৫টি বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া (New Updated 2021)

সম্মানিত পাঠক, আজকে আমরা বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া নিয়ে আপনাদের কিছু ব্যবসা আইডিয়া শেয়ার করব। যদি আপনারা এই সকল ব্যবসা আইডিয়া গুলো পছন্দ করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই আপনাদের এই লেখাটা বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। আশা করছি আমরা এখানে যে সকল আইডিয়া গুলো আপনাদের জন্য নির্বাচন করেছি। এই আইডিয়া গুলো অবশ্যই আপনাদের ভাল লাগবে।

কারণ, আমরা এমন সকল ব্যবসা আইডিয়া গুলো ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে থাকি। যেন আমাদের এখান থেকে আপনারা ভালো কিছু শিখে লাভবান হতে পারেন। এবং আমাদের আইডিয়া গুলো অবশ্যই ভালোবেসে অনেকেই বর্তমান সময়ে আমাদের ওয়েবসাইট থেকে বিভিন্ন ব্যবসা আইডিয়া নির্বাচন করে তারা ব্যবসা শুরু করেছে। ইতিমধ্যে অনেকেই আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন, যারা অনলাইনে বিজনেস করার জন্য এবং অফলাইনে বিজনেস করার জন্য বিভিন্ন পরামর্শ গ্রহণ করেছে।

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা
সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া

যদি আপনার এরকম কোন পরামর্শের প্রয়োজন হয়, তাহলে সরাসরি আমাদের ব্লগের কন্টাক্ট অ্যাড্রেস থেকে আপনাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। কারণ আমরা সব সময় আমাদের পাঠকদেরকে সহায়তা করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া নিয়ে বিস্তারিত

আমাদের আজকের লেখাতে আমরা যেহেতু বিজনেস আইডিয়া নিয়ে কথা বলবো। সুতরাং আমরা বর্তমান সময়ের ৫টি লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া নিয়ে আপনাদের শেয়ার করব। যদি আপনারা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা জানতে চান, তাহলে লেখাটির সম্পন্ন করুন। আমরা এখানে অনেকগুলো বিজনেস আইডিয়া চাইলে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পারতাম।

Advertisement

কিন্তু আমরা অনেকগুলো বিজনেস আইডিয়া আমাদের সাথে শেয়ার না করে, সবচেয়ে বাছাইকৃত ভালো লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া গুলো আপনাদের জন্য শেয়ার করতে চাই। আশা করছি এই ব্যবসা আইডিয়া গুলো থেকে আপনারা যে কোন একটা ব্যাবসা আইডিয়া কে নির্বাচন করতে পারবেন। কারণ এগুলো বর্তমান সময়ে সারা বাংলাদেশে এবং সারা বিশ্বের মধ্যে জনপ্রিয় কিছু ব্যবসা আইডিয়া।

এই ব্যবসা গুলো থেকে আপনি কোন আইডিয়াটা কে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন? সে বিষয়টি আমাদেরকে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। চলুন তাহলে আমরা বর্তমান সময়ে কি কি ব্যবসা আইডিয়া গুলো ট্রেন্ডিং রয়েছে? সে বিষয়গুলো জেনে নিই। যদি এই বিষয়গুলো জেনে যান, তাহলে আপনাদের ব্যবসা শুরু করতে বিষয়টা সহজ হবে।

অ্যাকাউন্টিং এবং ট্যাক্স প্রস্তুতি সমস্যার সমাধান

আপনি হয়তো জানেন বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ সরকার সকল ব্যবসায়ী এবং যারা বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করছে। সবার জন্য ভ্যাট দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে। যেটাকে আমরা ট্যাক্স বলে চিহ্নিত করে থাকি। যদি আপনি ব্যবসা করে থাকেন বাংলাদেশের মধ্যে। তাহলে অবশ্য আপনাকে বাংলাদেশ সরকারকে ট্যাক্স দিতে হবে। যদি আপনি না দেন, তাহলে আপনি আইনিভাবে দুষি হবেন। এবং এর জন্য আপনাকে শাস্তি পেতে হবে। এ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, অনেকগুলো কোম্পানি তাদের ট্যাক্স দেওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়গুলো ভুলে যান।

