মোবাইল মার্কেটিং এর সাথে যুক্ত ৭টি শীর্ষ বেনিফিট

প্রতিনিয়ত আমরা মার্কেটিং নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলে থাকি। ঠিক আজকেও আমরা মোবাইল মার্কেটিং নিয়ে কথা বলবো। যারা মোবাইল মার্কেটিং নিয়ে মূলত জানেন না তারা আজকের লেখাটি পড়তে পারেন। মোবাইল মার্কেটিং মূলত খুবই জনপ্রিয় কারণ ৭০ পার্সেন্ট এরও বেশী ক্রেতারা মোবাইল ব্যবহার করে পণ্য ক্রয় করে থাকেন। ব্যবসায়ের বিশ্বে মার্কেটিং হচ্ছে মূল বিষয়। মার্কেটিং ব্যতীত ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যগুলি অর্জন এবং ব্যবসায় ভাল পরিমাণে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব হয় না। লক্ষ্য অর্জনের জন্য, বিভিন্ন ধরণের মার্কেটিং কৌশলগুলি প্রয়োগ করে থাকে বিভিন্ন সংস্থা। তার মধ্যে মোবাইল মার্কেটিং বেস্ট একটা কৌশল।

আপনি যদি মোবাইল মার্কেটিং এর কৌশলগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করতে পারেন এবং আপনার মার্কেটিং পলিসি তে এপ্লাই করতে পারেন, তাহলে আপনি অবশ্যই এখান থেকে ভালো ফলাফল পাবেন। মার্কেটিং এর কোন বিষয়কে আপনি অবহেলা করতে পারবেন না। কারণ আপনাকে নতুন নতুন বিষয় শিখতে হবে এবং তা নিয়মিত চর্চা করতে হবে। বর্তমান প্রতিযোগিতায় মোবাইল মার্কেটিং টা হচ্ছে একটি সিক্রেট মাধ্যম বলা যায়। অনেকেই মূলত মোবাইল মার্কেটিং এর বিষয়টাকে অবহেলা করে। কিন্তু তারা নিজেরাই বুঝতে পারে না যে আসলে এটি কত গুরুত্বপূর্ণ। আপনার অনলাইন ব্যবসা কে লাভবান করতে এবং বিক্রয় বৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জন করতে এখানে অনেকগুলো কৌশল সম্পর্কে আমরা আলোচনা করেছি। এই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা আজকে বিস্তারিত দেখব এখানে আমরা সাতটি কৌশল আলোচনা করেছি এগুলো আপনারা দেখতে পারেন এবং এই পেজটি আমরা নিয়মিত আপডেট করব।

মোবাইল মার্কেটিং
মোবাইল মার্কেটিং

আপনি যদি মোবাইল মার্কেটিং এর কৌশলগুলির সাহায্য নিতে চান, তবে এখানে প্রচুর কৌশল শেয়ার করা হবে। এটি বিশেষ মার্কেটিং উৎসের বৃহত্তম লাভ জনক সুবিধা। প্রধানত এই কৌশলগুলি বেশ কয়েকটি উপাদানগুলির সাথে সম্পর্কিত। এখানে আমরা যে সকল কৌশল আলোচনা করেছি সেগুলো আপনার ব্যবসার ক্যাটাগরি এবং পণ্যের ধরনের উপর ভিত্তি করে আপনাকে ব্যবহার করতে হবে। আপনি প্রচার করতে চান এমন প্রয়োজনীয়তা এবং বিষয় অনুযায়ী আপনার জন্য সেরা মোবাইল মার্কেটিং কৌশলটি বেছে নিতে হবে।

মোবাইল মার্কেটিং আসলে কি?

অনেকে হয়তো ভুল বুঝতে পারেন মোবাইল মার্কেটিং বলতে মোবাইল বিক্রি করার জন্য কাজ করা, এমনটা অনেকের চিন্তা করতে পারেন। তবে কথা হচ্ছে মোবাইল মার্কেটিং বলতে মোবাইল বিক্রি করা এটা বুঝানো হয়নি। এখানে মূলত বুঝানো হয়েছে ডিজিটাল সিস্টেমে যে মার্কেটিং পদ্ধতি গুলো রয়েছে। তার মধ্যে অধিকাংশ মানুষ যেহেতু এখন মোবাইল ব্যবহার করে অনলাইন থেকে পণ্য কেনাকাটা করছে। তাই কিভাবে মোবাইলকে অপটিমাইজ করে মোবাইলের মাধ্যমে কিভাবে বেশি পরিমাণ সেল বৃদ্ধি করা যায়, সেই সম্পর্কে যে কৌশলগুলো প্রয়োগ করা হয়, তাকে মূলত মোবাইল মার্কেটিং বলা হয়েছে।

কেন এই পদ্ধতি ব্যবহার করবেন?

