফোন ইন্টারনেট প্যাকেজ সম্পর্কে আপনার বন্ধুদেরকে জানিয়ে দিতে পারেন। আমরা পরবর্তীতে এই বিষয়গুলো নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা করব।

ইতিমধ্যে আমরা জিপি ইন্টারনেট অফার (gp internet offer) নিয়ে যেহেতু আলোচনা করেছি। তাই এই বিষয় সম্পর্কে জানতে আমাদের লেখাগুলো পড়তে পারেন। যারা অন্যান্য অপারেটরের ব্যবহারকারী রয়েছেন, যেমন রবি এবং এয়ারটেল ব্যবহারকারীরা। আপনারা চাইলে আপনারা আমাদের আগের আর্টিকেলগুলো পড়তে পারেন।

কারণ, এখানে আমরা রবি এবং এয়ারটেল সম্পর্কে অনেক কিছুই টিপস এবং ট্রিকস শেয়ার করেছি। তবে পরবর্তীতে আমরা যারা টেলিটক গ্রাহক রয়েছে, টেলিটক গ্রাহকদের জন্য কিছু আর্টিকেল লিখার চেষ্টা করবো।

যেহেতু টেলিটক এখনো বাংলাদেশের মধ্যে ভাল সার্ভিস দিতে সক্ষম হচ্ছে না। এজন্য আমরা টেলিটক সম্পর্কিত কোন কোন আর্টিকেল প্রকাশ করেনি। কারণ গ্রাম অঞ্চল গুলোতে টেলিটক সিম এখনো ব্যবহার করে কোন সুবিধা উপভোগ করা যায় না।

রবি ইন্টারনেট চেক করার নিয়ম (নতুন) | Robi Internet Check 2022

0
রবি ইন্টারনেট চেক করার নিয়ম
রবি ইন্টারনেট চেক

বিডি ব্লগ এর সম্মানিত পাঠক, আশা করছি আপনি অবশ্যই ভালো আছেন। আজকে লেখাতে আমরা রবি ইন্টারনেট চেক করার যে কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে। সে পদ্ধতি গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করব। এবং পাশাপাশি কোন ঝামেলা ছাড়া কোড ব্যবহার না করে কিভাবে আপনি Robi Internet Check করতে পারেন? সে বিষয়ে আমরা আপনাকে কিছু টিপস শেয়ার করব। যেগুলোর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই রবি ইন্টারনেট চেক করতে পারবেন।

বাংলাদেশের সেরা একটি ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোম্পানি হচ্ছে রবি। আপনি যদি রবির কাছ থেকে কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ ক্রয় করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে কিভাবে রবির ইন্টারনেট এর পরিমাণ যাচাই করবেন? ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করার জন্য আপনাকে অবশ্যই রবির ইন্টারনেট চেকিং কোড ব্যবহার করতে হবে।

অথবা আপনি সরাসরি অ্যাপস ব্যবহার করে কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই রবির ইন্টারনেট এবং অন্যান্য সকল ব্যালেন্স যাচাই করতে পারবেন। এই কৌশল গুলো যদি আপনি জানতে চান, তাহলে আজকের লেখাটা একটু পড়ে ফেলুন।

রবি ইন্টারনেট চেক করার সঠিক নিয়ম | Robi Internet Check Bangla Guides

আপনি যদি খুব সহজে ইন্টারনেট চেক করতে চান। এক্ষেত্রে আপনাকে দুটি পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। একটি পদ্ধতিতে আপনাকে একটি কোড ডায়াল করতে হবে। কোডটি ডায়াল করলে আপনি কিছু মেনু দেখতে পাবেন। সেই মেনু গুলোকে সঠিকভাবে অনুসরণ করে আপনি রবি ইন্টারনেট ব্যালেন্স যাচাই করতে পারবেন।

আর যদি আপনি চাচ্ছেন, এতো ঝামেলায় যাবেন না। সরাসরি একটি অ্যাপস এর মাধ্যমে সবকিছুই দেখবেন এবং সবকিছু সহজে পরিচালনা করবেন, তাহলে আপনাকে রবি অ্যাপ ইন্সটল করতে হবে। এক্ষেত্রে আমরা দুটি পদ্ধতি আপনাদের সাথে শেয়ার করব। যেন আপনারা এই বিষয়গুলো সঠিকভাবে জানতে পারেন।

কোড ডায়াল করে ইন্টারনেট যাচাই

রবি ইন্টারনেট চেক করার জন্য দুটি কোড ব্যবহার করা হয়ে থাকে। একটি হচ্ছে *121# আরেকটা হচ্ছে *8444#। আপনি যদি এই দুইটি কোড ডায়াল করে ইন্টারনেট চেক করতে চান, তাহলে আপনাকে কিছু মেনু দেখাবে। সেই মেনু গুলো অনুসরণ করতে হবে। আপনি যদি শুধুমাত্র ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে চান, এক্ষেত্রে আপনাকে *8444# ডায়াল করতে হবে।

আর যদি আপনি ইন্টারনেট ব্যালেন্স এর সাথে সাথে অন্যান্য সকল বিষয়গুলো দেখতে চান। এক্ষেত্রে আপনাকে সম্পূর্ণ বিষয় গুলো দেখার জন্য *121# ডায়াল করতে হবে। যদি আপনি কোড গুলো ডায়াল করেন, তাহলে খুব সহজেই আপনি রবির ইন্টারনেট ব্যালেন্স যাচাই করতে পারবেন। আমরা একটি উদাহরণ হিসেবে স্ক্রীনশর্ট দেখাচ্ছি। এই কোড ডায়াল করলে আপনি কি রকম ইন্টারফেসটি দেখতে পাবেন, সেই বিষয়টি আপনার অভিজ্ঞতা হওয়ার জন্য।

ইন্টারনেট যাচাই
ইন্টারনেট যাচাই

রবি অ্যাপস দিয়ে রবি ইন্টারনেট চেক করার নিয়ম | Robi Internet Check 2021

আপনি যদি রবি অ্যাপটি ব্যবহার করেন, রবি ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে চান। তাহলে এটি আপনার জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক বিষয় হবে। এক্ষেত্রে আপনাকে সরাসরি প্লে স্টোরে গিয়ে রবি অ্যাপস করতে হবে। রবি অ্যাপস ইনস্টল করলে মোবাইলে অ্যাপসটি ব্যবহার করা যাবে। মোবাইল ফোনে অ্যাপটি ইন্সটল করার পর আপনাকে একটি লগইন করতে হবে।

লগইন করলে আপনি প্রথমে ইন্টারফেসটি দেখতে পাবেন, সেখানে আপনি রবির ইন্টারনেট ব্যালেন্স এবং মোবাইলের ব্যালেন্স সবকিছুই আপনি যাচাই করতে পারবেন। এই জন্য আপনাকে কোন জটিল বিষয় সম্মুখীন হতে হবে না।

রবি অ্যাপস দিয়ে রবি ইন্টারনেট চেক
রবি অ্যাপস দিয়ে রবি ইন্টারনেট চেক

যদি আপনি সহজেই অ্যাপস টি ইনস্টল করতে চান, তাহলে নিচের “রবি অ্যাপস ইনস্টল” বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে আপনি সহজেই ইনস্টল করতে পারবেন।

রবি অ্যাপস ইনস্টল

যদি কিভাবে ব্যবহার করতে হয়? সে বিষয়ে জানতে চান, তাহলে আমাদের রবি সম্পর্কে আরো যে লেখা গুলো রয়েছে। সেগুলো পড়তে পারেন। ইতিমধ্যে আমরা এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে আলোচনা করেছি এবং জিপি ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে আলোচনা করেছি। আপনারা যদি সে আর্টিকেলগুলো পড়েন, তাহলে জিপি এবং এয়ারটেল ব্যবহারকারীদের জন্য ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

সহজে রবি ইন্টারনেট চেক করার ট্রিকস | Robi Internet Check in Bangla

সম্মানিত পাঠক, আশা করছি আপনারা কিভাবে রবি ইন্টারনেট চেক (Robi Internet Check) করতে হয়? সে বিষয়টি জানতে পেরেছেন। যদি বিষয়টিতে আপনাদের জানতে কোনো রকম ভুল হয়ে থাকে, তাহলে আমাদেরকে প্রশ্ন করবেন। যেন আমরা ভুলটা সংশোধন করতে পারি। এবং লেখাতে যদি আমাদের কোন ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে, সেটি অবশ্যই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

কারণ, বিডি ব্লগের আর্টিকেলগুলো আমরা লেখার সময় অনেক মনোযোগ দিয়ে লিখার চেষ্টা করি। তার পরেও বিভিন্ন রকম সমস্যার সম্মুখীন হয়ে ভুল হয়ে যেতে পারে। কারণ, মানুষ মাত্রই ভুল।

এজন্য যদি কোন রকমের ভুলত্রুটি পেয়ে থাকেন, সেটি সংশোধন করার জন্য আমাদেরকে কমেন্ট করে আপনার মতামত জানাবেন। যেন আমরা আপনাদের জন্য ভালো ভালো আর্টিকেলগুলো এই ওয়েবসাইটের মধ্যে প্রকাশ করতে পারি।

রবি ইন্টারনেট অফার ১ জিবি ২০২২ | 1 GB Robi internet offer

0
রবি ইন্টারনেট অফার ১ জিবি
রবি ইন্টারনেট অফার ১ জিবি

রবি ইন্টারনেট অফার ১ জিবি পেতে চাইলে আমাদের আজকের লিখাটি পরিপূর্ণ পড়ুন। এখানে আমরা রবির কাছ থেকে কিভাবে রবি ইন্টারনেট অফার ১ জিবি সম্পূর্ণ ফ্রিতে নিতে পারবেন, সে বিষয়টি সম্পূর্ণ শেয়ার করব। যদি আপনারা বিষয়টি জেনে যান, তাহলে এভাবে আপনারা চাইলে আনলিমিটেড ১ জিবি করে ফ্রি ইন্টারনেট নিতে পারবেন।

পাশাপাশি আপনাদের কে শেয়ার করব, কিভাবে আপনারা কম টাকার মধ্যে রবির কাছ থেকে ইন্টারনেট নিতে পারবেন? আপনারা দুইটি পদ্ধতির সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন, যদি এই লিখাটি পড়ে থাকেন।

আশা করছি, রবি থেকে ইন্টারনেট নিয়ে আপনারা খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন এবং সকল অফার গুলো আপনারা উপভোগ করতে পারবেন। এই সুবিধাগুলো আজকের লেখা থেকে আপনারা জানতে পারবেন।

রবি ইন্টারনেট অফার ১ জিবি

অনেকে রবি ইন্টারনেট সম্পূর্ণ ফ্রিতে ব্যবহার কৌশল গুলো জানতে চাই, তাদের জন্য আমাদের আজকের লিখাটি। আপনি যদি আজকের লেখাতে সম্পূর্ণ ট্রিকস শেয়ার করব। যদি আপনারা ট্রিকস গুলো জেনে যান, তাহলে সম্পূর্ণ ফ্রিতে রবির কাছ থেকে ১ জিবি করে ফ্রি-তে নিতে পারবেন।

আনলিমিটেড ১ জিবি করে ফ্রি ইন্টারনেট
আনলিমিটেড ১ জিবি করে ফ্রি ইন্টারনেট

তবে এটা আসলে অন্যায় ভাবে নয়। সম্পূর্ণ ন্যায় এবং সঠিক পদ্ধতিতে কিছু কৌশল অনুসরণ করে। আপনারা এই কৌশলটা কে অনুসরণ করতে পারেন, যদি রবি ইন্টারনেট অফার ১ জিবি ব্যবহার করতে চান। এই লেখাটা আপনি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়ুন, যেন আপনি বিষয়টা সম্পূর্ণ বুঝতে পারেন।

বাংলাদেশের মধ্যে সেরা ইন্টারনেট স্পিড সেবা প্রদানকারী কোম্পানির হচ্ছে রবি। আপনি যদি রবির ইন্টারনেট সেবা গুলো উপভোগ করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে বরি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে হবে। আপনি যেকোনো একটি রবি সেবা প্রদানকারী পয়েন্ট থেকে রবি সিম পেয়ে যাবেন।

সিমের প্যাকেজ অনুযায়ী প্রতিটি সিমের বিভিন্ন রকমের মূল্য থাকতে পারে। আপনি যে প্যাকেজ ক্রয় করতে চাচ্ছেন, সেটির জন্য আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিয়ে রবি সিম কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।

আজকে আমরা রবি ইন্টারনেট অফার ১ জিবি সম্পর্কে আলোচনা করবো। এখানে আমরা দুটি পদ্ধতি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। এক পদ্ধতিতে আপনারা সম্পূর্ণ ফ্রিতে ১ জিবি করে ইন্টারনেট নিতে পারবেন। অন্য একটা পদ্ধতিতে কম টাকায় ১ জিবি করে ইন্টারনেট ক্রয় করতে পারবেন।

কাদের জন্য Robi internet offer?

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না। মাসে কয়েক জিবি ইন্টারনেট হলেই তাদের পুরো আমার শেষ হয়ে যায়। কিন্তু যারা অনলাইনে প্রফেশনাল ভাবে কাজ করেন এবং অনলাইনে বেশি ভিডিও দেখেন। তাদের জন্য কিন্তু এই অফার গুলো তেমন কার্যকর হবে না। কারণ হচ্ছে, আপনারা এই অফার গুলো নিয়ে ইন্টারনেট এর চাহিদা মেটাতে পারবেন না।

যাদের মাসে ৩ থেকে ৫ জিবি ইন্টারনেট দিয়ে চাহিদা মিটে যায়, তাদের জন্য মূলত আমাদের আজকের লিখাটি। কারণ এখানে আপনি যে ১ জিবি বোনাস পাবেন। সেই ১ জিবি বোনাস গুলো আপনি ব্যবহার করতে গেলে, অল্প সময়ে ব্যবহার করে শেষ করে ফেলবেন। আপনি যদি বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে ১ জিবি ইন্টার্নেট আপনার চাহিদা পূরণ করতে পারবে না।

তবে যারা মাসে কয়েক জিবি ইন্টারনেট দিয়ে চাহিদা পূরণ করে ফেলেন, তাদের জন্য এই অফার গুলো যথেষ্ট ভূমিকা রাখবে। এক্ষেত্রে আপনি রবি অ্যাপস ব্যবহার করে যদি প্রতি মাসে ২ থেকে ৩ জিবি ইন্টারনেট অফার নিয়ে নেন, তাহলে আপনি সেগুলো দিয়ে পুরো মাস চালিয়ে যেতে পারবেন।

সুতরাং যারা কম ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন এবং অনলাইনে ভিডিও দেখতে পছন্দ করেন না। তাদের জন্য অল্প ইন্টারনেট অফার যথেষ্ট। ট্রিকস জেনে গেলে খুব কম টাকা বিনিয়োগ করে অথবা সম্পূর্ণ ফ্রিতে ইন্টারনেট নিয়ে, আপনার ইন্টারনেটের চাহিদা পূরণ করতে পারেন।

32 টাকা রিচার্জে ১ জিবি রবি ইন্টারনেট অফার | 1 GB Robi internet offer

সবচাইতে কম টাকায় সেরা অফার গুলো পাবেন আপনি রবিতে। তাই যদি আপনি রবি ব্যবহার করে না থাকেন, তাহলে আজই আপনার রবি সিমটি সংগ্রহ করুন। কারণ, রবি সিমের মধ্যে রয়েছে আপনার জন্য সেরা সকল (Robi internet offer) ইন্টারনেট অফার। আপনি যদি চান, রবি থেকে ১ জিবি ইন্টারনেট ক্রয় করতে, তাহলে ৩২ টাকায় ১ জিবি ইন্টারনেট (1 GB Robi internet offer) ক্রয় করতে পারেন। আপনার প্রিয় রবিতে ৩২ টাকায় ১ জিবি ইন্টারনেট রয়েছে। তাদের যতগুলো ইন্টারনেট প্যাকেজ রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি জনপ্রিয় প্যাকেজ “1 GB Robi internet offer”।

৩২ টাকা রিচার্জ করলেই প্যাকটি অ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে আপনি প্যাকটি যদি ক্রয় করতে চান, আপনাকে যেকোন রিসার্চ মাধ্যম দিয়ে আপনাকে 32 টাকা রিচার্জ করতে হবে। বিকাশ, রকেট, নগদ অথবা যে কোন রিচার্জ পয়েন্ট থেকে আপনি আপনার রবি সিমের মধ্যে ৩২ টাকা রিচার্জ করতে পারবেন। 32 টাকা রিচার্জ করলেই প্যাকটা এক্টিভেট হবে। এর মেয়াদ হচ্ছে তিন দিন। অর্থাৎ আপনি ১ জিবি ৩ দিন ব্যবহার করতে পারবেন। যদি আপনার তিন দিনের আগেই এক জিবি শেষ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে পুনরায় আপনাকে 32 টাকা রিচার্জ করে প্যাকটি একটিভেট করে নিতে হবে। তাহলে আপনি আনলিমিটেড ৩২ টাকা দিয়ে ১ জিবি করে ইন্টারনেট অফারটি (1 GB Robi internet offer) ব্যবহার করতে পারবেন।

রবি ইন্টারনেট অফার ১ জিবি সম্পূর্ণ ফ্রি-তে নিন

রবি ইন্টারনেট অফার ১ জিবি সম্পূর্ণ ফ্রিতে নেওয়ার জন্য আপনাকে রবির অফিশিয়াল যে অ্যাপসটি রয়েছে। সেই অ্যাপটি আপনার মোবাইল ফোনে ইন্সটল করতে হবে। আপনি যখন মোবাইল ফোনে অ্যাপসটি প্রথমবার ইন্সটল করবেন, তখন সাথে সাথে ১ জিবি বোনাস পেয়ে যাবেন। এই ১ জিবি বোনাসের গতি অনেক ভাল থাকবে।

কারন, রবির কাছ থেকে দেওয়া হয় সেই ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ অনেক ভালো থাকার কারণে অনেক হাইস্পিড ইন্টারনেট চালাতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনি যদি এই অফারটি উপভোগ করতে চান, তাহলে আপনি প্রথমে প্লে স্টোরে গিয়ে Robi App সার্চ করতে পারেন। এবং সেখান থেকে তাদের অ্যাপ্লিকেশনটি ইনস্টল করে আপনার স্মার্টফোনের এক্টিভেট করতে পারেন।

আপনি যদি সহজে এটি ইন্সটল করতে চান, তাহলে নিচের লিংক দিয়ে দিচ্ছি। আপনারা এই লিংকে ক্লিক করলে সরাসরি আপনাদেরকে প্লে স্টোরে নিয়ে যাবে। এবং সেখান থেকে আপনারা খুব সহজেই রবির অফিশিয়াল অ্যাপসটি ইনস্টল করতে পারবেন। অফিশিয়াল অ্যাপ ডাউনলোড আপনি যখন মোবাইল নাম্বার দিয়ে লগইন করবেন।

রবি অ্যাপস ডাউনলোড

লগইন করার সাথে সাথেই আপনি রবি ইন্টারনেট অফার ১ জিবি পেয়ে যাবেন। অফার আসার জন্য আপনাকে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করতে হতে পারে। অনেক সময় বিভিন্ন সমস্যার কারণে অথবা আপনার একাউন্টি ভেরিফাই করার সময় নিয়ে তারা ১ জিবি বোনাস প্রদান করতে কয়েক মিনিট সময় নিয়ে থাকে।

এক্ষেত্রে আপনি যদি কয়েক মিনিট অপেক্ষা করেন, তাহলে অ্যাপসটি ইন্সটল করার পর কয়েক মিনিটের মধ্যে আপনি রবি ১ জিবি বোনাস পেয়ে যাবেন। যেটা আপনি সম্পূর্ণ ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন। যার জন্য আপনাকে কোন পেমেন্ট করতে হবে না।

আনলিমিটেড ১ জিবি ইন্টারনেট অফার

আপনি যদি রবি অ্যাপ থেকে আনলিমিটেড ইন্টারনেট অফার পেতে চান। কোন রকম টাকা খরচ না করে যদি আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করতে চান, তাহলে আপনাকে রবি অ্যাপ রেফার করতে হবে। রবি অফের একটি রেফার প্রোগ্রাম রয়েছে। যেখানে আপনি যখন একজনকে রেফার করবেন, তখন সাথে সাথে আপনি ১ জিবি বোনাস পেয়ে যাবেন এবং যাকে আপনি অ্যাপসটি ইনস্টল করে দিবেন সেও ১ জিবি পেয়ে যাবে।

এক্ষেত্রে যখন আপনি কাউকে রবি অ্যাপ ইন্সটল করে দিবেন, তখন আপনার লিংকটি ব্যবহার করে অ্যাপটি ইনস্টল করে দিতে হবে। তাহলে আপনি ১ জিবি বোনাস পাবেন। এক্ষেত্রে আপনি যদি অ্যাপস ইনস্টল করে থাকেন, তখন রবি অ্যাপস এর মধ্যে একটি রেফার করার অপশন রয়েছে। সেখান থেকে আপনার রেফারেল লিংক কপি করে নিন। আমরা এখানে নিচে একটি স্ক্রিনশট যুক্ত করেছি।

robi reffer offers
robi reffer offers

কিভাবে রেফার লিংক টি সংগ্রহ করবেন? সে বিষয়টি এখানে দেখানো হয়েছে। এখান থেকে ছবিটি দেখে রেফার লিংক কোন জায়গায় পাবেন? সেটি আশা করি বুঝতে পারছেন। আপনার রেফার লিংক কপি করে নিন, অথবা আপনি সরাসরি এখান থেকে আপনার বন্ধু-বান্ধবদেরকে শেয়ার করেন।

আনলিমিটেড ১ জিবি ইন্টারনেট অফার
আনলিমিটেড ১ জিবি ইন্টারনেট অফার

যখন আপনার লিংক ব্যবহার করে এই অ্যাপটি ইনস্টল করবেন, তখন আপনি সাথে সাথে ১ জিবি বোনাস পেয়ে যাবেন। এটি করলে আপনি আনলিমিটেড ইন্টারনেট পেতে থাকবেন। যার জন্য আপনাকে কোন টাকা পেমেন্ট করতে হবে না। এবং টাকা খরচ না করে আপনি আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে রেফার করতে হবে।

যদি আপনি রেফার প্রোগ্রামে ভালোভাবে কাজ করতে পারেন, তাহলে আপনি আনলিমিটেড অফারটি ব্যবহার করতে পারবেন। বর্তমান সময়ে আপনার আশেপাশে অনেকেই রয়েছে, যারা এখনো রবি অ্যাপ ইন্সটল করে নাই। তাদেরকে আপনি আপনার রেফার লিংকটি দিয়ে অ্যাপটি ইন্সটল করিয়ে দেন। এবং এখান থেকে আপনি ফ্রি আনলিমিটেড ইন্টারনেট উপভোগ করেন।

রবি ইন্টারনেট অফার ১ জিবি কোড

আপনি যদি রবি অ্যাপস এর মধ্যে রেফার করাতে না পারেন, তাহলে আপনি রবি থেকে ১ জিবি করে ইন্টারনেট কম টাকায় ক্রয় করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি যদি রবি অ্যাপস ব্যবহার করে ইন্টারনেট ক্রয় করেন, তাহলে অনেকগুলো বোনাস পয়েন্ট পাবেন। এই কয়েন গুলো ব্যবহার করে পরবর্তীতে আপনি আরো ফ্রিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।

রবিতে ১ জিবি করে ইন্টারনেট ক্রয় করে আপনি খুব কম থাকায় ব্যবহার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে কম টাকায় ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য আপনাকে অবশ্যই রবি অ্যাপস ব্যবহার করতে হবে।

কারণ, অ্যাপের মধ্যে সকল কম টাকার অফার রয়েছে। যেগুলো আপনাকে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে সাহায্য করবে। তবে আপনি যদি অ্যাপে রেফার করাতে না চান, সরাসরি এক জিবি করে ইন্টারনেট ক্রয় করতে চান, তাহলে আপনাকে একটি কোড ডায়াল করতে হবে।

১ জিবির ইন্টারনেট কোড হলো: * 123 * 230# । কোডটি আপনার মোবাইল ফোনে ডায়াল করলেই এই অফারটি ক্রয় করতে পারবেন, তবে ক্রয় করার জন্য আপনার মোবাইলে পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যালেন্স থাকতে হবে। আপনার মোবাইলের মধ্যে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যালেন্স থাকে, তাহলে আপনি এই অফারটি ব্যবহার করতে পারবেন।

৪৮ টাকায় রবি ১ জিবি ইন্টারনেট অফার | Robi 1 gb 48 taka offer

গ্রাহকদের পছন্দের আরও একটি জনপ্রিয় robi 1 gb internet offer হচ্ছে ৪৮ টাকায় ১ জিবি। এই অফারটা ব্যবহার করতে চাইলে আপনাকে বিকাশ, রকেট বা রবি রিচার্জ পয়েন্ট থেকে ৪৮ টাকা রিচার্জ করতে হবে।

৪৮ টাকায় ১ জিবি ইন্টারনেট অফারটির মেয়াদ ৪ দিন। যারা কম টাকায় এই ইন্টারনেট প্যাকটি ব্যবহার করতে চান, তাদের জন্য এটি অনেক পছন্দের একটা অফার।

রবি ইন্টারনেট অফার ১ জিবি

সম্মানিত পাঠক, আমরা ইতিমধ্যে জিপি ইন্টারনেট অফার নিয়ে আলোচনা করেছি। যেখান থেকে আপনারা যদি জিপি ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, অনেক ভালো অফার গুলো ব্যবহার করতে পারবেন এবং ইন্টারনেটের সকল সুবিধা গুলো নিয়ে জানতে পারবেন। পাশাপাশি আপনি যদি একজন এয়ারটেল অ্যাপ ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন এবং এয়ারটেল সংযোগ ব্যবহার করেন, তাহলে এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে আমাদের আরেকটি লেখা রয়েছে।

সেখান থেকে আপনারা এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে জানতে পারবেন। এখানে আমরা জিপি ইন্টারনেটের সুবিধা এবং অফার সম্পর্কে যে আর্টিকেলটি লিখেছি সেটা যুক্ত করে দিচ্ছি। পাশাপাশি যদি আপনি একজন এয়ারটেল ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে যে সকল এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার রয়েছে, সেই অফার গুলো সম্পর্কে যেন আপনি জানতে পারেন। সেই লিংকটি আমরা এখানে যুক্ত করে দিচ্ছি।

আপনারা এখানে সহজেই আমাদের ওয়েবসাইটে যদি এগুলো খুঁজেন, তাহলে পেয়ে যাবেন। আমরা এগুলো নিয়ে প্রতিনিয়ত আলোচনা করি যেন আমাদের পাঠকরা ভালো ইন্টারনেট সুবিধা উপভোগ করতে পারেন।

আশা করছি, আমাদের এই লিখাটি আপনি শেয়ার করবেন এবং এরকম যদি আপনি আরও অফার সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে জানতে চান, অথবা আপনি যদি ফ্রি ইন্টারনেট কিভাবে ব্যবহার করতে হয়? সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান, তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করতে পারেন। আমরা পরবর্তীতে এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা আপনাদের সাথে শেয়ার করব।

ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট করার নিয়ম ও কিছু Internet Speed Test টুলস

0
ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট
ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট

আমরা অনেকেই জানি না ইন্টারনেটের স্পিড টেস্ট করা যায়। যারা ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট করতে জানিনা, তাদেরকে অনেক ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী অপারেটর ঠকিয়ে ফেলে। যেমন আপনি যদি কারো কাছ থেকে ওয়াইফাই এর কানেকশন গ্রহণ করে থাকেন, অথবা ব্রডব্যান্ড কানেকশন গ্রহণ করে থাকেন। এক্ষেত্রে তারা আপনাকে একেক ধরনের আকর্ষণীয় ও লোভনীয় অফার সেন্ড করে।

যেমন: অনেকেই ২০ এমবিপিএস ইন্টারনেট ২ হাজার টাকা বা ১ হাজার টাকা দিয়ে আপনাকে দিয়ে থাকে। কিন্তু আসলে কি তারা ২০ এমবিপিএস ইন্টারনেট আপনাকে সরবরাহ করছে কিনা। সেটি পরীক্ষা করার জন্য আপনি ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট টুল ব্যবহার করতে পারেন। যারা এগুলো ব্যবহার করতে জানেন না, তাদের জন্য আমাদের আজকের এই লিখাটি।

এটি আপনারা যদি সময় নিয়ে পড়েন এবং এখানে আমাদের যে টুলগুলো দেওয়া আছে সেগুলো নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার করেন। তাহলে আপনারা ইন্টারনেটের স্পিড গুলো পরীক্ষা করতে পারবেন। যার মাধ্যমে ইন্টারনেট ক্রয় করে ঠকে যাবেন না।

ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট কেন করা প্রয়োজন?