অ্যাকাউন্টিং এবং ট্যাক্স
অ্যাকাউন্টিং এবং ট্যাক্স

টেক্সটের কথা ভূলে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশ সরকার তাদেরকে আরো বেশি টাকা জরিমানা করে দেয়। যার কারণে কোম্পানিগুলোকে বেশি টাকা পরিশোধ করতে হয়। এক্ষেত্রে বিষয়গুলোর সমস্যার সমাধান করার জন্য কোম্পানিগুলো তাদের কোম্পানিতে একাউন্টিং এক্সপার্ট ও ট্যাক্স প্রস্তুতি এজেন্সি কে নিয়োগ দিয়ে থাকে। অ্যাকাউন্টিং এবং ট্যাক্স অভিজ্ঞ ব্যক্তির এর মূল বিষয় হচ্ছে, বাৎসরিক হিসাব করবে এবং ঠিক সময়ে অফিসে ভ্যাট জমা দিয়ে দিবে।

Advertisement

ঠিক এই আইডিয়াটা কে কাজে লাগিয়ে আপনি একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করতে পারেন। অর্থাৎ আপনি অ্যাকাউন্টিং এবং টেক্সট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে একটি এজেন্সি তৈরি করতে পারেন। যেখানে আপনার কোম্পানিতে একাধিক কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করবে। এবং রেজিস্ট্রেশন এরপর তারা আপনাকে তাদের কোম্পানির ট্যাক্স দেওয়ার দায়িত্ব দিয়ে দিবে।

এক্ষেত্রে আপনাকে যে সকল কোম্পানি আপনার কোম্পানিতে রেজিস্ট্রেশন করবে। তাদের প্রতি বছরে কতগুলো টেক্সট আসতেছে সেগুলো নিয়ে হিসাব তৈরি করতে হবে। এবং সঠিক সময়ে কোম্পানি গুলোর কাছ থেকে টেক্সট এর পরিমাণ সংগ্রহ করে তা বাংলাদেশ টেক্সট অফিসে জমা দিয়ে দিতে হবে।

কিভাবে এই লাভজনক ব্যবসার আইডিয়াটি শুরু করবেন?

যদি এই ব্যবসা আপনি শুরু করতে চান, তাহলে প্রথমে আপনাকে একটি এজেন্সি তৈরি করতে হবে। এজেন্সিতে আপনি কয়েকজন কর্মীকে নিয়োগ দিতে পারেন। তবে প্রাথমিকভাবে আপনি কর্মী নিয়োগ না দিয়ে, নিজে নিজে কাজ করে আগে কয়েকটি কোম্পানির সাথে চুক্তি করে ফেলুন।

কোম্পানির সাথে চুক্তি করার পর যখন আপনার কোম্পানিতে একটি লাভজনক অ্যামাউন্ট তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। তখন আপনি কয়েকজন কর্মীকে নিয়োগ দিতে পারেন। একাউন্টিং ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে যাদের জ্ঞান রয়েছে, তারা যেন আপনার কোম্পানির হয়ে অন্যান্য কোম্পানি টেক্সটগুলো হিসাব করতে পারে।

Advertisement

রিয়েল এস্টেট ব্রোকার সার্ভিসের লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া

Advertisement

ব্রোকার সম্পর্কে হয়তো আপনি অবশ্যই জানেন। যদি ব্রোকার সম্পর্কে না জেনে থাকেন, তাহলে অবশ্যই আপনি আমাদের এই লেখা থেকে জেনে নিতে পারেন। মূলত কোন একটা বিষয় নিয়ে তৃতীয় পক্ষ হয়ে কাজ করা হচ্ছে ব্রোকারের কাজ। যদি আপনি দুইজন ব্যক্তির ব্যবসার মধ্যে তৃতীয় পক্ষ হয়ে কাজ করেন, সেটা কে অবশ্যই ব্রোকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

