Affiliate marketing: ৭টি কারণে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করা প্রয়োজন

thumbnail
Affiliate marketing: ৭টি কারণে আপনার অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করা প্রয়োজন
Affiliate marketing: ৭টি কারণে আপনার অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করা প্রয়োজন

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি? Affiliate marketing কিভাবে করে? কেন করবেন দ? চাহিদা কেমন? এসব প্রশ্ন গুলোর উত্তর দিয়ে অনেক লেখালেখি হয়েছে। তাই আর এসব বিষয়ে লেখালেখি করে আর সময় নষ্ট করতে চাই না। যারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে জানতে চান, তাদের জন্য এককথায় বর্ণনা হচ্ছে। আপনি যদি “No Risk, No Pain” ব্যথিত একজন উদ্যোক্তা হতে চান, তাহলে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে আপনার উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সর্বোত্তম উপায়।

১. সাধারণ বিজনেস মডেল –

এটি খুবই সাধারণ একটি বিজনেস। এজন্য আপনার বিজনেস শুরু করার জন্য দীর্ঘ সময় নিয়ে পরিকল্পনা করার প্রয়োজন হয় না। এই বিজনেস শুরু করার জন্য ১০ মিনিটের পরিকল্পনা যথেষ্ট হতে পারে। তবে বিজনেসটিতে দ্রুত সফলতা পেতে আপনাকে অনেক রিসার্চ ও পরিকল্পনা করতে হবে। যা বিজনেসটা শুরু করার পরেই আপনি ধীরে ধীরে পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করতে পারবেন।

Affiliate marketing
উপরের ছবিটি হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের বিজনেস মডেল –

এখানে তিনটি সেক্টর আপনাকে ম্যানেজ করতে হবে। এই তিনটি সেক্টর আপনি ভালো করে ম্যানেজ করতে পারলে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে সফলতা নিশ্চিত। সুতরাং আপনি আজ থেকে শুরু করতে পারেন এই সুবিধাজনক বিজনেসটা। যত সময় নিবেন ততটাই আপনি অন্যদের থেকে পিছিয়ে থাকবেন।

২. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য নিজের কোন পণ্যের প্রয়োজন নেই –

এই বিজনেসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে। এই বিজনেসটা করার জন্য আপনাকে পণ্যের জন্য চিন্তা করতে হবে না। এখানে আপনি আপনার ইচ্ছে মতো লক্ষ লক্ষ পণ্য কোন ইনভেস্ট না করে বিক্রি করার মাধ্যমে প্রফিট করতে পারেন। আপনি যদি অ্যামাজনের মাধ্যমে এই বিজনেসটা শুরু করতে চান, তাহলে কয়েক লক্ষ পণ্য আপনি আপনার শপে যুক্ত করতে পারবেন।

এখন আপনার কি কয়েক লক্ষ পণ্য নিয়ে বিজনেস শুরু করতে হবে?

আমি বলেছি আপনি যদি চান, তাহলে আপনি অ্যামাজনের লক্ষ কোটি পণ্য নিয়ে বিজনেস শুরু করতে পারেন। তবে এই নয় যে, আপনাকে সবগুলো পণ্য নিয়ে বিজনেস শুরু করতে হবে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে সফল হওয়ার জন্য কিছু কৌশল রয়েছে: তার মধ্যে একটি হচ্ছে নির্দিষ্ট কিছু পণ্য বা নিশ আইডিয়া নিয়ে টার্গেট করে বিজনেস শুরু করা। আমি ব্যক্তিগতভাবে আপনাদের পরামর্শ দিব। আপনারা জনপ্রিয় ও লো কম্পিটিশনের কিছু পণ্য নিয়ে এই বিজনেস শুরু করুণ।

৩. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বিজনেসে রয়েছে লো-ইনভেস্ট ও নো-ইনভেস্ট সুবিধা –

মূলত লো ইনভেস্ট ও নো ইনভেস্ট সুবিধার জন্য এই বিজনেসটি বিখ্যাত বলে জানা যায়। কারণ আপনারা ভালো জানেন। কোন বিজনেস টাকা ছাড়া শুরু করার পরিকল্পনা করা যায় না। আপনি যে বিজনেসটা শুরু করতে চান না কেন। কিন্তু আপনি চাইলে এই বিজনেসটা কোন ইনভেস্ট না করে অর্থাৎ কোন টাকা ছাড়া শুরু করতে পারেন। যেটাকে আমি বলেছি: লো ইনভেস্ট ও নো ইনভেস্ট সুবিধা।

লো-ইনভেস্ট নাকি নো-ইনভেস্ট কোনটা ভালো হবে?