সাধারণত যাদের কাছ থেকে আমরা ইন্টারনেট ক্রয় করে নিয়েছি, তারা আমাদেরকে ঠকাচ্ছে কিনা। সে বিষয়টি যাচাই করার জন্য আমরা ইন্টারনেট টেস্ট ব্যবহার করতে পারি। ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট গুরুত্বপূর্ণ কারণ অনেকেই আমাদেরকে বেশি টাকা নিয়ে ইন্টারনেট সরবরাহ করে আমাদেরকে ঠকিয়ে দেয়।

ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট কেন করা প্রয়োজন
ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট কেন করা প্রয়োজন

এজন্য আমরা এই বিষয়গুলো জেনে যেন সচেতন থাকতে পারি এবং সঠিক সেবা গ্রহণ করতে পারি। সেজন্য আমাদের ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখন আমরা এই আর্টিকেলের মধ্যে ইন্টারনেট টেস্ট করা নিয়ে অনেক কিছুই জানবো এবং ইন্টারনেট টেস্ট করার অনেকগুলো কার্যকর টুলস সম্পর্কে আলোচনা করবো।

যেগুলো আপনাদেরকে সাহায্য করবে এবং আপনি ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট কিভাবে করে তা জানতে পারবেন। শুধুমাত্র ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, বা ইউটিউব চালানোর জন্য নয়। ইন্টারনেট স্পিড এর মধ্যে অনেক রকমের পার্থক্য রয়েছে। আপনি যদি একজন ভিডিও ক্রিয়েটর হয়ে থাকেন এবং ইউটিউব ফেসবুকের জন্য ভিডিও তৈরি করে থাকেন।

ইউটিউব ইন্টারনেট এর স্পিড চেক:

এক্ষেত্রে ইউটিউব ইন্টারনেট এর স্পিড চেক করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করতে চান, সে ভিডিওটি আপলোড হতে কত সময় ব্যয় হচ্ছে তা জেনে নিবেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, আপনি যদি একজন ইউটিউবার হয়ে থাকেন, তাহলে আপনি নিজেই প্রমাণ পেয়েছেন।

একটা ভিডিও আপলোড হতে অনেক সময় দেখা যায় চার-পাঁচ ঘণ্টা সময় প্রয়োজন হয়। অথচ আপনার যে ভিডিওটি আপলোড হতে ৫ থেকে ৬ মিনিট সময়ের প্রয়োজন হওয়া উচিত। সে ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে ৫ ঘন্টা সময় নিচ্ছে। তাহলে বুঝবেন আপনাকে আপনার ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী অপারেটর ঠকাচ্ছে।

আপনাকে বিষয়টি যদি সঠিকভাবে প্রমাণ দিতে হয় দ, তাহলে আপনার ইন্টারনেট স্পিড পরীক্ষা করা উচিত। তাহলে আপনি তাদের সাথে তর্ক করতে পারবেন এবং সঠিক প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারবেন।

মোবাইল অ্যাপস দিয়ে ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট করার নিয়ম

ডেভলপাররা প্রতিনিয়ত ভালো ভালো সফটওয়্যার গুলোর ডিজাইন করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এই ক্ষেত্রে আপনি আপনার স্মার্টফোনের মধ্যে এমন কিছু সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন, যেগুলোর মাধ্যমে আপনি ইন্টারনেট স্পিড যাচাই করতে পারবেন। আপনি যদি স্মার্টফোন ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার স্মার্টফোনে প্লে স্টোর থেকে এ ধরনের সফটওয়্যার ইন্সটল করে নিতে পারেন।

আপনি যদি প্লে স্টোরে গিয়ে সার্চ করেন ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট বা ইন্টারনেট স্পিড টুলস, তাহলে অনেকগুলো অ্যাপস এর তালিকা পেয়ে যাবেন। যেখান থেকে আপনি যে কোন একটা পছন্দের অ্যাপ ইন্সটল করে নিতে পারেন, তবে এক্ষেত্রে অনেক ডেভলপ শুধুমাত্র ইনকামের উপরেই লক্ষ রেখে সফটওয়্যার ডিজাইন করে থাকেন।

যে সকল ডিজাইনার শুধুমাত্র তাদের নিজস্ব স্বার্থ আদায়ের জন্য সফটওয়্যার তৈরি করে থাকেন। সেই সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করে কিন্তু আপনি ভাল ফলাফল পাবেন না। অর্থাৎ এই ধরনের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে আপনি ইন্টারনেট যাচাই করতে পারবেন না।

ইন্টারনেট টেস্ট করার জন্য আপনাকে অবশ্যই ভালো মানের একটি মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে। তাহলে আপনি আপনার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে খুব সহজেই ইন্টারনেট এর গতি নিয়ন্ত্রণ এবং আপনি গতি পাচ্ছেন কি-না সে বিষয়ে যাচাই করতে পারবেন।

সুতরাং আপনি যদি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আপনার ইন্টারনেটের গতি যাচাই করতে চান, তাহলে ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট এর যেকোনো ধরনের একটি অ্যাপস স্মার্ট ফোনে ইন্সটল করে ফেলুন।

এখানে এমন কিছু মোবাইল অ্যাপসের তালিকা দিয়ে দিব।

যেগুলো আপনি খুব সহজেই ইন্সটল করে ইন্টারনেটের স্পিড যাচাই করতে পারবেন।

অ্যাপস দিয়ে ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট
অ্যাপস দিয়ে ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট

ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট করার জন্য আপনি মোবাইল ফোনে অনেকগুলো অনলাইন টুল ব্যবহার করতে পারেন। পরবর্তীতে আমরা অনলাইন টুল বিষয়ে আলোচনা করব। এমনকি আপনি এই অনলাইন টুল গুলো ব্যবহার করে ল্যাপটপ এবং কম্পিউটারের মধ্যে এই সুযোগ সুবিধা গুলো উপভোগ করতে পারবেন। অর্থাৎ গুলো ব্যবহার করতে পারবেন।

সুতরাং আপনি যদি একজন ক্রিয়েটিভ হয়ে থাকেন এবং অনলাইনে কাজ করে থাকেন। এক্ষেত্রে আপনার অনলাইনে ভালো কাজের জন্য অবশ্যই ইন্টারনেট স্পিড ভালো থাকা উচিত। এক্ষেত্রে যেন আপনার কাজের ব্যঘাত না হয়, সেজন্য আপনাকে অবশ্যই হাই কোয়ালিটির ভালো ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে হবে। যেন আপনি টাকা দিয়ে সঠিক মানের ইন্টারনেট ক্রয় করতে পারেন।

জনপ্রিয় কিছু ইন্টারনেট স্পীড টেস্ট মোবাইল অ্যাপস

  • Internet speed test Meter- SpeedTest Master
  • Speedtest by Ookla
  • Internet Speed Test – Wifi SpeedTest
  • Speedcheck
  • Internet Speed Test SPEEDCHECK
  • Wi-Fi Speed Test by SpeedChecker

ইন্টারনেট গতি পরিমাণ অনলাইন টুলস

মোবাইল দিয়ে অনলাইনে ইন্টারনেট স্পিড যাচাই করার বিষয়টা তো আমরা এতক্ষণ জেনে নিলাম। এখন আমাদেরকে জানতে হবে, কিভাবে অনলাইন টুল ব্যবহার করে ইন্টারনেট স্পিড যাচাই করা যায়? এক্ষেত্রে আপনারা যদি রিকোয়েস্ট করেন, তাহলে প্রাক্টিক্যালি পরবর্তীতে একটা এখানে ভিডিও যুক্ত করে দিব অথবা স্টেপ বাই স্টেপ টিউটোরিয়াল হিসেবে স্ক্রীনশর্ট যুক্ত করে আপনাদেরকে গাইড করব।

তবে আপাতত আমরা শুধুমাত্র আপনাদের টুলস গুলো শেয়ার করতে চাই। যেন আপনারা টুলগুলো ব্যবহার করে ইন্টারনেট স্পিড যাচাই করতে পারেন। আপনারা যারা অ্যাডভান্স লেভেলের আছেন বা টেকনোলজি ভালোবাসেন। আপনারা কিন্তু টিউটোরিয়াল না দেখেও টুলস ব্যবহার করতে পারবেন।

এরপরও আপনাদের যদি মনে হয়, আপনারা অনলাইন টুল গুলো কিভাবে ব্যবহার করতে হয়? সে বিষয়ে জানেন না, অথবা অনলাইন টুল ব্যবহার করে কিভাবে ইন্টারনেট স্পিড যাচাই করতে হয়? সে বিষয়ে যদি আপনাদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। যেন আমরা এই লেখাটিকে আপডেট করে আপনাদের জন্য আরো তথ্য বহুল আলোচনা এখানে যুক্ত করে দিতে পারি। এবং প্রাক্টিক্যালি বিষয় গুলো দেখাতে পারি।

অনলাইন টুলস বলতে কি বুঝানো হয়?

সফটওয়্যার বা অ্যাপস বললে আমরা সবাই কিন্তু এগুলো চিনি। কারণ আমরা সব সময় এগুলো নিয়ে আলোচনায় থাকি। যার কারণে আমরা যারা অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করে থাকি, তারা খুব সহজেই মোবাইল অ্যাপস বললেই প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ গুলো খুব সহজেই ইন্সটল করে ফেলতে পারি। কিন্তু যারা অনলাইনে টুল নিয়ে কাজ করে না, বা সাধারণ ব্যবহারকারী রয়েছে।

তারা কিন্তু টুলস সম্পর্কে জানে না। এক্ষেত্রে আমরা অনলাইন টুলস কি? সে বিষয়ে আপনাদের একটু ধারণা দিতে চাই। যেন যারা টেকনোলজি সম্পর্কে ভালো জ্ঞান রাখেন না, তারাও বিডি ব্লগের মাধ্যমে এই বিষয়গুলো খুব সহজে শিখতে পারেন। আমাদের ওয়েবসাইটটি আপনাদেরকে টেকনোলজি বিষয়ে অনেক ভালো কিছু শিক্ষা দিতে সহায়তা করবে। আপনারা আমাদের সাপোর্ট করবেন আমরা আপনাদের জন্য ভাল ভাল কনটেন্ট নিয়ে আসবো।

অনলাইন টুলস
অনলাইন টুলস

যে গুলো আপনাদেরকে ভাল কিছু শিখতে অনেক উপকারে আসবে। আপনারা আমাদের সাথে থাকবেন। যেটা বলছিলাম আমরা অনলাইন টুল বলতে সাধারণত মনে করি, একটা ওয়েবসাইট বা অ্যপস। যে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি কোন একটা বিষয় যাচাই করতে পারেন, সেটা হচ্ছে একটা অনলাইন টুল। আপনি যদি অনলাইনে জাতীয় পরিচয় পত্র এর জন্য আবেদন করে থাকেন।

এক্ষেত্রে যে ওয়েবসাইটে গিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য আবেদন করেছেন, অথবা এনআইডির জন্য আবেদন করেছেন। সেটি হচ্ছে একটা অনলাইন টুল। এই অনলাইনের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই কিন্তু জাতীয় পরিচয় পত্রের জন্য আবেদন করতে সক্ষম হয়েছেন। অনলাইনে আরো বিভিন্ন কাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের টুল রয়েছে।

সেগুলো আমরা ব্যবহার করে আমরা বিভিন্ন রকমের সুবিধা উপভোগ করতে পারি। একই রকম আমরা যদি ইন্টারনেট স্পিড টেস্ট করতে চাই, তাহলে অনলাইনে এমন কিছু টুল রয়েছে। যেগুলোর মাধ্যমে আমরা ইন্টারনেটের গতি যাচাই করতে পারবো। আশা করছি, আপনারা অনলাইন টুল বলতে কি সেটি সহজে বুঝতে পেরেছেন।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ অনলাইন টুলস

আপনারা যেন অনলাইনের মাধ্যমে যেকোন ইন্টারনেটের স্পিড যাচাই করতে পারেন। সেজন্য আমরা এখানে কিছু অনলাইন টুল যুক্ত করে দিচ্ছি। মনে রাখবেন, সবগুলো অনলাইন টুল কিন্তু সঠিক ভাবে আপনাকে রেজাল্ট প্রদান করবে না। এক্ষেত্রে আপনি ইন্টারনেটের গতি যাচাই করার জন্য কয়েকটি টুল ব্যবহার করবেন।

যদি কয়েকটি টুলে আপনার একই রকম রেজাল্ট আসে অথবা কিছু কম আর বেশি আসে, তাহলে এখান থেকে আপনি যে রেজাল্টটা কে বিশ্বাস করতে পারবেন। সে রেজাল্ট টা কে নির্বাচন করবেন। কারণ অনলাইন টুলস কাজের সক্ষমতা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের রেজাল্ট দিয়ে থাকে। মূলত এমন না যে, এগুলো আপনাকে ভুল তথ্য দিচ্ছে।

ইন্টারনেট এর গতি একেক সময় একেক রকম থাকতে পারে। যার কারণে গতি যখন ভালো থাকবে, তখন আপনার ইন্টারনেটের স্পিড টেস্ট রেজাল্ট ভালো আসবে। যদি আপনার মোবাইলের ইন্টারনেট এর গতি কম হয় তাহলে আপনার ইন্টারনেটের গতি কম থাকবে, তখন সেটার রেজাল্ট কিন্তু অনেকটা খারাপ আসবে। এই জন্য আপনাকে অবশ্যই কয়েকটা টুলের মাধ্যমে যাচাই করতে হবে। যেন ফলাফল কেমন আসছে সেটা কে সঠিকভাবে বুঝতে পারেন।

টুলস লিস্ট —

  • speedtest.net
  • fast.com
  • highspeedinternet.com/tools/speed-test
  • bandwidthplace.com
  • projectstream.google.com/speedtest

ইন্টারনেট স্পীড টেস্ট

সম্মানিত পাঠক, আমরা চেষ্টা করেছি আপনাদেরকে অনলাইন স্পিড টেস্ট করার কিছু সঠিক গাইড শেয়ার করে, এবং কিছু টুল এবং মোবাইল অ্যাপস শেয়ার করে, আপনাদের সহায়তা করার জন্য। আমরা এখানে যে সকল মোবাইল অ্যাপস গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। সেগুলোর মাধ্যমে আপনারা খুব সহজেই স্মার্টফোন দিয়ে ইন্টারনেটের গতি যাচাই করতে পারবেন।

পাশাপাশি আপনারা যদি অ্যাপ ইন্সটল করতে আগ্রহী না হয়ে থাকেন, তাহলে আমরা যে সকল অনলাইন টুলগুলো আপনাদেরকে দিয়েছি। সেখান থেকে বিভিন্ন টুলগুলো ব্যবহার করে আপনারা অনলাইনের ইন্টারনেটের গতি যাচাই করতে পারবেন। ইন্টারনেটের স্পিড যাচাই করার জন্য আসলে আমি টুলগুলো সব সময় ব্যবহার করি।

আপনারাও এই টুলস এগুলো ব্যবহার করে অনলাইনে ইন্টারনেটের স্পিড যাচাই করতে পারেন। এটি যাচাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেন আপনি কারো কাছে ঠকে না যান। কারণ বর্তমান সময়ে অনেক অপারেটরের ইন্টারনেট এর গতি বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে আপনার কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়।

কিন্তু ভালো ইন্টারনেট সেবা তারা প্রদান করে না। এ ক্ষেত্রে এগুলো ব্যবহার করে আপনি প্রমাণ পেয়ে যাবেন তারা সত্যি সত্যি আপনাকে সঠিক সার্ভিস দিচ্ছে কিনা। নাকি আপনাকে ঢুকিয়ে আপনার টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

সম্মানিত পাঠক, আপনারা যদি টেকনোলজি বিষয়ে আরো বিভিন্ন বিষয়ে জানতে চান, তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করতে পারেন। পরবর্তীতে আমরা আপনাদের কমেন্ট গুলো কে রিপ্লাই করার মাধ্যমে আরও বিস্তারিত টিউটোরিয়াল আমাদের ওয়েবসাইটের মধ্যে প্রকাশ করার চেষ্টা করব।

আমরা চাই আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় বিভিন্ন টেকনোলজি, বিজনেস আইডিয়া, এবং অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জনের বিষয়গুলো শেয়ার করতে। যদি আপনারা এগুলোতে আগ্রহী হয়ে থাকেন, তাহলে আপনাদের আগ্রহটা আমাদের সাথে শেয়ার করেন। যেন আমরা আপনাদেরকে সঠিক কনটেন্টগুলো সরবরাহ করে সাহায্য করতে পারি। আজকে এই পর্যন্তই। সবাই ভাল থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।

জিপি ইন্টারনেট অফার সকল আপডেট ও GP Offer Check

0
জিপি ইন্টারনেট অফার
জিপি ইন্টারনেট অফার

জিপি ইন্টারনেট অফার চেক করার সকল পদ্ধতি এবং কিভাবে আপনি জিপি ইন্টারনেট অফার গুলো যাচাই করবেন? এবং আপনি জিপি মোবাইল অ্যাপসটি কিভাবে ব্যবহার করবেন? কিভাবে ইন্টারনেটের অফার গুলো কে লুকিয়ে নিবেন? সে বিষয় গুলো আজকের লেখা থেকে আপনি সহজেই জানতে পারবেন। যদি আপনি একজন গ্রামীণফোন সিম ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন।

অর্থাৎ জিপি ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য এই পোস্টের টিপস গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আমরা আপনার জন্য খুবই আকর্ষণীয় কিছু অফার সম্পর্কে আলোচনা করব। এবং প্রয়োজনীয় যে সকল জিপি আপডেট রয়েছে, সেগুলো নিয়ে আমরা এখানে আলোচনা করব। যেন আপনারা একজন গ্রামীণফোন ব্যবহারকারী হিসেবে এখান থেকে লাভবান হতে পারেন।

সম্মানিত পাঠক, আমরা এই পেজটি নিয়মিত আপডেট করতে থাকব। আপনারা এই পেজ এর মাধ্যমে গ্রামীনফোনের সকল অফারগুলো জানতে পারেন। জিপি ইন্টারনেট অফার নিয়ে অনেকেই বিশেষ করে গুগল এর মধ্যে সার্চ করে থাকেন।

জিপি ইন্টারনেট অফার | GP Offer Check
জিপি ইন্টারনেট অফার | GP Offer Check

আপনারা যদি গ্রামীণফোন অফার সম্পর্কে সহজে বুঝতে চান, তাহলে এই পেজটি আপনার সেভ করে রাখতে পারেন। অথবা আপনার ফেসবুকে শেয়ার করে রাখতে পারেন। যেন আপনি সব সময় এই পেজটি ভিজিট করে জিপির সকল অফার সম্পর্কে জানতে পারেন।

জিপি ইন্টারনেট অফার এর জনপ্রিয়তা

গ্রামীণফোন হচ্ছে বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ইন্টারনেট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। আপনি যদি গ্রামীনফোনের ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে সবসময় হাইস্পিড ইন্টারনেট উপভোগ করতে পারবেন। এজন্য জিপি ইন্টারনেট অফার নিয়ে অনলাইনের মধ্যে অনেক বেশি আলোচনা হয়ে থাকে।

এক্ষেত্রে আপনিও যদি জিপি ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে আমাদের এই পেজটি আপনারা সবসময় ভিজিট করতে পারেন। এখানে আমরা আপনাদের জন্য আপডেট সকল অফার নিয়ে আলোচনা করব এবং পেজটির নিয়মিত আপডেট করতে থাকব। আপনারা এখান থেকে সকল আপডেট গুলো পেতে থাকবেন।

যেহেতু জিপি বাংলাদেশের মধ্যে শক্তিশালী ইন্টারনেট সরবরাহ করতে সক্ষম এবং তারা তাদের গ্রাহকদের কে সবসময় ভাল ভাল অফার দিয়ে আনন্দিত করতে থাকে। এজন্য আপনারা চাইলে জিপির সংযোগগুলো সবসময় একটিভ রাখতে পারেন।

গ্রামীণফোনের মোবাইল অ্যাপস ব্যবহার করে,

কিভাবে এখান থেকে লাভবান হতে পারবেন? এবং কম দামে বেশি ইন্টারনেট কিভাবে ব্যবহার করতে পারবেন? সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন আমাদের এই লেখার মাধ্যমে।

জিপি বিভিন্ন দিবস কে টার্গেট করেই গ্রাহকদেরকে বেশি ইন্টারনেট অফার প্রদান করে থাকেন। পাশাপাশি তারা সারা বছরের মধ্যে বিভিন্ন রকম অফার প্রদান করেন। যে অফারগুলোর আপডেট তাদের গ্রাহকরা সব সময় পাইনা। কিন্তু গ্রাহকরা যদি এই আপডেট গুলো সব সময় পেয়ে থাকে, তাহলে তারা এই অফার গুলো সঠিক সময়ে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারবে।

এজন্য আমরা এখানে এই উদ্যোগটি গ্রহণ করেছি। যেন আপনার জিপি ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে জানতে পারেন। মূল কারণ হচ্ছে, যেহেতু এরা এই ধরনের অনেকগুলো লোভনীয় অফার দিয়ে থাকেন এবং শক্তিশালী ইন্টারনেট সরবরাহ করে থাকে। এজন্য জিপি গ্রাহকদের কাছে অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

আপনি যদি একজন জিপি গ্রাহক হয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই জিপি ইন্টারনেটের স্পিড আপনি উপভোগ করতে সক্ষম হচ্ছেন। যদি আপনি এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে চান, তাহলে জিপির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন। তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে জিপি ইন্টারনেট সম্পর্কে আরও বিস্তারিত দেওয়া আছে। যেগুলো আপনাকে জিপি ইন্টারনেট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে সহায়তা করবে।

জিপি ইন্টারনেট অফার দেখার নিয়ম

আমরা যদি ইন্টারনেট অফার গুলো ব্যবহার করতে চাই, তাহলে আমাদেরকে প্রথমেই ইন্টারনেট অফার গুলো কিভাবে যাচাই করতে হয়? সে বিষয়ে জানতে হবে। যদি আমরা জিপি ইন্টারনেট অফার কিভাবে যাচাই করতে হয়? সে বিষয়ে না জানি। তাহলে কিন্তু অফার গুলো ব্যবহার করার জন্য আমরা সুবিধাগুলো পাবো না।

এজন্য আমরা প্রথমেই জেনে নিব, কিভাবে প্রথমে আমরা জিপির অফার গুলো যাচাই করতে পারব? এবং সেরা অফারগুলো কিভাবে নির্বাচন করতে পারব? সে বিষয়ে। যদি আপনারা একটু ধৈর্য্য নিয়ে লেখাটা একটু পড়েন, তাহলে বুঝতে পারবেন এই লিখাটি পড়ার জন্য গুরুত্ব সম্পর্কে। যারা জিপি নেটওয়ার্ক ইউজ করে থাকেন, তাদের জন্য আসলে লেখাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে জিপি ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

পাশাপাশি অনেকগুলো টিপস ট্রিক্স জেনে যেতে পারবেন। আপনি জিপি থেকে ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন। কোনো টাকা ইনভেস্ট না করে, কিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন? এবং কম টাকার মধ্যে কিভাবে ভাল ইন্টারনেট প্যাকেজ গুলো ক্রয় করতে পারেন? এবং

আনলিমিটেড ইন্টারনেট প্যাকেজ গুলো আপনি কিভাবে ব্যবহার করবেন? সে বিষয়ে পুরোপুরি একটা ধারণা এই লেখার মধ্যে শেয়ার করব। যেন আপনারা জিপি ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে জানার পরে। এগুলোকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে এনজয় করতে পারেন।

*121# ডায়াল করে গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট অফার চেক

যাদের স্মার্টফোন থাকেনা তাদেরকে মেনুয়ালি জিপি অফার গুলো চেক করতে হয়। এক্ষেত্রে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে অফার গুলো চেক করার জন্য আপনাকে একটি কোড ডায়াল করতে হবে। কোডটি হচ্ছে *121#।