বাংলাদেশের মধ্যে রিয়েল এস্টেট ব্রোকার হচ্ছে সবচেয়ে লাভজনক একটি ব্যাবসা আইডিয়া। আপনি যদি বাংলাদেশের মধ্যে এই ব্যবসাটি শুরু করতে চান, তাহলে আপনাকে কোন টাকা বিনিয়োগ করতে হবে না। আসলে এই ব্যবসাটি লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া।

কিন্তু এটা কোন টাকা বিনিয়োগ না করে শুরু করা যায়। যদি আপনি এই ব্যবসাটি শুরু করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে প্রাথমিকভাবে রিয়েল এস্টেট সম্পর্কে জানতে হবে। যদি রিয়েল এস্টেট সম্পর্কে আপনি জানেন, তাহলে আপনি এই ব্যবসাতে কাজ করতে পারবেন।

একজন রিয়েল এস্টেট ব্রোকার হিসেবে ইনকাম করা যায়?

এই বিসনেস শুরু করার ক্ষেত্রে আপনি মাসে কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন? সে বিষয়টি নির্ধারণ হবে। আপনার কতগুলো প্ল্যান রয়েছে তার উপর আপনি যদি প্রতি মাসে ১০ থেকে ১৫ টা ক্লায়েন্টের কাজ ডেলিভারি করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে আপনি সবচেয়ে ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন, তবে আপনি চাইলে এর থেকে বেশি পেতে পারেন। যখন আপনি জনপ্রিয় হয়ে যাবেন।

Advertisement
রিয়েল এস্টেট ব্রোকার
রিয়েল এস্টেট ব্রোকার

এক্ষেত্রে আপনার চাহিদাও বেশি বৃদ্ধি পাবে। সাধারণত আমি যদি আপনাকে একটি আইডিয়া দেই, তাহলে ১০ থেকে ১৫ ক্লায়েন্টের হিসেবে কাজ করে আপনি প্রতিমাসে তিন থেকে চার লক্ষ টাকার বেশি ইনকাম করতে পারবেন। কারণ বিজনেস আইডিয়া তে অনেক বেশি লাভ করা যায়।

বিশেষ করে রিয়েল এস্টেট হিসেবে কাজ করলে হিসেবে যারা কাজ করে থাকেন, তারা অবশ্যই এর থেকে বেশি পরিমাণ টাকা ইনকাম করে। যদি আপনি অন্য কোন সেক্টরে হিসেবে কাজ করে থাকেন, তাহলে কিন্তু আপনি রিয়েল এস্টেট এর মত এত বেশি টাকা ইনকাম করতে পারবেন না।

ওয়েবসাইট ডিজাইনার এজেন্সি সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া

আপনি যদি একটু লক্ষ্য করে দেখেন, বর্তমান সময়ে এমন কোন কোম্পানির নেই যাদের কোনো একটি ওয়েবসাইট নাই। বর্তমান সময়ে যারা বিজনেস শুরু করেছে, তাদের প্রত্যেকেরই একটা ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে। সাধারণত ওয়েবসাইট করার জন্য যদিও কেউ বাধ্য করে না, তারপরেও ক্রেতাদেরকে সংগ্রহ করার জন্য এবং ব্যবসার বিক্রয় বৃদ্ধি করার জন্য ওয়েবসাইট করার জন্য কোম্পানিগুলো বাধ্য হয়ে পড়েছে।

যদি আপনি এই সার্ভিসটি দিতে পারেন, তাহলে আপনার জন্য একটি লাভজনক সেরা ব্যাবসা আইডিয়া হতে পারে। এই ধরনের সেরা একটি ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনাকে কোন টাকা বিনিয়োগ করতে হবে না। শুধুমাত্র আপনাকে একটি এজেন্সি তৈরি করতে হবে।