এ মার্কেটিং পদ্ধতি আমরা কেন ব্যবহার করব? এবং এতে কি কি সুযোগ সুবিধা রয়েছে? তা অবশ্যই আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য আমরা এখানে প্রথমেই এ মার্কেটিং এর সুবিধা সম্পর্কে জেনে নেব। এবং এখানে কিছু সুবিধা আমরা পয়েন্ট আকারে আলোচনা করব, যেন আপনাদের বুঝতে সহজ হয়।

সস্তা কৌশল –

বিভিন্ন ধরনের মার্কেটিং কৌশল আমরা পেয়ে থাকি, কিন্তু অধিকাংশ মার্কেটিং কৌশল পেইট হয়ে থাকে। অনেক টাকা বিনিয়োগ করে আপনাকে মার্কেটিং করতে হয়। কিন্তু এই মোবাইল মার্কেটিং পদ্ধতি টা খুবই সহজ এবং সস্তা দামের। কেননা এখানে আপনাকে অনেক টাকা বিনিয়োগ করতে হবেনা আপনার লক্ষ্য অর্জনের জন্য। আমার জানামতে যতগুলো অনলাইন মার্কেটিং এর উপায় রয়েছে, তার মধ্যে মোবাইল মার্কেটিং পদ্ধতি হচ্ছে খুবই সহজ কিন্তু এটি ব্যবহার করে খুবই কম উদ্যোক্তারা এটি সম্পর্কে অবগত থাকে।

কোনও জালিয়াতি উপাদান নেই –

মার্কেটিং মানেই হচ্ছে বিভিন্ন কৌশল বিভিন্ন জালিয়াতি। আপনি যদি আসলে কৌশল এবং জালিয়াতির পথ বেছে নিতে না পারেন তাহলে আপনি সঠিক মার্কেটিং সফলতা পাবেন না। তার মানে এই নয় যে আপনি অনৈতিক কাজে লিপ্ত হবেন। আপনাকে নীতি মেনে মার্কেটিংয়ের কাজ করতে হবে। এজন্য এদিক থেকে মূলত অন্যান্য যে মার্কেটিং পদ্ধতি গুলো রয়েছে তার মধ্যে মোবাইল মার্কেটিং হচ্ছে সবচেয়ে ভালো একটি পদ্ধতি যেখানে জালিয়াতির কোনো সুযোগ থাকে না। এজন্য আপনি মোবাইল মার্কেটিং পদ্ধতিতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে পারেন এবং এখান থেকে সবচেয়ে বেশি আপনি আউটপুট পেতে পারেন। মনে রাখবেন জালিয়াতির শব্দ উল্লেখ করার কারণে আমরা জালিয়াতি কে প্রশ্রয় দিচ্ছে তা মনে করা যাবেনা। জালিয়াতি শব্দটি উল্লেখ করলেও মূলত সব সময় জালিয়াতি খারাপের দিকে জায়না অনেক কিছু ভালো করার জন্য জালিয়াতি করা যায়। আপনাকে যে কথাটি আমরা পয়েন্ট করেছি সেটা হচ্ছে নীতি মেনে আপনাকে কাজ করতে হবে। মানে আপনাকে সঠিক নীতি মেনে কাজ করতে হবে।

অবস্থান ভিত্তিক –

অনলাইনে একটা ফিল্টার পদ্ধতি রয়েছে। এই মার্কেটিং পদ্ধতিতে ফিল্টার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনি যদি ফিল্টারিং করে সঠিকভাবে মার্কেটিং করতে না পারেন তাহলে কিন্তু আপনি ভাল সফলতা পাচ্ছেন না।এই কারণে আপনাকে যে এই কৌশলটি অনুসরণ করতে হবে। সেটি হচ্ছে ফিল্টারিং পদ্ধতি। ফিল্টারিংয়ের মাধ্যমে আপনি আপনার সঠিক ক্রেতাদেরকে খুঁজে নিতে পারবেন। এই ফিল্টারিং পদ্ধতিটি মোবাইল মার্কেটিং এর মধ্যে খুব সহজভাবে প্রয়োগ করা যায়। কেননা এখানে আপনি লোকেশন বৃত্তি আপনার ইচ্ছামত ফিল্টারিং করে আপনার ক্রেতাদেরকে আপনি টার্গেট করতে পারবেন।

ব্যবহার প্রবণতা –

পৃথিবীতে মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক বেশি। প্রায় 70% এর বেশি মানুষ বর্তমানে মোবাইল ব্যবহার করে। এদিক থেকে আমরা যে বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারি, সেটা হচ্ছে মোবাইল মার্কেটিং পপুলার একটি পদ্ধতি। এই কারণে আমরা যে বিষয়টাকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিব, সেটা হচ্ছে ব্যবহারের প্রবণতা। সেটাকে মানুষ যেহেতু মোবাইলকে বেশি ব্যবহার করে এবং এ পদ্ধতিতে আমরা মার্কেটিং করে সবচেয়ে ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারব। এখানে আমরা মানুষের মোবাইল ব্যবহারের প্রবণতা ইচ্ছাশক্তি যে বিষয়টি রয়েছে। এটাকে কাজে লাগাবো সেজন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি সুযোগ যেটা আমরা ব্যবহার করতে পারি।