এটি ডায়াল করার পর আপনাকে অনেকগুলো মেনু দেখাবে। এখান থেকে আপনার ইন্টারনেট অফার এর মেনুটি নির্বাচন করতে হবে। এই কোডটি ডায়াল করে চাইলে আপনি আপনার জিপি ইন্টারনেট ব্যালেন্স যাচাই করতে পারবেন। এবং আপনার মেইন ব্যালেন্স কত রয়েছে? সেটাও আপনি যাচাই করতে পারবেন। যদি আপনার বাটন মোবাইল থাকে।

অর্থাৎ আপনার কাছে যদি স্মার্টফোন না থাকে,

যে কোনো ফোনের মধ্যে কোড ডায়াল করে অফার যাচাই করতে পারেন। গ্রামীণফোনের একটা অ্যাপস রয়েছে। আপনি যদি অ্যাপ ব্যবহার করতে না পারেন, তাহলে আপনি ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে এভাবেই জিপির সকল অফার এবং ব্যালেন্স যাচাই করতে পারেন। এক্ষেত্রে যারা ম্যানুয়ালি অফারগুলো যাচাই করবেন, তারা কিন্তু সবগুলো জিপির অফার সম্পর্কে জানতে পারবেন না।

যদি অসাধারণ সব অফার সম্পর্কে সবসময় আপডেট থাকতে হয় এবং এগুলো সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই জিপির অফিসিয়াল যো অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস টি রয়েছে। সেই অ্যাপটি আপনাকে ব্যবহার করতে হবে। এতে সব সময় বিভিন্ন অফারের আপডেট দেওয়া হয়। গ্রাহকরা এখান থেকে খুব সহজেই অফার গুলো ব্যবহার করতে পারেন।

পরবর্তীতে আমরা মোবাইল অ্যাপস এর সুবিধা নিয়ে আলোচনা করব। এবং এর মধ্যে কিভাবে জিপি ইন্টারনেট অফার যাচাই করবেন? সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করবো। যদি জিপি কোড ডায়াল করে ডাটা প্যাক ক্রয় করেন, তাহলেও অনেকগুলো অফার পাবেন। তবে অনেক বেশি আকর্ষণীয় অফার গুলোর সন্ধান পাওয়ার জন্য আপনাকে অ্যাপস ব্যবহার করতে হবে।

যদি আপনি বাটন মোবাইল ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আরো বিভিন্ন অফার সম্পর্কে জানতে আমাদের এই পেজটি আপনি আপনার ফেসবুকে অথবা আপনি ব্রাউজারে সেভ করে রাখতে পারেন। কারণ, এই পেজের মধ্যে আমরা জিপির বিভিন্ন অফার কোড শেয়ার করতে থাকবো। যেন আপনারা জিপি ইন্টারনেট অফার গুলো খুব সহজেই উপভোগ করতে পারেন।

অ্যাপসের মাধ্যমে জিপি ইন্টারনেট অফার চেক

গ্রামীণফোনের আকর্ষণীয় সব অফার গুলো সন্ধান জানার জন্য। আপনি জিপি মোবাইল অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন। এই মোবাইল অ্যাপটি প্রথমে ব্যবহার করার জন্য আপনাকে আপনার স্মার্ট ফোনে ইন্সটল করে নিতে হবে। এই অ্যাপটি ইনস্টল করার জন্য আপনি সরাসরি প্লে স্টোরে গিয়ে জিপি অ্যাপ লিখে সার্চ করতে পারেন অথবা গ্রামীণফোন অ্যাপ্লিকেশনস করতে পারেন। তাহলে আপনি এই এপটি পেয়ে যাবেন।

অ্যাপটি পাওয়ার পর আপনাকে ইনস্টল করে নিতে হবে। সহজে জিপি ইনস্টল করার জন্য আমি একটি লিংক দিয়ে দিচ্ছি। আপনারা “জিপি অ্যাপস ইনস্টল” বাটনে ক্লিক করলেই সরাসরি প্লে স্টোরে চলে যাবেন। এবং সেখান থেকে আপনারা জিপি এই অ্যাপসটি ইন্সটল করে নিতে পারবেন আপনার মোবাইল ফোনে।

জিপি অ্যাপস ইনস্টল

আপনার মোবাইল ফোনে গ্রামীণফোনের অ্যাপসটি যদি প্রথম বার অ্যাপ ইন্সটল করে থাকেন, তাহলে আপনি প্রায় ১ জিবির মত ইন্টারনেট সম্পূর্ণ ফ্রীতে পাবেন। এই ইন্টারনেট গুলো আপনি মজা নিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন ইচ্ছামত। অর্থাৎ প্রথমবার ইনস্টলার এক্ষেত্রে আপনি যে ১ জিবি ইন্টারনেট বা গিফট কয়েন পাবেন। সেটার জন্য আপনাকে কোন টাকা পেমেন্ট করতে হবে না।

এখন আপনি যদি আগে এই এপ্লিকেশনটি ইন্সটল করে থাকেন,

তাহলে কিন্তু আপনি আর সেই বোনাস পাবেন না। অর্থাৎ প্রথমবার ইন্সটল করলে আপনি ইন্টারনেট বা গিফট কয়েন অফার গ্রহণ করতে পারবেন।

আপনি যদি জিপির মোবাইল অ্যাপস আপনার মোবাইলে ইন্সটল করে থাকেন। এখন আপনি আপনার সেই জিপি অ্যাপটাতে আপনার মোবাইল নাম্বার দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন। রেজিস্ট্রেশন করার জন্য অ্যাপটি ওপেন করে আপনার মোবাইল নাম্বার দিয়ে অথবা জিপি আইডি দিয়ে লগইন করতে পারেন।

জিপি আইডি দিয়ে লগইন
জিপি আইডি দিয়ে লগইন

এক্ষেত্রে জিপি আইডি দিয়ে লগইন করা হচ্ছে সবচেয়ে সহজ একটি পদ্ধতি। জিপি আইডি বলতে আপনার মোবাইল নাম্বারটি কে বুঝানো হয়। অর্থাৎ আপনার মোবাইল নাম্বারটি দিয়ে যদি আপনি লগইন করেন, তাহলে খুব সহজে লগইন করতে পারবেন। এপটি লগইন করার পর আপনি জিপির সকল অফার সম্পর্কে জানতে পারবেন।

নিচের স্ক্রিনশটটি একটু ভালো করে লক্ষ্য করুন। এখানে স্ক্রিনশট যদি দেখেন, তাহলে আপনি অনেকগুলো মেনু দেখতে পাচ্ছেন। ঠিক একইভাবে আপনি যদি জিপি অ্যাপস টি ইন্সটল করে থাকেন, এক্ষেত্রে আপনি এই মেনুগুলো দেখতে পাবেন আপনার স্মার্টফোনে ইন্সটল করা অ্যাপ এর মধ্যে। এখন আপনাকে এখান থেকে আপনার My Offers এইখানে ক্লিক করতে হবে।

GP My Offers | জিপি ইন্টারনেট অফার
GP My Offers

My Offers অপশনে ক্লিক করলেই আপনি অনেকগুলো অফার সম্পর্কে দেখতে পারবেন। যেগুলো আপনার সিমের জন্য উপযুক্ত অফার। আর যদি আপনি এখান থেকে নিজের পছন্দের অফার গুলো ক্রয় করতে চান, তাহলে খুব সহজেই আপনি এখানে একটি ক্লিক করার মাধ্যমে অফার গুলো উপভোগ করতে পারবেন।

কেন জিপি অ্যাপটি ব্যবহার করবেন?

আপনার স্মার্টফোনে জিপি অ্যাপ টি ব্যবহার করার অনেক ধরনের সুবিধা রয়েছে। প্রথমত আপনি যদি জিপি অ্যাপ টি ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আপনি ডেইলি কিছু বনাস কয়েন পাবেন। এগুলো আপনি পরবর্তিতে ব্যবহার করে ইন্টারনেট, মিনিট, এবং এসএমএস করতে পারবেন। যার জন্য আপনাকে কোন টাকা পেমেন্ট করতে হবে না।

দ্বিতীয়ত আপনি যদি অ্যাপটি ব্যবহার করে কম টাকায় ইন্টারনেট ক্রয় করে থাকেন। এক্ষেত্রে আপনি ৫০% পর্যন্ত ডিসকাউন্ট পাবেন। অর্থাৎ ইন্টারনেট প্যাক যদি আপনি ২০ টাকা দিয়ে ক্রয় করেন। এক্ষেত্রে আপনি আরো ১০ টাকা বোনাস হিসেবে পেতে পারেন অথবা আপনি ইন্টারনেট বোনাস হিসেবে পেতে পারেন। যেমন ধরুন, আপনি ৫ জিবি ইন্টারনেট ক্রয় করলেন। এক্ষেত্রে ৫০% ডিসকাউন্ট হিসেবে আরও ২.৫ জিবি আপনার একাউন্টে যুক্ত হয়ে যাবে।

জিপি অ্যাপ ব্যবহার
জিপি অ্যাপ ব্যবহার

অর্থাৎ আপনি ৫ জিবি ইন্টারনেট কিনে পাবেন ৭.২৫ জিবি ইন্টারনেট। সুতরাং আপনি বুঝতে পেরেছেন কেন আপনি অ্যাপটি ব্যবহার করবেন? জিপি ব্যবহারের আরো অনেক ধরনের সুবিধা রয়েছে। যেটি অ্যাপস ব্যবহার না করা পর্যন্ত বুঝতে পারবেন না।

কারণ, জিপি অ্যাপ এর মধ্যে আপনি আপনার পছন্দের যে কোন প্ল্যান নির্বাচন করতে পারবেন। এবং আপনার ইচ্ছামত প্লেন সেট করতে পারবেন। যেকোন মুহূর্তে যে কোন সময় আপনি আপনার ইন্টারনেট এবং অন্যান্য বিষয়গুলো কে ম্যানেজ করতে পারবেন।

গ্রামীণফোন আনলিমিটেড ইন্টারনেট প্যাকেজ

গ্রামীনফোনে আপনি আনলিমিটেড ইন্টারনেট অফার পেতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি যদি গ্রামীনফোন ইউসার হয়ে থাকেন, তাহলে এই সুবিধাগুলো উপভোগ করতে পারবেন। মনে করুন, আপনি যদি ওয়াইফাই ব্যবহার করে থাকেন অথবা ব্রডব্যান্ড লাইন ব্যবহার করে থাকেন।

এক্ষেত্রে আপনি কিন্তু সারা মাস আনলিমিটেড ইন্টারনেট সুবিধা পেয়ে থাকেন। ঠিক একই রকম আপনি যদি জিপি ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে আপনিও সারাদিন, অথবা পুরো সপ্তাহ, অথবা সারা মাসজুড়ে আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি যদি একটা ইন্টারনেট প্যাকেজ ক্রয় করেন, তাহলে আপনি আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। এবং আপনার লাইভ স্ট্রিমিং করতে পারবেন আনলিমিটেড।

মনে করুন, আপনি ইউটিউবে কোন লাইভ স্ট্রিমিং করতেছেন।

এক্ষেত্রে আপনি যদি কোনো আনলিমিটেড ইন্টারনেট প্যাকেজ ক্রয় করে থাকেন, তাহলে আপনি আনলিমিটেড ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করতে পারবেন অথবা লাইভ স্ট্রিমিং করতে পারবেন। এতে ইন্টারনেটের পরিমাণ নিয়ে কোন সমস্যা হবে না। অর্থাৎ আপনার নেট আনলিমিটেড পেতে থাকবেন।

এক্ষেত্রে আমরা যদি লিমিট করা কোন ইন্টারনেট প্যাকেজ ক্রয় করে থাকি। মনে করো আমরা ৩০ জিবি ইন্টারনেট করে করলাম সেটা ৩০ দিনের জন্য। এক্ষেত্রে আমরা যদি ইন্টারনেট প্যাকেজ টা ১৫ দিনের ভিতরেই ব্যবহার করে ফেলি, তাহলে আরও ১৫ দিনের জন্য আবার ইন্টারনেট ক্রয় করতে হবে।

না হয় আরও ১৫ দিন আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার করার কোনো সুবিধা পাবো না। এক্ষেত্রে যদি আপনি আনলিমিটেড প্যাকেজ ক্রয় করে থাকেন, তাহলে ৩০ দিন শেষ না হওয়া পর্যন্ত আপনার ইচ্ছামত ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুবিধা পাবেন।

গ্রামীণফোনের যে প্যাকেজগুলোতে আপনি আনলিমিটেড ইন্টারনেট সুবিধা পাবেন। সে প্যাকেজ গুলোর তালিকা নিচে দেয়া হয়েছে।

গ্রামীণফোন আনলিমিটেড ইন্টারনেট প্যাকেজ
গ্রামীণফোন আনলিমিটেড ইন্টারনেট প্যাকেজ

এখান থেকে আপনি আপনার পছন্দের যে কোন প্যাকেজ রিচার্জ করতে পারেন। যার মাধ্যমে আপনি সারাদিন, সারা মাস জুড়ে ইন্টারনেটের সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

জিপি ইন্টারনেট অফার ক্রয় করার কোড সমূহ

যারা স্মার্ট ফোন ইউজ করেন না, বাটন ফোন ব্যবহার করেন, তারা যেন কোড ডায়াল করে ইন্টারনেট প্যাকেজ গুলো ক্রয় করতে পারেন। এবং অফার গুলো উপভোগ করতে পারেন। সেজন্য আমরা জিপির এক্টিভেশন কোড সমূহ নিচে দিয়ে দিয়েছি।

জিপি ইন্টারনেট অফার ক্রয় করার কোড সমূহ
জিপি ইন্টারনেট অফার ক্রয় করার কোড সমূহ

আপনি যদি এই কোডগুলো ডায়াল করেন, তাহলে আপনার জিপি সিমের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যালেন্স থাকতে হবে। অর্থাৎ আপনি যদি ২০ টাকার কোন প্যাকেজ ক্রয় করেন। এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই ২০ টাকা অথবা তার বেশি পরিমাণ ব্যালেন্স আপনার সিমে রিচার্জ করতে হবে।

তাহলে আপনি এই সুবিধা গুলো উপভোগ করতে পারবেন। নিচের টেবিল থেকে আপনি ইচ্ছামত পছন্দের অফারটি নির্বাচন করতে পারেন। যেন আপনি ইচ্ছামত ইন্টারনেট ব্রাউজিং চালিয়ে যেতে পারেন।

জিপি ইন্টারনেট অফার

প্রিয় পাঠকরা, আপনারা যদি জিপি ইন্টারনেট অফার গুলো সঠিক ভাবে উপভোগ করতে চান এবং সহজভাবে সবগুলো ম্যানেজ করতে চান। তাহলে অবশ্যই জিপির মোবাইল অ্যাপস আপনারা আপনার স্মার্টফোনে ইন্সটল করে নিবেন। স্মার্টফোনে অ্যাপ ইন্সটল করার জন্য উপরে আমরা ইনস্টল লিঙ্ক দিয়ে দিয়েছি।

আপনারা ইনস্টল বাটনে ক্লিক করলেই সরাসরি প্লে স্টোরে চলে যাবেন এবং সেখান থেকে অ্যাপটি ইনস্টল করে নিতে পারবেন। আশা করি, আজকের জিপি ইন্টারনেট অফার লেখাটি আপনাদেরও ভালো লাগেছে। এবং আমরা প্রতিনিয়ত এটি আপডেট করতে থাকবো, যেন জিপি ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে আপনাদেরকে সবসময়ই জানাতে পারি। আপনারা ভালো ভালো লেখা ও টিপস ট্রিকস প্রকাশ করার জন্য আরও উৎসাহিত করবেন।

এবং যদি এগুলো ভালো লাগে এবং পরবর্তীতে আপনার যেন ভিজিট করে জিপির অফার গুলো দেখতে পারেন, তাহলে এটি আপনারা আপনাদের সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক টুইটার এবং অন্যান্য মিডিয়াগুলোতে শেয়ার করে রাখতে পারেন। অথবা লিংকটি আপনার ব্রাউজারে সেভ করে রাখতে পারেন। যেন পরবর্তীতে লিংকটি ভিজিট করে জিপি ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারেন।

যে কোন সময় আপনার কিন্তু এ ধরনের অফার গুলো প্রয়োজন হতে পারে কম টাকায় বেশি সুবিধা উপভোগ করার জন্য। সুতরাং আপনি যদি কম টাকায় বেশি সুবিধা উপভোগ করতে চান, তাহলে জিপি ইন্টারনেট অফার মিস না করার জন্য এই আর্টিকেলটি আপনারা সব সময় পড়তে পারেন। এবং ভিজিট করে দেখতে পারেন।

শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস ও স্টাটাস ছবি ডিজাইন অ্যাপস

0
শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস
শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস

ফেসবুক যেহেতু জনপ্রিয় একটি সামাজিক মিডিয়া। এজন্য এখানে সমাজকে উন্নত করার জন্য বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খবরা-খবর প্রচার এবং যোগাযোগ পরিচালনা করা হয়। এক্ষেত্রে আপনাকে শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে ফেসবুকে কাজ করতে হবে। যদি আপনি ফেসবুকে খারাপ কিছু নিয়ে কাজ করে থাকেন, তাহলে আপনাকে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে আপনি সমাজের ক্ষতি হতে পারে এরকম কিছু ফেসবুকের মধ্যে শেয়ার করতে পারবেন না। শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস আপনি শেয়ার করতে পারবেন। যদি আপনি শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস কিভাবে শেয়ার করতে হয়? এবং এগুলো কিভাবে তৈরি করবেন? সেগুলো সম্পর্কে পরিচিতি লাভ করতে চান, তাহলে আমাদের এই লেখাটি পড়তে পারেন।

এই লিখাটি পড়লে আপনি ফেসবুকের বিভিন্ন রকমের শিক্ষা মূলক স্ট্যাটাস ডিজাইন করে পোস্ট করতে পারবেন। যার মাধ্যমে আপনি আপনার ফেসবুক আইডিতে অনেক বেশি ভালো বন্ধুদের কে যুক্ত করতে পারবেন। এবং ভালো ভালো বন্ধুদের সাথে পরিচিতি লাভ করতে পারবেন। মনে রাখবেন, ভালো বন্ধুরা আপনাকে ভালো কিছুতে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু খারাপ বন্ধুরা আপনাকে সবসময় খারাপের দিকে নিয়ে যাবে।

শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস ডিজাইন
শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস ডিজাইন

যেটা আপনার জন্য খুবই জঘন্য হতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি যদি একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিতি পেতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে ভালো বন্ধু তৈরি করতে হবে। ভালো বন্ধু তৈরি করার জন্য আপনাকে ভালো ভালো কাজকর্মগুলো করতে হবে।

এক্ষেত্রে শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস পোস্ট করাটা হচ্ছে একটা ভালো কাজের অংশ। যেখান থেকে আপনার বন্ধুরা শিখতে পারবে। এবং তারা আপনার সাথে ভালো একটি সম্পর্ক তৈরি করতে সুবিধা পাবে।

শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস কি?

সোশ্যাল মিডিয়াতে যখন কোন কিছু পোস্ট করা হয়, তখন এখান থেকে যখন আমরা কোনো বিষয় শিখতে পারি। অথবা ভালো কোনো তথ্য যদি শেয়ার করা হয়, সেখান থেকে যদি আমরা ভালো কিছু সংগ্রহ করতে পারি। এটাকে মূলত শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস বলা হয়।

যদি আপনি ফেসবুকের মধ্যে এই ধরনের শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস গুলো শেয়ার করে থাকেন, তাহলে আপনার স্ট্যাটাস গুলো ভালো একটি পর্যায়ে সবার সামনে প্রদর্শিত হবে। এক্ষেত্রে আপনি আপনার ফেসবুক প্রোফাইলটা কে ভালো মানুষ হিসেবে পরিচয় করাতে পারবেন।

কিভাবে আপনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস গুলো ডিজাইন করবেন?

ফেসবুকে স্ট্যাটাস গুলো কিভাবে ডিজাইন করবেন? সে বিষয়ে যদি বিস্তারিত জানতে চান, তাহলে আমাদের পূর্বের আরেকটি আর্টিকেল রয়েছে। সে আর্টিকেলটি পড়তে পারেন। আমাদের সেই আর্টিকেলটি লিংক নিচে দেওয়া হবে। এখানে ভিজিট করে আপনারা পূর্বের আর্টিকেল পড়তে পারেন।

ফেসবুক স্ট্যাটাস ছবি ডিজাইন করার অ্যাপ ও কৌশল

যেখানে আপনারা আরও তথ্য বহুল ফেসবুকে স্ট্যাটাস ছবি ডিজাইন সম্পর্কে আলোচনা পাবেন। এক্ষেত্রে আপনি একজন সেলিব্রিটি হিসেবে অথবা আপনি আপনার ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য অনেক কিছু সুবিধা এখান থেকে উপভোগ করতে পারবেন। মোবাইল এর মাধ্যমে মূলত শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস ডিজাইন করে কিভাবে আপনাকে কাজ করতে হবে? সে বিষয়ে আপনি ভাল আইডিয়া পাবেন।

শিক্ষামূলক ফেসবুকে স্ট্যাটাস কি?

এই বিষয়ে জানতে চান। সহজ কথায় হচ্ছে, আপনার লেখা থেকে যদি আপনার বন্ধুরা কোন কিছু শিখতে পারে অথবা আপনার ফেসবুকে যারা ফলোয়ার রয়েছে। তারা যদি আপনার কাছ থেকে পোষ্টের মাধ্যমে কিছু শিখতে পারে, তাহলে সেটাকে আপনি বলতে পারেন শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস।

অর্থাৎ আপনার স্ট্যাটাস এর মধ্যে এমন কিছু বৈশিষ্ট্য থাকতে হবে। যেখান থেকে আপনার ফলোয়াররা বা ফেসবুক বন্ধুরা কোন না কোন কিছু শিখতে পারবে। তাহলে আপনি ফেসবুকে যে পোস্টগুলো শেয়ার করবেন। সেগুলো কে শিক্ষামূলক স্ট্যাটাস হিসেবে নির্বাচিত করা হবে। সুতরাং আপনি যদি এই বিষয়টাকে আরো সহজে জানতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে আরও তথ্য সহ বিষয়টাকে বুঝতে হবে।

শিক্ষামূলক ফেসবুকে স্ট্যাটাস কি?
শিক্ষামূলক ফেসবুকে স্ট্যাটাস কি?