Advertisement

এজেন্সি তৈরি করার জন্য আপনি প্রাথমিকভাবে সরকারিভাবে রেজিস্ট্রেশন করার কোন প্রয়োজন নাই। এক্ষেত্রে আপনি কয়েকজন ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বন্ধুদের নিয়ে একটি টিম তৈরি করতে পারেন। এবং বন্ধুদের মাধ্যমে আপনি সার্ভিস সর্বপ্রধান করার মাধ্যমে একটা ভালো ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

কি কি লাগবে ওয়েবসাইট সার্ভিস বিজনেস শুরু করতে?

ওয়েব ডিজাইন বা ওয়েবসাইট তৈরীর সেবা দেওয়ার জন্য আপনার বিশেষ কোনো কিছু টুলস এর প্রয়োজন হবে না। এক্ষেত্রে আপনার যদি নিজস্ব একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার থাকে এবং ইন্টারনেট কানেকশন থাকে, তাহলে এই ধরনের Business Start করতে এতটুকু আপনার জন্য যথেষ্ট হবে। এতোটুকুই ইনভেসমেন্ট যদি আপনার কাছে থাকে, তাহলে আপনি একটা ওয়েব ডেভলপমেন্ট বা ওয়েব ডিজাইনিং এর সার্ভিস দিয়ে একটা ব্যবসা তৈরি করতে শুরু করতে পারবেন।

একটি ওয়েব ডিজাইনার এজেন্সি হয়ে যদি কাজ করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনার টিমের সকলের নিজেদের একটি ল্যাপটপ বা কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট কানেকশন থাকা প্রয়োজন। যদি ল্যাপটপ অথবা কম্পিউটার থাকে, পাশাপাশি ইন্টারনেট কানেকশন থাকে, তাহলে ভার্চুয়ালি অথবা যেকোন একটা জায়গায় অফিস করে এই ধরনের ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

ওয়েবসাইট সার্ভিস বিজনেস
ওয়েবসাইট সার্ভিস বিজনেস

কিন্তু প্রাথমিকভাবে যদি আপনার অফিস করতে যান। এক্ষেত্রে আপনাদের বিনিয়োগ করার পরিমাণ বেড়ে যাবে। সুতরাং আপনার ভার্চুয়াল অফিস করতে পারেন। যার মাধ্যমে এই ওয়েবসাইট ডিজাইন ওয়েবসাইট তৈরি করার সার্ভিস দিয়ে লাভজনক ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমানে লাভজনক হতে যাচ্ছে। কারণ বাংলাদেশের যা কোম্পানি রয়েছে, তারা তাদের নিজেদের ব্যবসা গুলোকে অনলাইন ভিত্তিক করে বেশি লাভজনক হচ্ছে।

Advertisement

এজন্য তারা সবাই তাদের নিজেদের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করতে শুরু করেছে। যদি আপনারা এই ধরনের একটি বিজনেস তৈরি করে ওয়েবসাইট তৈরীর সার্ভিস দিতে পারেন, তাহলে অবশ্যই এটি আপনার জন্য সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া হতে পারে। যেহেতু এই ব্যবসাতে কোন ধরনের বেশি বিনিয়োগ করতে হবে না। নিজের একটি ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট কানেকশন থাকলে হবে।

সুতরাং এটি খুবই লাভজনক ব্যবসা আমি বলতে পারি। তবে এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা যদি আপনার ওয়েবসাইট তৈরীর দক্ষতা থাকে, তাহলে কিন্তু আপনি এই ব্যবসা করতে পারবেন।

স্বাস্থ্য সম্মত রান্নাঘর ও খাবার ডেলিভারির সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া