কথায় আছে “সস্তার তিন অবস্থা”। ঠিক একই ভাবে বলতে পারি। যেখানে সস্তার তিন অবস্থা, সেখানে ফ্রীতে হলে অবশ্যই আপনার (ফ – তে) ফকিরের অবস্থা হতে পারে। কিছু মনে করবেন না, আমি জাস্ট মজা করলাম। আপনি যদি ধর্য্য নিয়ে কাজ করতে পারেন, তাহলে আপনি অবশ্যই ফ্রীতেও সফল হতে পারবেন। তবে ফ্রী পদ্ধতিতে অনেক গুলো সমস্যা রয়েছে:

  • ইচ্ছে মতো এসইও করতে পারবেন না
  • প্রিমিয়াম টুলস ব্যবহার করা যায় না
  • মানুষের বিশ্বাস কম থাকে ইত্যাদি।

এজন্য আমি আপনাদের পরামর্শ দিব আপনি যদি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হোন। তাহলে আপনি লো-ইনভেস্ট দিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বিজনেস শুরু করুন।

৪. আবেগ থেকে আজীবন ইনকাম করার দারুণ সুবিধা –

Affiliate marketing বিজনেস একটি আজীবন ইনকাম করার সর্বোত্তম উপায়। পৃথিবীতে এমন বিজনেস খুবই কম সংখ্যক আছে। যেখান থেকে আজীবন ইনকাম করা যায়। নিজের আবেগকে কাজে লাগিয়ে একটু সময় নিয়ে যদি একবার Affiliate marketing এর বিজনেস দাঁড় করাতে পারেন, তাহলে নোটেনশন জীবনের সুযোগ উপভোগ করতে পারবেন। একটা সময় যাওয়ার পর বিজনেস যদি একটা নির্দিষ্ট অবস্থানে পৌছে যায়, তাহলে আপনি কোন কাজ না করলেও আজীবন প্রফিট করতে পারেন এই বিজনেস থেকে। সুতরাং আপনি চাইলে আজ থেকে শুরু করতে পারেন এমন সুবিধাজনক স্বপ্নের Affiliate marketing বিজনেস।

৫. Affiliate marketing একটি লো-রিস্ক বিজনেস –

বিজনেস করতে গেলেই লাভ লোকসান শব্দের ব্যবহার থাকবেই। লাভ লোকসান ছাড়া কোন বিজনেস করা সম্ভব নয়। ঠিক একই ভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বিজনেসেও সামান্য রিস্ক রয়েছে। মূলত এই রিস্ককে রিস্ক বলা যায় না। তাও বিজনেস বলে কথা তাই রিস্ক এর হিসাবটাও দেখাতে হবে। আপনি যদি একটা প্রিমিয়াম ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বিজনেস শুরু করেন। তাহলে আপনার অবহেলা ও অদক্ষতার কারণে ভালো ইনকাম নাও হতে পারে। তাই আপনাকে আরও বেশি সময় নিয়ে কাজ করতে হবে। এটা ১০০ ভাগ সত্য যদি আপনার কোন অবহেলা না থাকে তাহলে আপনি কখনও লোকসান করবেননা।

 ৬. যে কোন পণ্য নিয়ে বিজনেস করার স্বাধীনতা রয়েছে:

Affiliate marketing এ আপনার বিশ্বজুড়ে স্বাধীনতা রয়েছে। এখানে আপনি আপনার ইচ্ছে মতো যেকোন পণ্য নিয়ে বিজনেস শুরু করতে পারেন। এবং আপনার ইচ্ছে মতো যেকোন সময়  পণ্যের ক্যাটাগরি পরিবর্তনও করতে পারেন। আপনি বুঝতে পারছেন এমন বিজনেস খুবই কম আছে। যেখানে এতো বেশি সুবিধা ও স্বাধীনতা রয়েছে। তাই নিজের ইচ্ছে মতো বিজনেস করতে চাইলে শুরু করতে পারেন Affiliate marketing এর বিজনেস।

৭. বিশ্বজুড়ে বিজনেস করার সুবিধা –

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বিজনেস এমন একটি বিজনেস যেখানে নির্দিষ্ট কোন সীমারেখা নেই। আপনি এই বিজনেস সারা বিশ্বজুড়ে করতে পারবেন। আপনি বাংলাদেশে বসে আমেরিকা, অষ্ট্রেলিয়া, জাপান সহ বিশ্বের যতগুলো দেশ রয়েছে সবগুলোতে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। তবে আপনাকে এটা রক্ষা রাখতে হবে। আপনি যে কোম্পানির হয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বিজনেস করছেন, তারা তাদের পণ্য আপনার মার্কেটিং করা দেশে বিক্রি করছে কিনা। আপনার মার্কেটিং করা দেশে যদি তারা বিক্রি না করে তাহলে আপনিও সেখানে বিক্রি করতে পারবেন না।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate marketing)

Md Thouhidul Islam TAWHIDMd Thouhidul Islam TAWHID
প্রযুক্তিকে ভালোবাসি, তাই প্রযুক্তি নিয়ে লিখি। লেখার মাধ্যমে নিজে শিখি ও অন্যদের শেখানোর চেষ্টা করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back To Top