এবং এই বিষয়টা যদি আপনি আরও তথ্য সহ বুঝতে চান, তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করতে পারেন। যেন আমরা এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় একটি ভিডিও শেয়ার করতে পারি। যেন আপনার ভিডিওর মাধ্যমে বিষয়গুলো প্রাক্টিক্যালি বুঝতে পারেন।

আশা করছি, আপনারা ফেসবুক স্ট্যাটাস কি? সে বিষয়ে বুঝতে পেরেছেন। শিক্ষামূলক ফেসবুকে স্ট্যাটাস তৈরি করে আপরা সমাজের মানুষকে সচেতন করতে কাজ করতে পারেন। এবং মানুষের মধ্যে আপনার ভাল কাজ গুলোকে ছড়িয়ে দিতে পারেন।

শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস তৈরি করার অ্যাপস

এখন আমরা শিক্ষামূলক ফেসবুকে স্ট্যাটাস ডিজাইন করার জন্য কিছু এন্ড্রয়েড মোবাইল সফটওয়্যার নিয়ে আলোচনা করব। কারণ অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস গুলোর মাধ্যমে আপনারা খুব সহজেই আপনাদের জন্য শিক্ষা নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস গুলো ডিজাইন করতে পারবেন। এমনকি আপনি যদি ভাল একজন ডিজাইনার থাকেন, তাহলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস গুলো ডিজাইন করে আপনি অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

বর্তমান সময়ে এমন অনেকগুলো ই-কমার্স কোম্পানি রয়েছে এবং অনেক সেলিব্রিটি রয়েছে। যারা তাদের পেজে এবং তাদের সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে শিক্ষা মূলক স্ট্যাটাস শেয়ার করার জন্য বিভিন্ন এক্সপার্টদের নিযুক্ত করে থাকেন। এক্ষেত্রে আপনি যদি এই বিষয়ে অভিজ্ঞ হয়ে থাকেন, এবং আপনার স্মার্টফোনের মাধ্যমে সুন্দর সুন্দর ডিজাইন করতে পারেন, তাহলে আপনি তাদের জন্য কাজ করতে পারবেন।

একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে অথবা পোস্টার ডিজাইন হিসেবে যারা অনলাইনে কাজ করে থাকেন। তারা অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এক্ষেত্রে আমি আপনাকে পরামর্শ দেবো আপনি যেন এটাতে খুবই মনোযোগ দিয়ে কাজ করেন। এবং এখানে আমরা যে সকল অ্যাপ গুলো নিয়ে আলোচনা করব।

সেগুলো কিভাবে ব্যবহার করতে হয়? সে বিষয়ে আপনি ভালো জ্ঞান অর্জন করেন। আপনার জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা আপনাকে কখনো ধোঁকা দিবে না। এই জ্ঞান আপনাকে সবসময় এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা যোগাবে এবং আপনাকে এগুলো ব্যবহার করে এখান থেকে অর্থ উপার্জন করার জন্য সাহায্য করবে। আশা করছি, এখানে শেয়ার করা অ্যাপস গুলো আপনারা সবসময় প্র্যাকটিস করবেন। যেন আপনারা সহজেই অ্যাপস ব্যবহার করতে পারেন।

ক্যানভা মোবাইল অ্যাপস

শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস ডিজাইন করার জন্য ক্যানভা হচ্ছে আমার পছন্দের তালিকায় সেরা একটি অ্যাপস। এই অ্যাপস টি আপনি আপনার স্মার্টফোনে ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস ডিজাইন করতে পারবেন। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই অ্যাপটি অনেকদিন ধরে ব্যবহার করি এবং আপনি চাইলে এই অ্যাপটি আপনার কম্পিউটারের মধ্যে অনলাইন টুল হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন।

আপনি যদি কম্পিউটারের মাধ্যমে কাজ করতে চান। এক্ষেত্রে আপনার জন্য আরও বেশি সুবিধা হবে। তবে মোবাইলের মধ্যে আপনি খুব সহজেই ক্যানভা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ফেসবুকে স্ট্যাটাস ডিজাইন করতে পারবেন। ক্যানভা দিয়ে করা স্ট্যাটাস গুলো মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয়তা লাভ করবে।

যদি আপনি একজন ক্রিয়েটিভ হয়ে থাকেন, তাহলে এর মাধ্যমে আপনি এমন এমন স্ট্যাটাস গুলো ডিজাইন করতে পারবেন। যেগুলো মানুষের নজর কেড়ে নিবে।

ক্যানভা এই অ্যাপটির দুটি ভার্সন রয়েছে।

একটি হচ্ছে ফ্রি ভার্সন। আরেকটা হচ্ছে প্রেমিয়াম ভার্শন। এক্ষেত্রে আপনি যদি ফ্রি ভার্সন ব্যবহার করেন, তাহলে আপনি একাধিক টুলস ব্যবহার করতে বাধার সম্মুখীন হবেন। এক্ষেত্রে আপনি যদি প্রিমিয়াম ভার্সন ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে আপনি নিজের ইচ্ছামতো যেকোনো ধরনের টুলগুলো ব্যবহার করেই ইচ্ছামত ক্যানভা দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস ডিজাইন করতে পারবেন।

ক্যানভা অ্যাপ
ক্যানভা অ্যাপ

এক্ষেত্রে আমি আপনাকে পরামর্শ দিব কম টাকার মধ্যেই আপনি বিভিন্ন তৃতীয় পক্ষ কোম্পানির কাছ থেকে ক্যানভা ক্রয় করতে পারেন। তবে এটা এমন না যে, আপনাকে প্রিমিয়াম একাউন্ট ক্রয় করে কাজ করতে হবে। ফ্রিতে অনেকগুলো টুলস রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনি অনেকগুলো ফেসবুক স্ট্যাটাস ডিজাইন করতে পারবেন।

আপনাকে একটু ক্রিয়েটিভ হতে হবে। যেন আপনি টুলস গুলোকে ব্যবহার করে আপনার অভিজ্ঞ তা দিয়ে ভালো ভালো ফেসবুক স্ট্যাটাস ডিজাইন করতে সক্ষম হন।

কিছু স্টাটাস ডিজাইন মোবাইল অ্যাপসের নাম দিয়ে দেওয়া হলো:

ক্যানভা বানিয়ে আমরা একটু বিস্তারিত আলোচনা করেছি। কারণ ক্যানভার মধ্যে আপনি এটুজেট সব কিছুর সমাধান পাবেন। এজন্য আমরা ক্যানভা কে একটু বিশেষ করে আলোচনা করেছি। আর এটি যেহেতু ফ্রিতে ব্যবহার করা যায় এবং ইচ্ছে ব্যবহার করা যায়। এজন্য আপনি ঐ দিক থেকে এটি নিয়ে ভালো সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

তবে এখানে আমরা আরো অনেকগুলো ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস নিয়ে আলোচনা করব। যেন আপনারা এখান থেকে উপকৃত হতে পারেন। শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস ডিজাইন করার জন্য আমরা অনেকগুলো অ্যাপসের তালিকা আপনাদের কে দিয়ে দিচ্ছি।

এখান থেকে আপনার পছন্দের যেকোন অ্যাপস নির্বাচন করে নামটি কপি করে আপনি সরাসরি প্লে স্টোরে গিয়ে সার্চ করতে পারেন। অথবা প্লে স্টোরে গিয়ে এখান থেকে পছন্দের নামটি লিখে সার্চ করুন, তাহলে ফেসবুক স্ট্যাটাস ডিজাইন করার অ্যাপস পেয়ে যাবেন। Facebook Status Design কিওয়ার্ডটি লিখে সার্চ করলেও মোবাইল অ্যাপস পাবেন।

যেগুলো আপনার পছন্দসই হবে আশা করছি। বর্তমান সময়ে হাজার হাজার ফ্রি সফটওয়্যার পাবেন যেগুলোর মাধ্যমে আপনি শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস সহজে ডিজাইন করতে পারবেন। যদি এই বিষয়ে আপনাদের সাপোর্টের প্রয়োজন হয় তাহলে আমাদেরকে জানাতে পারেন।

অর্থাৎ আপনার যদি এমন কোনো প্রিমিয়াম সফটওয়্যার ফ্রি-তে প্রয়োজন হয়। যেটি আপনি ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারছেন, প্রিমিয়াম ভার্সনের আপনাকে পেমেন্ট করতে হবেনা। এক্ষেত্রে আমরা যেন সম্পূর্ণ ফ্রিতে আপনাকে সফটওয়ারটি দিয়ে সাহায্য করতে পারি। সেজন্য আপনারা আমাদেরকে কমেন্ট করতে পারেন, অথবা সরাসরি আমাদের ফেসবুক পেজে ম্যাসেজ করতে পারেন।

তাহলে আমরা চেষ্টা করব প্রিমিয়াম ভার্সন অ্যাপস আপনাদেরকে সম্পূর্ণ ফ্রিতে দিয়ে সাহায্য করার জন্য। যেন আপনারা আপনাদের ক্রিয়েটিভ আইডিয়া গুলো কে ব্যবহার করে। ফেসবুকে বিভিন্ন স্ট্যাটাস ডিজাইন করে শিক্ষা মূলক বিভিন্ন বিষয় গুলোকে প্রচার করতে পারেন।

এন্ড্রয়েড অ্যাপসের তালিকা:

  1. Bangla Status 2020 😀 Bangla SMS
  2. মধ্যবিত্ত নিয়ে স্ট্যাটাস & Sms
  3. Wish – ইচ্ছা স্ট্যাটাস
  4. বাস্তব জীবনে কষ্টের স্ট্যাটাস
  5. Bangla Status -বাংলা স্ট্যাটাস
  6. ইসলামিক শর্ট এসএমএস, স্ট্যাটাস, পোষ্ট
  7. ইসলামিক স্ট্যাটাস – Bnagla Islamic Status
  8. উপদেশ ও শিক্ষামূলক উক্তি আর বাণী – Bangla Quotes

শিক্ষামূলক ফেসবুক স্ট্যাটাস

ফেসবুকে স্ট্যাটাস শেয়ার করে এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় আপডেট শেয়ার করে কিভাবে ফেসবুক থেকে অর্থ উপার্জন করা যায়? সে বিষয়ে যদি আপনারা জানতে চান, তাহলে আমাদেরকে প্রশ্ন করতে পারেন। ইতিমধ্যে আমরা ফেসবুক থেকে ইনকাম করার একটি গাইড শেয়ার করেছি।

আমাদের এই ব্লগ ওয়েবসাইটে যদি আপনি সেই ফেসবুক ইনকামের বিষয়টি জানতে চান, তাহলে আমাদের সেই আর্টিকেলটি পড়তে পারেন। এখানে আমরা আমাদের সে আর্টিকেলটার লিংক দিয়ে দিচ্ছি। যেন আপনারা খুব সহজেই এই লেখাগুলো পড়তে পারেন।

আশা করছি, আপনারা ফেসবুকে কিভাবে স্টাটাস ডিজাইন করে পোস্ট করবেন? সে বিষয়ে জানতে পেরেছেন। যদি শিক্ষামূলক ফেসবুকে স্ট্যাটাস গুলো শেয়ার করে ফেসবুকে নিজেদের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করতে চান, তাহলে এগুলো আপনাদেরকে সহায়তা করবে। এখানে আমরা যে সকল ফেসবুক স্ট্যাটাস শেয়ার করার অ্যাপ গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি।

এগুলো সবগুলোই আপনারা ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন। যে অ্যাপটি সবচেয়ে বেশি ভালো লাগবে, সেই সম্পর্কে আমাদের মতামত জানাবেন। এবং আপনি প্রতিনিয়ত ব্যবহার করতে চেষ্টা করবেন। আপনার ফেসবুকে স্ট্যাটাস গুলো সহজ ডিজাইন করার জন্য স্মার্টফোনের মাধ্যমে বর্তমানে ফেসবুকে স্ট্যাটাস ডিজাইন করা খুবই সহজ।

একটা বিষয় যদিও আপনারা বিষয়গুলো আগেই ব্যবহার করে না থাকেন, তাহলে আপনাদের জটিল মনে হতে পারে। কিন্তু আপনারা যদি কিছুদিন এই সফটওয়্যার গুলো ব্যবহার করেন, তাহলে আপনাদের জন্য ফেসবুকে স্ট্যাটাস ডিজাইন করা খুব সহজ হয়ে যাবে।

যেহেতু বর্তমানে ফেসবুক স্ট্যাটাস ডিজাইন করে থাকেন, তাহলে আপনি এই সুযোগটি হাতছাড়া করবেন না। আপনি এই সুযোগটি ব্যবহার করে ফেসবুক স্ট্যাটাস ডিজাইন করে দিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার | Airtel Internet Offers in Bangladesh

0
এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার
এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার

বাংলাদেশের মধ্যে খুব কম সময়ে জনপ্রিয়তা পাওয়া একটি মোবাইল ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী অপারেটর কোম্পানি এয়ারটেল। এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে অনেকেই অনলাইনে খোঁজ-খবর রাখেন। যারা এয়ারটেলের অনলাইন অফার সম্পর্কে জানতে চান। তারা আজকের আর্টিকেলটি পড়তে পারেন। আজকের এই লেখাটি কিন্তু সবসময় আপডেট হতে থাকবে।

কারণ, এয়ারটেল বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকমের জনপ্রিয় সকল ইন্টারনেট অফার প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে আপনি যেন সব সময় এই পেজটি ভিজিট করে এয়ারটেলের সকল ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে জানতে পারেন। সেজন্য আমরা সব সময়ই এই এয়ারটেল সম্পর্কিত ব্লগ পোস্টটি সবসময় নজরদারিতে রাখব।

যেন আমরা আপনাদেরকে যথাসময়ে এয়ারটেলের অফার সম্পর্কে অভিহিত করতে পারি। আশা করছি, এয়ারটেলের যত সকল অফার রয়েছে। সেই সকল অফার গুলো আপনারা এখান থেকে উপভোগ করতে পারবেন। আপনাদের জন্য নিত্য নতুন অফারের সমাধান নিয়ে এই পোস্টটি লেখা হচ্ছে।

এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার

এয়ারটেল এর জন্য অনেক ভালো একটি সময় যাচ্ছে। কারণ, এয়ারটেল বাংলাদেশের মধ্যে অনেক বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। অন্যান্য যে সকল অপারেটর রয়েছে। যেমন: রবি, বাংলালিংক, গ্রামীন ফোন কোম্পানি গুলোর চেয়ে এয়ারটেল সবসময় নিজেদের অফার গুলোকে অন্যদের থেকে ভিন্ন ভাবে গ্রাহকদের প্রদান করেছে।

এয়ারটেল ইন্টারনেট
এয়ারটেল ইন্টারনেট

যার ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এয়ারটেলকে সবসময় বেশি প্রাধান্য দিয়েছে। এক্ষেত্রে এয়ারটেলের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর জনপ্রিয়তা খুব বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। সব সময় এয়ারটেল কম দামের মধ্যেই ডাটা প্যাক বিক্রি করতে চেষ্টা করে। সবচেয়ে কমদামে বেশি ইন্টারনেট বাংলালিংকের ডায়লগ হলেও, বাস্তবে কাজ করে এয়ারটেল। এটি রবির কাছ থেকে অনুমোদিত একটা ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোম্পানি হিসেবে কাজ করে থাকেন।

কিন্তু আপনি যদি সরাসরি রবির ইন্টারনেট করে থাকেন, তখন কিন্তু আপনি ইন্টারনেট এতো কমদামে পাবেন না। যদি আপনি এয়ারটেলের সিম ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে এয়ারটেল অফার গুলো আপনি খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন। এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার নিয়ে অনেকেই সচেতন থাকেন।

কারণ, এরা সবসময় মজাদার অফারগুলো গ্রাহকদের সরবরাহ করে। 2021 সালে যেহেতু তাদের ব্যবসা উন্নতির দিকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে। এজন্য এটি তাদের আরও বেশি কাজে লাগানো উচিত। আমরা 2021 সালের যতগুলো ইন্টারনেট অফার রয়েছে। সে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করব। যেন আপনি এই অফার গুলো কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারেন।

এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার দেখার নিয়ম

নিত্য নতুন অফার এর খোঁজ খবর জানার আগেই আমাদেরকে জেনে নিতে হবে। এয়ারটেলে কিভাবে অফারগুলো যাচাই করতে হয়? আপনি যদি তাদের মোবাইল অ্যাপটি ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে খুব সহজে এয়ারটেলের সকল অফার গুলো যাচাই করতে পারবেন।

বিশেষ করে কম দামে যদি আপনি ইন্টারনেট ক্রয় করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে এয়ারটেল অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে। যদি আপনি এয়ারটেল অ্যাপ ব্যবহার করার সুবিধা না পান। আপনার মোবাইল ফোনে যদি এয়ারটেল অ্যাপ ব্যবহার করতে না পারেন।

তাহলে আপনাকে কোড ডায়াল করেই এয়ারটেলের সকল অফার গুলো যাচাই করতে হবে। এই ক্ষেত্রে কিভাবে আপনি এয়ারটেল অফারগুলি যাচাই করবেন? সে বিষয়টি আপনাদের জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

(নোট: এই পোস্টটি নিয়মিত অফার যাচাই করার জন্য ভিজিট করতে পারেন। এখানে অফারের তথ্য শেয়ার করা হবে। যারা এই পেজটি ভিজিট করে অফার সম্পর্কে জেনে নিবেন। তাদের আর কোড ডায়াল করে বা অ্যাপ ব্যবহার করে অফার যাচাই করতে হবে না।)

এখন আমরা আপনাদেরকে এয়ারটেলের অফার যাচাই করার জন্য কোড ডায়াল করার নিয়মটা সঠিক ভাবে জানিয়ে দিব। যেন আপনারা কোন কোড ডায়াল করে এয়ারটেলের সকল অফার গুলো যাচাই করতে পারেন।

আপনার মোবাইলে ডায়াল অপশন থেকে *121# ডায়াল করলেই আপনি এয়ারটেলের কতগুলো মেনু দেখতে পাবেন। এখানে উপরে দিকে কিছু ভালো অফার আপনাকে সাজেস্ট করবে। যদি এই অফার গুলো আপনার ভালো না লাগে, তাহলে আপনাকে দ্বিতীয় নাম্বার অপশনটি পছন্দ করতে হবে। এক্ষেত্রে দ্বিতীয় অপশনটিতে আপনি অনেকগুলো অফারের সন্ধান পাবেন। বিস্তারিত জানতে আপনাকে 2 লিখে সাবমিট করতে হবে।

সাবমিট করলেই আপনি আপনার সকল অফারগুলো জানতে পারবেন।

আপনারা যদি বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে চান,

তাহলে স্ক্রিনশট দেখতে পারেন। আমরা একটা স্ক্রিনশট আপনাদের জন্য যুক্ত করেছি। যেন আপনারা সহজেই বুঝতে পারেন। 2 ডায়াল করে যদি আপনি ভালো অফার খোঁজে না পান, তাহলে আপনার জন্য সেরা ইন্টারনেটের সকল অফার গুলো যাচাই করতে চান 3 নম্বর মেনুতে আসতে হবে।

সে ক্ষেত্রে আপনি সরাসরি 3 লিখে সাবমিট করতে পারেন। অর্থাৎ আপনাকে প্রথমেই *121# ডায়াল করতে হবে। ডায়াল করার পরে আপনাকে মেনু থেকে নিজের পছন্দের অপশনগুলো বাছাই করতে হবে। তাহলেই আপনি আপনার পছন্দের সকল অফার চেক করতে পারবেন।

আপনি যদি *121# ডায়াল করেই এয়ারটেলের অফার গুলো যাচাই করে থাকেন, তাহলে কিন্তু আপনি আকর্ষণীয় সকল ভালো অফার গুলো খোঁজে পাবেন না। এই সকল অফার গুলোর সন্ধান পেতে হলে আপনাকে এয়ারটেল ব্যবহার করতে হবে। এখন আমরা আপনাদেরকে এয়ারটেল অ্যাপ সম্পর্কে জানাবো।

যেন আপনারা এয়ারটেল অ্যাপ ব্যবহার করে লাভবান হতে পারেন। কারণ, এয়ারটেল অ্যাপ ব্যবহার করলে আপনি যেখানে *121# ডায়াল করে ইন্টারনেট ক্রয় করতে ২০ টাকা খরচ হবে। সেখানে অ্যাপস থেকে আপনাকে ২০ টাকার পরিবর্তে ১৫ টাকা খরচ করতে হবে।

মানে আপনি কমপক্ষে আরও ৫ টাকা সংরক্ষণ করতে পারবেন অ্যাপস থেকে ইন্টারনেট ক্রয় করে। তাহলে আপনি বুঝতে পেরেছেন কেন আপনাকে এয়ারটেল অ্যাপটি ব্যবহার করতে হবে?

অ্যাপসের মাধ্যমে অফার যাচাই

প্রথমেই আপনাকে আপনার স্মার্টফোনের মধ্যে এয়ারটেল অ্যাপটি ইনস্টল করতে হবে। এয়ারটেল অ্যাপটি ইনস্টল করার জন্য আপনি নিচের ইনস্টল বাটনে ক্লিক করতে পারেন। ইনস্টল বাটনে ক্লিক করলে আপনাকে সরাসরি প্লে স্টোরে নিয়ে যাবে। প্লে স্টোর থেকে আপনি এয়ারটেল অ্যাপটি আপনার স্মার্টফোনে ইন্সটল করে নিবেন।

এয়ারটেল অ্যাপসের মাধ্যমে অফার যাচাই
এয়ারটেল অ্যাপসের মাধ্যমে অফার যাচাই

ইন্সটলের পদ্ধতি থেকে আসলে সহজ বলা যায়। অ্যাপসটি ইন্সটল করলে সরাসরি আপনার মোবাইল ফোনের ব্যবহারের জন্য উপযোগী হয়ে যায়। সুতরাং আপনি আপনার স্মার্টফোনের মধ্যে এয়ারটেলের আপগ্রেড ভার্সন এর এই অ্যাপটি ইন্সটল করে ফেলুন। ইন্সটল করার জন্য লিংকে ক্লিক করুন। সরাসরি আপনাকে প্লে স্টোরে নিয়ে যাবে।

এয়ারটেল অ্যাপস ইন্সটল

সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে আপনি যদি এয়ারটেল অ্যাপটি প্রথমবার ইন্সটল করে থাকেন, তাহলে ইন্সটল করার সাথে সাথে আপনি ১ জিবি বোনাস পেয়ে যাবেন। এক্ষেত্রে আপনার যদি ইন্টারনেট না থাকে, তাহলে আপনি এই সুযোগটি হাতিয়ে নিতে পারেন। অর্থাৎ আপনি যদি এর আগে কোন সময় এয়ারটেল অ্যাপ ইন্সটল না করে থাকেন আপনার মোবাইল ফোনে। তাহলে আপনি ১ জিবি অফার পেয়ে থাকবেন।

যদি কোন সময় আপনি আপনার মোবাইলে ভুলক্রমে ইন্সটল করে থাকেন, তাহলে কিন্তু আপনি আর এই অফারটি পাবেন না। অর্থাৎ অফারটা আপনার জন্য বাতিল হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে যদি আপনি একজন নতুন ইউজার হয়ে থাকেন, তাহলে আপনি ১ জিবির ইনস্ট্যান্ট অফার পেয়ে যাবেন।

এয়ারটেল অ্যাপ ইন্সটল

স্মার্টফোনের মধ্যে এয়ারটেল অ্যাপ ইন্সটল করার পর এয়ারটেল অ্যাপটি ওপেন করতে হবে। অ্যাপটি ওপেন করলে আপনাকে রেজিস্ট্রেশন মেনুতে নিয়ে যাবে। এক্ষেত্রে প্রথমবার যখন আপনি অ্যাপটি ইনস্টল করবেন। তখন আপনার ইমেইল অথবা মোবাইল ফোন দিয়ে আপনাকে লগইন করতে হবে। এয়ারটেল অ্যাপস এর মধ্যে আপনাকে রেজিস্ট্রেশন এর জন্য অনেক ঝামেলা বহন করতে হবে না।

শুধুমাত্র আপনার এয়ারটেল নাম্বারটি দিয়ে আপনি যদি সাবমিট করেন, তাহলে আপনার মোবাইলে একটি ওটিপি চলে আসবে। এই ওটিপি ব্যবহার করলে আপনার এয়ারটেল অ্যাপ লগইন হয়ে যাবে। লগিন হওয়ার সাথে সাথে আপনি এয়ারটেলের সকল অফার গুলো ব্যবহার করতে পারবেন।

এয়ারটেল অ্যাপটি কিভাবে ব্যবহার করতে হয়? সে বিষয়ে যদি আপনি না জেনে থাকেন, তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আমরা কিভাবে এয়ারটেল মোবাইল অ্যাপসটি ব্যবহার করবেন? সে বিষয়ে স্টেপ বাই স্টেপ শেয়ার করব। যেন আপনারা এয়ারটেল অ্যাপ এর ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারেন।

অ্যাপসের মাধ্যমে এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার যাচাই

ইতিমধ্যে যদি আপনি সফলভাবে অ্যাপের মধ্যে লগিন করে থাকেন, তাহলে নিচের ছবির মতোই দেখতে পাবেন।

অ্যাপস হোম পেজ
অ্যাপস হোম পেজ

এটি হচ্ছে এয়ারটেল অ্যাপসের হোমপেজ। এখান থেকে একটু নিচে স্ক্রোল করে গেলে বিভিন্ন রকমের ক্যাটেগরি দেখতে পাবেন। Quick Links সেকশনে চলে যান।

Quick Links
Quick Links

Quick Links সেকশনে আপনি একাধিক বাটন দেখতে পাবেন। এখন ইন্টারনেট অফার চেক করতে Internet Packs বাটনের উপর ক্লিক করুন। তাহলে আপনার নিচের ছবির মতো দেখবেন।

সেরা সব এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার সমূহ
সেরা সব এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার সমূহ

এখনে স্ক্রোল করলে এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার সবগুলো দেখতে পাবেন। কোড ডায়াল করে যে প্যাকটি আপনাকে ৩০ টাকা দিয়ে ক্রয় করতে হতো। অ্যাপের মধ্যে একই প্যাকটি ২২ থেকে ২৫ টাকার মধ্যে পাবেন। একটু ভেবে দেখুন অ্যাপস ব্যবহারে কত লাভ হচ্ছে আপনার।

পছন্দের কিছু হট ডিল অফার:

সেরা ৪.৫ জিবি নেট, মেয়াদ থাকবে ৩ দিন, অফারটি উপভোগ করতে ৫৪ টাকা রিচার্জ করুন অথবা *১২৩*০৫৪# ডায়াল করুন। (১.৫ জিবি + ৩ জিবি ক্লাসরুম) ইন্টারনেট।

৩ জিবির প্যাক, এটারও মেয়াদ ৩ দিন থাকবে, ৫৯ টাকায় ৩ জিবি (২ জিবি + ১ জিবি 4G) ইন্টারনেট। অফারটি উপভোগ করতে ৫৯ টাকা রিচার্জ অথবা *১২৩*০৫৯# ডায়াল করুন।

সেরা ৫ জিবি দারুণ প্যাক + এখানে থাকবে ৩ জিবি ক্লাসরুম নেট, ১২৯ টাকায় মোট ৫ জিবি পাবেন + ৩ জিবি ব্যবহার হবে ক্লাসরুম ইন্টারনেট, মেয়াদ ৭ দিন। ১২৯ টাকা রিচার্জ করুন অথবা *১২৩*১২৯# ডায়াল করুন।

কম টাকার ১ জিবি , এটার সময় ৩ দিন, ২৯ টাকার দারুণ একটি অফার। ১ জিবি ইন্টারনেট। ২৯ টাকা অথবা ডায়াল করতে হবে *১২৩*০২৫#

সপ্তাহিক এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার:

৪.৫ জিবি + ২ জিবি ক্লাসরুম, ৭ দিন, ১১৪ টাকা রিচার্জ করুন অথবা *১২৩*১১৪# ডায়াল করুন। ৪.৫ জিবি + ২ জিবি ক্লাসরুম।

১.৫ জিবি + ৫০ মিনিট ৭ দিন, ক্যাশব্যাক ৫ টাকা, *123*098# কিংবা রিচার্জ করতে হবে ৯৮ টাকা।

মাসিক ইন্টারনেট অফার:

২ জিবি, ৩০ দিন, ২২৯ টাকায় ২ জিবি ইন্টারনেট, আকর্ষণীয় অফারটি ক্রয় করতে ডায়াল করুন *123*229# অথবা রিচার্জ করুন ২২৯ টাকা।

৬০ জিবি ৩০ দিন, ২৪ ঘন্টাই ইন্টারনেট করতে বিশেষ এই অফার। রিচার্জ করুন ৯৯৮ টাকা কিংবা ডায়াল করুন *১২৩*৯৯৮#

বন্ধ সিম অফার

প্রতিটি নেটওয়ার্ক অপারেটরে বন্ধ সিমের অফার রয়েছে। গ্রাহক বন্ধ সিমের অফার উপভোগ করার জন্য অনেক সময় ধরে অপেক্ষা করে থাকে৷ বন্ধ সিমের অফার আছে কিনা সেটা আপনাকে প্রথমে যাচাই করতে হবে। আপনি এয়ারটেল বন্ধ সিম অফার যাচাই করতে অনলাইন টুল ব্যবহার করতে পারেন। তবে যদি আপনি অনলাইন টুল ব্যবহার না করে কোড ডায়াল করে অথবা মেসেজের মাধ্যমে জানতে চান।

এক্ষেত্রে আপনাকে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। তবে আপনি যদি অনলাইনের মাধ্যমে সহজে বন্ধ সিমের অফার যাচাই করতে চান, তাহলে এখানে ক্লিক করুন। ক্লিক করে আপনি সরাসরি এয়ারটেলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে চলে যাবেন। যেখানে আপনি আপনার নাম্বার দিয়ে অনলাইনে বন্ধ সিমের অফার চেক করতে পারবেন।