স্বাস্থ্যসম্মত খাবার সবাই পছন্দ করে। যদি আপনি গ্রাহকদের কাছে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ডেলিভারি করতে পারেন, তাহলে এটি আপনার জন্য খুবই লাভজনক একটি ব্যবসা হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমেই স্বাস্থ্যসম্মত একটি রান্নাঘর তৈরি করতে হবে। কারণ আপনার রান্নাঘরে যদি স্বাস্থ্যসম্মত না হয়, তাহলে আপনার খাবার কখনো স্বাস্থ্যসম্মত হবে না। এজন্য আপনাকে পরিষ্কার এবং স্বাস্থ্যসম্মত একটা রান্না করতে হবে।

যেটা আপনার কাছ থেকে যারা রান্না করা খাবার ক্রয় করবে। তাদেরকে ধরে রাখবে তাদের বিশ্বাস অর্জন করার জন্য আপনাকে অবশ্যই এধরনের একটা সুন্দর রান্নাঘর গড়ে তুলতে হবে। যেটার মাধ্যমে আপনার রান্না গুলোর কোয়ালিটি মানুষের কাছে ভাল মনে হবে। এবং পাশাপাশি আপনার খাদ্যের কোয়ালিটি অবশ্যই ভালো করতে হবে। যেটা মানুষের শরীরের কোন ক্ষতি করে না। অর্থাৎ রাসায়নিক কোন কিছুই আপনি ব্যবহার করতে পারবেন না।

Advertisement

Read More: এফিলিয়েট মার্কেটিং কি এবং মার্কেটিং শুরু করার গাইডলাইন

এভাবে করে যদি আপনি ভালো উন্নত মানের খাবার তৈরি করেন এবং সেগুলো আপনি ডেলিভারি করেন, তাহলে দিগুণ দিয়ে আপনি বিক্রি করতে পারবেন। সাধারণত আপনি যদি দেখেন হোটেলগুলোতে যে খাবারগুলো বিক্রি করা হয়। এগুলো ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি করা হয়ে থাকে। কিন্তু এই একই রকম বিরিয়ানি আপনি যদি তৈরি করে ঘরোয়া পদ্ধতিতে ডেলিভারি করেন। আপনি প্রতিটি পার্সেল এর জন্য আপনি ৩০০ থেকে ৩৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনি যদি একটা পার্সেল বিক্রি করেন দেখা যাবে আপনার প্রায় ২০০ টাকার বেশি লাভ। যদি আপনি খাবার ডেলিভারি বিজনেস শুরু করতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই প্রাথমিকভাবে খাবারের আইটেম গুলো নিয়ে রিসার্চ করতে হবে। এবং ভাল ভাল খাবারের আইটেম গুলো নির্বাচন করতে হবে।

এগুলো তৈরি করার জন্য আপনাকে প্রাথমিকভাবে ইনভেস্ট করতে হবে। প্রাথমিকভাবে যদি ভালো পরিমাণের একটি বিনিয়োগ করেন এবং সুস্বাস্থ্য একটি রান্নাঘর তৈরি করতে পারেন, তাহলে তারা আপনার কাছ থেকে বেশি দাম দিয়ে আপনার রান্না করা খাবার গুলো ডেলিভারির জন্য অর্ডার করবে।

ডেন্টাল কেয়ার ও সেবা প্রদান করার বিজনেস

কিছুদিন প্রশিক্ষণ নিয়ে যদি আপনি একটা ডেন্টাল বিশ্ব সার্টিফিকেট অর্জন করতে পারেন। তাহলে অবশ্যই আপনি ডেন্টাল সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে কাজ করতে পারবেন। ডেন্টাল নিয়ে যারা কাজ করে থাকে, তারা সবচেয়ে বেশি টাকা ইনকাম করে। তাদের বেশি অভিজ্ঞতা থাকার প্রয়োজন হয় না। যদি বেশি প্রয়োজন না হয় এবং কম সময় দিয়ে বেশি টাকা ইনকাম করা যায়, তাহলে অবশ্যই এটাকে আপনি লাভজনক ব্যবসা হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন।