অ্যাক্সেস করা সহজ

মোবাইল বেশি ব্যবহার করার প্রধান কারণ সেটি হচ্ছে এটি ব্যবহার করা খুবই সহজ। যে কেউ এই ডিভাইসটির পরিচালনা করতে পারে। যার কারণে এই ডিভাইসটির সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় আর এটি নিত্য প্রয়োজনীয় একটি ডিভাইস মানুষের খুবই প্রয়োজনীয়। যার কারণে এই ডিভাইসটি মানুষের প্রয়োজনীয় ডিভাইস হিসেবে পরিণত হয়েছে। মানুষ যেহেতু এটি খুব সহজেই পরিচালনা করতে পারে এই জন্য এটি তাদের জন্য খুব সহজ হয়ে যায়। এই সহজ পদ্ধতিটাকে আমরাও কাজে লাগিয়ে এই পদ্ধতিতে আমরা মার্কেটিং করলে সবচেয়ে বেশি সাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবং ইতিমধ্যে অনেকে কিন্তু এই পদ্ধতিতে মার্কেটিং করে সফল হয়েছে। আমাদেরকেও কৌশল অনুসরণ করতে হবে যেন মার্কেটিং কার্যকর হয়।

প্রতিক্রিয়া ট্র্যাক করা সহজ –

ফিল্টারিং, ট্রেকিং এ জাতীয় শব্দগুলো মূলত ব্যবসার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এই শব্দগুলোর অনেক জটিলতা রয়েছে। আমাদেরকে এগুলোকে সহজে বুঝতে হবে। এগুলো যত সহজে বুঝে আমরা ব্যবহার করতে পারব এবং এর যে মূল কার্যনীতি সেটা আমরা অনুসরণ করতে পারব। তখনই আমরা এখান থেকে ভাল ফলাফল আশা করতে পারব। এজন্য আমাদেরকে এই মোবাইল মার্কেটিং পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। কেননা এখানে খুব সহজেই আমাদেরকে তাদেরকে আমরা ট্র্যাক করতে পারে বিভিন্ন জিপিএস সিস্টেম এবং অনেকগুলো কৌশল রয়েছে। যার মাধ্যমে আমরা তাদেরকে ট্র্যাক করে আমাদের ফ্যান বৃদ্ধি করতে কাজ করতে পারি।

মোবাইল মার্কেটিং এর কিছু কৌশল বা টিপস সম্পর্কে জানা যাক:

আমরা এর আগে অনেকগুলো সুবিধা সম্পর্কে জেনেছি এই সুবিধা গুলোর মধ্যে কিন্তু অনেকগুলো কৌশল বা টিপস রয়েছে, যেগুলো আমরা এখানে আবার আলোচনা করতে পারি। তো এখন কিছু কৌশল আমরা জেনে নিই যেগুলো আমরা এই মার্কেটিং পদ্ধতিতে ব্যবহার করে থাকব এবং এগুলো থেকে আমরা ভাল ফলাফল আশা করতে পারব।

মোবাইল ফ্রেন্ডলি বিজ্ঞাপন চালু করা:

বর্তমান সময়ে গুগল সহ যতগুলো জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে তারা কিন্তু মোবাইল ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইটের দিকে বেশি পকাশ করতেছে। এজন্য যারা ওয়েব সাইট নিয়ে কাজ করতেছে ফেসবুক-টুইটার এরকম যতগুলো সোশ্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইট রয়েছে তারাও কিন্তু এই সার্চ ইঞ্জিনের রুলস মেনে তাদের বিজ্ঞাপন পলিসি এবং তাদের ওয়েবসাইটে রেস্ট্রাকচার কে রেসপন্সিবল করে তৈরি করতেছে যেন তাদের ইউজাররা সার্ভিস এখান থেকে পেতে পারে। কিন্তু তারা পাশাপাশি বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ইউজারদের জন্য কাস্টম সেটিংস সবসময় সক্রিয় রাখতে চেষ্টা করে যেন তাদের ইউজার কাস্টম সেটিং ব্যবহার করে তাদের বিজ্ঞাপনগুলো অপটিমাইজ করতে পারে। কিন্তু পরামর্শ হচ্ছে আপনি যখন কাস্টম সেটিং ব্যবহার করবেন এই ক্ষেত্রে আপনার এক্সপেরিয়েন্স যদি ভালো না থাকে তাহলে আপনি ভালো বিজ্ঞাপন রান করতে পারবেন না। সুতরাং আপনার জন্য আমাদের পরামর্শ হলো আপনি সবসময় রেস্পন্সিভ সেটিংস রয়েছে সেটা আপনি ব্যবহার করুন। যেন আপনার বিজ্ঞাপনটি সকল ডিভাইসের সাথে এডজাস্ট হয়ে যায়।