যদি আপনি এসএমএস এর মাধ্যমে বন্ধ সিম অফার যাচাই করতে চান, তাহলে আপনার এসএমএস অপশনে গিয়ে আপনাকে একটি মেসেজ পাঠাতে হবে। মেসেজে আপনাকে নিচের দেখানো নিয়ম অনুসারে একটি মেসেজ লিখে পাঠাতে হবে। তাহলেই ফিরতি ম্যাসেজে আপনাকে বলে দেওয়া হবে, আপনার সিমটি বন্ধ সিমের আওতাভুক্ত আছে কিনা। বন্ধ সিমের আওতাভুক্ত থাকলেই, আপনি বন্ধ সিমের সকল অফার গুলো ব্যবহার করতে পারবেন।

প্রথমে যেকোনো এয়ারটেল মোবাইল থেকে মেসেজ অপশনে গিয়ে, যে সিমের অফার যাচাই করতে চান। সেই সিমের নাম্বারটি লিখুন। এরপর ৯০০০ নাম্বারে পাঠিয়ে দেন।

উদাহরণ: 016×××××××× Sent to 9000

যদি আপনি এসএমএস দিয়ে বন্ধ সিম অফার চেক করতে না চান, তাহলে সরাসরি সিম চালু করে একটি কোড ডায়াল করার মাধ্যমে অফারটি চেক করতে পারবেন। এক্ষেত্রে যে সিমটির অফার যাচাই করবেন। সেই সিমটি চালু করার করে *999# ডায়াল করতে হবে।

অ্যাপ ব্যবহারে বেশি এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার:

যারা এখনো পর্যন্ত এয়ারটেলের অ্যাপটি ব্যবহার করেন না, তাদেরকে আমি বলব আপনারা আপনার স্মার্টফোনে এয়ারটেল অ্যাপটি ডাউনলোড করে ফেলেন। কারণ, এয়ারটেল একটি যদি ব্যবহার করেন, তাহলে আপনি এয়ারটেলের একাধিক ইন্টারনেট অফার এর সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি আপনি যদি এয়ারটেল অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য আপনি কিছু রিওয়ার্ড পয়েন্ট পাবেন।

যেগুলো এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার হিসেবে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি বিপদের সময় আপনার অ্যাপ থেকে পয়েন্টগুলো ব্যবহার করে ফ্রিতে ইন্টারনেট ক্রয় করতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে আপনি পয়েন্ট গুলো ব্যবহার করলে হবে। আপনাকে ইন্টারনেট ক্রয় করার জন্য কোন টাকা পেমেন্ট করতে হবে না। যারা এয়ারটেল অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন, তারা কিন্তু এই সুযোগ সুবিধাটি ব্যবহার করতে পারেন।

আমি ব্যক্তিগতভাবে যখন ইন্টারনেটের সমস্যার পড়ি, তখন এয়ারটেলের অ্যাপ থেকে আমার পয়েন্টগুলো ব্যবহার করার মাধ্যমে আমি ফ্রিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুবিধা পায়। এক্ষেত্রে যখন আপনার কাছে ইন্টারনেটে টাকা থাকবে, তখন পয়েন্টস গুলোকে জমিয়ে রাখবেন। পয়েন্টগুলো আপনি ব্যবহার করবেন না। যখন আপনি ইন্টারনেট ক্রয় করতে পারবেন না, তখন আপনার জমানো পয়েন্ট গুলোকে ইন্টারনেট ক্রয় করার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।

এয়ারটেল অ্যাপ ব্যবহার করে আরও কত রকমের ইন্টারনেট অফার পেতে পারেন।

সে বিষয়ে একটু আগেই আমরা ধারণা দিয়েছি। কারণ, এই লেখাটির মধ্যে আমরা ইন্টারনেটের অফার সম্পর্কে আলোচনা করেছি। সুতরাং আপনি যদি অ্যাপস ব্যবহার করে থাকেন, আপনি আরও অনেক ধরনের সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, আপনি যদি অনলাইনে ইন্টারনেট এর পিছনে বেশি টাকা খরচ করে থাকেন। এক্ষেত্রে আপনি অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন। কারন এয়ারটেল এর মধ্যে সবচেয়ে কম টাকা বিনিয়োগ করে বেশি পরিমাণে ইন্টারনেট পাবেন। আমি যতগুলো নেটওয়ার্ক অপারেটর কোম্পানি দেখেছি, তার মধ্যেই আমার পছন্দের নাম্বার ওয়ানে আমি এয়ারটেল কে রাখবো।

কারণ এয়ারটেল ইন্টারনেট আমার অনেক বেশি ভালো লাগে। সবচেয়ে বেশি ভালো লাগার কারণটা হচ্ছে, কম টাকায় বেশি ইন্টারনেট এবং ইন্টারনেটের গতি রয়েছে। সুতরাং আপনি যদি এয়ারটেলের একজন ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে এয়ারটেল অ্যাপ ইন্সটল করে ফেলতে পারেন। প্লে স্টোর থেকে অথবা আপনি সরাসরি এখানে ইনস্টল বাটনে ক্লিক করে। আপনি এয়ারটেল এর অফিশিয়াল অ্যাপস ইন্সটল করে ফেলতে পারেন আপনার স্মার্টফোনের মধ্যে।

এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার বান্ডেল

অসাধারণ সব অভিজ্ঞতা হবে আপনি যদি এয়ারটেল বান্ডেল অফার গুলো ব্যবহার করে থাকেন। আপনি যদি অনলাইনে অ্যাক্টিভিটি বেশি রাখেন এবং একাধিক ক্লায়েন্টের সাথে বা মানুষের সাথে মোবাইলে কথা বলে থাকেন। এক্ষেত্রে এয়ারটেল বান্ডেল অফার গুলো কাজে লাগাতে পারেন। এয়ারটেলের অফার গুলো অনেক কম টাকায় পাওয়া যায়।

বান্ডেল অফার বলতে মূলত বুঝানো হয়। যে অফারগুলোর সাথে এয়ারটেল এর মিনিট, এসএমএস, এবং ইন্টারনেট উভয়ই কিছুর সুবিধা থাকে। এক্ষেত্রে এগুলোকে বান্ডেল প্যাকেজ বলা হয়। ব্যবহারকারীরা এয়ারটেল অ্যাপস থেকে পছন্দনীয় যেকোন প্যাকেজ ক্রয় করতে পারেন। এয়ারটেলের অনেকগুলো বান্ডেল প্যাকেজ রয়েছে।

এরা আপনার বাজেটের মধ্যেই মানানসই প্যাকেজগুলো তৈরি করে। যদি আপনি এয়ারটেল ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে আপনি নিজেই প্রমাণ পেয়ে যাবেন। আশা করি আপনি অনেক ভালো সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন ইন্টারনেট দুনিয়ায়।

অ্যাপ থেকে এয়ারটেল ইন্টারনেট অফারের বান্ডেল গুলো ব্যবহার করার জন্য আপনাকে অ্যাপটি ইনস্টল করতে হবে। অ্যাপসটি লগইন করার পর আপনি অ্যাপের ইন্টারফেস দেখতে পারবেন। যেটি আমরা একটু আগেই স্ক্রিনশট এর মাধ্যমে আপনাদেরকে দেখিয়েছি। আপনাকে Quick Links থেকেই বান্ডেল অফার নির্বাচন করতে হবে। ক্লিক করলে আপনি এয়ারটেলের যতগুলো বান্ডেল অফার রয়েছে সবগুলোই দেখতে পাবেন।

এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার বান্ডেল
এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার বান্ডেল

উপরের স্ক্রিনশটটা একটু ভাল করে দেখেন। তাহলে আপনি এয়ারটেল অ্যাপ থেকে কিভাবে বান্ডেল অফার গুলো ক্রয় করতে হয়? সে বিষয়ে বুঝতে পারবেন।

এয়ারটেল ইন্টারনেট অফার

আশা করছি, এয়ারটেল ইন্টারনেট ব্যবহার করে আপনারা খুব ভালোই উপকৃত হতে পারবেন। যদি আপনারা এই লিখাটি পছন্দ করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই এয়ারটেল সম্পর্কিত আরও তথ্য শেয়ার করার জন্য আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করতে পারেন। আপনারা এয়ারটেল এর ইন্টারনেট অফার সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন আমাদেরকে করতে পারেন। এবং আপনাদের মতামত জানাতে পারেন।

এই লিখাটি সম্পর্কে নিচের কমেন্ট বক্সে আপনারা আপনাদের মতামত জানাতে ভুলবেন না। আশা করছি, আপনারা আমাদের ব্লগের পাঠক হিসেবে এই লেখাগুলো কে ভালোবাসেন। এবং আপনাদের ভালোবাসা পাওয়ার জন্যই মূলত আমরা এই লেখাগুলো আমার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে থাকি।

এসইও কি এবং কেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন গুরুত্বপূর্ণ?

0
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও

আমি নিজের মনগড়া কিছু বলতে চাই না। তবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (seo) সম্পর্কে সহজভাবে বলতে গেলে, মূলত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিনের কিছু নিয়মকানুন বা প্রক্রিয়া। যা অনুসরণ বা প্রয়োগ করার মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটটিকে বুঝতে পারে এবং সহজে খোঁজে সার্চ রেজাল্টে দেখাতে পারে।

বর্তমান সময়টা প্রতিযোগিতার করার সময়। আপনি প্রতিপক্ষের সাথে প্রতিযোগিতা করে টিকতে না পারলে অনলাইন ব্যবসায় সফল হওয়া অসম্ভব হয়ে যাবে। বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগির সংখ্যা বেশি হওয়ায় এসইও ছাড়া সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বা ট্রাফিক পাওয়া প্রায় অসম্ভব। এমনকি বর্তমান সময়ে সঠিক পদ্ধতির এসইও ছাড়া কোনো ওয়েবসাইটকেই সার্চ ইঞ্জিন র‌্যাঙ্কই করানো যায় না।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন

*ইংরেজি শব্দ “SEO” এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Search Engine Optimization. যা সার্চ ইঞ্জিন কর্তৃক কিছু সুনিয়ন্ত্রিত ও পরিকল্পিত নিয়মকানুন। আপনি নির্ধারিত সকল নিয়মগুলো যথাযথভাবে প্রয়োগ করে আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্টের প্রথম পেজে দেখাতে পারবেন। “SERPs” তে প্রথম দিকে আপনার ওয়েবসাইটটিকে দেখানোই এসইও-এর মূল উদ্দেশ্য।

সার্চ ইঞ্জিনের সাথে এসইও এর সম্পর্ক কি?

*সার্চ ইঞ্জিন তৈরি হয়েছে মূলত ব্যবহারকারীদের অনুসন্ধানের সঠিক তথ্য দেওয়ার জন্য। মূলত এটা তথ্য পরিচালনা করার মেশিন। আর এসইও ব্যবহারকারীর জন্য সেই তথ্যকে সার্চ ইঞ্জিন উপযোগী করে তুলে। এসইও করার জন্য আমরা ব্যবহারকারীদের আচার-আচরণ সম্পর্কে রিসার্চ করে থাকি। এই রিসার্চের মাধ্যমে   তাদের ব্যবহারের সুবিধা মতো করে আমরা কন্টেন্টগুলো সাজিয়ে থাকি।

রিসার্চ করার সময় আমরা সার্চ ইঞ্জিনে ব্যবহারকারীরা কী ধরনের তথ্য খুঁজছে? কিরকম সমস্যার সমাধান চাচ্ছে? কি ধরনের শব্দ বা কিওয়ার্ড ব্যবহার করছে? এবং তারা কী ধরনের কনটেন্ট খোঁজে? তার ডাটা কালেকশন করে থাকি। seo এর মাধ্যমে আমরা সহজেই ইউজারদের এ সকল সমস্যার সমাধান দিতে পারি।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ( Search Engine Optimization ) বা এসইও কি?

আপনি যদি অনলাইনে ব্যবসা করে থাকেন অথবা আপনার ব্যক্তিগত যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও সম্পর্কে ভাল জানেন। যদি আপনি ওয়েবসাইট এসইও বা Search Engine Optimization সম্পর্কে না জেনে থাকেন তাহলে অবশ্যই আমরা আপনাকে এই বিষয়ে ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও বলতে বোঝানো হয়, ওয়েব সাইটের কনটেন্ট গুলো কে একটি সার্চ ইঞ্জিনের জন্য উপযোগী করে সাজানো এবং ইউজারদের জন্য সহজ করে অপটিমাইজ করাকেই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বলা হয়।

মনে করেন আপনার একটি ওয়েবসাইটে ওয়েবসাইটে আপনি আপনার ওয়েব কনটেন্ট গুলো নিয়মিত প্রকাশ করেন। এই ক্ষেত্রে আপনার পাঠকরা যদি আপনার কনটেন্ট গুলো সহজে পড়তে না পারে তাহলে কিন্তু আপনার সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সঠিক হবে না। সঠিকভাবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর কাজ করার জন্য আপনাকে পাঠকরা কি ধরনের লেখা গুলো পড়তে বেশি পছন্দ করে এবং আপনার ওয়েবসাইটের স্ট্রাকচার কি রকম হলে পাঠকরা সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন সে বিষয়ে আপনাকে রিচার্জ করতে হবে।

এসইও কী এবং কেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন গুরুত্বপূর্ণ
এসইও কী এবং কেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন গুরুত্বপূর্ণ

পাশাপাশি সার্চ ইঞ্জিন কে বোঝানোর জন্য আপনার কোন সম্পর্কে সঠিক তথ্য আপনাকে যুক্ত করে একটি কনটেন্ট তৈরি করতে হবে। আপনি যতগুলো কনটেন্ট তৈরি করবেন সেগুলো তৈরি করার সময় সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে সহজে বুঝতে পারবে কিনা? সে বিষয়টি আপনাকে মনে রাখতে হবে। 

Search Engine Optimization বা এসইও কেন দরকার? 

সহজ কথায় অনলাইনে নিজের কন্ঠে গুগলের মার্কেটিং করার মাধ্যমে বিক্রয় সংগ্রহ করা এবং অনলাইন থেকে ব্যবসা করে অর্থ উপার্জন করার জন্য এসইও এর গুরুত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি এসইও করার বিষয়টি ভালোভাবে বুঝতে পারেন, তাহলে অনলাইনে আপনার ব্যবসাকে এগিয়ে নিতে পারবেন। এবং আপনার ক্রেতাদের কাছে আপনি পৌছাতে পারবেন। সাধারণত এসব ক্ষেত্রে দুটি পদ্ধতি আমরা ব্যবহার করে থাকি।

একটি হচ্ছে পেইঙ পদ্ধতি আরেকটি হচ্ছে অর্গানিক পদ্ধতি। যদি আপনি অর্গানিক পদ্ধতিতে ব্যবহার করেন, তাহলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন। কিন্তু এই পদ্ধতিতে আপনাকে নির্দিষ্ট সময় ধরে প্রমোশনাল কাজে সময় ব্যয় করতে হবে। 

আমরা বুঝতে পেরেছি, সহজ কথায় যদি বলতে চাই। মূলত অনলাইনে নিজের কন্টেন গুলোর প্রমোশন করা করা এবং ক্রেতাদেরকে সংগ্রহ করে তাদের কাছে আমাদের নির্দিষ্ট সার্ভিস এবং পণ্য বিক্রয় করার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে আমাদের এসইও করার কারণ।

যদি আমরা ভালোভাবে আমাদের ওয়েবসাইট এসইও করতে না পারে, তাহলে আমরা আমাদের ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাতে পারবো না। এবং তাদেরকে আমাদের সার্ভিস এবং পণ্য বিক্রয় করতে পারবো না। এজন্য আমাদেরকে এসইও করতে হবে এবং আমাদের ওয়েবসাইটের জন্য দরকার হয়ে থাকে। 

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও কাদের দরকার?

প্রথমত আপনি যদি অনলাইনে ব্যবসা করতে চান। এই ক্ষেত্রে আপনার অবশ্যই এসইও প্রয়োজন হবে। আবার আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে এসইও সার্ভিস দিয়ে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করতে চান। এই ক্ষেত্রেও আপনি এসইও শিখে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। সুতরাং যদি বলতে যাই এসইও মূলত দুটি ক্ষেত্রে আমরা ব্যবহার করতে পারি। অর্থাৎ আমাদের দুই ক্ষেত্রে প্রয়োজন হতে পারে।

এক ক্ষেত্রে যদি আমরা নিজেরাই নিজেদের ব্যবসা পরিচালনা করতে চাই এবং ব্যবসার উন্নতি করতে চাই। তাহলে আমাদেরকে এসইও শিখতে হবে। দ্বিতীয়ত আমরা যদি নিজেরাই একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে এসি সার্ভিস বিক্রি করতে চাই। বা অনলাইনে নিজেদের সার্ভিস প্রোভাইড করে অর্থ উপার্জন করতে চাই, তাহলে আমরা এসইও শিখতে পারি। আমাদের জন্য দুটির মধ্যে মূলত আমাদের অর্থ উপার্জন করাটাই হচ্ছে প্রধান উপায়। 

#seo #tawhid7m #thouhid #tawhid #digitalmarketing #socialmarketing

ওয়েবসাইট কি ও ওয়েবসাইট কত প্রকার বিস্তারিত

0
ওয়েবসাইট কি ও ওয়েবসাইট কত প্রকার বিস্তারিত
ওয়েবসাইট কি ও ওয়েবসাইট কত প্রকার বিস্তারিত

ওয়েবসাইট কি? এই বিষয়ে এখনও অনেকেই জানেননা। যারা ওয়েবসাইট কি? এই বিষয়ে জানেন না, তাদের জন্য আজকের লেখাতে আমরা ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা শেয়ার করব। ওয়েবসাইট কি? এবং ওয়েবসাইট কত প্রকার? এই বিষয়ে আমাদের বিস্তারিত আলোচনা আপনাদেন সাহায্য করবে। আমাদের মধ্যে এখনও এমন অনেকেই রয়েছে। যা ওয়েবসাইট সম্পর্কে কিছু বুঝতে পারেন না।

  • আসলে ওয়েবসাইট কি কারণে তৈরি করা হয়?
  • ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কি কি কাজ করা যায়? এবং
  • ওয়েবসাইট থেকে কিভাবে অর্থ উপার্জন করা যায়?
  • ওয়েবসাইট হচ্ছে একটা ব্যবসার অনেক বড় একটি সম্পদ।

এই সকল বিষয় সম্পর্কে এখনও অনেকেই জানেননা। যারা জানেননা তারা এই লিখাটি পড়ার মাধ্যমে জানতে পারবেন। আসলে ওয়েবসাইট কি? এবং এটি কিভাবে আপনি ব্যবহার করতে পারেন?

ওয়েবসাইট কি?

Website হচ্ছে, এমন একটি ওয়েব ভিত্তিক প্লাটফর্ম। যেখানে প্রয়োজনীয় ডাটাগুলোকে সংরক্ষিত করা হয়। এবং প্রয়োজন অনুসারে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ডাটাগুলোকে ভিজিটর হিসেবে দেখা যায়। যদি আপনি একজন ওয়েব ডেভলপার হয়ে থাকেন, তাহলে এই বিষয় সর্ম্পকে আপনি ভাল বুঝবেন।

ওয়েবসাইট কি
ওয়েবসাইট কি

তবে যাদের আইটি বিষয়ে জ্ঞান রয়েছে, তাদের জন্য ওয়েবসাইট কি? সে বিষয়ে জানা অনেক সহজ একটি বিষয়। যদি আপনি নতুন হয়ে থাকেন, তাহলে এটি আপনাকে জানতে হবে। ওয়েবসাইট হচ্ছে এমন একটি সার্ভার।

যেখানে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো অনলাইনের মাধ্যমে আপনি সংরক্ষণ করতে পারেন। এবং প্রয়োজন অনুসারে আপনার টার্গেটেড ভিজিটররা বা আপনার অডিয়েন্সরা আপনার সে তথ্য গুলো পড়তে পারবে, দেখতে পারবে, এবং এই সম্পর্কে ভালো বুঝতে পারবে। আপনার তথ্যগুলোকে সংরক্ষণ করার জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন।

পাশাপাশি ব্যবসা করার জন্য আপনি আপনার ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করতে পারেন। অথবা আপনি চাইলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জন্য একটি ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারেন। ওয়েবসাইটের নানা রকমের উপকারিতা রয়েছে। এই উপকারিতাগুলো আপনাকে একটি ওয়েবসাইট তৈরিতে অনেক বেশি আগ্রহী করে তুলবে।

সহজ কথায় ওয়েবসাইট হচ্ছে, এমন একটি প্লাটফর্ম। যেটাতে আপনার তথ্যগুলো ব্যবহার করে আপনি সেগুলো আপনাদের ভিজিটরদের মাধ্যমে মনিটাইজ করতে পারবেন। এবং তার মাধ্যমে ওয়েবসাইট থেকে ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

ওয়েবসাইটের প্রকার

কাজের ধরন অনুযায়ী ওয়েবসাইট বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে। যদি আপনি কোন একটা উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সে উদ্যোগটার উপরেই নির্ভর করবে, আপনি কি ধরনের ওয়েবসাইট করবেন? এখানে আমরা বিভিন্ন প্রকারের ওয়েবসাইটের তালিকা আপনাদেরকে সরবরাহ করব।

যেন আপনারা বুঝতে পারেন ওয়েবসাইট কত প্রকার ও কি কি? সুতরাং আপনার যদি ওয়েবসাইটের প্রকার সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে নিচের তালিকাটি দেখে ফেলতে পারেন। এবং পাশাপাশি ওয়েবসাইট সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানার জন্য লিখাটি মনোযোগ দিয়ে সম্পূর্ণ পড়ুন।

যারা মূলত টেকনোলজির দিক থেকে পিছিয়ে আছেন, তাদের জন্য এই বিষয়গুলো জানা খুব প্রয়োজন। কারণ, ভবিষ্যতে আপনাকে টেকনোলজি কে পাশে নিয়ে চলতে হবে। বর্তমান সময়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন রকম টেকনোলজির ব্যবহার শুরু করেছে। এগুলো যদি আপনি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে না পারেন, তাহলে আপনি ডিজিটাল বাংলাদেশ এর সুযোগ সুবিধা গুলো উপভোগ পারবেন না।

ওয়েবসাইটের প্রকার
ওয়েবসাইটের প্রকার

যদি আপনি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে ডিজিটাল বাংলাদেশের সকল সুবিধা উপভোগ করতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই টেকনোলজির খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে জানতে হবে। তবে এমন না যে, আপনাকে একজন টেকনোলজি এক্সপার্ট হতে হবে। শুধুমাত্র আপনাকে এটাই জানতে হবে। যদি আপনি প্রফেশনাল না হন।

কিভাবে টেকনোলজি কাজ করে?

টেকনোলজি কিভাবে কাজ করে? সে বিষয়টির বেসিক ধারণা গ্রহণ করলে হবে। আপনি টেকনোলজি ব্যবহার করে বাংলাদেশের যত সকল টেকনোলজি ভিত্তিক সুবিধা রয়েছে। সে সকল টেকনোলজি ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে আপনি টেকনোলজির সুবিধা গুলো উপভোগ করতে পারবেন।

চলুন আমরা জেনে নিই, ওয়েবসাইটের প্রকার সম্পর্কে। কারন, আমরা এই আর্টিকেল থেকে ওয়েবসাইট কাকে বলে? বা ওয়েবসাইট কি? এবং ওয়েব সাইটের বিভিন্ন প্রকার সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করতেছি। সুতরাং আমরা যদি এই বিষয়গুলো জানি, তাহলে আমরা টেকনোলজিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারব।

একটা ওয়েবসাইট যে জীবনের জন্য কত গুরুত্বপূর্ণ। সে বিষয়ে কিন্তু আমরা এখনো জানিনা। যারা ওয়েব সাইট সম্পর্কে কিছু বুঝি না। তারাই মূলত এটা সম্পর্কে আর বুঝার চেষ্টাও করে না। কিন্তু আপনাদেরকে এই বিষয়ে জানতে হবে এবং বুঝতে হবে।

যেন আপনারা অন্যদের থেকে পিছিয়ে না থাকেন। এবং পড়াশোনা করার পাশাপাশি যেন টেকনোলজি ব্যবহার করে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এবং অনলাইনে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন।

বিভিন্ন প্রকারের ওয়েবসাইট

  • ই-কমার্স ওয়েবসাইট
  • ব্যবসার প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ওয়েবসাইট
  • ব্লগ ওয়েবসাইট
  • ফোরাম ওয়েবসাইট
  • কমিউনিটি ওয়েবসাইট
  • সোস্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট
  • পোর্টফলিও ওয়েবসাইট
  • ডাউনলোড ওয়েবসাইট
  • ভিডিও স্ট্রামিং ওয়েবসাইট
  • ড্রপ শিপিং ওয়েবসাইট
  • রিসেলার ওয়েবসাইট
  • এফিলিয়েট মার্কেটিং ওয়েবসাইট
  • হসপিটাল ওয়েবসাইট।

এভাবে করে ওয়েব সাইটের বিভিন্ন প্রকার হতে পারে।

এগুলো মূলত কাজের ধরনের ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন প্রকার তৈরি করা হয়ে থাকে। যদি আপনি ওয়েবসাইটের প্রকার সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে আপনাকে প্রথমেই কি কি ধরনের কাজগুলো অনলাইনে করা হয়? সে বিষয়ে আপনাকে জানতে হবে।

বিভিন্ন প্রকারের ওয়েবসাইট
বিভিন্ন প্রকারের ওয়েবসাইট

যত কিছু অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় বা পরিচালনা করা হয়। সেই সকল বিষয়ের উপর একটা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট থাকে। এক্ষেত্রে আপনি যদি খেলাধুলা বিষয়ে কাজ করে থাকেন, তাহলে আপনার ওয়েবসাইটটি হবে স্পোর্টস ওয়েবসাইট। আপনি যদি ব্লগিং করে ইনকাম করে থাকেন, তাহলে আপনার ওয়েবসাইটটি হচ্ছে ব্লগ ওয়েবসাইট।

আর আপনি যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে কাজ করে থাকেন, তাহলে আপনার ওয়েবসাইটের নাম হতে পারে অ্যাফিলিয়েট ওয়েবসাইট। যদি আপনি ড্রপ শিপিং ব্যবসা শুরু করেন, এক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইটটি হতে পারে ড্রপ শিপিং ওয়েবসাইট।

অনলাইনে যত ধরনের ব্যবসা রয়েছে, সবগুলো ব্যবসার জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। সবগুলো ওয়েবসাইটের মধ্যে বিভিন্ন রকমের পার্থক্য রয়েছে। কাজের উপর নির্ভর করে ওয়েবসাইটগুলোকে এভাবে ডিজাইন করা হয় বলেই ওয়েবসাইট গুলোর নাম ভিন্ন ভিন্ন করা হয়েছে।

ওয়েবসাইট কি বা কাকে বলে?