Advertisement

একজন সার্ভিস প্রোভাইডার ডাক্তার হিসেবে তিনি ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারে অন্যান্য ডাক্তারদের থেকে। ডেন্টাল সার্ভিস প্রোভাইডার ডাক্তাররা প্রতি ১ জন রোগীর কাছ থেকে প্রায় ছয় থেকে সাত হাজার টাকারও বেশি আয়ের করে থাকেন। কারণ, এই ধরনের কাজগুলোতে বেশি টাকা প্রদান করে থাকে রোগীরা। কারণ দাঁত মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।

Read More: বাংলাদেশের জন্য ১০টি মাঝারি ব্যবসা আইডিয়া

যদি দাঁতেন কোন সমস্যা হয়, এক্ষেত্রে কিন্তু আপনি কোন খাবার খেতে পারবেন না। এজন্য এই বিষয়গুলোর সমাধান পাওয়ার জন্য আমরা লাখ লাখ টাকা খরচ করতে রাজি থাকি। এজন্য আমরা যদি এটাকে ব্যবসা হিসেবে গ্রহণ করি। এবং কিছুদিন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ডেন্টাল বিষয়ে আমরা একজন ডাক্তার হিসেবে নিজেকে পরিচিত করাতে পারি, তাহলে এখান থেকে ভালো পরিমাণ টাকা আপনি উপার্জন করতে পারবেন।

বর্তমানে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া Complete Guide

বিডি ব্লগ এর সম্মানিত পাঠক, আশা করছি আপনারা সবাই এই লেখাটা ভালো করে পড়েছেন। যদি আপনি এই লিখাটি পড়ে থাকেন, তাহলে এখানে পাঁচটি লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। এই পাঁচটি লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া যদি আপনি পছন্দ করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই আপনাদের কোন আইডিয়াটি বেশি ভাল লেগেছে? সেটা কমেন্ট করে জানাবেন।

আমরা এই লেখাতে বর্তমানের সময়ের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা আইডিয়া আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি। এই সকল ব্যবসা ও বাংলাদেশের মধ্যে ইউনিক। ডেন্টাল বিজনেস আইডিয়া, রান্না করা খাবার, রান্নার বিজনেস আইডিয়া। এগুলো কিন্তু কয়েকজন মানুষ শুরু করেছে।

Advertisement

বাংলাদেশের মধ্যে কিন্তু এগুলো অনেক বেশি প্রচলন ঘটেনি। যার কারণে আপনারা যদি কোন একটা বিজনেস শুরু করে থাকেন, তাহলে এখান থেকে আপনারা ভাল প্রফিট করতে পারবেন। আপনি যদি খুব দ্রুত লাভবান শুরু করতে চান, তাহলে অবশ্যই এই আইডিয়া গুলো আপনার জন্য ভালো হবে। আশা করছি, আপনারা এগুলো পছন্দ করবেন এবং আমাদেরকে উৎসাহিত করবেন ভালো তথ্য শেয়ার করতে।

Advertisement
bdbloq site icom

একজন ইলেক্ট্রিক্যাল বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সবসময় টেকনোলজি কে অগ্রাধিকার দিতে ভালোবাসি। প্রযুক্তির সাথে এগিয়ে যেতে ও নিজেকে সবসময় আপডেট রাখার জন্য নিয়মিত প্রযুক্তিগত জ্ঞান নিজে অর্জনের পাশাপাশি অন্যদের সাথে শেয়ার করাতে ভালো লাগে। সময় পেলে প্রযুক্তি, ব্যবসা, মার্কেটিং বিষয়ে লিখতে চেষ্টা করি। পেশা যাই হোক, তা হতে লাভবান হতে চাইলে ব্যবসা ও মার্কেটিং জ্ঞান আবশ্যক।

বাক্সে আপনার মতামত লিখে জানান