সোশ্যাল মিডিয়া এডভার্টাইজিং মাধ্যম ব্যবহার করতে চেষ্টা করুন:

আমরা বলেছিলাম 70 পারসেন আরো বেশি মানুষ এখন মোবাইলের মাধ্যমে ইন্টারনেট চালাতে ভালোবাসে। এজন্য আমরা আপনাদের যে পরামর্শটি দিব সেটা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়াতে বিজ্ঞাপন চালু করার জন্য। কেননা বর্তমানে ফেসবুক টুইটার ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম জনপ্রিয়। এই মিডিয়াগুলোতে বর্তমানে মানুষ দিনে তিন থেকে চার ঘণ্টা ব্যয় করে। সোশ্যাল মিডিয়া তে বিজ্ঞাপন পরিকল্পনা তখন মোবাইল ফ্রেন্ডলি বিজ্ঞাপন আপনি চেষ্টা করবেন। আপনি যদি ডেক্সটপ বা ট্যাবলেট ডিভাইস গুলোর জন্য বিজ্ঞাপন করে থাকেন তাহলে হয়তো আপনি ভালো ফলাফল এখান থেকে পাবেন না। এজন্য বুদ্ধিমানের কাজ হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য অবশ্যই মোবাইল ডিভাইস পছন্দ করা।

মোবাইল ফ্রেন্ডলি কন্টেনড লিখতে সময় ব্যয় করুন:

আপনি অনলাইন বিজনেস করেন তার মানে নিশ্চয়ই আপনার ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল একটি ওয়েবসাইট রয়েছে। যে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি আপনার ইন্ডাস্ট্রি পরিচালনা করেন। আমরা সবাই জানি প্রতিটি ওয়েবসাইটের মূল সম্পদ হচ্ছে কনটেন্ট। সুতরাং যখন আপনি কনটেন্ট লিখবেন তখন মোবাইলের জন্য আপনার কনটেন্ট গুলো অপটিমাইজ করুন।

ভয়েস সার্চের জন্য অপটিমাইজ করুন:

বর্তমানে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট নামের একটি টুল মোবাইলের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। এই গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট ব্যবহার করে মানুষ ভয়েস সার্চের মাধ্যমে যেকোনো কনটেন্ট খুঁজে পেতে চেষ্টা করে। আপনার ওয়েবসাইটকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বা আপনার অনলাইন ব্যবসা কে এগিয়ে নেওয়ার জন্য একাধিক ট্রাফিক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুযোগ থাকতে কখনো আপনার ট্রাফিক হারানো উচিত নয় এই জন্য আপনাকে আপনার কনটেন্ট গুলোকে ভয়েস সার্চের জন্য অপটিমাইজ করতে হবে।

এই আর্টিকেলটি আমরা পরবর্তীতে আরো অপটিমাইজ করবো। এখানে অনেকগুলো বিষয়ে আমরা এড়িয়ে গিয়েছি দ্রুত আর্টিকেলটি লিখার জন্য। আসলে মোবাইল মার্কেটিং জটিল একটা বিষয়। আমরা পরবর্তীতে মোবাইল মার্কেটিং এর এই কনটেন্টে আরো অপটিমাইজ করব। যেন আপনারা সহজে বুঝতে পারেন। এখানে কি কি ভুল হয়েছে যদি আপনারা বুঝতে পারেন, সেই ভুলগুলো অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন। এখানে যে টিপস শেয়ার করা হয়েছে এগুলো আপনাদের কেমন লেগেছে সেটা আমাদেরকে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না।

bd blog writer

একজন ইলেক্ট্রিক্যাল বিষয়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সবসময় টেকনোলজি কে অগ্রাধিকার দিতে ভালোবাসি। প্রযুক্তির সাথে এগিয়ে যেতে ও নিজেকে সবসময় আপডেট রাখার জন্য নিয়মিত প্রযুক্তিগত জ্ঞান নিজে অর্জনের পাশাপাশি অন্যদের সাথে শেয়ার করাতে ভালো লাগে। সময় পেলে প্রযুক্তি, ব্যবসা, মার্কেটিং বিষয়ে লিখতে চেষ্টা করি। পেশা যাই হোক, তা হতে লাভবান হতে চাইলে ব্যবসা ও মার্কেটিং জ্ঞান আবশ্যক।

কমেনট বাক্সে আপনার মতামত লিখে জানান