উপরের আলোচনা থেকে আশা করছি, আপনারা ওয়েবসাইট কি? অথবা ওয়েবসাইট কাকে বলে? সে বিষয়ে সহজে বুঝতে পেরেছেন। যদি আপনারা ওয়েবসাইট কাকে বলে? বা ওয়েবসাইট কি? সে বিষয়ে এখনও না বুঝে থাকেন, তাহলে আমাদেরকে নিচের কমেন্ট বক্সে গিয়ে কমেন্ট করতে পারেন।

যেন আমরা আপনাদেরকে আরও সহজে বিভিন্ন রকম সংজ্ঞা দিয়ে বুঝাতে পারি। কারণ এই বিষয়গুলো স্বাভাবিক কিছু বিষয়। এজন্য আপনি টেকনোলজি থেকে যেন পিছিয়ে না থাকেন। সেজন্য এই বিষয়গুলোর সঠিক তথ্য আপনাকে জানতে হবে। এবং এগুলো কিভাবে ব্যবহার করতে হয়? সে বিষয়ে আপনাকে বুঝতে হবে।

ওয়েবসাইট তৈরি করতে কি কি প্রয়োজন হয়?

বর্তমান সময়ে একটা ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য পাঁচটি জিনিস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই পাঁচটি টুলস যদি আপনার কাছে থাকে, তাহলে আপনি খুব সহজেই একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলতে পারবেন। তার মধ্যে প্রথম হচ্ছে একটি সিএমএস। সিএমএস হচ্ছে কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

যার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েব সাইটের কনটেন্ট গুলো কে ম্যানেজ করতে পারবেন। বিভিন্নভাবে পরিচালনা করতে পারবেন। দ্বিতীয়ত হচ্ছে, ডোমেইন। ডোমেইন হচ্ছে একটা ওয়েবসাইটের নাম। যেমন আমাদের এই সাইটের নাম হচ্ছে bdbloq.com। এই সাইটের মত আপনাকে একটা ডোমেইন ক্রয় করতে হবে। ডোমেইন নামটা সবসময় ইউনিক একটি নাম হয়ে থাকে।

যেমন: bdbloq.com যদি আপনি আবার ক্রয় করতে চান, তাহলে কিন্তু আপনি ক্রয় করতে পারবেন না। কারণ এটা ইতিমধ্যে আমরা রেজিস্ট্রেশন করে ফেলেছি। তৃতীয়তঃ হচ্ছে একটি হোস্টিং। হোস্টিং হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট তথ্যগুলোকে জমা রাখার একটি স্পেস বা মেমোরি। মেমোরি বা হোস্টিংয়ের জন্য আপনি বিভিন্ন কোম্পানির সার্ভিস গ্রহণ করতে পারেন। তার মধ্যে জনপ্রিয় কিছু কোম্পানি হচ্ছে,

  1. Namecheap
  2. Bluehost
  3. Host Gator
  4. I it host
  5. Hostever
  6. Host Seba

এখানে কিছু কোম্পানি সারা বিশ্বের মধ্যে সার্ভিস দিয়ে থাকেন। যেমন: Namecheap, Bluehost এবং Host Gator, ইত্যাদি। এগুলোর কাছ থেকে ডোমেইন হোস্টিং ক্রয় করলে আপনি শতভাগ নিশ্চিত থাকতে পারবেন। আপনি সবকিছু সঠিকভাবে পেয়েছেন। তবে বিদেশি কোম্পানির কাছ থেকে ডোমেইন হোস্টিং ক্রয় করলে পেমেন্ট করতে একটু ঝামেলা হয়।

ওয়েবসাইট তৈরি করতে কি কি প্রয়োজন হয়?
ওয়েবসাইট তৈরি করতে কি কি প্রয়োজন হয়?

এক্ষেত্রে আপনার কাছে ইবিএল ব্যাংকের একুয়া মাস্টার কার্ড থাকলে কোনো সমস্যা হবেনা। চাইলে আপনি বাংলাদেশি ডোমেইন-হোষ্টিং ক্রয় করতে পারেন। তবে আমি রিকমেন্ট করি Namecheap, Bluehost ও Host Gator এর মতো কোম্পানির সার্ভিস। বাংলাদেশের মধ্যে অধিকাংশ ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানিরা রিসেলার হিসেবে ব্যবসা করে থাকে।

এজন্য বাংলাদেশের অধিকাংশ ডোমেইন হোস্টিং কোম্পানির হোস্টিং এর গতি খুবই কম থাকে। যার ফলে ওয়েবসাইট দ্রুত গতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে পারেনা। ডাটা ট্রান্সফার করতে না পারলে ওয়েবসাইটের গতি খুবই কম হয়। ফলে ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে চাইবেনা।

বর্তমান সময়ে ওয়েবসাইট লোডিং গতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

যদি আপনার ওয়েবসাইটের গতি কম থাকে, তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিক হারিয়ে ফেলবে। যার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে ইনকাম কমে যায়। সুতরাং আপনাকে একটি ভালো মানের হোস্টিং ব্যবহার করার জন্য। একটি ভালো কোম্পানিতে নির্বাচন করতে হবে।

বিদেশি কোম্পানির সার্ভিস নিতে ৩০০ থেকে ১০০০ টাকা আপনাকে বেশি টাকা খরচ করতে হবে। যদি আপনি ভালো সুবিধা উপভোগ করতে চান। চতুর্থ হচ্ছে একটি থিম। থিম হচ্ছে, একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন করার মূল উপাদান। ওয়েবসাইট থিমগুলো ডেভলপাররা তৈরি করে রাখেন। যাতে করে সাধারণ ভোক্তারা সহজেই ব্যবহার করতে পারেন।

চাইলে থিম আপনি নিজেই কোডিং এর মাধ্যমে ডিজাইন করতে পারেন। নিজে ডিজাইন করতে পারলে আপনাকে কোন ধরনের থিম ক্রয় করার জন্য টাকা খরচ করতে হবে না। যদি আপনার কোন কোডিং সম্পর্কে অভিজ্ঞতা না থাকে, তাহলে আপনি থিম ক্রয় করে আপনার ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে পারেন।

পঞ্চম হচ্ছে প্লাগিন।

প্লাগিনগুলো হচ্ছে নতুন একটি ফিচার যুক্ত করার উপাদান। আপনার ওয়েবসাইটে যখন আপনি কিছুদিন পরিচালনা করার পর নতুন কোন ফিচার যুক্ত করতে চাইবেন। তখন প্লাগিন আপনাকে সাহায্য করবে। প্লাগিন এর মাধ্যমে ওয়ার্ডপ্রেস ইন্সটল করে। ওয়ার্ডপ্রেসে আপনি আপনার সুবিধা অনুযায়ী বিভিন্ন রকম প্লাগিন ব্যবহার করে, ইচ্ছামত ডিজাইন তৈরি করতে পারবেন।

যার মাধ্যমে আপনি অনেকগুলো ফিচার যুক্ত করতে পারবেন। যেগুলো আপনার ওয়েবসাইটের পাঠক এবং ক্রেতাদের আকৃষ্ট করবে। আপনার ওয়েবসাইটের নিয়মিত ভিজিট করার জন্য ভিজিটরদের সন্তুষ্ট করবে। ফলে আপনি অনলাইনে ভালো একটি ব্যবসা দাঁড় করাতে পারবেন। এবং অনলাইন থেকে ভালো অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

প্লাগিনগ নতুন ফিচার যুক্ত করার উপাদান
প্লাগিনগ নতুন ফিচার যুক্ত করার উপাদান

যদি আপনি মোবাইল দিয়ে কিভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়? সে বিষয়ে জানতে চান, তাহলে নিচে আমাদের পোস্ট লিংক দেওয়া আছে। সেই পোস্ট পড়ে ফেলতে পারেন। যেন আপনি মোবাইল দিয়ে কিভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়? সে বিষয়ে জানতে পারেন।

মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি

এবং ওয়েবসাইট তৈরি করতে কত টাকা খরচ হবে? সে বিষয়ে যদি আপনি একটা ধারণা অর্জন করতে চান, তাহলে আমাদের নিচে দেওয়া আর্টিকেলগুলো পড়ে ফেলতে পারেন। আমরা এই বিষয়ে ইতিমধ্যে অনেক বিস্তারিত আলোচনা করেছি একটা ওয়েবসাইট তৈরীর প্রসঙ্গে।

ওয়েবসাইট কি? এর সমাপ্তি আলোচনা

সম্মানিত পাঠক, আশাকরছি ওয়েবসাইট কি? এবং ওয়েবসাইট এর প্রকারভেদ সম্পর্কে আপনাদেরকে সহজ ভাবে বোঝাতে পেরেছি। এবং আপনারা আশা করছি, এই বিষয়গুলো বুঝতে পেরেছেন। যদি আপনারা বিষয়গুলোতে কিছু না বুঝে থাকেন। তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করতে পারেন।

আমরা ওয়েবসাইটে আপনাদের জন্য কঠিন বিষয় গুলোতে সবসময় সাহায্য করার চেষ্টা করব। ইতিমধ্যে আমাদের লেখার মধ্যে আমরা ওয়েবসাইটের গুরুত্বপূর্ণ সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। পরবর্তীতে আমরা এই আর্টিকেলটি আপডেট করার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকারের ওয়েবসাইট সম্পর্কে আলোচনা আপনাদের শেয়ার করব।

যার মাধ্যমে আপনারা বিভিন্ন প্রকারের ওয়েবসাইটগুলো কোনটি কি কাজে ব্যবহার করা হয়? সে বিষয়ে আপনারা জানতে পারবেন। যদি আপনারা এই বিষয়ে জানতে চান। এই বিষয়ে যদি আপনারা আগ্রহ প্রকাশ করেন। তাহলে আমাদেরকে কমেন্টের মাধ্যমে উৎসাহিত করতে পারেন।

পাশাপাশি যদি আপনি আপনার বন্ধুদেরকে টেকনোলজি বিষয়ে সাহায্য করতে চান। আমাদের এই ব্লগ পোস্টের লিংক কপি করে আপনার বন্ধুকে ম্যাসেঞ্জারে অথবা হোয়াটসঅ্যাপের মধ্যে পাঠাতে পারেন। যেন আপনার বন্ধুরা ও আমাদের লেখাগুলো পড়ে এখান থেকে উপকৃত হতে পারে।

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো পরিপূর্ণ গাইডলাইন 2022

0
ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো
ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো এই বিষয় নিয়ে বর্তমানে অনেকে চিন্তিত থাকেন। যদি আপনি সঠিক মানের গাইড পেয়ে যান, তাহলে এই বিষয় নিয়ে চিন্তা করার কোনো কারণ নেই। আপনি শুধুমাত্র একটু ধৈর্য ধরে শিক্ষার ক্ষেত্রে নিজেকে সময় দিতে সহায়তা করুন। তাহলে আপনি একজন ভাল মানের ফ্রিল্যান্সার হয়ে উঠতে পারবেন। আজকের এই লিখাটি পড়ার পর আপনি জানতে পারবেন, ফ্রিল্যান্সার কিভাবে হয়ে উঠবেন? সে বিষয়ে সম্পর্কে পরিপূর্ণ গাইডলাইন।

আপনি যদি এখনো পর্যন্ত ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে ভালোভাবে না বুঝে থাকেন। এবং কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন? সে বিষয়ে সম্পর্কে যদি অবগত না হন। তাহলে এই লেখাটা মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। কারণ ফ্রীলান্সিং হচ্ছে খুবই লাভজনক একটি পেশা। যদি আপনি এই পেশায় নিজেকে সঠিকভাবে নিয়োজিত করতে পারেন, তাহলে এখান থেকে আপনি ভালো একটি পর্যায়ে যেতে পারবেন। এবং আর্থিক সকল চাহিদা মেটানোর জন্য এটি খুবই ভাল একটি প্রফেশন।

বর্তমানে যারা ফ্রিল্যান্সিং কে প্রফেশন হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তারা ঘরে বসে ইনকাম করতে সক্ষম হচ্ছে। আপনিও যদি তাদের মতই একজন ভালো ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ঘরে বসে অর্থ উপার্জন করতে চান। তাহলে এটি আপনার জন্য খুবই ভালো সময়। এই সময়টাকে আপনি সঠিকভাবে ব্যবহার করে ঘরে বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো?

একটি ভালো আইটি ইন্সটিটিউট থেকে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য অবশ্যই আপনাকে প্রাথমিকভাবে একটি ভালো উন্নত মানের আইটি ইন্সটিটিউট নির্বাচন করতে হবে। যারা ভালো মানের একটি শিক্ষা কেন্দ্র নির্বাচন করতে পারে না। তারা কিন্তু ফ্রীলান্সিং প্রফেশনে গিয়ে সফল হতে পারে না।

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো? সে বিষয়ে একটি পরিপূর্ণ গাইডলাইন
ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো

যদি আপনি একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নিজেকে সবার সামনে উপস্থাপন করতে চান। তাহলে অবশ্যই আপনাকে ভালো একটি আইটি ইন্সটিটিউট থেকে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। যদি আপনি ভালো আইটি ইন্সটিটিউট বিষয়ে সম্পূর্ণ জানতে চান।

এবং ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো? সে বিষয়ে একটি পরিপূর্ণ গাইডলাইন পেতে চান। তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনি পড়তে পারেন। যেন আপনি একজন প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারেন। এবং ভালো মানের অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম হতে পারেন।

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের মধ্যে হাজার হাজার আইটি ইন্সটিটিউট রয়েছে। যারা শিক্ষার্থীদের কে ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকেন। কিন্তু এদের মধ্যে অধিকাংশ ইনস্টিটিউট সঠিকভাবে গাইডলাইন প্রদান করতে পারে না। যার কারণে ছাত্রছাত্রীরা এখানে ভর্তি হওয়ার পরেই সঠিক গাইডলাইন না পেয়ে। ফ্রীলান্সিং প্রফেশনে ব্যর্থ হয়ে যান। ব্যর্থতার ফলে এই প্রফেশনটা কে মিথ্যা মনে করতে শুরু করে।

যদি আপনি নিজের প্রফেশনটাকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে চান। এবং ভালো জ্ঞান অর্জন করে একজন ফ্রিল্যান্সার হতে চান। তাহলে একটি উন্নত মানের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিকল্প নেই। যেখান থেকে আপনি সঠিকভাবে ফ্রীলান্সিং বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন।

যদি আপনি এই বিষয়ে অনেক বেশি আগ্রহী হয়ে থাকেন, তাহলে আমাদেরকে আপনার আগ্রহের বিষয় কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। যেন আমরা আপনাকে ফ্রীলান্সিং বিষয়ে আরও তথ্য সরবরাহ করে সাহায্য করতে পারি।

ফ্রিল্যান্সিং কি?

এই বিষয়ে কাজ করার আগে আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং কি? বা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরটা আসলে কি? ফ্রীলান্সিং হচ্ছে, এমন একটি সেক্টর। যেখানে আপনি ঘরে বসে অথবা বিশ্বের যেকোন প্রান্তে বসেই বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা ও সার্ভিস বিক্রি করার মাধ্যমে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করার একটি যুগোপযোগী সিস্টেম। এই পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনি ঘরে বসেই একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং কি ও ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো
ফ্রিল্যান্সিং কি

সাধারণত যারা ফ্রিল্যান্সিং করে থাকেন। তারা দেখবেন অনলাইনে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস বিক্রি করতে পছন্দ করেন। এক্ষেত্রে আপনি কোন বিষয়ে সার্ভিস দেওয়ার মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করতে চাচ্ছেন? সে বিষয়টি আপনাকে নির্বাচন করতে হবে। যদি এই বিষয়টাকে আমি ফ্রিল্যান্সিংয়ের সংখ্যা সহজে বলতে চাই, তাহলে আমি বলতে পারি।

অনলাইনের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি বিভিন্ন কাজ অথবা সার্ভিস প্রদান করার মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অথবা দেশের মুদ্রা অর্জন করার জন্য যে সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। সেই সুযোগ-সুবিধাকে মূলত ফ্রীলান্সিং বলা হয়। ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে আপনি মূলত দেশের বাহিরের মানুষের কাজ করতে পারবেন। যার মাধ্যমে আপনি বৈদেশিক মুদ্রা দেশে নিয়ে আসতে পারবেন।

আবার চাইলে আপনি দেশের মধ্যে যারা বিভিন্ন প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করিয়ে নেন। তাদের প্রজেক্ট গুলোতে আপনি কাজ করার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। সবচেয়ে বেশি ভালো হয় যদি আপনি বৈদেশিক মুদ্রা দেশের মধ্যে উপার্জন করে নিয়ে আসতে পারেন।

এক্ষেত্রে আপনার দেশ এবং আপনি দু জনেই স্বাবলম্বী হতে পারবেন। একজন ফ্রিল্যান্সার দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে অনেক বেশি ভূমিকা রাখতে পারে। তার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের জন্য অনেকটা বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করে নিয়ে আসতে পারে।

দেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করতে পারেন। সুতরাং আপনি যদি দেশের জন্য অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে চান, তাহলে অবশ্যই একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনাকে এই প্রফেশনটা নির্বাচন করতে হবে। এবং ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো? সে বিষয়ে আপনাকে ভালোভাবে জানতে হবে।

কি কি কাজগুলো ফ্রিল্যান্সারদের শিখতে হয়?

আমরা একটু আগে আলোচনা করেছি। মূলত আপনি কি কি কাজ গুলো শিখবেন? সেটা নির্ভর করে আপনি কোন বিষয়ে ফ্রিল্যান্সিংকরবেন? সেটার উপরে Based করে। যদি আপনি কোন বিষয়ে ফ্রিল্যান্সিংকরবেন? সেটা নির্বাচন করতে পারেন, তাহলে আপনি সঠিক উত্তর পাবেন। তখন কি কি বিষয়ে আপনাকে দক্ষতা অর্জন করতে হবে? সে সম্পর্কে সহজে বুঝতে পারবেন।

সুতরাং আপনি যদি একজন ফ্রিল্যান্সার হতে চান, তাহলে প্রথমে আপনাকে নির্বাচন করতে হবে। কি বিষয়ে আপনি কাজ করবেন? এর পরে আপনি জানতে পারবেন, আপনাকে কি কি বিষয়ে কাজ শিখতে হবে? মূলত যারা ফ্রিল্যান্সিং কাজে আগ্রহী এবং ফ্রিল্যান্সার হতে চান, তাদের জন্য আমরা নিচে কিছু বিষয় আলোচনা করব। যে বিষয়গুলো আপনাকে অবশ্যই একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে জানতে হবে।

যিনি ফ্রিল্যান্সিং কাজ করবেন, তাকে কিন্তু বিভিন্ন সেক্টরের কাজ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে হবে। আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে কাজ করেন। এক্ষেত্রে আপনাকে ৩৬০ ডিগ্রি জ্ঞান অর্জন করতে হবে। আপনি ৩৬০ ডিগ্রি জ্ঞান অর্জন করতে পারেন, তাহলে আমি মনে করবো আপনি ভালো একজন ফ্রীল্যান্সার হতে পারবেন।

কি কি কাজগুলো ফ্রিল্যান্সারদের শিখতে হয়?
কি কি কাজগুলো ফ্রিল্যান্সারদের শিখতে হয়?

একজন গ্রাফিক ডিজাইনার হতে চাইলে, আপনাকে গ্রাফিক ডিজাইন বিষয়ের পাশাপাশি ওয়েব ডিজাইনিং সম্পর্কে জ্ঞান রাখতে হবে। এবং আপনি যদি একজন ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে কাজ করেন। এক্ষেত্রে আপনাকে একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান রাখতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং কাজের প্রতিটি অংশ একটি অপরটির সাথে সম্পর্কিত। সুতরাং আপনাকে একজন ফ্রীল্যান্সার হতে হলে বিভিন্ন বিষয়ে একাধিক দক্ষতা অর্জন করতে হবে। তাহলে আপনি একজন ফ্রিল্যান্সার হয়ে উঠতে পারবেন। নিচের ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আর কিছু মৌলিক কাজের তালিকা দেওয়া হয়েছে।

যে কাজগুলো আপনাকে শিখতে হবে

  • টাইপিং গতি অনেক বেশি ভালো হতে হবে
  • বেসিক কম্পিউটার পরিচালনা জানতে হবে
  • ফ্রিল্যান্সিং কি সেটা সহজে বুঝতে হবে
  • এই সেক্টরে কি কি কাজের ক্যাটাগরি রয়েছে, তা জানতে হবে
  • বেসিক কোডিং জানতে হবে
  • যে বিষয়ে কাজ করবেন, তাতে পরিপূর্ণ দক্ষতা অর্জন করতে হবে
  • গ্রাফিক ডিজাইন সম্পর্কে সাধারণ অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

ক্যারিয়ার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং কেমন হবে?

ক্যারিয়ার হিসেবে ফ্রীলান্সিং অসাধারণ একটি সেক্টর। এই সেক্টর এর মধ্যে আপনি যেকোন বিষয়ে সার্ভিস প্রদান করার মাধ্যমে কাজ করতে পারবেন। ইতিমধ্যে আপনারা আমাদের আলোচনার মধ্য থেকে জানতে পেরেছেন। একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার কি কি দক্ষতা থাকা প্রয়োজন? যদি আপনি এই বিষয়গুলোকে ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে আপনাদের অবশ্যই সামান্য কিছু ধারনা হলেও অর্জন হয়েছে।

ফ্রিল্যান্সিংকে যারা ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রহণ করতে চান, তাদের জন্য এটি খুবই উপযুক্ত একটি অপরচুনিটি। যদি আপনি একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতে চান। আপনাকে নিজের জন্য একটি সেরা ক্যাটাগরি নির্বাচন করতে হবে। কারণ, ফ্রিল্যান্সিং কাজের মধ্যে বিভিন্ন রকমের ক্যাটাগরি রয়েছে। এখান থেকে আপনার জন্য কোন ক্যাটাগরিটি উপযুক্ত সেটি আপনাকে প্রথমে নির্বাচন করতে হবে।

এরপর আপনার ক্যারিয়ারের জন্য আপনাকে একটি গোল তৈরি করতে হবে। কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন? সে বিষয়ে আমরা একটু পরে আলোচনা করব। তবে এটাই আপনাকে বলতে চাই, যদি আপনি একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে এই প্রফেশনে ক্যারিয়ার গড়তে চান। কোন চিন্তা ছাড়াই আপনি এই সেক্টরে নিজের ক্যারিয়ার নির্বাচন করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হতে হবে। যদি আপনি ক্রিয়েটিভ হতে না পারেন, তাহলে ফ্রিল্যান্সিং কাজ আপনার জন্য কঠিন হবে।

পাশাপাশি আপনার দীর্ঘ সময় ব্যয় করে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। যদি আপনি দিনরাত পরিশ্রম করতে না পারেন, তাহলে কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং আপনার জন্য নয়। তবে এমন না যে, আপনাকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই খাটতে হবে। হতে পারে কিছু কিছু সময় আপনাকে দিনে এবং রাতে কাজ করতে হতে হবে।

অনেক সময় দেখা যায় যে ফ্রিল্যান্সিং কাজের চাপ বেশী হলে আপনাকে বেশি সময় ধরে কাজ করতে হবে। এজন্য আপনাকে যেদিন কাজের পরিমাণ বেশি থাকবে। সেদিন বেশি কাজ করার দক্ষতা আপনার মধ্যে তৈরি করতে হবে।

যদি আপনি ভালো দক্ষতা অর্জন করতে পারেন এবং কাজের মধ্যে নিজেকে জড়িয়ে রাখতে পারেন। তাহলেই ফ্রীলান্সিং আপনার জন্য খুব ভালো একটি উপযুক্ত সেক্টর হবে।

এই সেক্টর থেকে মাসে কত টাকা আয় করা যায়

ফ্রিল্যান্সিং করে আপনি মাসে কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন? সে বিষয়টি নির্ভর করে আপনার কাজের উপরে। আপনি কোন ক্যাটাগরিতে কাজ করতে যাচ্ছেন? সে ক্যাটাগরির মান কেমন? এবং কত সময় ধরে আপনি কাজ করে যাচ্ছেন? কতগুলো বায়ারের কাছে আপনি সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছেন? সে বিষয়ের উপরে নির্ভর করে।

ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম
ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা ইনকাম

ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেস থেকে কত অর্থ উপার্জন করতে পারবেন? আমি যদি আপনাদেরকে একটি ধারণা দিয়ে দিই, তাহলে ভালো হবে। আপনি যদি প্রতিদিন তিন থেকে চার ঘণ্টা মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি প্রতি মাসেই একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে বাংলাদেশি টাকায় আপনি ৪০ থেকে ১ লাখ টাকারও বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে আপনার যথেষ্ট ভালো দক্ষতা থাকতে হবে।

যদি আপনি ক্লায়েন্টদের সার্ভিস বিক্রি করতে না পারেন, তাহলে কিন্তু ফ্রীলান্সিং থেকে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব নয়। অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেন কোনো দক্ষতা ছাড়া। ভালো দক্ষতা না থাকায় এই ফ্রিল্যান্সারদেরকে হতাশ হতে হয়। যদি আপনি সঠিক একটি বিষয় নির্বাচন করেন। সেই বিষয়ে ভালো পড়াশোনা করার পর নিজের মধ্যে দক্ষতা তৈরি করে ফেলেন।

জ্ঞান অর্জনের পরে যদি কাজ করেন, তাহলেই আপনি ভালো অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। সুতরাং যদি আপনি ফ্রিল্যান্সিং থেকে ভালো অর্থ উপার্জন করতে চান এবং হতাশ হতে না চান। আপনাকে ভালো দক্ষতা অর্জন করতে হবে এবং আপনাকে ভালো একটি স্বপ্ন দেখতে হবে। নিজের জন্য ভালো একটি গোল তৈরি করতে হবে। যেন আপনি সঠিকভাবে কাজ করতে সক্ষম হন।

আমি কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করব?

আপনি কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন? এই বিষয়ে কিন্তু আলোচনার মধ্যেই দিয়ে ইতিমধ্যে অনেকটা ধারণা প্রদান করেছি। যদি আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চান, তাহলে প্রথমে আপনাকে স্বপ্ন দেখতে হবে, আপনি একজন ফ্রিল্যান্সার হবেন। এর পরে আপনাকে একটি বিষয় নির্বাচন করতে হবে। যেমন গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, এবং ডিজিটাল মার্কেটিং, ইত্যাদি।

এই ধরনের সাবজেক্ট গুলো থেকে যে কোন একটি বিষয়ে আপনাকে নির্বাচন করতে হবে। যে বিষয়টি নিয়ে আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চাচ্ছেন। এরপরে আপনাকে উক্ত বিষয়ের উপরে স্টাডি করতে হবে। স্টাডি করার জন্য আপনি চাইলে কোন একটা আইটি ইন্সটিটিউট থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারেন। অথবা আপনি চাইলে ইউটিউব এবং গুগল এর মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। আপনারা যদি আমাদের ওয়েবসাইটের ফ্রিল্যান্সিং ও ডিজিটাল মার্কেটিং গাইডলাইন গুলো অনুসরণ করতে পারেন।

এখান থেকে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে ভালো জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন।

তবে লেখাগুলো পড়ে আপনি একজন প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার হয়ে উঠতে পারবেন না। এখানে শুধুমাত্র আমরা টিপস ও কৌশল শেয়ার করেছি। কিভাবে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতে হয়? সে বিষয়ে কিন্তু এখানে কাজ শেখানো হয়নি। সুতরাং আপনাকে আমরা সঠিক তথ্য গুলো দিতে পারবো।

এই বিষয়ে যদি আপনারা একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ শুরু করতে চান। আপনাকে আপনার নির্ধারিত বিষয়ে ভালো দক্ষতা অর্জন করার পর। বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে প্রোফাইল তৈরি করতে হবে। মার্কেটপ্লেসের প্রোফাইল তৈরি করে সেখানে নিজের সম্পর্কে তথ্য বহুল আলোচনা শেয়ার করতে হবে। আপনার এবং আপনার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ক্লায়েন্টদেরকে সহজে বোঝাতে হবে।

এরপরে আপনি বসে থাকলে হবে না। আপনি আপনার প্রোফাইলটা কে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মধ্যে প্রমোশন করতে পারেন। প্রমোট করলে আপনি খুব দ্রুত কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। এক্ষেত্রে ফেসবুক এবং টুইটার ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া এগুলোতে আপনার মার্কেটপ্লেস প্রোফাইল গুলোকে শেয়ার করতে পারেন। নিয়মিত এই কাজটি আপনাকে করতে হবে।

যেন আপনার প্রোফাইলে ইম্প্রেশন এবং ক্লিক যুক্ত হয়। যখন ইম্প্রেশন এবং ক্লিক ভাল হবে, তখন মার্কেটপ্লেসগুলোতে আপনার প্রোফাইলটা সবার উপরে চলে আসবে। এবং এখান থেকে আপনি কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। এভাবে করে যদি আপনি কাজ করতে পারেন, তাহলে সহজেই আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারবেন।

আশা করছি, এই লেখার মাধ্যমে আপনি ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো তা জানতে পেরেছেন? এখানে ভালো অভিজ্ঞতা পেয়েছেন। যদি আপনি আরও বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করতে চান, তাহলে আমাদেরকে নিচের কমেন্ট বক্সে গিয়ে প্রশ্ন করতে পারেন। আমরা আপনাদের প্রশ্নগুলোকে সবসময় মূল্যায়ন করি। এবং খুব সুন্দর ভাবে প্রশ্ন গুলোর আনসার দেওয়ার চেষ্টা করি।

ফ্রিল্যান্সিং কি নতুনদের জন্য ভালো?

আমাদের আলোচনার মধ্যে আমরা দক্ষতা শব্দটাকে একাধিকবার ব্যবহার করেছি। এজন্য আপনারা মনে করবেন না যে, আপনি যদি দক্ষ হতে না পারেন। তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারবেন না। ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যে আমরা একটি বিষয় বারবার বলেছি। প্রথমে আপনাকে একটি নির্দিষ্ট বিষয় নির্বাচন করতে হবে। যে বিষয়ে আপনি তাদেরকে সার্ভিস প্রদান করবেন।

ফ্রিল্যান্সিং কি নতুনদের জন্য ভালো?
ফ্রিল্যান্সিং কি নতুনদের জন্য ভালো?

যদি সে বিষয়টা আপনার জন্য খুবই সহজ হয়। আপনি একজন নতুন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারবেন। যদি আপনি এক থেকে তিন মাস ইউটিউব এবং গুগলের মাধ্যমে বিভিন্ন বিষয়ে প্র্যাকটিস করেন। তাহলে আপনি ভাল সার্ভিস প্রদান করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং কাজ অনেক জটিল কোনো কাজ নয়। এটি খুব সহজ একটি কাজ।

যদি আপনি নিজেকে স্মার্ট হিসেবে উপস্থাপন করতে পারেন। এবং কাজে আপনাকে নিয়োজিত করতে পারেন। তাহলে অবশ্যই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারবেন। যদি একজন নতুন হিসেবে আপনাকে শুরু করতে চান, তাহলে আপনার ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই। ভয় না পেয়ে শুরু করুন। এখান থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

যারা ফ্রিল্যান্সিং কাজকে ভয় পেয়ে থাকে, তারা মূলত অনেক বড় একটি সুযোগ হারিয়ে ফেলেছে। এজন্য আপনি যেন আপনার অর্থ উপার্জনের এই সুযোগটি হারিয়ে না ফেলেন। তার জন্য আপনাকে ভয় দূর করে কাজ শুরু করতে হবে।

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো?

সম্মানিত পাঠক আশা করছি, আমাদের সম্পূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো? সেই প্রশ্নের উত্তরটি আপনারা পেয়েছেন। আপনারা যদি এই প্রশ্নটির উত্তর সঠিকভাবে না পেয়ে থাকেন, তাহলে আমাদেরকে আপনাদের ব্যক্তিগত প্রশ্ন গুলো কমেন্ট এর মাধ্যমে করতে পারেন। আমরা সব সময় আপনাদের কে সঠিক তথ্য এবং জ্ঞান শেয়ার করার জন্য প্রস্তুত।

যেহেতু অনেকে আমাদের কে প্রশ্ন করে থাকেন। ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো? সেজন্য আমরা এই বিষয়ে আজকে একটি পরিপূর্ণ গাইডলাইন আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। এখানে হয়তো অনেক কিছুই না থাকতে পারে। পরবর্তীতে আমরা এই লেখাটিকে আরও আপডেট করব। এবং এই লেখার মধ্যে আরও তথ্য বহুল কিছু বিষয় আপনাদের জন্য যুক্ত করে দিব।

যদি আপনারা এই বিষয়টাকে পছন্দ করে থাকেন, তাহলে আপনারা নিজেদের প্রশ্নগুলো আমাদেরকে করতে পারেন। যে প্রশ্নগুলো আমরা আমাদের এই লেখার মধ্যে আপডেট করে দিব। যখন বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করবেন, সে প্রশ্নগুলো থেকে অন্যান্য পাঠকরাও জ্ঞান অর্জন করতে পারবে। যখন আমরা আপনাদের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিব। সে প্রশ্নের উত্তর অন্যান্য পাঠাকরাও দেখবে।

যার মাধ্যমে তারা আপনাদের মত অজানা প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবে। আশা করছি, এটি আপনাদের জন্য খুবই ভাল একটি আর্টিকেল লেখা হয়েছে। যদি এই আর্টিকেলটি পছন্দ করে থাকেন, তাহলে বন্ধুদের সাথে এই লেখাটির লিংক কপি করে ফেসবুক, টুইটার এবং হোয়াটসঅ্যাপের মধ্যে শেয়ার করতে পারেন। সবার জন্য শুভকামনা রইল! ফিনান্সিং করার জন্য সবাই এগিয়ে যান। এই কামনায় আজকের লেখাটা শেষ করতে যাচ্ছি। আল্লাহ হাফেজ।

ফেসবুক থেকে আয়: ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?

0
ফেসবুক থেকে আয়: ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?
ফেসবুক থেকে আয়: ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?

বর্তমান সময়ে ফেসবুক হচ্ছে খুব জনপ্রিয় একটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। এই সোস্যাল মিডিয়া কে ব্যবহার করে সবাই ব্যবসা করতে শুরু করেছে। আপনিও যদি আপনার ব্যবসা করে ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়? সে বিষয়ে জানতে চান, তাহলে লিখাটি আপনি সম্পূর্ণ করতে পারেন। আজকে লেখাতে আমরা আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়? ও ফেসবুক থেকে আয় করার অনেকগুলো উপায়। যদি আপনারা এগুলো জেনে যান, তাহলে ফেসবুক ব্যবহার করে ঘরে বসেই অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

যারা মূলত ফেসবুকের মধ্যে শুধুমাত্র লাইক কমেন্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেন। তারা কিন্তু সময় এবং টাকা অপচয় করে, কাজ করে উপার্জন করতে পারেন। যারা বুদ্ধিমান রয়েছেন তারা কিন্তু তাদের বুদ্ধি কে ব্যবহার করে। সময়গুলোর সঠিক ব্যবহার করে অনলাইনের মাধ্যমে ফেসবুক থেকে ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। আজকে আমরা এমন কিছু আইডিয়া আপনাদের সাথে শেয়ার করব।

বিভিন্ন পদ্ধতিতে ফেসবুক থেকে আয়:

আইডিয়া গুলো আপনারা ব্যবহার করে ফেসবুক থেকে আয় বিভিন্ন পদ্ধতিতে করতে পারবেন। যারা মূলত একটু ক্রিয়েটিভ তারা মূলত ফেসবুক ব্যবহার করে আয় করতে পারেন। কাজ করে নিজেদের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে অনেক বেশি টাকা ইনকাম করতে সক্ষম হবেন।

বিভিন্ন পদ্ধতিতে ফেসবুক থেকে আয়
বিভিন্ন পদ্ধতিতে ফেসবুক থেকে আয়

এখানে আমরা যে সকল আইডিয়া গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। এগুলো এমন নয় যে, আপনি অনেকক্ষণ ধরে কাজ করে কয়েক টাকা ইনকাম করবেন। মূলত আমরা এমন আইডিয়া গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করব। সেগুলো প্রফেশনাল ব্যক্তিরা করে থাকেন।

অর্থাৎ ফেসবুক থেকে আয় করার জন্য যারা প্রফেশনাল রয়েছেন, তারা যেভাবে কৌশল গুলো অনুসরণ করে। সেই কৌশল গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করব। যদি আপনাদেরকে ধারণা দিয়ে থাকি, তাহলে আপনারা ফেসবুক থেকে কাজ করে প্রতিমাসে ৫০ হাজার টাকা থেকে লক্ষ টাকার বেশি ইনকাম করতে পারবেন।

অনেকে বলে থাকবেন ভাই এগুলো তো ভুয়া কথা। কিভাবে একটা ফেসবুক থেকে মাসে লক্ষ টাকা ইনকাম করা যায়? আসলে ভাই আপনি এখনো ট্রাই করে দেখেন নাই। আপনি আজকে ফেসবুক খুললে ফেসবুক থেকে আয় যদি করতে চান। সে ক্ষেত্রে কিন্তু আপনি কখনো সফল হতে পারবেন না। ফেসবুকে ইনকামের অনেকগুলো পদ্ধতি রয়েছে। যে পদ্ধতি গুলো আপনি ব্যবহার করে কাজ করবেন। এবং এখান থেকে আপনি ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

তবে আপনি লক্ষ টাকা ইনকাম করার যদি স্বপ্ন রাখেন, তাহলে আপনাকে সেই ভাবে একটি প্ল্যান তৈরি করতে হবে। এবং সেই প্ল্যান অনুযায়ী আপনাকে কাজ করতে হবে। যদি আপনি আপনার প্ল্যান অনুযায়ী সঠিক ভাবে কাজগুলো করতে পারেন। অবশ্যই আপনি ফেসবুকের মাধ্যমে ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম হবেন।

ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?

তাহলে চলুন, এখন আমরা জেনে নিই, ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়? যারা এই লেখাটা মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারবেন। তারাই মূলত এখান থেকে ভালো কিছু শিখতে পারবেন। যাদের একদিনের মধ্যে লক্ষ টাকা ইনকাম করার স্বপ্ন রয়েছে। তারা এই লিখাটি পড়া বাদ দিয়ে এমন কিছু করেন। যেটার মাধ্যমে আকাশ থেকে আপনার জন্য টাকার ব্যবস্থা হয়ে যাবে।

সুতরাং আপনি যদি এমন চিন্তা ভাবনা করেন ফেসবুকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করবেন। আর আজকেই আপনি লক্ষ টাকা ইনকাম শুরু করবেন। তাহলে কিন্তু এই লেখাটা আপনার জন্য নয়। তবে আমরা আপনাকে এটি অবশ্যই বলতে পারি আপনি যদি একজন নতুন হয়ে থাকেন। এবং ফেসবুকে আপনি আমাদের আইডিয়া গুলো নিয়ে কাজ করে থাকেন। তাহলে নতুন হিসেবে প্রতি মাসে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকার মতো একটা এমাউন্ট খুব সহজে ইনকাম করতে পারবেন।

এটি আমরা গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি। তবে এই কাজগুলো করার জন্য অবশ্যই কাজ জানতে হবে। যদি আপনি কাজ না জানেন, তাহলে ফেসবুক থেকে আয় কিভাবে করবেন? সেটার উত্তর আপনি নিজে আমাদেরকে দিতে পারেন। যদি আপনি কাজ জানেন, তাহলে আপনাকে আমি ইনকাম না করার জন্য বাঁধা দিলেও আপনাকে আটকে রাখা যাবেনা। আপনি ইনকাম করবেনই।

ক্রিয়েটর হিসেবে ফেসবুক থেকে আয় করুন:

আমরা এক সময় শুধুমাত্র ইউটিউব এর মধ্যেই ভিডিও তৈরি করে সেগুলো আপলোড করে ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারতাম। মূলত এই ক্ষেত্রে আমরা ইউটিউবে যারা ভিডিও তৈরি করে থাকেন। তাদেরকে ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে চিনে থাকি। যদি আপনি একজন ফেসবুকে ভিডিও ক্রিয়েটর হয়ে থাকেন, তাহলে আপনিও একজন ফেসবুক ভিডিও ক্রিকেটর হিসেবে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

মূলত যারা ফেসবুকের মধ্যে ভিডিও তৈরি করে থাকেন, তাদের কে ফেসবুক ক্রিয়েটর বলা হয়। আর যারা ইউটিউব এর মধ্যে ভিডিও তৈরি করে থাকেন। তাদের কে ইউটিউব ক্রিয়েটর বলা হয়। সুতরাং আপনি বুঝতে পেরেছেন, যদি আপনি কোন ভিডিও তৈরি করেন অথবা অনলাইনে আপলোড করার মত এমন কিছু উপাদান তৈরি করেন। যেগুলো ব্যবহার করে আপনি যদি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন, তাহলে আপনি একজন ক্রিয়েটর হতে পারবেন।

ভালো ক্রিকেটার হওয়ার গুনাবলি:

ফেসবুক থেকে আয়
ফেসবুক থেকে আয়

তবে একজন ভালো ক্রিকেটার হওয়ার জন্য অবশ্যই যারা আপনার অডিয়েন্স রয়েছে। তাদের মনোযোগ ধরে রাখতে হবে। এবং তাদেরকে খুশি রাখতে হবে। যদি আপনি আপনার অডিয়েন্সের কে সন্তুষ্ট করতে পারেন। তাহলে আপনি একজন ক্রিকেটার হিসেবে ভালো অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম হবেন। ফেসবুকের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করার জন্য সবচেয়ে ভালো একটি উপায় হচ্ছে ফেসবুক ভিডিও ক্রিয়েটর।

যদি আপনি ফেসবুক ভিডিও ক্রিকেটার হিসেবে কাজ করেন, তাহলে অনেক ভালো পরিমাণ ইনকাম এখান থেকে করতে পারবেন। এবং এটি হচ্ছে একটি প্রফেশনাল ইনকামের পদ্ধতি। যদি আপনি ফেসবুক কে আপনার প্রফেশন হিসেবে গ্রহণ করতে চান। এবং ফেসবুক থেকে আয় করতে চান। তাহলে আপনি একজন ফেসবুক ভিডিও ক্রিয়েটর হিসেবে কাজ করতে পারেন। যেটি অনেক লাভজনক একটি উপায় বলে আমি মনে করি।

যদি আপনিও এটাকে লাভজনক হিসেবে ব্যবহার করতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই প্রফেশনাল পদ্ধতিতে ভিডিও তৈরি করা শিখতে হবে। এবং নিয়মিত ফেসবুক পেজে ভিডিও আপলোড করে অর্থ উপার্জন করতে এগিয়ে যেতে হবে। যদি আপনি ফেসবুক থেকে আয় করতে চান। সে ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করতে হবে। আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে ভিডিও আপলোড করে কিন্তু আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন না। অর্থ উপার্জন করার জন্য আপনাকে অবশ্যই একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করতে হবে।

ক্রিয়েটর হিসেবে ফেসবুক থেকে আয়:

একজন প্রফেশনাল ক্রিয়েটর হিসেবে ফেসবুক থেকে আয় করার জন্য। প্রথমে আপনাকে একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করতে হবে। এবং ফেসবুক পেইজ সঠিকভাবে অপটিমাইজ করতে হবে। কিভাবে ফেসবুক পেজ অপটিমাইজ করতে হয়? সে বিষয়ে যদি আপনার পরিপূর্ণ জ্ঞান না থাকে, তাহলে আপনি ইউটিউব থেকে ভিডিও দেখে একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করতে পারেন। এবং পেইজটি সঠিকভাবে অপটিমাইজ করতে পারেন। পেইজটি অপটিমাইজ করার পর আপনাকে পেজের জন্য নিয়মিত ভিডিও তৈরি করতে হবে।

এক্ষেত্রে আপনি প্রতি সপ্তাহে দুইটি অথবা প্রতি মাসে চার-পাঁচটি করে ভিডিও আপলোড করতে পারেন। যদি আপনার যথেষ্ট পরিমাণ সময় থাকে এবং ভালো মানের ভিডিও আপনি তৈরি করতে পারেন। তাহলে প্রতিদিনই আপনি ভিডিও আপলোড করতে পারবেন। এক্ষেত্রে প্রতিদিন কয়টি ভিডিও আপনি আপলোড করবেন? সেটির কোন সীমাবদ্ধ নেই। আপনি চাইলে প্রতিদিন আনলিমিটেড ভিডিও আপলোড করতে পারবেন।

সিডিউল অনুযায়ী ভিডিও আপলোড করুন:

আপনি যদি সিডিউল অনুযায়ী ভিডিও আপলোড করতে চেষ্টা করেন। তাহলে আপনি আপনার অডিয়েন্সদের কে ধরে রাখতে পারবেন। এবং আপনার ভিডিওগুলো বেশি মানুষ দেখতে থাকবে। ফলে আপনি খুব দ্রুতই ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে শুরু করবেন। একটা ফেসবুক পেজের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে হলে, ফেসবুক পেইজ মনিটাইজ করতে হবে। পেইজ মনিটাইজ করতে ১০ হাজার ফলোয়ার এবং ৩০ হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম সংগ্রহ করতে হবে।

ফেসবুক পেইজ মনিটাইজ করার ৩টি সহজ ধাপ

পেইজ মনিটাইজ

আর এই ৩০,০০০ মিনিট ওয়াচ টাইম এবং ১০,০০০ ফলোয়ার সংগ্রহ করার জন্য। আপনার প্রতিটি ভিডিও তিন মিনিটের উপরে তৈরি করতে হবে। অর্থাৎ আপনি যদি তিন মিনিটের চেয়ে কম ভিডিও তৈরি করেন, তাহলে সেই ভিডিওতে যে ভিউস আসবে। সেগুলো ওয়াচ টাইম হিসেবে গ্রহণ করা হবে না। যদি আপনার ভিডিওটি তিন মিনিটের চেয়ে দীর্ঘ হয়। তাহলে ওই ভিডিও থেকে আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

যখন ফেসবুক আপনার ভিডিও গুলোতে বিজ্ঞাপন দেখাবে, তখন এখান থেকে আপনি ৫৫% প্রফিট পাবেন। এবং ৪৫% ফেসবুক কর্তৃপক্ষ পাবে। যার মাধ্যমে আপনি ফেসবুক ব্যবহার করে প্রফেশনাল পদ্ধতিতে ইনকাম করতে পারবেন।

ইউটিউবে বেশি ইনকাম করা যায়?

নাকি ফেসবুক ক্রিয়েটর হিসেবে বেশি ইনকাম করা যায়? তাহলে আমি আপনাকে সহজে উত্তর দেব। আপনি যদি একজন ফেসবুক ক্রিয়েটর হিসেবে কাজ করেন। তাহলে আপনি সবচেয়ে বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

কারণ, ফেসবুকের মধ্যে এখনও বেশি রেভিনিউ শেয়ার করা হয়। ইউটিউব আপনাকে ৪৫% রেভিনিউ শেয়ার করে থাকেন, কিন্তু ফেসবুক আপনার সাথে ৫৫ পার্সেন্ট শেয়ার করে। যার মাধ্যমে আপনি ফেসবুকের ক্রিয়েটর হিসেবে অনেক ভালো ইনকাম করতে সক্ষম হবেন।

ফেসবুক পেইজ ম্যানেজার হিসেবে ফেসবুক থেকে আয় করুন

সেলিব্রিটি থেকে শুরু করে যতগুলো কোম্পানি রয়েছে। সবারে কিন্তু ফেসবুক পেইজ রয়েছে। এই ফেসবুক পেইজ গুলো তারা একা একা পরিচালনা করতে পারে না। এক্ষেত্রে তাদের বিভিন্নজনের সাহায্য প্রয়োজন হয়। এজন্য তাদের ফেসবুক পেইজ গুলো পরিচালনা করার জন্য।

ফেসবুক পেইজ ম্যানেজার হিসেবে ফেসবুক থেকে আয় করুন
ফেসবুক পেইজ ম্যানেজার হিসেবে ফেসবুক থেকে আয় করুন

তারা ফেসবুক পেইজ ম্যানেজার নিয়োগ দিয়ে থাকেন। আপনি যদি একজন ফেসবুক পেইজ ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতে চান। তাহলে ফেসবুক থেকে অর্থ উপার্জন করার জন্য এটি খুব সহজ একটি উপায় হবে।

যদি আপনি এই উপায়টি ব্যবহার করতে চান, তাহলে আপনি যারা সেলিব্রিটি রয়েছে। এবং যে সকল কোম্পানির পেইজ ম্যানেজার নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনি চাইলে কোম্পানিকে একটা প্রপোজাল অফার পাঠাতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার একটা প্রপোজাল লেটার তৈরি করতে হবে।

এই লেটারটা আপনি কোম্পানির কাছে সাবমিট করবেন। এটি চাকরি পাওয়ার জন্য প্রপোজাল হিসেবে কাজ করবে। যদি আপনি কোম্পানির কাছে জব অফার এর জন্য একজন ফেসবুক ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী থাকেন।

চাকরির জন্য যোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ

এক্ষেত্রে আপনার সকল তথ্য দেখে এবং আপনার যোগ্যতা দেখে। তারা আপনাকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য রাজি হয়ে যাবে। এবং যারা সেলিব্রিটি রয়েছে, তাদেরকে আপনি সরাসরি মেসেজ পাঠাতে পারেন। এক্ষেত্রে অনেকে কিন্তু মেসেজ নাও দেখতে পারে।

এক্ষেত্রে আপনি তাদের ইমেইল ঠিকানা সংগ্রহ করে ইমেইল পাঠাতে পারেন। ইমেইল পাঠানোর মাধ্যমে আপনি যে, একজন প্রফেশনাল। সেই বিষয়টি পরিচয় পেয়ে যাবে। সঠিকভাবে তাদের ইমেইল পাঠাতে পারেন। ইমেইল অবশ্যই সুন্দর এবং প্রফেশনাল পদ্ধতিতে লিখতে হবে।

যার মাধ্যমে আপনি যে, একজন প্রফেশনাল ফেসবুক পেইজ ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতে পারবেন। সে বিষয়টি তারা বুঝতে পারবেন। যদি আপনি এই পদ্ধতি অনুসরণ করে অর্থ উপার্জন করতে চান, তাহলে আপনি আজ থেকেই এই পদ্ধতি অনুসরণ পারেন। যদি আপনি একজন ফেসবুক পেইজ ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেন। আপনাকে বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবে না।

বর্তমানে হাজার হাজার কোম্পানি আপনার মত একজন ম্যানেজার খুঁজে বেড়াচ্ছেন। যেন আপনি তাদের ক্রেতাদের সাপোর্ট দেওয়ার মাধ্যমে ক্রেতাদের সন্তুষ্ট করতে পারেন। তারা যেন তাদের ফেসবুক পেইজ গুলো ম্যানেজ করতে পারেন। এবং কাস্টমারকে সন্তুষ্টির মাধ্যমে সেখান থেকে যেন ভালো পরিমাণ বিক্রয় সংগ্রহ করতে পারেন। সেলিব্রিটিরাও ঠিক একই রকম পদ্ধতি অনুসরণ করে।

ম্যানেজার হিসেবে কত টাকা ইনকাম করা যায়?

একজন ফেসবুক পেজ ম্যানেজার হিসেবে কত টাকা ইনকাম করা যায়? সেটা নির্ভর করবে আপনি যে মানুষের বা কোম্পানির হয়ে কাজ করবেন তাদের উপর। যদি আপনি একজন ভাল সেলিব্রিটি পেয়ে যান। সে যদি ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারেন। তাহলে আপনার স্যালারি পরিমাণ বেশি হবে।

এক্ষেত্রে একজন ভালো সেলিব্রিটি আপনাকে প্রতি মাসে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা সেলারি দিয়ে দিয়ে আপনাকে পেইজ ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দিতে পারেন। অথবা আপনি যদি কোন কোম্পানীর হয়ে কাজ করে থাকেন।

সেক্ষেত্রে তাদের কোম্পানির ফেসবুক পেইজ পরিচালনার জন্য আপনাকে নিয়োগ দিতে পারে। একটা ই-কমার্স কোম্পানি সাধারণত আপনাকে প্রতি মাসে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বা তার বেশি সেলারি হিসেবে দিতে পারে। তবে যদি আপনি স্বনামধন্য কোন কোম্পানির এবং বড় কোম্পানিতে নিয়োগ পেয়ে থাকেন। একজন ফেসবুক পেইজ ম্যানেজার হিসেবে প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকারও বেশি বেতন পাবেন।

এক্ষেত্রে আপনার যোগ্যতা এবং দক্ষতা দুটি বিবেচনা করা হবে। যদি আপনার ফেসবুক পেইজ ম্যানেজার হিসেবে ভাল অভিজ্ঞতা থাকে এবং ক্রেতাদের কে সন্তুষ্ট করতে পারেন। তাহলে আপনি যে কোন কোম্পানিতে সহজে চাকরি পাবেন।

পণ্য বিক্রি করে ফেসবুক থেকে আয় করুন

বর্তমান সময়ে ফেসবুকের মধ্যে নিজের পণ্য বিক্রয় করে অর্থ উপার্জন করা খুব সহজ। এক্ষেত্রে আপনাকে নিজের একটি ফেসবুক প্রোফাইল তৈরি করতে হবে। অথবা একটি ফেসবুক পেইজ তৈরি করতে হবে। এগুলোর পেজের ব্র্যান্ডিং করার মাধ্যমে পেইজটা কে জনপ্রিয় করে তুলবেন। যখন ক্রেতারা আপনার পেইজে যুক্ত হতে থাকবে। তখন তাদেরকে আপনার পণ্যগুলো উপস্থাপন করতে হবে।

পণ্য বিক্রি
পণ্য বিক্রি

তারা আপনার পণ্যগুলো যদি পছন্দ করে। আপনাকে অর্ডার করবে। সেখান থেকে আপনি ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। যদি ফেসবুক পেইজে নিজের পণ্য বিক্রয় করতে চান। তাহলে আপনাকে এমন পণ্যগুলি নির্বাচন করতে হবে। যে পণ্যগুলো ফেসবুক পেইজে সহজেই আপনি বিক্রয় করতে পারবেন। আমার একজন বন্ধু রয়েছে। যে পড়ালেখার খরচ যোগাতে না পেরে।

এসএসসি পাশ করার পর পড়ালেখা বন্ধ করে দিয়েছিল। কিন্তু সে পড়ালেখা শেষ করার পরে থেমে থাকেনি। অর্থ উপার্জন করার জন্য বিভিন্ন উপায়গুলো অনুসরণ করে যাচ্ছিল। বর্তমান সময়ে সে ভাল একজন উদ্যোক্তা হয়ে উঠেছে। যদিও তার পড়ালেখার সম্পর্কে ভালো জ্ঞান নেই। কিন্তু সে ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়? সে বিষয়ে অভিজ্ঞ হয়ে উঠেছে।

অন্যের ইনকাম দেখে যদি আপনারা কাজ শুরু করেন। সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনারা সফল হতে পারবেন না। আপনাকে নিজের দক্ষতা গুলো কে ব্যবহার করে নিজ উদ্যোগেই এই বিষয়ে কাজ করতে হবে। যদি আপনি ইচ্ছাশক্তি ধরে রাখতে পারেন। তাহলে আপনি সঠিকভাবে ফেসবুক পেইজে পণ্য বিক্রয় করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। যেহেতু এখানে এটি পুরাতন কোন আইডিয়া নয়।

ফেসবুক পেজের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ ছাত্র ছাত্রীরা তাদের পণ্য বিক্রয় করে অর্থ উপার্জন করে যাচ্ছে। সুতরাং এটি আপনি অবিশ্বাস করার কোনো কারণ নয়। এটি খুবই লাভজনক একটি আইডিয়া। যদি আপনি এটি ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন করতে চান, তাহলে আজকেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেন।

পণ্য বিক্রি করে ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়

আপনার যদি নিজস্ব কোন পণ্য থাকে, অথবা নিজস্ব পণ্য সংগ্রহ করতে পারেন। তাহলে আপনি নিজের পণ্যগুলো বিক্রয় করে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। যদি আপনার নিজস্ব কোন পণ্য না থাকে, এক্ষেত্রে আপনি আপনার আশেপাশের কোন দোকানের মালিকের সাথে চুক্তি করতে পারেন। দোকানদারের সাথে এমন একটা চুক্তি করবেন।

যেন ফেসবুক থেকে আপনি কোনো পণ্যের অর্ডার পেলে। সে যেন আপনাকে কম দামে পণ্য গুলো দিতে রাজি থাকে। অর্থাৎ দোকানদার যদি আপনাকে পণ্যটি ১০০ টাকা দিয়ে বিক্রয় করে। ফেসবুকের মাধ্যমে সে পণ্যটি ১২০ টাকা দিয়ে বিক্রি করতে পারবেন। পাশাপাশি আপনি ফেসবুকে যদি এধরনের পণ্য বিক্রয় করে থাকেন। তাহলে ডেলিভারি করেও অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন। একটা পণ্য বিক্রয় করে যদি আপনি ২০ টাকা প্রফিট করতে পারেন। ডেলিভারি করে আরো ২০ টাকা প্রফিট করা সম্ভব।

অর্থাৎ একটা পণ্য বিক্রয় করে ৪০ টাকার বেশি আপনি লাভবান হতে পারবেন। যদি এই পদ্ধতি আপনি অনুসরণ করেন, তাহলে আপনি খুব সহজে শুরু করতে পারেন। আপনি আপনার আশেপাশের কোন দোকানদার মালিকের সাথে আপনি চুক্তি করে ফেলুন। এবং আপনার প্রয়োজনীয় পণ্য গুলো তার কাছ থেকে সংগ্রহ করে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দেওয়ার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করুন।

ফেসবুকে দুইভাবে বিজ্ঞাপন দেওয়া যায়। ফ্রি এবং প্রিমিয়াম। আমি আপনাকে সবসময় এই বিষয়ে পরামর্শ দিব, যেন আপনি সম্পূর্ণ ফ্রিতে মার্কেটিং করার মাধ্যমে আপনার পণ্যগুলো বিক্রয় করেন। আপনি যদি বিজ্ঞাপন দেওয়ার মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করতে চান। এক্ষেত্রে আপনাকে বেশি টাকা খরচ করতে হবে।

সেজন্য আপনি ফেসবুকের বিজ্ঞাপনের কথা বাদ দিয়ে সরাসরি নিজেই মার্কেটিং করুন। এবং মার্কেটিংয়ে নিজের অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে তুলুন। এভাবে আপনি নিজেও একজন অভিজ্ঞ মার্কেটের হয়ে উঠতে পারবেন। এবং ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জনও করতে পারবেন।

ফেসবুক ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল দিয়ে আয় করুন

ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল এর মাধ্যমে ফেসবুক থেকে আয় হচ্ছে একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি। বর্তমান সময়ে যাদের ব্লগ ওয়েবসাইট রয়েছে। তারা এই সুবিধাটি ব্যবহার করে ফেসবুক ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল থেকে প্রতি মাসে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করে যাচ্ছে। আপনি যদি আপনার একটা ফেসবুক পেইজ ব্যবহার করে ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল থেকে অর্থ উপার্জন করতে চান। তাহলে এই কাজটি খুব দ্রুত শুরু করতে পারেন।

এই কাজটি শুরু করার জন্য আপনার অবশ্যই একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে। এবং আপনার ওয়েবসাইটে আপনাকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করতে হবে। লেখালেখি করার মাধ্যমে লেখাগুলো ফেসবুক ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেলে যুক্ত করতে হবে। ফেসবুক আপনার লেখা গুলোতে বিজ্ঞাপন দেখানোর মাধ্যমে যে ইনকাম করবে। সেই ইনকাম একটি অংশ আপনার সাথে শেয়ার করবে।

ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল দিয়ে ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়

ফেসবুক ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করার জন্য। প্রথমে আপনাকে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে। বর্তমান সময়ে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা দিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। আপনি যদি ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান। এই ক্ষেত্রে আপনার আশেপাশের কোন পরিচিত কোন ডেভলপারের সাহায্য নিতে পারেন। যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেলের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন।

ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল
ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল

যদি আপনি ব্লগ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করেন। এক্ষেত্রে আপনি ফেসবুক এবং গুগল দুটি মাধ্যম থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। কিভাবে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা যায়? অথবা কিভাবে ব্লগ সাইট নগদীকরণ করা যায়? সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান, তাহলে আমাদের আগের একটি ব্লগ পোস্ট রয়েছে। সেটি পড়ে ফেলতে পারেন।

কারণ, সে ব্লগ পোস্টের মধ্যে আমরা ব্লগ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ইনকাম করার বিভিন্ন উপায় আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। যদি আপনি ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য কারও সন্ধান না পেয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে আমাদের সাহায্য নিতে পারেন।

সরাসরি বিডি ব্লগের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

আমাদের ফেসবুক পেইজে মেসেজ করলে আমরা খুব দ্রুত রিপ্লাই করবো। আমাদের কাছ থেকে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ইনকাম করার একাধিক গাইড পেয়ে যাবেন। যেন আপনি ব্লগ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারেন। একটি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলুন। এরপর আপনার ওয়েবসাইটে আপনাকে নিয়মিত পোস্ট করতে হবে।

এক্ষেত্রে সপ্তাহে দুই তিনটি করে আপনি পোস্ট করলেই চলবে। ২০ থেকে ৩০ টা পোস্ট পাবলিশ করার পর আপনি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেলের জন্য এপ্লাই করতে পারবেন। ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল এ এপ্লাই করার পর কয়েক দিনের মধ্যে আপনার অ্যাপ্লিকেশন গ্রহণ করা হবে। আবেদন গ্রহণ হলে ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

সাধারণত ফেসবুক পুরাতন পেইজ দিয়ে যারা আবেদন করে থাকেন। তাদের আবেদন খুব দ্রুতই গ্রহণ করা হয়। এক্ষেত্রে আপনার ব্লগ সাইটে যদি ২০ থেকে ৩০ পোস্ট থাকে। তাহলে আপনি খুব দ্রুত এপ্রুভাল পেয়ে যাবেন। এর মাধ্যমে ফেসবুক ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল এর মাধ্যমে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। আশা করছি, এই আইডিয়াটি আপনারা অবশ্যই ভালো লাগবে।

যদি আপনি আইডিয়াটি পছন্দ করেন। তাহলে আজকে একটু ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলুন। এবং সেই ব্লগ ওয়েবসাইট মনিটাইজ করে বিভিন্ন পদ্ধতিতে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন শুরু করুন।

স্ট্যাটাস ছবি ডিজাইন করে ইনকাম করুন

বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ও যারা ইনফ্লুয়েন্সার এবং সেলিব্রেটি রয়েছে। তাদের জন্য আপনি ফেসবুক স্ট্যাটাস ছবি ডিজাইন করার মাধ্যমে ফেসবুক থেকে আয় করতে পারেন। কিভাবে ফেসবুক স্ট্যাটাস ছবি ডিজাইন করতে হয়? সে বিষয়ে যদি আপনি বিস্তারিত জানতে চান, তাহলে আমাদের আগের একটি আর্টিকেল পড়ে ফেলতে পারেন। আর্টিকেলটির লিংকটা নিচে দিয়ে দিচ্ছি। যেন আপনি সেখান থেকে লাভবান হতে পারেন। এটি হচ্ছে খুবই লাভজনক একটি আইডিয়া।

ফেসবুক স্ট্যাটাস ছবি ডিজাইন করার অ্যাপ ও কৌশল

ফেসবুক স্ট্যাটাস

যার মাধ্যমে আপনি আপনার স্মার্টফোন অথবা কম্পিউটার ব্যবহার করে ফেসবুক স্ট্যাটাস ছবি ডিজাইন করতে পারবেন। যারা ইনফ্লুয়েন্সার এবং সেলিব্রেটি রয়েছে। তারা সবাই এই সার্ভিসটা গ্রহণ করতে খুব দ্রুত আপনাকে হায়ার করবে। বিশেষ করে কমার্স নিয়ে যারা কাজ করে থাকেন। তারা তাদের ছবি ডিজাইন করার জন্য এবং বিজ্ঞাপন ব্যানার ডিজাইন করার জন্য আপনাকে নিয়োগ দেবেন।

যারা ফেসবুক স্ট্যাটাস ছবি ডিজাইন করে থাকেন। তাদের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। যদি আপনি ভালো ছবি ডিজাইন করতে পারেন, তাহলে আপনি এই প্রফেশনে নিজেকে এগিয়ে নিতে পারবেন। এই প্রফেশনে কাজ করার জন্য আপনাকে অনেক বেশি কষ্ট করতে হবে না। যদি আপনার এই বিষয়ে একটুও দক্ষতা না থাকে, তাহলেও কোন সমস্যা নাই।

আপনি কয়েকদিন প্রাকটিস করলে এই বিষয়ে সঠিক দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন। এবং বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন। যদি আপনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস ছবি কিভাবে ডিজাইন করতে হয়? সে বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে চান। তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করতে পারেন।

ইতিমধ্যে আমাদের একটি ব্লগ পোস্টের লিংক আপনাদের কে দিয়ে দিয়েছি। আপনারা এখান থেকেও ভালো আইডিয়া তৈরি করতে পারবেন। যেন আপনারা ফেসবুক স্ট্যাটাস ছবি ডিজাইন করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

রিসেলার হিসেবে ফেসবুক থেকে আয় করুন

যারা কোনো ব্যক্তি বা কোম্পানির পণ্য নিয়ে পুনরায় বিক্রি করেন। তাদের কে মূলত রিসেলার বলা হয়। আপনি যদি একজন রিসেলার হিসেবে ফেসবুকে পণ্য বিক্রয় করে অর্থ উপার্জন করতে চান। এই ক্ষেত্রে আপনার জন্য দারুন এটি একটি দারুণ আইডিয়া।

রিসেলার বিজনেস
রিসেলার বিজনেস

সুতরাং আপনি যদি এই বিজনেস শুরু করতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই এমন একটি কোম্পানি নির্বাচন করতে হবে। যাদের পণ্যগুলো আপনি রিসেলার হিসেবে বিক্রয় করতে পারবেন। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের মধ্যে জনপ্রিয় একটি কোম্পানির রিসেলার ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। রিসেলার ব্যবসা করতে নিজেদের কোনো পণ্য থাকার প্রয়োজন নেই।

কিভাবে রিসেলার হিসেবে কাজ করতে পারেন?

এই বিষয়ে যদি আরও বিস্তারিত জানতে চান, তাহলে আমাদের একটি ইউটিউব ভিডিও দেখে ফেলতে পারেন। এখানে আমরা আমাদের ইউটিউব এর একটি ভিডিও যুক্ত করে দিচ্ছি। যেখানে শপআপ রিসেলার এর পরিপূর্ণ গাইড শেয়ার করা হয়েছে। এরপরও যদি আপনারা কোন কিছু সহজে বুঝতে না পারেন, তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করে প্রশ্ন করতে পারেন। আমরা আপনাদেরকে খুব সহজ গাইড করব।

যেন আপনি একজন রিসেলার হিসেবে বিজনেস শুরু করতে পারেন। এটি ফেসবুক থেকে ব্যবসা করার জন্য অনেক জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি। এখানে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে শুরু করার জন্য আপনাকে কোন টাকা বিনিয়োগ করতে হবে না। ফেসবুক পেজের মাধ্যমে আপনি আপনার পণ্যগুলো মার্কেটিং করার মাধ্যমে বিক্রয় করতে পারবেন। যার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।

শপআপ রিসেলার এর পরিপূর্ণ গাইড

যদি আপনি প্রফেশনাল পদ্ধতিতে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করতে চান। সে ক্ষেত্রে আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলতে পারেন। ওয়েবসাইট তৈরী করে ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ডাবল টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে শুধুমাত্র আপনাকে ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য প্রাথমিকভাবে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। এর থেকে বেশি টাকা আপনাকে বিনিয়োগ করতে হবেনা।

এই বিনিয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজের একটি ব্যক্তিগত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে তৈরি করতে পারবেন। যার মাধ্যমে আপনি একজন রিসেলার হিসেবে ভালো পরিমাণ অর্থ ফেসবুক থেকে অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম হবেন।

ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়

ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়? এ বিষয়ে আমাদেরকে অনেকেই অধিকাংশ সময়ে প্রশ্ন করে থাকেন। ইতিমধ্যে আমরা অনেকগুলো আইডি আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। তবে পরবর্তীতে আমরা এই আর্টিকেলের মধ্যে আরও কিছু জনপ্রিয় ফেসবুক থেকে আয় করার আইডিয়া শেয়ার করব।

যেন আপনারা এখান থেকে আরও কিছু ইউনিক আইডিয়া পেতে পারেন। যার মাধ্যমে ফেসবুক থেকে আপনারা সহজে ইনকাম করতে পারবেন। ইতিমধ্যে যে আইডিয়াগুলো আমরা শেয়ার করেছি। এগুলো আপনাদের পছন্দ হবে।

যদি আইডিয়া গুলো আপনারা পছন্দ করে থাকেন, তাহলে আমাদের এই পোস্টটি আপনাদের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। এবং এখান থেকে যে কোন একটি আইডিয়া পছন্দ করে। ফেসবুক থেকে আয় এর জন্য কাজ শুরু করতে পারেন।

বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম ও বিকাশ অ্যাপ এর সুবিধা

0
বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম ও বিকাশ অ্যাপ এর সুবিধা
বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম ও বিকাশ অ্যাপ এর সুবিধা

বিকাশ হচ্ছে বাংলাদেশ ভিত্তিক একটি ফাইন্যান্স সার্ভিস প্রোভাইডার কোম্পানি। বাংলাদেশের মধ্যে জনপ্রিয় যতগুলো কোম্পানি রয়েছে। তার মধ্যে বিকাশ নাম্বার ওয়ান জনপ্রিয়তায় স্থান গ্রহণকারী। যারা বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম ও বিকাশ অ্যাপ এর সুবিধা সম্পর্কে জানতে চান। তাদের জন্য আমরা আজকে বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম ও বিকাশ অ্যাপ এর সুবিধা। অ্যাপের সকল ফিচার এবং ব্যবহার সম্পর্কে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করার চেষ্টা করব। যেন আপনারা এখান থেকে বিকাশের এপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারেন।

বাংলাদেশের মধ্যে যতগুলো ই-কমার্স কোম্পানি রয়েছে। তারা বর্তমানে বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট সংগ্রহ করে থাকে। আপনি এমন কোনায় কমার্স কোম্পানি পাবেন না। যারা মূলত বিকাশ ব্যবহার করে না। যেহেতু বিকাশ হচ্ছে বাংলাদেশের একটি অনলাইন ভিত্তিক ব্যাংকিং সেবা প্রতিষ্ঠান।

সেহেতু বিকাশ কে সবাই প্রাধান্য দিয়ে থাকে অনলাইনের মাধ্যমে যেকোনো কিছু কেনাকাটা করার জন্য। বাংলাদেশের মধ্যে যত প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তারা সবাই বিকাশের বিভিন্ন অফার দিয়ে থাকে। যেন বিকাশের মাধ্যমে তাদের গ্রাহকরা সহজে তাদের কাছ থেকে পণ্য ক্রয় করতে পারেন এবং দ্রুত পেমেন্ট করতে পারে। যদি আপনি বিকাশ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে না থাকেন, তাহলে আজকে আমাদের আর্টিকেল থেকে ভালোভাবে বুঝতে পারবেন কিভাবে বিকাশ ব্যবহার করতে হবে? এবং তাদের অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে।

বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম ও বিকাশ অ্যাপ এর সুবিধা

আমরা আমাদের পাঠকদের জন্য প্রয়োজনীয় সকল কনটেন্ট তৈরি করতে কাজ করে থাকি। বর্তমান সময়ের সাথে উপযোগী করে কনটেন্ট তৈরি করে আমাদের পাঠকদের কে সাহায্য করাটাই হচ্ছে, আমাদের মূল উদ্দেশ্য। আমরা যেন আরো ভাল কনটেন্ট তৈরি করে আপনাদের জন্য ভালো কিছু নিয়ে আসতে পারি। সেজন্য আমাদের কে অনুপ্রাণিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।

বিকাশ অ্যাপ
বিকাশ অ্যাপ

আপনারা যদি আমাদের কে সাপোর্ট করেন, তাহলে আমরা পরবর্তীতে আরো কোয়ালিটি সম্পন্ন আর্টিকেল লিখতে পারবো। আপনাদের সার্পোট আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে। চলুন এবার আমরা বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম ও বিকাশ অ্যাপ এর সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন। যেন আমরা সহজে বিকাশ ব্যবহার করে সকল সুবিধা উপভোগ করতে পারি।

অ্যাকাউন্ট তৈরি করে বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম

বিকাশের যাত্রা যখন শুরু হয়েছিল, তখন বিকাশের ডায়ালিং কোড ব্যবহার করে বিকাশের সকল ফিচার ব্যবহার করতে হতো। বর্তমানে তারা নতুন একটি অ্যাপস তৈরি করেছে। যে অ্যাপটির মাধ্যমে তাদের গ্রাহকরা সকল ফিচার খুব সহজে ব্যবহার করতে পারেন। এর ফলে বিকাশের সার্ভিস এর মান উন্নয়ন করা হয়েছে। এবং আরো জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে।

আপনি যদি বিকাশ অ্যাপ এর মাধ্যমে আপনার নতুন একটি একাউন্ট তৈরী করতে চান, তাহলে কয়েকটি ধাপ ফলো করার মাধ্যমে খুব দ্রুত আপনার বিকাশ একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। আপনার বিকাশ একাউন্টটি রেজিস্ট্রেশন করার জন্য প্রথমে আপনার একটি জাতীয় পরিচয় পত্র থাকতে হবে। এবং যে ব্যক্তি নিজের ব্যক্তিগত বিকাশ একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করবেন।

বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম
বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম

উক্ত ব্যক্তিকে সরাসরি উপস্থিত থাকতে হবে। অর্থাৎ আপনি যদি আপনার নিজের অ্যাকাউন্ট তৈরি করেন। এক্ষেত্রে আপনাকে উপস্থিত থাকতে হবে। কারণ আপনার একটি ছবি আপলোড করতে হবে সরাসরি উপস্থিত থেকে।

বিকাশ অ্যাপ দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি ও বিকাশ অ্যাপ এর সুবিধা –

রবি বাংলালিংক, বা গ্রামীণফোন, রবি সহ যেকোনো মোবাইল ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোম্পানির সিম থাকলে। এবং আপনার একটি জাতীয় পরিচয় পত্র থাকলে। আপনি বিকাশ অ্যাপটি আপনার মোবাইলের ইনস্টল করার মাধ্যমে। খুব সহজেই একটি বিকাশ অ্যাকাউন্ট তৈরি করে ফেলতে পারেন। বিকাশ একাউন্ট তৈরি করার জন্য আপনাকে প্রথমে প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ ইন্সটল করতে হবে।

এরপর আপনাকে বিকাশে অ্যাপটিতে রেজিস্ট্রেশন বাটন এ ক্লিক করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন বাটনে ক্লিক করার পর পরবর্তী ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে আপনাকে আপনার মোবাইল নাম্বারটি দিয়ে ভেরিফাই করতে হবে।

মোবাইল নাম্বার ভেরিফাই করার জন্য বিকাশ থেকে আপনার নাম্বারে একটি ওটিপি কোড পাঠানো হবে। উক্ত কোডটি ব্যবহার করে আপনার নাম্বারটি কে যাচাই করতে হবে। যদি আপনার নাম্বারটি সঠিক থাকে তাহলে পরবর্তীতে আপনাকে এনআইডি কার্ডের উভয় পেজ আপলোড করতে বলবেন।

বিকাশ অ্যাপ এর সুবিধা নিয়ে পরে আলোচনা হবে

ধাপে ধাপে আপনি এনআইডি কার্ডের প্রতিটি পেজ আপলোড করার পর। আপনাকে আপনার নিজের ব্যক্তিগত একটি সেলফি ওটাতে বলা হবে। সেলফিতে অবশ্যই আপনাকে উপস্থিত থাকতে হবে। ছবি থেকে ছবি উঠানোর চেষ্টা করলে হবে না। ছবি উঠানোর সময় আপনাকে একটু একটু চোখ নাড়াচাড়া করতে হবে। যেন বুঝানো যায় আপনি নিজে উপস্থিত থেকে আপনার বিকাশ একাউন্টটি রেজিস্ট্রেশন করতে যাচ্ছেন।

লেনদেন করা ও বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম

*২৪৭# এই কোডটি ব্যবহার করে প্রাথমিকভাবে বিকাশের সকল ফিচার আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে কোড ডায়াল করে বিকাশ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেকগুলো সেবা আপনি গ্রহণ করতে পারবেন না। কোড ডায়াল করে বিকাশের সকল লেনদেন ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অনেকটা জটিলতা অনুভব করতে হবে। যদি আপনি খুব সহজে বিকাশের সকল লেনদেন ম্যানেজ করতে চান, তাহলে আপনাকে বিকাশ অ্যাপটি ব্যবহার করতে হবে।

বিকাশ অ্যাপ তাদের ব্যবহারকারীদের জন্য সবকিছু সহজ করে দিয়েছেন। বিকাশ ব্যবহারে আপনার পূর্ব থেকে কোন জ্ঞান না থাকলেও আপনি কোন রকম অভিজ্ঞতা ছাড়াই বিকাশ অ্যাপ ব্যবহারের নিয়ম ও বিকাশ অ্যাপ এর সুবিধা সহ যেকোনো ধরনের লেনদেন সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে আপনি আপনার যেকোনো প্রিয়জনের কাছে টাকা পাঠাতে পারেন।

মুহুর্তের মধ্যে পৃথিবীর যেকোন জায়গায় টাকা পাঠানোর জন্য বিকাশ হচ্ছে, জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। যদিও বিকাশ শুধুমাত্র বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বিকাশের সার্ভিস এখন বর্তমানে সারা বিশ্বের মধ্যে ছড়িয়ে যাচ্ছে।

সেন্ড মানিতে বিকাশ অ্যাপ এর সুবিধা

আপনি যদি বিকাশ অ্যাপ থেকে সেন্ড মানি করার ক্ষেত্রে আ